সামরিক বাহিনীর সঙ্গে চুক্তি করল ওপেনএআই

মার্কিন প্রতিরক্ষা স্টার্টআপ অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য চুক্তি করেছে ওপেনএআই।

গত  বুধবার (৪ ডিসেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে, উভয় কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদীয়মান মানবহীন সিস্টেম এবং প্রচলিত মানুষ চালিত প্ল্যাটফর্মের বিপজ্জনক হুমকির কথা উল্লেখ করেছে।

এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিশেষত “কাউন্টার-আনম্যানড এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম (সিইউএএস)” এবং রিয়েল-টাইম প্রাণঘাতী হামলা শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে সক্ষম প্রযুক্তি তৈরিতে নজর দেবে। চুক্তির আর্থিক শর্তাবলী প্রকাশ না করা হলেও এটি মার্কিন প্রযুক্তিগত আধিপত্য ধরে রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চীনের বিরুদ্ধে এআই প্রতিযোগিতার ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে’ গৃহীত বলে জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, এই অংশীদারিত্ব বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান এআই কোম্পানি ওপেনএআই এবং শীর্ষ মার্কিন প্রতিরক্ষা স্টার্টআপ অ্যান্ডুরিলকে একত্র করেছে। অ্যান্ডুরিল মূলত সামরিক কাজে ব্যবহৃত ড্রোন, সেন্সর টাওয়ার এবং সফটওয়্যার তৈরি করে, যা শত্রু ড্রোনের আগাম শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে সক্ষম।

এর আগে সামরিক কাজে নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল ওপেনএআই। তবে জানুয়ারিতে সামরিক সহযোগিতার জন্য তাদের নীতিমালা পরিবর্তন করে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওপেনএআই জানায়, অ্যান্ডুরিলের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা প্রযুক্তি শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হবে।

ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান জানান, তার কোম্পানি নিশ্চিত করবে, নতুন এই প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

অন্যদিকে, নভেম্বরে ওপেনএআইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যানথ্রোপিক মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগকে এআই পরিষেবা দেওয়ার জন্য অ্যামাজন এবং প্যালান্টিয়ারের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। এসব অংশীদারিত্ব বড় প্রযুক্তি কোম্পানি, রক্ষণশীল রাজনীতি এবং সামরিক প্রযুক্তির মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে নির্দেশ করে।

অ্যান্ডুরিলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পালমার লাকি একজন ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থক এবং ইলন মাস্কের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি সামরিক ব্যবহারে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: ইত্তেফাক




দামুড়হুদায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল

ভারতের আগরতলাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে দামুড়হুদায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১ টার সময় দামুড়হুদা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা’র আয়োজনে দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বাসট্যান্ড চত্বরে এসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দামুড়হুদা থানা বিএনপি’র সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মোঃ রাসেদ হাসানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটির আহবায়ক আসলাম অর্ক, জেলা মুখ্য সংগঠক সজিব ইসলাম, জেলা সদস্য নাসিম বিশ্বাস, রাকিব হাসান, সবুজ ফাহাদ, রায়হান মোল্লা, রাব্বি সহ অসংখ্য ছাত্র ও তাওহীদি জনতা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের আগরতলাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ইসকন উগ্রবাদী একটি সংগঠন, এই সংগঠনটি স্বৈরাচারীর দোসর হিসেবে কাজ করছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা যখন পাঁচ তারিখে পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায় এবং পালানোর সাথে সাথে ওই উগ্রবাদী ইসকন সংগঠনের মাতা ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে। আর মাথা ব্যথা হওয়ার কারণে গোয়েন্দারা যখন বহিস্কৃত ইসকনের একজনক গ্রেফতার করলো তখন তারা চট্টগ্রামে আইনজীবীকে হত্যা করলো। আমরা আইন হাতে তুলে নিতে চাইনা। কিন্তু যদি আপনাদের বাড়াবাড়ি বেশী হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। আমরা ছাত্র জনতা যদি আবার জেগে উঠি তাহলে আপনাদের আর এদেশে জায়গা হবেনা। ধর্ম নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি হবেনা। ইসকন নামের এই উগ্রবাদী সংগঠনের চিরতরে বিলুপ্তি চাই। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে যখন দেশ থেকে বিতারিত করতে পেরেছি, তেমনি এ দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে এই ইসকনকে বাংলাদেশ থেকে চিরতরে বিতারিত করতে হবে। তাদেরকে পতিহত করা হবে। ভারতিয় আগ্রাসন ও ইসকনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তাদেরকে পতিহত করা হবে।




