এখানে অনুশোচনার মতো কিছুই নেই, হাসিনা চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে নুসরাত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী সরকারের পতনের পর সুবিধাভোগী বিনোদন জগতের তারকাদের অনেকেই বেশ বিপাকে পড়েন। এর মধ্যে কিছু তারকা আছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করা কিংবা বিভিন্ন সময়ে তার প্রশংসা করার জন্য সমালোচিত হয়েছেন।

বিশেষ করে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় কাজ করার সুবাদে কয়েকজন শিল্পীকে বেশ সমালোচনার মধ্যে পড়তে হয়। তাদেরই একজন ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। শেখ হাসিনা চরিত্রে অভিনয় করার পর যে সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি, তা নিয়ে প্রথমবার কথা বললেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করার কারণে অনুশোচনায় ভোগেন? এ প্রশ্নের উত্তর ফারিয়া ইংরেজিতে দেন, যার বাংলা করলে দাঁড়ায়— ‘আমি বলতে চাই, এখানে অনুশোচনার মতো কিছুই নেই। আমরা শিল্পীরা সাড়ে ৫টায় ঘুম থেকে উঠে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি। এর পেছনে অনেক শারীরিক পরিশ্রম যায়। মুজিব সিনেমার জন্য ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল— এই ৫ বছর আমি একই লুকে নিজেকে মেইনটেইন করেছি। চুলে কোনো রঙ করিনি, কালো চুল নিয়ে ঘুরেছি এই চরিত্রটির জন্য। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শারীরিক ওজনের মধ্যে থাকতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি বলতে চাইছি— এই সিনেমার জন্য আমি আমার জীবনের দীর্ঘ ৫ বছর দিয়েছি। ফলে সেই কাজটিকে নিয়ে যদি অনুশোচনা করি, তাহলে আমার পেশাকেই অপমান করা হবে।

নুসরাত বলেন, ‘এই সিনেমার জন্য আমি যে পরিস্থিতি পার করেছি বা এখনো করছি, তা আমার ভাগ্যে লেখা ছিল বলেই মনে করি। এটা খণ্ডানোর ক্ষমতা আমার ছিল না। একটি দেশের সরকারি পর্যায় থেকে কোনো কাজের প্রস্তাব এলে তা নিজের অত পছন্দ না হলেও মানা করা যায় না।’

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তখন কানাডাতে কিছু শো করতে গিয়েছিলাম। ভুল সবসময়ই ভুল। তাই আমার মনে হয়েছে, তখন আমি ছাত্রদের পক্ষে পোস্ট করেছি। আমার সামাজিক মাধ্যমে ঘাটলে সেটি দেখতে পাবেন।’

নুসরাত ফারিয়া ‘জ্বিন-৩’ সিনেমা নিয়ে ঈদে আসছেন। এরই মধ্যে এ সিনেমার ‘কন্যা’ গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে দর্শক থেকে শুরু করে তারকাদের।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে পুলিশের অভিযানে এক আসামি গ্রেফতার

মেহেরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত থেকে আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই এক জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত হলেন আশরাফপুর পূর্বপাড়ার রফিজুল ইসলামের ছেলে মোঃ রাসেল।

গ্রেফতাকৃতকে আদালতে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।




স্টাম্প ভেঙেও আউট নন নারাইন, কি বলছে নিয়ম

আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই ঘটে গেছে অদ্ভূত এক ঘটনা। অসাবধানতাবশত ব্যাট দিয়ে স্টাম্প ভাঙতে দেখা গেছে সুনীল নারাইনকে। অথচ, হিট আউট হতে হয়নি তাকে। কেন আউট দেওয়া হলো না নারাইনকে, কী বলছে নিয়ম?

বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ম্যাচে ২৬ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন নারাইন। তবে তিনি আউট হতে পারতেন ১৮ রানেই। ১৬ বলে তখন ১৮ রানে ব্যাট করছেন এই ক্যারিবীয় ওপেনার। ইনিংসের অষ্টম ওভারে বেঙ্গালুরুর পেসার রাসিখ সালাম চতুর্থ বলটা করেছিলেন শট লেংথ ও অফ স্টাম্পের খানিকটা বাইরে দিয়ে। খেলার চেষ্টা করেননি নারাইন। বল চলে যায় উইকেটকিপার জিতেশ শর্মার গ্লাভসে। উচ্চতার কারণে লেগ আম্পায়ার সেটিকে ওয়াইড দেন।

এরপরই ঘটে ঘটনাটি। অবসাবধানতাবশত ব্যাট পেছনে আনার সময় নারাইনের ব্যাট স্টাম্পে লেগে বেল পড়ে যায়। জ্বলে ওঠে বেলের জিং লাইট। বেঙ্গালুরু ফিল্ডার টিম ডেভিড ও বিরাট কোহলি হিট আউটের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু আম্পায়ার সাড়া দেননি। যা নিয়েই জন্মেছে কৌতুহল। কোন নিয়মে নারাইনকে আউট দিলেন না আম্পায়ার। কি বলছে নিয়ম?

ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) ৩৫.১.১.২ থেকে ৩৫.১.১.৪ ধারায় বলা আছে, একজন ব্যাটসম্যান তখনই হিট আউট হবেন, যখন তিনি প্রথম রান নেওয়ার জন্য দৌড় শুরু করতে গিয়ে উইকেট ভাঙবেন অথবা বল ছেড়ে দেওয়ার পর তৎক্ষণাৎ উইকেট ভাঙবেন অথবা বলকে স্টাম্পে লাগা থেকে বাঁচাতে গিয়ে উইকেট ভাঙবেন।

যার কোনোটিই করেননি নারাইন। তাছাড়া স্টাম্প ভাঙার আগেই বল উইকেটকিপারের হাতে চলে যাওয়ায় ডেড হয়ে গিয়েছিল বলটি। আম্পায়ারও ওয়াইড কল করেছিলেন। যে কারণে হিট আউট দেওয়া হয়নি নারাইনকে।

তবে আম্পায়ারের দেওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক হতে পারত আরও। যদি ম্যাচের মোড় ঘুরে যেত নারাইনকে আউট না দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত কিংবা ম্যাচটা হেরে যেত বেঙ্গালুরু। শেষ পর্যন্ত সেটি হয়নি। কেকেআরের ১৭৪ রানের টার্গেট ২২ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় বেঙ্গালুরু।

সূত্র: যুগান্তর




মুজিবনগরের বিদ্যাধরপুরে যুবকের পা ভাঙলেন সেনাসদস্য, থানায় মামলা

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিদ্যাধরপুর গ্রামে তৌহিদ নামের এক যুককের উপর হামলা চালিয়ে তার পা ভেঙে দিয়েছে সাজিদ আহসান সাজু নামের এক সেনাসদস্য।

এ বিষয়ে মুজিবনগর থানায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সেনাসদস্যসহ তার পরিবারের চারচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনার পরপরই তিনি ছুটি শেষ হওয়ার আগেই কাজে যোগ দিয়েছেন নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা করছেন। তবে তার মোবাইল ট্র্যাক করলেই সত্যতা পাওয়া যাবে বলে অভিযোগকারীরা দাবী জানিয়েছেন।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে তৌহিদের পরিবারকে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তারা একটি জমি ভোগ দখল করে আসছিলেন। সেই জমিতে নতুন করে তারের বেড়া নির্মাণ করতে গেলে প্রতিবেশী লুৎফর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (৫৫), মোস্তাক হোসেন, মোস্তাক হোসেনের ছেলে সেনাসদস্য সাজিদ আহসান সাজু (৩০), মোঃ রাজু (৩৫), মোঃ রাকিব (২৫)।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১ মার্চ সকাল ৮টার দিকে মোছাঃ মেরিনা খাতুনের স্বামী মোঃ আফজালুল হক স্থানীয় দুই শ্রমিকের সাহায্যে তারের বেড়া বাঁধার কাজ শুরু করেন। তখন ১ নম্বর আসামি আব্দুল কুদ্দুস এসে কাজে বাধা দেন ও গালিগালাজ করেন। পরে ২ মার্চ সকাল ৭টার দিকে পুনরায় বেড়া বাঁধার কাজ শুরু হলে আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে এসে বেড়া ভেঙে ফেলেন এবং প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন।

এ সময় তৌহিদ ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় সেনা সদস্য সাজু লোহার শাবল দিয়ে তৌহিদের বাম পায়ে আঘাত করে, যার ফলে তার হাড় ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুজিবনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল রেফার্ড করে। পরে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তৌহিদের মা মেরিনা খাতুন জানান, আসামিরা এলাকায় প্রভাবশালী এবং বিভিন্নভাবে তাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।

তবে, অভিযুক্ত সেনাসদস্য সাজিদ আহসানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মুজিবনগর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সেনাসদস্যর বিষয়ে সেনানিবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




চুয়াডাঙ্গায় নামাজরত অবস্থায় ছেলের হাতে পিতা খুন

চুয়াডাঙ্গা সদরে ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। অভিযুক্ত পুত্রকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পলাশপাড়ায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দোদুল হোসেন (৫৩) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পলাশপাড়ার মৃত কাজী আফাজ উদ্দিনের ছেলে ও ইতালি প্রবাসী ছিলেন ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুজ্জামান খালেদুর রহমান জানান, দোদুল হোসেন তার পুত্রকে মোবাইল ফোনে গেম খেলতে নিষেধ করেন। ছেলে রিফাত এর কাছ থেকে পিতা তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়।

এতে রিফাত ক্ষিপ্ত হয়ে পিতা নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় পিছন দিক থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে পুলিশ আটক করেছে। এখনো পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তারেক জুনায়েত বলেন, আহত ব্যক্তির শরীরে চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।




কোটচাঁদপুরে ৫ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলো বিএনপি

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে গত ১৯ শে মার্চ পৌর শহরে ২ নম্বর ওয়ার্ডে চুলার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ৫ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

আজ শনিবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। নগদ অর্থ প্রদান করেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল।

সে সময় উপস্হিত ছিল, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সভাপতি এস.কে.এম সালাহ উদ্দীন বুলবুল সিডল, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা জুলফিকার আলী রাজা, উপজেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ভাুইয়া, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা টিপু,

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশারাফুজ্জামান খান মুকুল, সদস্য সচিব মাহফুজ আলম মামুন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান সিদ্দিক, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ তুফান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শান্ত, পৌর ছাত্র দলের সদস্য সচিব ফজলে রাব্বি প্রমূখ।

এসময় বিএনপি সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




বিয়ের বাজার করে বাড়ি ফেরা হলো না প্রবাস ফেরৎ যুবকের

বিয়ের বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত আলগামনের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাগর মিয়া (২৪) নামের এক সৌদি প্রবাস ফেরত এক যুবক হয়েছেন।

আজ শনিবার দিবাগত রাত ৮ টার দিকে মেহেরপুরের গাংনী-কাথুলি সড়কের চৌগাছা এতিম খানার সামনে এই সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাগর মিয়া গাংনী উপজেলার (কুঠি) ভাটপাড়া গ্রামের তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত সাগর মিয়া গাংনী বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে ভাটপাড়াতে ফিরছিলেন। চৌগাছা এতিমখানার অদুরে নাবিল ফার্নিচারের কাছে একটি পাখিভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আলগামনের মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে সাগর মিয়া রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে মারাত্বক আহত হন। তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাগর মিয়া বিয়ে করার উদ্যেশ্যে গত ৪ দিন আগে ২ মাসের ছুটি নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। ঈদের পরের দিন গাংনী উপজেলার রাজনগর গ্রামে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আজ বিকালে তিনি গাংনী বাজারে নিজের বিয়ের কিছু বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে।




দর্শনায় নির্মমভাবে মেছো বিড়াল হত্যা, একজন গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা গ্রামে নির্মমভাবে মেছো বিড়াল হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে বাকি দুইজন এখনো পলাতক রয়েছে।

তিন যুবক মিলে ট্যাটা (ফালা) দিয়ে আঘাত করে বন্যপ্রাণীটি হত্যা করে, যা মোবাইলে ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার সময় কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা গ্রামে মানিকদোয়া রাস্তার পাশে মোঃ আলমগীর হোসেন (৩০) (পিতা: শহিদুল ইসলাম), মিন্টু (পিতা: হারুন কাল্টা) এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম (পিতা: ইমান আলী) মিলে একটি মেছো বিড়ালকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
তারা ট্যাটা (ফালা) দিয়ে আঘাত করে বন্যপ্রাণীটিকে হত্যা করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে।

পরবর্তীতে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই নির্মম ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তারা আশা করছেন, দোষীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ যেন আর না ঘটে, সে জন্য প্রশাসন আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ০৪নং কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ০৪নং ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ্ মোঃ ফরহাদ হোসেন ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা বন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

এরপর শনিবার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), উপজেলা বন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলের পাশে মেছো বিড়ালটি দাফন করা হয়।

একই সময়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোঃ আলমগীর হোসেন (৩০) কে গ্রেপ্তার করে। তবে বাকি দুই আসামি মিন্টু ও সাইফুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, “বন্যপ্রাণী হত্যা একটি গুরুতর অপরাধ। এই ধরনের নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

উপজেলা বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এখনো পলাতক রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”

উল্লেখ্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী, কোনো বন্যপ্রাণী হত্যা বা ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

পুলিশ ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। এদিকে, পরিবেশবাদী ও প্রাণীপ্রেমীরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।




মেহেরপুরে প্রস্তাবিত হজ্ব যাত্রীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

মেহেরপুরে তাতাসা হজ্ব ও ওমরাহ কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে প্রস্তাবিত হজ্ব যাত্রীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ মার্চ) বিকেল তিনটার দিকে শহরের মল্লিকপাড়া আঞ্চলিক অফিসে এ প্রস্তাবিত হজ্ব যাত্রীদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

তাতাসা হজ্ব ও মরাহ কাফেলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমঝুপি ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মোঃ মাহবুবু উল আলম।

ভেড়ামারা ল্যাব এইড সেন্টারে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক শাহজামালের সঞ্চালনায় বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাতাসা হজ্ব ও ওমরাহ কাফেলার  উপদেষ্টা ও চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ ও তাতাসা হজ্ব ও ওমরাহ কাফেলার উপদেষ্টা এবং নওদাপাড়া জামে মসজিদ খতিব হাফেজ মাওলানা আবুল হাশেম।




ঝিনাইদহে রুসাজের আয়োজনে ইফতার মাহফিল

ঝিনাইদস্থ রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এক্স-স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (রুসাজ)’র আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের জেএফসি রেস্টুরেন্টে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। রুসাজের ইফতার কমিটির আহ্বায়ক এ.এস.এম সোহেল মাহমুদ সাজুর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুসাজের আহ্বায়ক মোঃ আমজাদ হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান লিটন, কেসি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বি.এম. রেজাউল করিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইফতার কমিটির সদস্য সচিব জাফর উদ্দীন রাজু।

এসময় রুসাজের ইফতার মাহফিলে অন্যান্য সদস্যের মধ্যে মোঃ সেলিম রেজা, মোঃ শাহানুর আলম, সুরভী আফরোজ, সাইফুন নাহার ইরা, মোঃ আসাদুজ্জামান, মোঃ সাইদুর রহমান, মোঃ নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক কে এম সালেহ, অধ্যক্ষ সাইদুল আলম, অধ্যক্ষ জে এম রবিউল ইসলাম , জাহিদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেএফসি রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী ও রুসাজের নির্বাহী সদস্য রফিক আহমাদ ওয়াইজ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান তেলওয়াত করা হয়। কোরান তেলওয়াত করেন মোঃ ফখরুল ইসলাম। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যানে দোয়া পরিচালনা করেন রাবিয়ান আমিরুজ্জামান রবি। ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ শেষে কফি আড্ড অনুষ্ঠিত হয়। কফি-চক্র অনুষ্ঠানে প্রানবন্ত আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে রুসাজ কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সাবেক রাবিয়ান দের সাথে যোগাযোগ, খেলাধুলা, ঈদপুণর্মিলনীসহ বিবিধ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

রুসাজের আহবায়ক আমজাদ হোসেন উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ ্জ্ঞাপন করে আগামীতে সকল প্রোগ্রামে আরও বেশী উপস্থিতি কামনা করেন।