দর্শনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ফেনসিডিল ও মদসহ আটক ২

দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানার বিভিন্ন জায়গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান চালিয়ে ৩৬ বোতল ফেনসিডিল ও ৮৩ বোতল মদসহ দর্শনা হঠাৎ পাড়ার আব্দুল মালেকের ছেলে জুবায়ের (৩০)ও দর্শনা আনোয়ারপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে শিপন ইসলাম (২১)কে আটক করেছে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে চুয়াডাঙ্গার পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ১২ জন স্টাফ, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট আবিদ আহমেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ১৬ জন সদস্য সহ দর্শনা থানাধীন দর্শনা হঠাৎ পাড়া এলাকায় যৌথ অভিযান করে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জুবায়ের ও শিপন ইসলামকে ভারতীয় ৩৬ বোতল ফেনসিডিল ও ৮৩ বোতল ভারতীয় ব্লাক হান্টসহ তাদের বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

আসামীদের বিরুদ্ধে পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি মাদক আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। গতকালই তাদেরকে দুজনকে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট হাজতে সোপর্দ করেছে।




দর্শনায় আন্তঃনগর চিত্রা ডাউন সুন্দরবন আপ ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবীতে মানববন্ধন

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা হল্ট ষ্টেশনের চিত্রা ডাউন সুন্দরবন আপ ট্রেনের যাত্রাবিরতি দর্শনা পুরাতন আন্তজার্তিক আন্তঃ নগর ২ টি সাবেক লোকাল ট্রেনের বরাদ্দ এবং খুলনা-দর্শনা ডাবল লাইন স্থাপনা সহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১১টায় দর্শনা আন্তজার্তিক রেল ষ্টেশন চত্তরে দর্শনার জন্য আমরা ও দর্শনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে এই মানববন্ধনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২১ দিনের আল্টিমেট একটি ঘোষণা করে। দাবী না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দর্শনার জন্য আমরা সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল ইসলাম বাবু।

বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা চলাকালীন দক্ষিন পশ্চিমা অঞ্চলের রনাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠক এ্যাডভোকেট কমরেড মোঃ শহিদুল ইসলাম, দর্শনা সরকারী কলেজের সাবেক উপধাক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মজনুর রহমান, দর্শনা জামায়েতের পৌর আমির সাহিকুল আলম অপু, দর্শনা গন উন্নয়ন গ্রন্থগারের পরিচালক কবি সাহিত্যিক মোঃ আবু সুফিয়ান, দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক, ওসমান আলী, দর্শনা পৌর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম ওমিও, দর্শনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জেলা কমিটির যুগ্ন আহবায়ক তানভীর আহম্মেদ অনিক, দর্শনা সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা ইমরুল কায়েস, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল।




দর্শনা কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে আখের ফলন বৃদ্ধির লক্ষে আখচাষী সমাবেশ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে আখের ফলন বৃদ্ধি ও উন্নত কৃষিতাত্বিকের লক্ষে আখচাষী প্রশিক্ষণ ২০২৪ অনুষ্টিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১১ টার দিকে কৃষি বিভাগের আয়োজনে কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে আখ চাষিদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়।

এ আখচাষী প্রশিক্ষণে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর মহাব্যাবস্থাপক কৃষি আশরাফুল আলম ভৃইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফসিএমএ রাব্বিক হাসান।

এ সময় আখচাষীদের উদ্দ্যশে তিনি বলেন, আপনারা আখ চাষ করবেন ভালো জাতের বীজ লাগাবেন। আপনারা মাথায় রাখবেন একর প্রতি কেমন ফলন আসবে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাহলে বুঝতে পারবেন আপনারা আখচাষে লাভবান হচ্ছেন কিনা। আপনারা এ মিলটিকে টিকিয়ে রাখতে হলে আপনাদের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। তাই আপনারা হাত বাড়িয়ে দিলে আপনাদের কথা চিন্তা করে আমারা আরেক দফা আখের মৃল্য বৃদ্ধি করা যায় কিনা সে বিষয়ে আলোচনা করবো। আপনারা এ মিলটির পাশে থাকলে আগামীতে মিলটি আরও বেশিদিন চলবে। তাই আপনারা কিভাবে লাভবান হবেন সেদিকে খেয়াল রাখব সবসময়। পরিশেষে তিনি বলেন আপনারা মিলে যে আখ দিবেন অব্যশই পরিস্কার পরিছন্ন আখ দেবেন। এতে করে আপনাদের মিলটি ভালো চলবে। আপনাদের ভোগান্তি কম হবে এবং মিলটি ব্রেক ডাউন কম হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিজিএম সম্প্রসারণ মাহাবুবুর রহমান,কৃষিবিদ দেলোয়ার হোসেন,পৃর্ব সাবজোনের প্রধান মাহফুজ আলম রতন,পশ্চিম সাবজনের মোস্তাহিদুল ইসলাম, আখচাষীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শামীম আল হাসান, ফরিদ উদ্দীন, নিজাম উদ্দীন, মহাসীন আলী, ইন্তাদুল হক প্রমুখ।




মেহেরপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

অতি মুনাফালোভী দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের কারণে পেঁয়াজ ও আলুর দর বৃদ্ধি এবং আইনে নিষিদ্ধ খোলা ভোজ্য তেল বিক্রির প্রতিবাদে মেহেরপুরে মানববন্ধন করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

আজ সোমবার দুপুরে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ক্যাব মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক সহ ক্যাব নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাব সদস্য ও মেহেরপুর প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেন ইয়ামিন মুক্ত, ক্যাব গাংনী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, প্রভাষক রফিকুল আলম বকুল ও ক্যাব সদস্য প্রদীপ ও দিলারা জাহান প্রমুখ।

পেঁয়াজ ও আলু এবং ভোজ্য তেল এর বিষয়ে ভোক্তা অধিকার রক্ষা করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। প্রতিবাদী এই কর্মসূচিতে ক্যাব সদস্যরা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।




কুষ্টিয়ায় ইটভাটা মালিকদের ৬ লাখ টাকা জরিমানা

কুষ্টিয়ার মিরপুরে চারটি ইটভাটা মালিককে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় একটি ইটভাটায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলার মিরপুর উপজেলার তালবাড়ীয়া ইউনিয়নের চারুলিয়া ও বারুইপাড়া ইউনিয়নের আমকাঠালিয়া ও বলিদাপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের আমকাঠালিয়া এলাকার এমজেবি ব্রিকসের মালিক মাহবুব আলমকে দেড় লাখ টাকা, একেবি ব্রিকসের মালিক এনামুল হক কে দেড় লাখ টাকা, বলিদাপাড়া এলাকার এবি ব্রিকসের মালিক শাহীন আলীকে দেড় লাখ টাকা এবং এমআরবি ব্রিকসের মালিক শরিফুল ইসলাম মুকুলকে দেড় লাখ টাকা করে মোট ছয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও তালবাড়ীয়া ইউনিয়নের চারুলিয়া এলাকার, এএরএম ব্রিকসের ড্রাম চিমনি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট ও (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক হাবিবুল বাসার জানান, ‘ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ (সংশোধনী ২০১৮) অনুযায়ী ৪ ভাটা মালিককে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করে সতর্ক করা হয়। এছাড়াও ১টি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, জেলায় ১৭০টি ইটভাটা রয়েছে। যার মধ্যে ১৫ ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। অবৈধ এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান চলমান রাখা হবে।




দামুড়হুদায় তাড়ি বাগানের ছড়াছড়ি: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর

দামুড়হুদায় তাড়ি বাগানের ছড়াছড়ি ফলে এলাকায় মাতালের উৎপাত বেড়েছে। এতে এলাকায় সামাজিক পরিবেশের পাশাপাশি মাঠের ফসলের ক্ষতি সাধন হচ্ছে। মাতালরা তাড়ি খেয়ে ভুট্টা সহ নানান ফসল নষ্ট করছে। শুধু তাইনা নেশার টাকা জোগাড় করতে করছে চুরি ছিনতাই। ফলে এলাকায় আশঙ্কা জনক হারে বেড়েছে চুরি। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের লোকনাথপুর মাঠ, কাদিপুর মাঠ, দুধপাতিলার মাঠ, বাস্তপুর মাঠ, জয়রামপুর মাঠ সহ একাধিক মাঠের বেশ কয়েকটি স্পটে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে নেশাদ্রব্য তাড়ি। যা খেয়ে বিগড়ে যাচ্ছে তাড়ি খোররা। তাড়ি খাওয়ার এমনই নেশা একদিন না খেলে মাথায় কাজ করেনা খাদকদের। ফলে সকাল সন্ধ্যায় তাড়ি খোররা ভিড় জমায় তাড়ি বাগানে। নেশার টাকা জোগাড় করতে করছে চুরি ছিনতাই এর মতো জঘন্যতম কাজ।

