জেফার কি অ্যালেন স্বপনের ’বৈয়াম পাখি’

গানে গানে অ্যালেন স্বপন এমন বাসনার কথা জানালেও তা একদম নাকচ করে দিয়েছেন সংগীতশিল্পী জেফার রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমি বৈয়াম পাখি নই’। গানে গানে এই দ্বন্দ্ব হয়তো থাকবে আরও কিছু দিন। আসছে ঈদুল ফিতরে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে সিরিজটি মুক্তির পর পরিষ্কার হতে পারবেন দর্শক-শ্রোতারা।

গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) বিকালে প্রকাশ পেয়েছে চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন ২’-এর গান ‘বৈয়াম পাখি ২.০’। নতুন ভার্সনের এই গানটির মাধ্যমে চরকি আনুষ্ঠানিকভাবে জানালো সিরিজটিতে যুক্ত হয়েছেন জেফার রহমান। তিনি শুধু গানটিতে কণ্ঠই দেননি, সেই সঙ্গে অভিনয়ও করেছেন। এর আগে চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘মনোগামী’তে অভিনয় করেন এ সংগীতশিল্পী। এবার প্রথমবারের মতো তাকে দেখা যাবে সিরিজে।

চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন ২’-এর গান ‘বৈয়াম পাখি ২.০’ এবং চরিত্রটি নিয়ে আগে থেকেই জানা ছিল গায়িকা জেফার রহমানের। নির্মাতা শিহাব শাহীন যখন অভিনয়ের জন্য তাকে প্রস্তাব দেন, তখন আর বেশি ভাবতে হয়নি গায়িকাকে, রাজি হয়ে যান।

জেফার রহমান বলেন, ‘ইন্টারেস্টিং চরিত্র হলে আমি অবশ্যই অভিনয় করতে রাজি।’ কিন্তু তিনি যেহেতু গানের মানুষ, তাই গানকে বাদ দিতে পারেননি। ‘বৈয়াম পাখি ২.০’ গানে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি।

গানটি মূলত ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ সিরিজের ‘বৈয়াম পাখি’ গানের নতুন ভার্সন। প্রথম গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন অ্যালেন স্বপন চরিত্রে অভিনয় করা নাসির উদ্দিন খান। নতুন ভার্সনে তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন জেফার রহমান। খৈয়াম শানু সন্ধির সুর ও সংগীতায়োজনে গানটি লিখেছেন খৈয়াম শানু সন্ধি, ম্যাক্স রহমান ও শেখ কোরাশানী।

গানে জড়িত হওয়ার প্রসঙ্গে জেফার রহমান বলেন, ‘গানটি একজন গ্যাংস্টারের কণ্ঠে শুনেছে সবাই। সেখানে তার বেপরোয়া ভাবটা উঠে এসেছে। এবার তাকে একজন চ্যালেঞ্জ করছে এবং তিনি একজন নারী। ব্যাপারটা ভালো লেগেছে, সে জন্যই গানটিতে যুক্ত হওয়া।’

উল্লেখ্য, স্টপ মোশনের ধারণা থেকে বানানো অ্যানিমেশন দিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘বৈয়াম পাখি ২.০’-এর ভিডিও। টুডি, থ্রিডি অ্যানিমেশনের কাজও আছে এখানে। গানটির সুর ও কথার মতো ভিডিওটিও দর্শকদের মজা দেবে বলে মনে করে চরকি কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালে মুক্তি পায় ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’-এর প্রথম সিজন।

সূত্র: যুগান্তর




চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ

সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রী সৈয়দ মোনালিসা ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে বিগত বছরগুলোতে এশিয়া মহাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম চিৎলা ভিত্তি পাটবীজ খামারটি নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও চুরি করে খামারটি দেওলিয়া করার অভিযোগ উঠেছে যুগ্ম পরিচালক (জেডি) মোর্শেদুল ইসলাম।

পতিত স্বৈরাচার সরকারের পতন হলেও বহাল তবিয়তে তার দূর্ণীতি, অর্থলোপাট ও অপকর্মচালিয়ে আসছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রীর এই দোসর।