আসছে ‘প্রেম দিওয়ানা দাদি’

চিরসবুজ অভিনেত্রী দিলারা জামান। বয়স সংখ্যার গণ্ডি পেরিয়ে এখনো প্রাণবন্ত অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয় তিনি। দিলারা জামান অভিনীত ‘প্রেম দিওয়ানা দাদি’ নাটকটি শিগগিরই দেখতে পাবেন দর্শক।

এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসার হাস্যরসাত্মক গল্পে নির্মিত নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে বেশ আগেই। নাটকটি নির্মাণ করেছেন কামরুজ্জামান পুতুল।

নাটকের গুরুত্বপূর্ণ আরো দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবদুন নূর সজল ও অভিনেত্রী জারা জয়া।

নাটকটি প্রসঙ্গে দিলারা জামান বলেন, ‘অনেক আগেই এতে অভিনয় করেছি। কমেডি ঘরানার গল্পে খুব যত্ন নিয়ে কাজ করেছেন পরিচালক।’

শিগগির একটি ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি। এছাড়াও সম্প্রতি তিনি ‘জংলি’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এম রাহিম।

ষাটের দশক থেকে অভিনয়ের সাথে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে হয়েছেন সমাদৃত।

তার অভিনয় ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ‘ত্রিধরা’ ও ‘সকাল সন্ধ্যা’ নাটকে অভিনয় করে দর্শকনন্দিত হন। তারপর থেকে একের পর এক নাটক, সিনেমায় কাজ করেন এবং বর্তমান সময়েও সমান জনপ্রিয়।

দিলারা জামান ১৯৯৩ সালে শিল্পকলায় অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক পান। এছাড়া তিনি চন্দ্রগ্রহণ চলচ্চিত্রে ময়রা মাসী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০১০ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে- চাকা, আগুনের পরশমণি, ব্যাচেলর, মেড ইন বাংলাদেশ, চন্দ্রগ্রহণ, প্রিয়তমেষু, মনপুরা ইত্যাদি।

সদা হাস্যজ্জ্বল দিলারা জামান নিয়মিত তারুণ্যের মধ্যে মিশে থাকেন। বয়সের ক্লান্তি তাকে ছুঁতে পারেনি গুণী এ অভিনেত্রকে। এখনো তার নতুন কোনো কাজ এলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীরা সেটা চমক হিসেবে নেন।

সূত্র: ইত্তেফাক




বাংলার মাটিতে ১৪ দলের দোসররা কেউ রাজনীতি করতে পারবে না-রাশেদ খান

বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের দোসররা কেউ রাজনীতি করতে পারবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঝিনাইদহ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠন ও রাষ্ট্র সংস্কারে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

গণঅধিকার পরিষদ ঝিনাইদহ জেলার সভাপতি প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম আশিকুর রহমান, বিল্লাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের ঝিনাইদহ জেলার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কবির, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক ইকবাল ও রিহান উদ্দীন রায়হান। সভা পরিচালনা করেন ছাত্রঅধিকার পরিষদের নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

রাশেদ খাঁন বলেন, যারা ভারতে বসে নাটাই ঘুরায়, বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে নাক গলায়, দিল্লিতে বসে বাংলাদেশে কে ক্ষমতায় আসবে কি আসবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয় তাদের ষড়যন্ত্র আর কুট পরিকল্পনা রুখে দিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মোদির আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন আমরাই করেছিলাম। দিল্লির কসাই মোদীর হাতে মুসলমানদের রক্ত লেগে আছে। তাকে প্রতিহত করতে সেদিন গণঅধিকার পরিষদ মাঠে নেমেছিল এবং জেল জুলুমের শিকার হয়েছিল।

রাশেদ খাঁন বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দলকে বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। শুধু আওয়ামী লীগই নয়, জাতীয় পার্টিসহ ফ্যাসিষ্ট হাসিনার আশির্বাদপুষ্ট ১৪ দলের কোন নেতাকর্মীকে ডামি, মামি ও স্বতন্ত্র পদে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। খুনি হাসিনাকে গণহত্যা ও গণতন্ত্র হত্যার দায়ে ভারত থেকে ফিরিয়ে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাতে হবে। আর সরকার যদি হাসিনার দলের সঙ্গে সমঝোতা করে তাদের নির্বাচনের মাঠে নামায় তবে সরকারের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার হুসিয়ারী দেন তিনি। তিনি বলেন, হাসিনা তার দলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে ঘন ঘন অডিও ফাঁসের নাটক করছেন। এই নাটক বন্ধ করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক মাধ্যমে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার অডিও প্রচার বন্ধ করতে কঠোর ব্যবস্থা নিতে তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান।

রাশেদ খাঁন বলেন, কেউ স্বীকার না করলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুথানে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেছিলেন। তিনি সর্বশক্তি দিয়ে ছাত্রদের সামাজিক আন্দোলনকে রাজনীতিকরণ করে হাসিনা পতন আন্দোলন ত্বরান্বিত করেন। তারেক রহমান একটি ইতিবাচক চিন্তার জায়গা থেকে আমাকে (রাশেদ খাঁন) সহায়তা করতে ঝিনাইদহ বিএনপি নেতাদের চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা হাইকমান্ডের এই চিঠির মর্মার্থ বুঝতে ভুল করে আমাকে অসহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ঝিনাইদহ বিএনপি হাইকমান্ডের নির্দেশ মানছেন না। কার্যত তারা তারেক রহমানকেই মানেন না। তাহলে তারা কিসের দল করেন ? তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আমি এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। আমরা এমপি মন্ত্রী তৈরী করি, এমপি-মন্ত্রী বানায়। গণঅধিকার পরিষদ ছাত্র আন্দোলনের কারখানা। তারা ক্ষমতায় যেতে রাজনীতি করে না, পরিবর্তনের জন্য আমরা রাজনীতি করি। রাশেদ খাঁন বলেন, আমাকে সহায়তা করতে তারেক রহমানের এই চিঠি নিয়ে যারা নোংরা খেলায় মেতেছেন তার ছাত্র জনতার বিপ্লবে বিশ্বাস করে না। এমনটি করলে বিপ্লব ব্যার্থ হবে। ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটবে। তখন কেউ রেহাই পাবেন না। এ থেকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

রাশেদ খাঁন অভিযোগ করে বলেন, ঝিনাইদহে দখলবাজী, চাঁদাবাজী ও টেন্ডারবাজীসহ নানা অপরাধ চলছে। আমরা তো এসব করার জন্য বিপ্লব করিনি। এসব কর্মকান্ড চলতে দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখুন। কেউ হুমকী দিলে আমি রাশেদ খাঁন আপনাদের জন্য বুক পেতে দেব।




গ্লোবাল সুপার লিগে সৌম্যের ব্যাটে চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স

কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে গায়ানা থেকে সেন্ট কিটসের বিমানে চড়বে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডে রয়েছেন তিনি। তার রয়েছেন সঙ্গে রিশাদ হোসেন আর আফিফ হোসেনেরও। কিন্তু রংপুর রাইডার্সের খেলোয়াড় সংকটের কারণে বিসিবির বিশেষ অনুমতিতে ফাইনাল খেলেছেন এই তিন ক্রিকেটার।

যে কারণে থেকে যাওয়া, সেটি দারুণভাবেই কাজে লেগেছে সৌম্য ও রংপুরের জন্য। গায়ানায় গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনালে ভিক্টোরিয়াকে ৫৬ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর রাইডার্স। যে জয়ে ৫ ছক্কা ৭ চারে ৮৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন সৌম্য।

প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে রংপুর। অধিনায়ক নুরুল হাসানের এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বানিয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই ১২৪ রান এনে দেন সৌম্য ও স্টিভেন টেলর। ১৪তম ওভারের শেষ বলে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেলর আউট হলেও সৌম্যকে আউটই করতে পারেনি ভিক্টোরিয়া। ৩৩ বলে পঞ্চাশ ছোঁয়া এই বাঁহাতি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৫৪ বলে ৮৬ রান করে। সৌম্যর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি ২০তম ফিফটি। প্রথম সেঞ্চুরির স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে আরও একবার। তবে দিন শেষে হেসেছেন সৌম্যই। তাঁর ইনিংসই গড়ে দিয়েছে রংপুরের জয়ের ভিত্তি।

