মুজিবনগরের গড়তে ইয়ুথ পিস এ্যাম্বাসেডর গ্রুপ গঠনের সভা অনুষ্ঠিত

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুব সমাজকে সম্প্রীতির পথে এগিয়ে নিতে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ইনিশিয়েটিভ (MIPS) প্রকল্পের অধীনে ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপ (ওয়াই.পি.এ.জি) গঠনের জন্য একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর ) সকালে মুজিবনগরের পর্যটন মোটেলের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুজিবনগরের পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের সমন্বয়কারী মো: ওয়াজেদ আলী খানের সভাপতিত্বে এবং তারই সঞ্চালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য ও গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করেন এমআইপিএস প্রকল্পের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এস.এম. রাজু জবেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সভার সভাপতি মো: ওয়াজেদ আলী খান, এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মো: আশরাফুজ্জামান।

সভায় পিস এম্বাসেডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবুল হাসান , শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন প্রতিনিধি মো. খাইরুল বাশার , শিক্ষিকা ঝরনা খাতুন, মুজিবনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুন্সি ওমর ফারুক, সাংবাদিক মো হাসান মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া ছাত্রদল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ছাত্র প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীরাও অংশগ্রহণ করেন। সকলের মতামতের ভিত্তিতে ছাত্রদলের যুগ্ন সম্পাদক মো রিয়াজ সেখকে ওয়াই.পি.এ.জি কো-অর্ডিনেটর এবং সহ-সমন্বয়কারী হিসেবে মুজিবনগর ব্লাড গ্রুপের ও পলাশি পাড়া সংগঠনের সভাপতি মোছা: মুক্তা খাতুনকে এবং নাদিম আনজুম বিন রেজাকে নির্বাচিত করা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০ সদস্যের ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপ (ওয়াই.পি.এ.জি) কমিটি গঠন করা হয়। উপস্থিত সবাই শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন এবং শপথ গ্রহণ করেন। রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও নৃগোষ্ঠীগত সহিংসতা নিরসনে ওয়াই.পি.এ.জি পিএফজির সাথে একযোগে কাজ করবে, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সকল জনগণকে সম্প্রীতির পথে এগিয়ে নেবে এই প্রতিজ্ঞায় সভা শেষ হয়।




মুজিবনগরে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মুজিবনগরে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষক জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করার লক্ষে সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষক-সমাবেশের অংশ হিসাবে মুজিবনগরের দারিয়াপুর ইউনিয়নে কৃষক-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্প্রতিবার বিকালে দারিয়াপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আয়োজনে পুরন্দরপুর মোড়ে কৃষকদলের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দারিয়াপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি রিপন আহম্মেদের সভাপতিত্বে উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান লিটন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, মেহেরপুর জেলা কৃষকদলের আহব্বায়ক মাহাবুব রহমান, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুজিবনগর উপজেলা কৃষকদলের আহব্বায়ক আরমান আলী, সদস্য সচিব কুন্নত মিয়া, মোনাখালী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ইউনূচ আলী, দারিয়াপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান, মুজিবনগর উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক আবুল হাসান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাবেদ সেনজির।

কৃষক সমাবেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া বাংলার কৃষকদের উন্নয়নের জন্য যেসব কার্যক্রম করেছিলেন সেই সব উন্নয়ন মূলক তথ্য তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লেখা একটি পত্র উপস্থিত কৃষকদের মাঝে পাঠ করে শোনানো হয়।

সেই সাথে তৃণমূলের কৃষকরা তাদের সমস্যার কথা, তারেক রহমানের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য সমাবেশে তুলে ধরেন।




ঝিনাইদহে দাফনের ৬১ দিন পর স্কুল ছাত্র সোহানের লাশ উত্তোলন

লাশ দাফনের ৬১ দিন পর আদালতের নির্দেশে ঝিনাইদহে সোহান (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রর লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মেফতাহুল হাসানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ সদর উপজেলার নগরবাথান গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে সোহানের লাশ উত্তোলন করে। সোহান ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। গত ১৮ সেপ্টম্বর ঢাকায় রহস্যজনক মৃত্যু হয় সোহানের। ২১ সেপ্টম্বর ময়না তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে সোহানের লাশ একটি মহল ঝিনাইদহের নগরবাথান গ্রামে দাফন করে।

লাশ দাফনের পর সোহানকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রচার হলে ঝিনাইদহ সদর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তার পিতা শহিদুল ইসলাম ৮জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শরীফ লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য আবেদন করলে ঝিনাইদহ সদর আমলি আদালতের বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
সোহানের মা সুন্দরী খাতুন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে নগরবাথান গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সাকিব (২৭)। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়।

মামলার বাদী শহিদুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সাকিব ও তার অজ্ঞাত বন্ধুরা সোহানকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঢাকার পূর্বাচলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহিদুল ইসলাম ছেলেকে বাড়িতে ফেরার জন্য ফোন করলে সোহান জানায়, সে খুব ঝামেলায় আছে। এরপর সোহানের পিতা সাকিবকে ফোন করে। এ সময় ফোন ধরে সাকিব গালিগালাজ করে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে সোহানের পিতাকে ফোন করে জানানো হয় সোহান হাসপাতালে।

খবর পেয়ে সোহানের পিতা হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান সাকিবের দুই ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা খাতুন সেখানে উপস্থিত। সোহানের পিতা আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে থাকতেই সাকিবের পিতা আব্দুল আজিজ তাকে ফোন করে কোন ঝামেলা না করার জন্য হুমকি দেন তার মোবাইল ফোনে।

এছাড়াও সাকিবের ফুফা আরব আলী তাকে শিখিয়ে দেন পুলিশ গেলে আমি যেন তাদের বলি সোহান দুর্ঘটনায় মারা গেছে।
গ্রামবাসি জানায়, আসামী সাকিবের ফুফু ডায়রি খাতুন ও আরজিনা ঢাকায় মানুষের দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির ব্যবসা করে। এই অপকর্ম করে তারা ইতিমধ্যে ঢাকা ও ঝিনাইদহ শহরের একাধিক স্থানে বহুতল ভবন তৈরী ও জায়গা জমি কিনেছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝিনাইদহ গোয়েন্দা বিভাগের এসআই শরীফ জানান, আদালতে এ নিয়ে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। ফলে আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করা হচ্ছে। ময়না তদন্তের পর বোঝা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা-আল মামুন জানান, আমি আদালতের মাধ্যমে জানতে পারি সোহানের পিতা ৮জনকে আসামী করে ঝিনাইদহ আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেন।

এরই অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার সকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মেফতাহুল হাসানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ সদর উপজেলার নগরবাথান গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে সোহানের লাশ উত্তোলন করেছে। আর এটা সম্পূর্ণ আদালতের বিষয় এখানে আমার বলার কিছু নেই। এটা আদালতেই বিচার হবে।




ঝিনাইদহে ওয়ালটনের সুরক্ষা সহায়তা প্রদান

ঝিনাইদহে মৃত ক্রেতার পরিবারকে ওয়ালটনের সুরক্ষা সহায়তা হিসাবে নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের মুজিব চত্বর মোড় ওয়ালটন প্লাজার আয়োজনে মৃত কিস্তি ক্রেতা জেলার শৈলকুপা উপজেলার সাফখোলা গ্রামের আসমত আলী বিশ্বাসের স্ত্রী খাদিজা বেগমের হাতে আর্থিক সুবিধার নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ওয়ালটনের এরিয়া রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার সাগর আহমেদ। সেসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলার জাহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহ ওয়ালটন প্লাজার চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখা ব্যবস্থাপক এস এম সাদিক ই-নুর, ওয়ালটন প্লাজার এইচ এস এস সড়কের শাখা ব্যবস্থাপক তোতা মিয়া, এসএটিভি ও দৈনিক বণিক বার্তা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ, দৈনিক বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দৈনিক রানার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি বসির আহাম্মেদ, গ্লোবাল টিভির জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান জিকু, সংবাদ সারাবেলা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এম এইচ রুবেল, ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, আলমঙ্গীর হোসেন, হোন্ডা শোরুমের ম্যানেজার আঃ মতিন ও মৃত ক্রেতা আসমত আলী বিশ্বাসের স্ত্রী খাদিজা বেগমসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।




ঝিনাইদহে ভোক্তা আধিকার বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেলবাড়ীয়া আমেনা খাতুন কলেজ মিলনায়তনে ভোক্তা আধিকার বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ” আইনের যথাযথ প্রয়োগই পারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করতে”।

গতকাল বুধবার জাতীয় ভোক্তা আধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ঝিনাইদহ জেলা কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে কলেজর অধ্যক্ষ মহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা পিপিএ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ভোক্তা আধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু।

মডারেটরের দয়িত্ব পালন করেন কলেজের প্রভাষক সাজ্জাদুল ইসলাম মিটু এবং সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস সালাম। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ঝিনাইদহ দুঃখী মাহমুদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক এম এ কবীর, ঝিনাইদহ পৌর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ পারভিন ও মিয়াকুন্ডু মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সওকত হোসেন। প্রতিযোগিতায় বিপক্ষ দল বিজীয় হয় এবং মারিয়া আক্তার তামান্না শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়।

অন্যান্য বিতার্কিকরা ছিলেন কামরুন্নাহার, আরিফা খাতুন, মৌসুমি আক্তার, রুপা খাতুন ও ফুরকানুল ইসলাম। বিজয়ী দল এবং শ্রেষ্ঠ বক্তাসহ সকল বিতার্কিককে পুরস্কৃত করা হয়।




দামুড়হুদায় শীতের আগাম প্রস্তুতি! লেপ-তোষকের দোকানে ভিড় 

শীত নিরাময় করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দারা আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ প্রস্তুতি নিতে উপজেলার লেপ-তোষকের দোকান গুলোতে ভীড় জমতে লক্ষ্য করা গেছে। ভীড়কে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে কারিগর সহ দোকান মালিকদেরকে।

দামুড়হুদা,উপজেলার প্রায় সকল লেপ- তোষকের দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকতে দেখা গেছে কমবেশি।কেউ যাচ্ছে ওর্ডার দিতে, আবার কেউ যাচ্ছেন নিদিষ্ট একটা মাপ দিয়ে কেমন মজুরি পড়বে জানতে। অবশ্য এবছরে অন্যআন্য মালামালের সাথে সাথে বেড়েছে লেপ তোষক তৈরির ব্যবহারের পন্য সামগ্রি।সেজন্য লেপের কাপড়, ফোম, মজুরির দামটাও একটু বেশি বলে বিক্রতা সহ ক্রেতাদের দাবি।

উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের জয়রামপুর কাঁঠাল তলা বাজারের লেপ ব্যবসায়ী আলী আজগার জানান, আমি প্রায় ২০ বছর ধরে  এ পেশায় নিয়োজিত। এবার শীতে দোকানে প্রচুর পরিমাণে মানুষের ভিড় হচ্ছে, কিন্তু দাম একটু বেশি হাওয়ায় কাস্টমার ফিরে যাচ্ছে।

গত বারের তুলনায় এবার মালা মালের দাম বেশি,যে তুলা কিনতাম ১২০ টাকা কেজি সেই তুলা কিনতে হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি,আর যে কাপড় কিনতাম ৩০ টাকা গজ, এখন কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা গজ,সুকলা কিনতাম ২০ কেজির ব্যাল্ট ৪০০ টাকা এখন কিনতে হচ্ছে ৭০০ টাকায়। তিনি আরো বলেন, কারিগরদের আগে লেপ প্রতি হাজিরা দিতে হতো ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, এবছরে দিতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

কারিগর করিম হোসেন বলেন, আমি ১০ রকমের লেপ তোষক তৈরি করতে পারি। সিঙ্গেল লেপ বিক্রি করছি সর্বনিম্ন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা, ডাবল লেপ ১৫০০/৩০০০ টাকা। কিন্তু জিনিসের দাম একটু বেশি হাওয়ায় গতবারের তুলনায় এবার একটু বেচাকেনা কম হচ্ছে।

জয়রামপুর গ্রামের ডালিম হোসেন বলেন, আমি তিন টা লেপ তোষক অর্ডার দেওয়ার জন্য দোকানে গিয়ে ছিলাম কিন্তু এবারে দাম অনেক বেশি বলছে, দোকানদার বলছে আমরা কি করিবো যেমন দামে জিনিস পত্র কিনছি তেমন দামে বিক্রি করছি। তিনি আরো বলেন গত বছরে যে তোষক কিনে ছিলাম ১.৫০০ টাকায় এবার কিনতে হচ্ছে ২.৫০০ থেকে ৩.০০০ টাকায়।




মুজিবনগরে সু-প্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতি লিঃ ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা

“সমবায়ে গড়ব দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ ” এই স্লোগান কে সামনে রেখে মুজিবনগরে সুপ্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতি লি: ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় গুডনেইবারর্স বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপি এর বল্লভপুর প্রজেক্টর অফিস এবং সু-প্রতিবেশী মহিলা সমবায় অফিস প্রাঙ্গনে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানে সু প্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতি এর সভাপতি রেহেনা খাতুন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল ইসলাম।

সু-প্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাবানা খাতুন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর উপজেলা সমবায় অফিসার মাহবুবুল হক, জেলা উপসহকারী নিবন্ধকক এনামুল হক, উপজেলা সহকারী পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান, গুডনেইবারর্স মেহেরপুর সিডিপি এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রিফাত আল মাহমুদ, সমবায় সমিতির কো- অপারেটিভ অফিসার রিয়াজউদ্দিন, গুডনেইবারর্স মেহেরপুর সিডিপি এর ফেসিলেটর মেহেদী হাসান, সমবায় সমিতির সম্পাদক আঞ্জুয়ারা খাতুন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সমবায় সমিতির ১৫৭৩ জন সদস্য মধ্য এবং চলতি অর্থবছরের ১৪৫৮ জন সদস্যদের মাঝে বার্ষিকী হিসাব-নিকাশ লাভ লোকসান তুলে ধরেন সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাসিমা খাতুন।




গাংনীতে ফেনসিডিলসহ স্কুল শিক্ষক আটক

মেহেরপুরের গাংনীতে ১৫ বোতল ফেনসিডিলসহ স্বপন আলী নামের এক স্কুল শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে গাংনীর বামন্দী ইউনিয়নে নিশিপুর সড়কে তাকে আটক করা হয়। এসময় শিক্ষক স্বপন আলীর মোটরসাইকেল তল্লাশী করে ১৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃত স্বপন আলী ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও কাজীপুর গ্রামের মৃত নবীর উদ্দিনের ছেলে।

গাংনী থানা পুলিশের এএসআই কালাম বলেন, বামন্দী নিশিপুর এলাকায় ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিশিপুর এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করা হয়। এসময় ১৫ বোতল ফেনসিডিল ও পাচার কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ বাণী ইসরাইল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত স্বপন আলীকে মাদক মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।




মুজিবনগরে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন

মুজিবনগরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপি এর আয়োজনে গুডনেইবারর্স এর স্পন্সর প্রাপ্ত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার সময় গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস প্রাঙ্গনে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপকরণ বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর উপজেলা সমবায় অফিসার মাহবুবুল হক, জেলা উপসহকারী নিবন্ধকক এনামুল হক, উপজেলা সহকারী পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান, গুডনেইবারর্স মেহেরপুর সিডিপি এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রিফাত আল মাহমুদ, সু- প্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতির কো- অপারেটিভ অফিসার রিয়াজউদ্দিন, গুডনেইবারর্স মেহেরপুর সিডিপি এর ফেসিলেটর মেহেদী হাসান, সু- প্রতিবেশী মহিলা সমবায় সমিতির সভাপতি রেহেনা খাতুন।

গুডনেইবার মেহেরপুর সিডিপি উপজেলার সুবিধাভোগী ১২১০ জন শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা পাঁচটি কলম পাঁচটি একটি প্লাস্টিকের বুক সেলফ ২ লিটার সয়াবিন তেল ২ কেজি আটা এবং এক কেজি মসুর ডাল প্রদান করা হবে।




রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার মারা গেছেন

একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার মারা গেছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে পাপিয়ার মৃত্যু হয়।

সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী সারোয়ার এ আলম। এসময তিনি বলেন, পাপিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে চিকিৎসক তার লাইফ সাপোর্ট খুলে মৃত ঘোষণা করেছেন। ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে জানাজা করে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

পাপিয়া সারোয়ারের জন্ম বরিশালে, ১৯৫২ সালে ২১ নভেম্বর। ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্র অনুরাগী পাপিয়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ছায়ানটে ভর্তি হন। পরে তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে ভর্তি হন। ১৯৬৭ সাল থেকে বেতার ও টিভিতে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে গান করেন তিনি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন।

১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে ভারতে যান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনিই প্রথম ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে সেখানে স্নাতক করার সুযোগ পান। তার আগে তিনি ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সনজীদা খাতুন ও জাহেদুর রহিমের কাছে গানের দীক্ষা নেন।

তার প্রথম অডিও অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮২ সালে। অ্যালবামটির নামও ছিল শিল্পীর নামেই, ‘পাপিয়া সারোয়ার’। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ‘আকাশপানে হাত বাড়ালাম’ প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে।

দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে রবীন্দ্রসংগীতের জন্য কোটি শ্রোতার ভালোবাসা পাপিয়া সারোয়ার পেয়েছেন। তার ব্যতিক্রমী কণ্ঠ, গায়কির প্রশংসা ছিল সংগীতাঙ্গনে। আধুনিক গানেও আছে তার সাফল্য। ‘নাই টেলিফোন নাই রে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে আপামর বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দিয়েছে।

পাপিয়া সারোয়ার ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। ২০২১ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। পাপিয়া সারোয়ার জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন একসময়।

১৯৯৬ সালে ‘গীতসুধা’ নামে একটি গানের দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বরেণ্য এই সংগীতশিল্পী।

সূত্র: ইত্তেফাক