খামারটিতে টেন্ডার বিহীন গাছ কেটে সাবাড়, বিনা টেন্ডারে ড্রেন নির্মাণের নামে অর্থ লোপাট, রং করণ, বিচুলি, খড়, অবীজ আলু, ধান বিক্রি, চুরি করে বীজ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ, অতিরিক্ত শ্রমিক দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ, যন্ত্রপাতি মেরামতের নামে অর্থ লোপাট, জ্বালানি তেলের বরাদ্দ আত্মসাৎ, রাসায়নিক ও কীটনাশকের অর্থ আত্মসাৎ করে বিগত বছর গুলোতে কোটি কোটি টাকা পকেটস্থ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া টেন্ডারের নামে নিজের আত্মীয় স্বজনকে কৌশলে টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছে এই কর্মকর্তা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে অফিসের এক নারী অফিস সহকারির সাথে গোপনে অপকর্মের অভিযোগ।

গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারের ফলকর বাগান, পাটখড়ি ও নন সীড ধানের টেন্ডার নিয়ে এলাকার ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খামারের যুগ্ম পরিচালক মোর্শেদুল ইসলাম টেন্ডার নীতিমালা বহির্ভূতভাবে মনগড়া নিয়ম তৈরী করে পছন্দের লোককে টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার পন্থা অবলম্বন করছেন। এনিয়ে এলাকার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার নুর ইসলাম, নাজমুল হোসাইন ও ইমনসহ কয়েকজন জানান, চিৎলা পাটবীজ খামারে আজ টেন্ডার ছিলো। এতে এলাকার ব্যবসায়ী ও ঠিকাদাররা অংশগ্রহণ করেন। নিয়ম অনুযায়ী বেলা ১২ টার মধ্যে শিডিউল ড্রপ করতে হবে। আমরা সে অনুযায়ী শিডিউল ড্রপ করি। নিয়ম ছিল শিডিউল ড্রপ করার পর সবার উপস্থিতিতে বেলা সাড়ে ১২ টায় শিডিউল অপেন করা হবে। কিন্তু খামার কর্তৃপক্ষ হঠ্যাৎ করে একটা নোটিশ টাঙিয়ে দিয়ে আমাদেরকে বলে আজ আর শিডিউল অপেন করা হবে না।

আগামীকাল বুধবার অপেন করা হবে। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারি মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় কোন শিডিউল ড্রপ হয়নি। কিন্তু জেডি মোর্শেদুল আজ শিডিউল অপেন না করে, চুয়াডাঙ্গায় গিয়ে নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরেও অনৈতিক ভাবে শিডিউল ড্রপ করার পর, এখানে ফোন দিয়ে জানায় চুয়াডাঙ্গায় একটি শিডিউল ড্রপ হয়েছে। ইতিপূর্বেও উনি টেন্ডার নিয়ে এমন অনিয়ম করেছে। নিজের ঠিক করা লোক দিয়ে শিডিউলে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছে। পরে শিডিউল কাটাছেরা করে দাম কমিয়ে নতুন করে শিডিউল তৈরি করার মতো অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

খামারের শ্রমিকদের উপদেষ্টা শফিউর রহমান ট্রমা জানান, খামারের বর্তমান যুগ্ম পলিচালক সবসময় শেখ হাসিনার পরিচয় দিতেন। চুয়াডাঙ্গার সেলুন জোয়াদ্দারের পরিচয় দিতেন। আর সকল অনিয়ম ও দুর্নীতি করে পার পেয়ে যেতেন। এই খামারের বড় বড় গাছ উনি কেটেছেন আর বাড়ীর ফার্নিচার তৈরির জন্য চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে গেছেন। সেখানে তিনি গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। আর গরুর খাবার হিসেবে এই খামারে যত ধান চাষ হয়। তার সব বিচালি খামারের গাড়ী ব্যবহার করে কোন টেন্ডার ছাড়াই নিয়ে যান। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা থেকে তার আত্মীয়ের সারের দোকান থেকে নিম্নমানের সার ও বিষ নিয়ে আসেন।

