ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অ্যাম্বলুন্সে চালক বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন রোগী ও স্বজনের।
জানা গেছে, বকুল মিয়া ২০০৮ সালে সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক হিসেবে যোগদান করেন। এর পর কয়েক দফায় তাকে বদলি করা হয়। সম্প্রতি ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে তিনি আবারো সদর হাসপাতালে যোগদান করেন। এরপর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বকুল মিয়া নিজে অ্যাম্বুলেন্স না চালিয়ে অধিকাংশ সময় তার ছেলের দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালান। কোনো সংকটাপন্ন রোগীকে দূরে রের্ফাড করলে তিনি ওই রোগীর স্বজনদের সঙ্গে মোটা অংকের ভাড়া চুক্তি করে অন্য অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন। নিজের তিনটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে তার। যা নিয়ম বর্হিভূত। এছাড়াও হাসপাতাল এলাকায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স চালকদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। যাদের দ্বারা প্রতিনিয়িত হয়রানির শিকার হচ্ছেন রোগ ও স্বজনেরা।
আরাফাত হোসেন নামের এক রোগীর স্বজন বলেন,‘আমার বোন সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকায় রের্ফাড করে। পরে আমারা সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় যাওয়ার জন্য সাড়ে আট হাজার টাাকায় ভাড়া করি। হাসপাতাল থেকে কিছু পথ যাওয়ার পর দেখি অ্যাম্বুলেন্স চালক বুকুল মিয়া গাড়ী বন্ধ করে বসে আছে। আধা ঘন্টা পর ঢাকার একটি হাসপাতালের আ্যাম্বুলেন্সে আমাদের তুলে দেয়। পওে জানতে পারি ওই অ্যাম্বুলেন্স চালককে তিন হাজার টাকা দিয়েছেন বকুল মিয়া।’
অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক বকুল মিয়া।
এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ এসেছে। আমরা ঊর্ধতন কতৃপক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’