১৭৯ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৭ ওভারের মধ্যে ১ উইকেটে ৬৫ রান তুলে কক্ষপথেও ছিল অস্ট্রেলিয়ার দলটি। কিন্তু পরের পাঁচ ওভারের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৯ রানে পরিণত হয় ভিক্টোরিয়ার স্কোর। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। ১৮.১ ওভারে অলআউট হয় ১২২ রানে।

এই জয় রংপুরকে এনে দিয়েছে গ্লোবাল সুপার লিগের প্রথম আসরের ট্রফি আর রংপুরের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ট্রফি। এর আগে ২০১৭ সালে বিপিএল (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রংপুর।

৫ দলের গ্লোবাল সুপার লিগে লিগ পর্বে চার ম্যাচের প্রথম দুটিতেই হেরেছিল রংপুর রাইডার্স। নুরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন দলটিকে ভিক্টোরিয়াও হারিয়ে দিয়েছিল ১০ রানে। তবে শেষ দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স ও পাকিস্তানের লাহোর কালান্দার্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে শেষ পর্যন্ত ট্রফিতেই হাত রেখেছে রংপুর। ম্যাচসেরার পাশাপাশি মোট ১৮৮ রান করে টুর্নামেন্ট সেরাও হয়েছেন সৌম্য।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৭৮/৩ (সৌম্য ৮৬, টেলর ৬৮, মাডসেন ১০; ড্রেকস ১/২০)।

ভিক্টোরিয়া: ১৮.১ ওভারে ১২২ (ক্লার্ক ৪০, ম্যাকডোনাল্ড ১৬; হারমিত ৩/১৯, সাইফ ২/২১, মেহেদী ২/২০, রিশাদ ২/২৬)।

ফল: রংপুর রাইডার্স ৫৬ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ফাইনাল: সৌম্য সরকার।

প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট: সৌম্য সরকার।

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর ২টি ওয়ার্ডের অফিস উদ্বোধন

মেহেরপুর পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাত আটটার সময় টিএনটি রোড জামে মসজিদে সামনে মেহেরপুর পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

অফিস উদ্বোধন সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর মাওলানা মোঃ তাজউদ্দিন খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সেক্রেটারী ইকবাল হুসাইন, পৌর আমীর সোহেল রানা ডলার, পৌর সেক্রেটারী মনিরুজ্জামান

সৈয়দ মনজুরুল হাসান টুটুলের উপস্থাপনা আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ দুই ওয়ার্ডের অন্যান্য সদস্যরাও।




মেহেরপুরে রেড ক্রিসেন্টের সাবেক যুব প্রধানের বাড়ি থেকে ১৮৯ কম্বল উদ্ধার

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মেহেরপুর ইউনিটের সাবেক যুব প্রধান ও নির্বাহী সদস্য খন্দকার সামসুজ্জোহা সোহাগের বাড়ি থেকে ১৮৯ পিস কম্বল জব্দ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা।

আজ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এই অভিযান পরিচালনা করেন।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন এসব কম্বল দুস্থদের বিতরণের জন্য হলেও ব্যক্তিগত স্বার্থে আটকে রাখা হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, এক্সিকিউটিভ সদস্য খন্দকার সামসুজ্জোহা সোহাগের বাড়িতে কম্বল মজুত রয়েছে। এ তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তার বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে বিষয়টি জানালে, তারা নিজেরাই প্রথমে তিন বস্তা কম্বল বের করে দেন।

তবে, আরও কম্বল মজুত রয়েছে এমন সন্দেহ সৃষ্টি হয়। বাড়ির ভেতরে পাঁচটি সাব বাক্স দেখে সেটি খোলার অনুরোধ জানানো হয়। বাক্সগুলো খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে আরও ১০০টি কম্বল রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া এসব কম্বল জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। খন্দকার সামসুজ্জোহা সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বাড়িতে আসছেন বলে আর আসেন না।




চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গৃহবধূর প্রাণহানি

চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত গৃহবধূ মুক্তা খাতুন(৩২) চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার শেকড়াতলার মাঝের পাড়ার মাসুদ রানা রিন্টুর স্ত্রী। তার দুটি কন্যা সন্তান আছে। এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গত প্রায় এক মাসের কাছাকাছি সময় ধরে ডেঙ্গু পরিক্ষার কোন ডিভাইস নাই।