শীতের সময় খেজুরের বাগানে তৈরি হয় তারি। বাগানে তাড়ি খেতে গিয়ে মানুষ মাতাল হয়ে আসার সময় মাঠের ফসল নষ্ট করছে। এমনভাবে নষ্ট করছে যে চারা গাছটি মরে যাচ্ছে। মাতাল অবস্থায় তারা কি করছে তার কোন বোধগম্য থাকে না। ফলে নষ্ট হচ্ছে বিস্তীর্ণ কৃষি খেত। কৃষকের ঘাম ঝরানো ফসল যদি এভাবে নষ্ট করে তাহলে তা খুবই দুঃখজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, তাড়ি খেয়ে মাতাল হয়ে ফসলের ক্ষতি করছে। তাড়ির মধ্যে এমন কিছু মেশানো হচ্ছে, যে তাড়ি খায় সেই মাতাল হয়ে বিগড়ে যাই। মাতালরা বাড়িতে গিয়ে উল্টা পাল্টা করে সংসারে ঝামেলা বাঁধায়, অশান্তির সৃষ্টি করছে। পরিবারের লোকজনকে মারধর করেছে, প্রতিবেশীর সাথে বিবাদে লিপ্ত হচ্ছে। তাড়ি খেয়ে স্ত্রী’কে বেদম প্রহারের ফলে থানায় অভিযোগ হতেও দেখা গেছে। খেজুরের সময় গাছিরা খেজুরের রস দিয়ে গুড় তৈরী করবে, কিন্তু তা না করে কতিপয় গাছিরা খেজুরের তাড়ি তৈরী করে সমাজকে কলুষিত করছে। এর থেকে পরিত্রাণে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




ঝিনাইদহে পণ্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা

ঝিনাইদহে নিত্যপণ্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সোমবার সকালে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাব সভাপতি আমিনুর রহমান টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বকুল চন্দ্র কবিরাজ, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্টি চন্দ্র রায়, ক্যাব সদস্য এন এম শাহজালাল, সনাক সভাপতি সাইফুল মাবুদ, ক্যাব সদস্য হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, শিক্ষক আব্দুস সালাম, ক্যাব’র সমন্বয়কারী শরিফা খাতুন। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা, মাঠ থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত সবজি পৌছাতে দাম বৃদ্ধির পেছনে নানা চক্র ও সিন্ডিকেটের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাজার নিয়ন্ত্রনে তদারকি বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। এরই প্রেক্ষিতে সাধারন ভোক্তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে সে বিষয়ে বাজার নিয়ন্ত্রনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ^াস দেয় প্রশাসন।




মারা গেছেন সোনাজয়ী শ্যুটার সাদিয়া

পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন সোনাজয়ী শ্যুটার সাদিয়া সুলতানা। আজ চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থ সাদিয়া বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার পর তাকে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

এর আগে ২০১৭ সালে আগুনে পুড়ে দীর্ঘদিন অসুস্থও ছিলেন তিনি।

শুটিংয়ে দারুণ এক প্রতিভা ছিলেন সাদিয়া। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নামও উজ্জ্বল করেছেন তিনি। ২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমসে ১০ মিটার রাইফেলে দলগত ইভেন্ট স্বর্ণ জেতেন তিনি।

তবে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসের পর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি।

সূত্র: কালের কণ্ঠ




শৈলকুপায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছবেদ আলী (৭০) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছে।

আজ সোমবার (২ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার ভান্ডারিপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ছবেদ আলী উপজেলার ভান্ডারীপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, বৃদ্ধ ছবেদ আলী বাড়ির পাশের স্কুলে নাতিকে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাড়ির সামনে পৌঁছালে ওই সড়কে চলা একটি দ্রুত গতির মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




মেহেরপুরে মাওলানা সাদ কান্ধলভী পন্থী তাবলীগের পথযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান

দুই দফা দাবিতে মেহেরপুরে মাওলানা সাদ কান্ধলভী পন্থী তাবলীগ জামাতের পথযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে। আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

মেহেরপুর জেলা তাবলীগ জামাতের আমির ডা: আব্দুল বাকীর নেতৃত্ব হাজারো সমর্থকেরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পথযাত্রা শেষে সমবেত হয়।

স্মারকলিপিতে তাদের দাবি, কোনরূপ যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দাওয়াত ও তাবলীগের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশে আসতে পারছেন না। বিগত ৭ বছর ধরে কুরআন ও হাদিসের আলোকে মূল্যবান বক্তব্য শুনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। অথচ তিনি পূর্বে বিশ্ব ইজতেমার প্রধান বক্তা ছিলেন এবং আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করতেন। তিনি বাধাহীনভাবে সারাবিশ্বে তাবলীগের কাজে সফর করে চলেছেন। তাই এ বছর যাতে তাদের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভী বাংলাদেশে আসতে পারেন সেজন্য জোর দাবি জানান তারা।

অপরদিকে বিগত ