দামুড়হুদায় হাজার হাজার মানুষের চোখের জলে শেষ বিদায় নিলেন চুয়াডঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোঃ আলী আজগার টগর ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলী মুনছুর বাবু’র বড় ভাই ডাঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি ঢাকার ল্যাবএইট হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্চাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীর্ঘ দিন থাকার পর গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।
তিনি তার হাজার হাজার ভক্ত বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ৫ম পুত্র। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল (৬০) বছর। গত মঙ্গলবার বিকালে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ডাঃ রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন ।
তার মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সাংসদ সদস্য এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার সেলুন, চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সাংসদ সদস্য এমপি হাজী মোঃ আলী আজগার টগর, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খাঁন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজাদুল ইসলাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মঞ্জু, চুয়াডাঙ্গা সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম টোটন, দর্শনা পৌরসভার মেয়র আতিয়ার রহমান হাবু, দর্শনা নাগরিক কমিটিরি সদস্য সচিব গোলাম ফারুক আরিফসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ডাঃ রফিকুল ইসলাম এর জন্ম। পারিবারিক জীবনে ডাঃ রফিকুল ইসলাম বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ডাঃ রফিকুল ইসলাম এলাকার উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা থাকার কারণে এখানকার মানুষের কাছে স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে থাকবে। এছাড়া তিনি বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহায়তা দেওয়াসহ সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় ।