নিহত গৃহবধূ মুক্তা খাতুনের ভাই মনিরুল জানান, ১২ দিন আগে বোনটার জ্বর হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করি। সেখানে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এরপর হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চারদিন আগে জ্বর ভয়াবহ হলে কুষ্টিয়া মেডিকেলে নিই। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক ৪ ডিসেম্বর রাত্রে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করেন। ঢাকা মেডিকেলে দু’দিন ভর্তি ছিল। এরপর আজ শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, রোগীর ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আমরা মুক্তা খাতুন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেলে পাঠায়। তবে ডেঙ্গু জ্বরে তার লিভার ড্যামেজ হয়ে গিয়েছিল। এজন্য তিনি মারা গেছেন।

পৌরসভা এবং মহল্লাবাসীর অভিযোগ, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে মশক নিধন অভিযান নেই। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের কোন সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারনাও নেই। সদর হাসপাতালে ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যায় না।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ আমজাদুল ইসলাম জানান, জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কেউ হাসপাতালে আসলে তাকে প্রাথমিকভাবে এনএস ওয়ান পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিনা তা ধরা পড়ে। এরপর জ্বর ১ থেকে ৩ দিন সর্বোচ্চ ৫ দিন পর্যন্ত হলে আইজিজি এবং আইজিএম পরীক্ষা না করলে ডেঙ্গু পজিটিভ কিনা ধরা পড়ে না। গত ১৫ দিন হলো সদর হাসপাতালে আইজিজি, আইজিএম ডিভাইস শেষ হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত ৩ বার চাহিদা দিয়েও পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গত ১ মাসে ২৫৬ জন রোগী পরীক্ষা করানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ জন ডেঙ্গু পজিটিভ হয়েছে।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাসের সরকারী নম্বরটি বন্ধ পাওয়ার কারণে যোগাযোগ করা যায়নি।

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান বলেন, হাসপাতালের কোন বিষয় আমি জানি না। হাসপাতালের ওষুধ, পরীক্ষার ডিভাইস, রোগীর চিকিৎসা এটি তত্ত্বাবধায়কের দ্বায়িত্ব।

তবে  চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বর্তমানে ৯ জন ডেঙ্গু পজিটিভ রোগী ভর্তি রয়েছেন।




দর্শনায় মোটরসাইকেল মিস্ত্রী হেলালসহ আটক ২

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৬ টি সোনার বারের মত লোহার টুকুরো ও ২ লাখ ৩৪ টাকা চেক বই ৪টি মোবাইল ও একটি এ্যাপাচি মোটরসাইকেলসহ মিস্ত্রী হেলাল (২৮) ও সৌরভ (১৬) কে আটক করেছে।

আটককৃত হেলাল ও সৌরভ দর্শনা পৌরসভার রামনগর গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে সৌরভ পারকৃষ্ণপুর গ্রামের আশরাফুলের ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে দর্শনা বিওপির বিশেষ টহল কমান্ডার নায়েক মোঃ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর মেইন গেটের লিয়াকত আলী মার্কেটের দোকান নং-০৫, আব্দুল্লাহ আল আমিন অটো (হোন্ডা গ্যারেজে।

এ সময় বিজিবি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সীমান্ত পিলার ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ০৩ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের ভিতরে গ্যারেজ ও মোটরসাইকেল তল্লাশি করে। সে সময় বিজিবি তাদের কাছ থেকে ১২টি স্বর্ণের বারের মতো তৈরীকৃত লোহার টুকরো (সোনালী রং করা), ০৪টি স্বর্ণের বারের মতো তৈরীকৃত লোহার টুকরো (রং বিহীন), বাংলাদেশী নগদ ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৫০ টাকা, বিভিন্ন নামে ০৩টি ড্রাইভিং লাইসেন্স, ০১টি স্বর্ণ চোরাচালানে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলের খালি ব্যাটারি, ০৩টি মোটর সাইকেল এর নাম্বার প্লেট, ০১টি জনতা ব্যাংক এর চেক বই, ০১টি আইএফ আইসি ব্যাংক এর চেক বই উদ্ধার করেছে।

আটককৃত চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে দর্শনা বিওপি কমান্ডার জিয়াউর বাদি হয়ে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের করেছে।