তিনি মনে করেন এই খামার তার পৈত্রিক সম্পাতি। খামারের কেউ কিছু বললেই তাকে কাজ থেকে ছাটাই করা হয়। সে যোগদানের পরে শ্রমিকদের কাজও কমে গেছে। শ্রমিকদের কাজে না লাগিয়ে আগাছা পরিষ্কারের জন্য নিন্মমানের কীটনাশক প্রয়োগ করে জমির ফসল পুড়িয়ে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে জেডির বিরুদ্ধে। এই ঐতিহ্যবাহী খামারের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য বর্তমান যুগ্ম পলিচালককে এখান থেকে দ্রুতই অপসারণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরো জানান, খামারে আগের মতো উন্নতি না হলেও বর্তমানে যেটুকু হচ্ছে। তার আংশিক চুরি হয়ে যায়। আর এসকল অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সহযোগিতা করেন জেডি’র নিজস্ব নিয়োগকৃত নাজিম উদ্দিন নামের এক শ্রমিক।

স্থানীয়রা জানান, মোর্শেদুল ইসলাম খামারে যোগদানের পর থেকে অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের বীজ বিক্রি, টেন্ডার ছাড়া গাছ বিক্রি, গোপনে খামারের পুরানো গাড়ীর যন্ত্রাংশ বিক্রি, শ্রমিকদের ভুয়া বিল ভাউসার তৈরি ও টেন্ডার বানিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া কৌশলে তার নিজ এলাকা থেকে নাজিম উদ্দিন নামের একজনকে খামারে অঘোষিত জেডি নিয়োগ দিয়েছেন। তার মাধ্যমে খামারে বিভিন্ন অনিয়ম সংঘটিত হয়। শ্রমিকের ভুয়া তালিকাও সে তৈরী করে।

জানা গেছে, যুগ্ম পরিচালকের জন্য সরকার মাসিক বাসা ভাড়া দিলেও সে ভাড়া বাসায় না থেকে অবৈধভাবে খামারের অতিথি ভবন (রেস্ট হাউজ) ব্যবহার করে আসছেন। অতিথি ভবন নিজের বাসা হিসেবে ব্যবহার করলে তাকে প্রতি মাসে সরকারের নির্দিষ্ট ভাড়া পরিশোধ করার কথা থাকলেও তিনি কোন টাকা জমা দেননি। ফলে সরকারকে তিনি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে। এছাড়া বিনা কারনে সরকারকে বাবুর্চি, পাহারাদার এবং বিদ্যুৎ ও এসি বিল বাবদ গুনতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এছাড়াও সরকারি গাড়ী ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মোর্শেদুল ইসলাম সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে চুয়াডাঙ্গায় তার শশুরের এলাকায় গরুর ফার্ম করেছেন। তার এই অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে খামার এলাকার চিৎলা, জুগিন্দা, নিত্যানন্দপুর ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের সচেতন মহল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশও করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে তিনার অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রচার হলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এখন পর‌্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি।

এ ব্যাপারে জেডই মোর্শদুল ইসলামের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সব প্রশ্নের উত্তরে বলেন নো কমেন্টস।




‘কোপার ফাইনালে আর্জেন্টিনার পক্ষ নিয়েছিলেন ব্রাজিলের রেফারি’

বিশ্ব ফুটবলে চলছে আর্জেন্টিনার দাপট। সবশেষ আট মাস আগে হওয়া কোপা আমেরিকার ফাইনালেও শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে লিওনেল মেসির দল। এবার যা নিয়েই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। দলটির অধিনায়ক হামেস রদ্রিগেজের দাবি, ম্যাচ পরিচালনা করা ব্রাজিলিয়ান রেফারি হোদোলফো তস্কি আর্জেন্টিনার পক্ষ নিয়েছিলেন।

গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো সেই ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে লাউতারো মার্তিনেজের ১১২ মিনিটের গোলে লাতিন আমেরিকার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। এবার সেই ম্যাচেই পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনলেন রদ্রিগেজ।

আসরসেরার পুরস্কারজয়ী এই প্লে মেকার স্প্যানিশ সাংবাদিক এদু আগিরেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, বাড়তি সুবিধা পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।

তিনি বলেন, ‘কোপা আমেরিকা আমাদের দারুণ কেটেছিল। বাইরের কিছু ব্যাপার জড়িত না থাকলে আমরাই হয়তো জিততাম। ব্রাজিলিয়ান রেফারি (ভিএআর) হোদোলফো তস্কির অনেক বড় প্রভাব ছিল। তিনি একটি বা দুটি পেনাল্টি দেননি। আমার মতে, এটা খুবই পরিষ্কার ছিল।’

টুর্নামেন্টের সূচিতে আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রদ্রিগেজের, ‘আমরা এমন সব শহরে খেলেছিলাম, যেগুলো একটা থেকে অন্যটা অনেক দূরে। সে তুলনায় আর্জেন্টিনা অনেক কম ভ্রমণ করেছে। আমরা খুব ভালো ছন্দ নিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এসেছিলাম। ফাইনালে খুব ভালো খেলছিলাম। কিন্তু সব কিছু ওদের পক্ষে গেছে। আমি বলছি না, জয় ওদের প্রাপ্য নয়, তবে সত্যিটা হচ্ছে বাইরের প্রভাব ছিল এবং সেটাই আমাদের পিছিয়ে দিয়েছিল।’

সূত্র: যুগান্তর




ধর্ষনের জন্য দায়ী কে! পোশাক নাকি সঠিক শিক্ষা!- সুখী ইসলাম

ধর্ষণ এখন যেন মহামারীতে রুপ নিয়েছে। ধর্ষণ মহামারি যেন করোনা ভাইরাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। ধর্ষণ এখন একটি নিত্যদিনের ঘটনা মনে হচ্ছে।

প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে কোথাও না কোথাও কোনো নারী, কোনো কিশোরী , কোনো শিশু ধর্ষিত হয়েছে।

টেলিভিশনের স্ক্রলে দশ মিনিট ধরে ধর্ষনের সংবাদ। কোন জেলায় কত জন ধর্ষণ হয়েছে। কোন জেলায় কত কম বয়সী শিশু ধর্ষণ হয়েছে। এ যেন অসভ্য জাতির নির্লজ্জ কর্মকান্ডের বহিঃপ্রকাশ।

ধর্ষণ কেন মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে, তার কারণ অনুসন্ধান জরুরি। অপরাধবিজ্ঞানী, সমাজকর্মীরা গভীর অনুসন্ধান, গবেষণা করলে হয়তো ধর্ষণের প্রকৃত কারণ বের করতে পারবেন।

তবে, ধর্ষণের কিছু কারণ সাধারণ নাগরিকের খালি চোখেও ধরা পড়ে। যদিও এদের মধ্যে মতবিরোধ, বিভক্তি রয়েছে। একপক্ষ ধর্ষণের জন্য কেবল পুরুষকে দায়ী করছে, অন্যপক্ষ দুষছে নারীর পোশাককে। প্রথম পক্ষের অভিযোগে সিংহভাগ সত্যতা মিললেও দ্বিতীয়পক্ষের দাবি ষোলো আনাই অন্তঃসারশূন্য; এর কারণও স্পষ্ট।

পোশাক নাকি মানসিকতা দায়ী, তার বিচার করতে হলে আরেকটি বিষয় না বললেই নয়। আচ্ছা, বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের ঘটনা অনেক সময়ই উঠে আসে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, আরও বহু দেশে শিশু ধর্ষণ নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু শিশু ধর্ষণ হয় কেন? শিশুরা মিনি স্কার্ট পড়ে থাকে বলে ? শিশু বাচ্চাদের দেখেও কী মনের মধ্যে কামনার সৃষ্টি হয়? তাহলে কী জন্মের পর থেকেই শিশু বাচ্চাদের পা পর্যন্ত আলখেল্লা পড়িয়ে রাখতে হবে? নাকি নিজের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে?

৭১ এর যুদ্ধে পাকিস্তানিরা এবং রাজাকাররা যে হাজারো মা-বোনকে ধর্ষণ করেছে , এ সব কী পোশাকের কারণে? ৭১ এ কী তারা মিনি স্কার্ট পরে ঘুরে বেড়াতো ? নাকি নিজেদের ভোগী মানসিকতার খোরাক মিটাতে জানোয়ারগুলো ধর্ষণ করতো?

পোশাকই যদি ধর্ষণের মূল কারণ হবে, তাহলে আরব দেশগুলোতে কেন ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যেখানে সবাই বোরখা পড়া? খারাপ মানসিকতা সৃষ্টির জন্য আপনি নারীর অর্ধনগ্ন পোশাককে দায়ী করছেন?

একটু পিছনে ফিরে তাকায়, তনুকে যখন ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো , তখনো বাংলাদেশের ধর্মান্ধরা অপপ্রচার চালিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলো যে তনুর ধর্ষণের জন্য তনুর পোশাকই দায়ী।

কিন্তু তনুর ছবিগুলো তখন সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে সে বোরখা পরিহিতা ছিল। কতটা নির্লজ্জ মানসিকতা হলে একটি মৃত মেয়ের উপর মিথ্যে দোষ চাপানো যায় ভাবতে পারেন? কিংবা কিছু দিন আগে যে ছয় বছরের শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো তার কথাই বা কী বলবেন? আছিয়ার ক্ষেত্রেও কি পোশাকের দোষ? এমন নিচ মানসিকতার বলেই তো ধর্ষণ সম্ভব, পোশাকের কী দোষ!?

নারী ধর্ষণে যদি পোশাকে ত্রুটি খোঁজেন তাহলে কোলের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মহিলা, কিশোরী, রাস্তার ধারের মানসিক ভারসাম্য হারানো কিছু না বোঝা মেয়েটি সহ কেউই রেহাই পাচ্ছে না ধর্ষণের হাত থেকে। ঘরে-বাইরে সব জায়গায়ই যেন যৌনতার আশায় নারীকে ভোগ করার লালসায় থাকছে পুরুষরা। তারা যেন জঙ্গলের হিংস্র পশুর চেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত হয়ে ঘুরছে আমাদের চারপাশে। আর তাদের ক্ষুধা রক্ত-মাংসে গড়া নারীর শরীরের প্রতি।

কখনো এই ধর্ষণের পেছনে থাকছে চেনামুখের অচেনা হিংস্রতা কখনো-বা অচেনা মুখের হিংস্রতা! তাদের লালসা মেটানোর সময় সামনে কাকে ভোগ করছে, সেটা ভাবার সময়ও তাদের নেই। সম্পর্কে হতে পারে বাবা মেয়ে।

যেন এই সমাজ এবং রাষ্ট্র এক ধর্ষণের মহামারী আকার ধারণ করছে। নারীর মূল্যবান সম্পদ সতীত্বকে হরণ করে সমাজে নারীর সম্ভ্রম হারিয়ে ও সামাজিকভাবে নারীকে হেও প্রতিপন্ন করার পৈশাচিক খেলায় মত্ত হয়েছে পুরুষ।

ধর্ষণ এই ছোট শব্দটির অর্থ এতটাই বড় বিশাল।যে এর গ্লানি বর্ণনা করলে সারা জীবনেও শেষ হবেনা।বা শব্দটির ক্ষতিপুরনও সম্ভব না।ধর্ষণ একটি অমার্জনীয় অপরাধ। এটি একজন মানুষকে খুনের অপরাধের চেয়েও কম বলে বিবেচিত হওয়া উচিত নয়।

আজকাল হাতের মুঠোয় স্মার্ট ফোনের কল্যাণে পর্ন দেখছে। স্বপ্নে পর্ন নায়িকার সাথে যাচ্ছে স্বপ্নসর্গে । বাস্তবে তার দেখা নেই। এসবের কারণে, মানুষ সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। পর্ন দেখা বা মেয়ে মানুষের শরীর পাওয়া একেবারেই অসামঞ্জস্য থেকে তাদের বানিয়ে দিচ্ছে ‘ধর্ষক’। তাদের ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই বললেই চলে। অথচ ধর্ষণ করে খুন করতে দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে না।এদের কাছে মেয়ে মানুষ যে বয়সেরই হোক না কেন তারা শুধু একটি ‘অবজেক্ট’। মানুষ নয়। তাদের মাথায় একটাই পোকা নারী মাত্রই ভোগের সামগ্রী। তাদের ভোগ করো, খুন করো, অত্যাচার করো।তা যে বয়সেরই হোক না কেন। কোনও ব্যাপার না।

আমাদের অন্যায্য সমাজে ধর্ষকরা নন্দিত, ধর্ষিতারা নিন্দিত।ধর্ষণের সমস্ত দায় ভার, সমস্ত লজ্জা,অপমান আর উপহাস ধর্ষিতার উপর।
ধর্ষণ ধর্ষিতার মেধা,বল,আশা,স্বপ্ন, লক্ষ্য ও সম্ভ্রমকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়। শারীরিক ধর্ষণের পর ধর্ষিতার শুরু হয় মানসিক ধর্ষণ।পত্রিকার পাতায় কলামে,থানায় পুলিশের ডায়েরীতে,আদালতে উকিলের অসভ্য জেরায়।দিনের পর দিন ধর্ষিত হয় পাড়ার বুড়োদের চায়ের আড্ডায়,ছোড়া ছোকড়াদের মুখে মুখে কিংবা পাড়াতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে। ধর্ষিতা শিশু, কন্যা নারীরা বেঁচে গেছে তাই অবহেলা করে মা বাবা। ভাই বোনেরা ঘৃণা করে।পাড়া প্রতিবেশিরা দিনের পর দিন তার চরিত্রের কুলশতা এবং পঙ্কিলতা নিয়ে খোটা দেয়।ধর্ষিতা মেয়েটার সঙ্গ ত্যাগ করে বান্ধবীরা।জীবনটা বিভীষিকা বানিয়ে দেয়।আর ধর্ষক কলার উঁচু করে ঘুরে বেড়ায়।চায়ের দোকানে বিড়ি ফু্ঁকে কিংবা অলিতে গলিতে বন্ধুদের সাথে ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে থাকে ধর্ষণের সময় সে কী কী করেছে।ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে ইরোটিক সুখ অনুভব করে।

ধর্ষিতার ধর্ষণ যেন দান্তের নরকে প্রবেশের ওয়ান ওয়ে টিকিট। আত্মহত্যা না করলে আমরণ হেঁটে যেতে হবে নরকে।জলজ্যান্ত নরক থেকে মুক্তির আশায় অনেক ধর্ষিতা মেয়েই আত্মহনন বেছে নেই।

নারী যদি ছালার বস্তা পরে ঘরের কোণায়ও বসে থাকে পুরুষের শকুন চোখ বস্তার ফাক ফোকর দিয়ে দেখে নিবে নগ্ন শরীর।এই সব শকুনের চোখ উপড়িয়ে ফেলতে হবে সমাজ থেকে।

আমি কোন ধর্ষকের বিচার চাইনা কারণ কারও বিচার হয়নি।বিচার হয়নি আড়াই বছরের শিশু, আফসানা,বিচার হয়নি তনুকিংবা বিউটি কারও শেষ পর্যন্ত বিচার হয়নি।বিচার হবেও না আছিয়ার।
বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর সম্ভ্রমহীনতার সনদ বোঝা নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে এরা।শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে বিচার।

লেখক: কবি ও সাহিত্যিক




মেহেরপুরে ওয়ার্ড বিএনপি’র কর্মী সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল

বিএনপি’র চেয়ারপারর্সন খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফেরাত কামনায় মেহেরপুরে ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র কর্মী সম্মেলন, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে শহরের ঘোষপাড়ার মোড়ে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপি’র সদস্য ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান।

জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মিজান মেননের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য আনছারুল হক, ওমর ফারুক লিটন, এম এ কে খায়রুল বাসার ও রোমানা আহমেদ।

এছাড়াও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজমুল হোসেন মিন্টু, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকাবিল্লাহ, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আনিসুল রহমান লাভলু, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রিপন, জেলা যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনাসহ ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।




মুজিবনগরে এএসসি পরিক্ষার্থীদের বাড়িতে ইউএনও

মুজিবনগরে আসন্ন এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে এবং তাদের পড়াশোনার অগ্রগতির খোঁজখবর নিতে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল।

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সন্তানদেরকে পড়াশোনা করার জন্য উৎসাহ প্রদান করতে বলেন।

নির্বাহী অফিসার বলেন, আপনারা হলেন আপনার সন্তানদের আদর্শ শিক্ষক আপনারা যদি সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি অবহেলা করেন তাহলে আপনার সন্তানরা কখনোই ভালো রেজাল্ট করতে পারবে না। তাই আপনারা আপনাদের সন্তানদের প্রতি যত্নশীল হবেন। তাদেরকে পড়াশোনার সময় মোবাইল ব্যবহার করতে দিবেন না অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি করতেন দিবেন না। সবসময় সন্তানদের চলাফেরার পথে নজর রাখবেন আর তাদেরকে উৎসাহিত করবেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন তোমরা জাতির ভবিষ্যৎ তোমরা শিক্ষিত হলে জাতি শিক্ষিত হবে। একটি আদর্শ সমাজ গঠন সহজ হবে। তুমি যদি ভালো রেজাল্ট করো তোমার পিতা মাতার মর্যাদা বাড়বে তোমার স্কুল এবং স্কুলের শিক্ষকদের সম্মান এবং মর্যাদা বাড়বে। তাই কয়েক দিন সময় আছে তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করো এবং ভালো রেজাল্ট করো এই প্রত্যাশা আমি করি তোমাদের চলার পথে কোন সমস্যা হলে তোমার শিক্ষকদের মাধ্যমে আমার কাছে বলবে। আমি সবসময় তোমাদের পাশে আছি। যে কোন প্রয়োজনে আমার কাছে আসবে আমি তোমাদের প্রয়োজন মিটানোর চেষ্টা করব।

এ সময় তিনি এসএসসি পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

এ সময় নির্বাহী অফিসারের সাথে উপস্থিত ছিলেন, মুজিবনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দিন আল আজাদ, গোপালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম।




গাংনীতে বৈষম্য বিরোধীর মামলায় আগাম জামিন পেলেন ২১ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী

গাংনীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের উপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় দুই দফায় ২১ আসামিকে ৮ সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

আজ বুধবার বিকালে হাইকোর্টের বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান এবং মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি ডিভিশন বেঞ্চ ৯ জন নেতাকর্মীকে ৮ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে মেহেরপুর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

এর আগে গতকাল ১৮ মার্চ একই বেঞ্চের বিচারক এই মামলার ১২ আসামিকে ৮ সপ্তাহের জামিন দেন।

আগাম জামিন প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহম্মেদ, রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সাকলায়েন সেপু, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পাশা, বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবাইদুর রহমান কমল, গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, গাংনী উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মেহেরপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মজিরুল ইসলাম মিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা শাহিদুজ্জামান শিপু, গাংনী পৌর যুবলীগের দফতর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন উজ্জল, সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লব হোসেন, রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ রাজু আহম্মেদ, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আশিকুজ্জামান পিন্টু, ওবাইদুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা ইয়ারুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট হুমায়ুন কবির।

উল্লেখ্য, গাংনী পৌর সভার চৌগাছা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক সেনা সদস্য জুলফিকার আলী ভূট্টোর ছেলে ইমন বাদী হয়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠণের ৩৫ জনকে এজাহার নামীয় ও ১০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯ সালের (সংশোধনী ২০১২) এর ৬(২)/৭(৫)/৭(৬)(ক)/৭(ক)(খ)/১০/১১/১২/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০২/২৪ ইং, গাংনী থানার মামলা নং ১১, তারিখ ১৯/০৮/২৪ ইং জিআর মামলা নং ২২৭/২৪ ইং। মামলাটি বর্তমানে আমলী আদালত গাংনীতে বিচারাধীন রয়েছে।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ বলেন, হাইকোর্টেও বেঞ্চে জামিনের জন্য আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক মামলার আসামিদের মধ্যে দুই দিনে ২১ আসামিকে ৮ সপ্তাহের অন্তবর্তিন জামিন দিয়েছেন।




মুজিবনগরের মোনাখালিতে ওয়ার্ড বিএনপি’র সম্মেলন ও ইফতার

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালি ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে মোনাখালি ইউনিয়নের আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিবপুরে এ সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাখালি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাইহান কবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য হাজী মশিউর রহমান।

মুজিবনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনারুল ইসলামের সঞ্চালনায় এছাড়াও এসময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক এস এম সালাউদ্দীন, জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিকু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামসহ মোনাখালি ইউনিয়নের ৪,৫ ও নং ওয়ার্ডের বিএনপির নেতা কমীবৃন্দ।

সম্মলনে বিএনপির সাধারণ কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে মোনাখালি ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসাবে সিরাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলুর রহমান নির্বাচিত হন।

৫ নং ওয়ার্ড শিবপুরের সভাপতি মিয়ারুল ইসলাম গাজী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোমিন, সাধারণ সম্পাদক আ: কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তি রহমান (ভনা) নির্বাচিত হন।

৬ নং ওয়ার্ড শিবপুর সভাপতি হিসাবে গরিবুল্লাহ সরদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ বিশ্বাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল গাজী নির্বাচিত হন।




ঝিনাইদহে বিল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহ সদরের সোনাদহ বিল থেকে আব্দুল লতিফ (৭৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে গোয়ালপাড়া গ্রামের মৃত আইনুদ্দিন মন্ডলের ছেলে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভোর রাতের দিকে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ির পাশের সোনাদহ বিলে মাছ ধরতে যায় আব্দুল লতিফ। এর পর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি।

পরে সকালে কৃষকরা বিলে তার মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেয়। সেসময় পুলিশ তার পরিবারের সহযোগিতায় মৃতদেহ উদ্ধার করে।

ওসি আরো জানান, মৃতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নি। ধারনা করা হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হতে পারে।




মানুষের কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে পিকআপ না বউ লাগবে

নিজের অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়ে দশর্কদের মন জয় করেছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব থাকেন। যেখানে নিজের ভালো লাগার বিষয় গুলো ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করে থাকেন।

বুধবার (১৯ মার্চ) শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, খোলা চুলে মিষ্টি হাসিতে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ধরা দিয়েছেন ফারিণ।

ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মানুষের কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে পিকআপ না বউ লাগবে।’ অভিনেত্রীর মিষ্টি হাসির এই ছবি দেখে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা বেশ প্রশংসা করেছেন।

শফিকুল ইসলাম সাগর নামে একজন লিখেছেন, অসাধারণ লাগছে, অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো। আল-আমিন লিখেছেন, চমৎকার হাসি খুব ভালোবাসি। মোহাম্মদ রাজ্জাক রাজ লিখেছেন, অসাধারণ হয়েছে হাসিটা। জ্যোতি নামে আরেকজন লিখেছেন, মাশাআল্লাহ হাসিটা অনেক সুন্দর আপু।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ‘আমরা আবার ফিরবো কবে’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় তাসনিয়া ফারিণের।

এরপর ২০১৮ সালে বিকাশের একটি বিজ্ঞাপনে তিনি মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে কাজ করেন। একই বছর তার অভিনীত ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড’ নাটকটি তাকে বেশ পরিচিতি এনে দেয়।

তারপর থেকে আর থেমে থাকেননি এই অভিনেত্রী। নিয়মিত নাটক ও ওয়েব ফিল্মেও দেখা গেছে তাকে। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অভিনয়ের দ্যুতি ছড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গেও।

সূত্র: যুগান্তর