কোটচাঁদপুরে বসত ঘর ভেঙ্গে রাস্তা করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বসত ঘর ভেঙ্গে রাস্তা করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আয়ুব হোসেন। আজ শুক্রবার সকালে কোটচাঁদপুরের জালালপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এ সম্মেলন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ভুক্তভোগী আয়ুব হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,ভুক্তভোগী আয়ুব হোসেনের পিতা,মাতা,ভাই ও বোনেরা।

তিনি বলেন,কোটচাদপুর উপজেলার ৫৩ নং জালালপুর মৌজার জমিতে আমাদের পৈত্রিক বসত বাড়ি। ওই
জমিতে আমরা দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছি। বেশ কিছু দিন ধরে ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ছবদুল বিশ্বাস ও তাঁর সহযোগীরা আমাদের ওই বসত ঘর ভেঙ্গে দিয়ে রাস্তা তৈরী করতে বিভিন্ন ধরনের বাহানা ও হুমকি ধামকি সহ মারপিটেরও ঘটনা ঘটিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন,ছবদুল বিশ্বাস ইতোমধ্যে আমাদের বসতবাড়ীর উত্তর পার্শ্বের ০৩ ফুট জমি দখল করেছেন। তৈরি করেছেন ওই দখল করা জমিতে গরুর ফার্ম। তিনি এখন ওই গরুর ফার্মের ময়লা আবর্জনা, গরুর মলমূত্র আমার বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় ফেলছেন। যাতে করে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছি আমরা। বিনস্ট হচ্ছে আমাদের ফলজ গাছসহ অনেক গাছগাছালি।

বিষয়টি নিয় পূর্বে বেশ কয়েকবার তাকে নিষের করা হয়েছে। তবে তিনি তা কর্ণপাত করেননি। এখন ছবদুল বিশ্বাস নির্দেশে তাঁর সহযোগী অহিদুল ইসলাম ও আহসান হোসেন মিলে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতেছেন। তারা এখন জোরপূর্বক আমার বসত ঘর ভেঙ্গে দিয়ে চলাচলের রাস্তা তৈরির পায়তারা করছেন।

আয়ুব হোসেন বলেন,ঘটনাটি আমরা জানার পর তাদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় তারা আমার ও আমার পরিবারের কয়েক জনকে মারপিট করেন। এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানায় অভিযোগ করা হয়। এতে করে ছবদুল বিশ্বাস ও তাঁর সহযোগীরা আমাদের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়। এরপেক্ষিতে তারা গেল ০২/১২/২০২৪ তারিখে রাত ১১.০০ ঘটিকার সময় তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে আমাদের বসত বাড়ি, রান্নাঘর, কবুতরঘর ভেঙ্গে দেন। কেটে দেন ফলজ ও বনজ গাছ-পাছালি।

এ সময় আমি কোটচাদপুর মডেল থানা ও তালসার পুলিশ ক্যাম্পে কল করা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনির কেউ কোন সহায়তায় এগিয়ে আসেনি। এরপর তারা আমাকে ঢিল দিয়ে আঘাত করেন। এতে আমি গুরুতর আহত হয়। পরে প্রাণভয়ে চিৎকার করে আমি বাড়ি থেকে পালিয়ে বের হয়ে যায়। এরপর তারা আমাকে খুঁজে বেড়ায় এবং বলেন যেখানেই পাইবে আমাকে সেখানেই শেষ করে দেবে।

বর্তমানে আমার ও আমার পরিবারের মানুষের প্রাণ সংশয় রয়েছে। এ কারন কোন উপায় না দেখে আমি আপনাদের সহায়তা কামনা করছি। আপনারা আপনাদের লেখনির মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সমাজের মানুষের মাঝে তুলে ধরেন। সাথে সাথে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ কামনাও করেছেন ভুক্তভোগী আয়ুব হোসেন।

এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য ছবদুল বিশ্বাস বলেন, ওই ঘটনা নিয়ে মিটিং চলছিল। এ সময় মিটিং থাকা কিছু ছেলেরা এ কাজটি করেছেন। যা করা তাদের ঠিক হয়নি। তবে ওই ঘটনার পুরো দোষারোপ তারা আমাকে করছেন।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন,ঘটনাটি আমি শুনেছি। এ ছাড়া তারা ওই ঘটনা নিয়ে থানায় একটা অভিযোগ ও করেছেন। আমি বিষয়টি দেখার জন্য ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগটি পাঠিয়েছি।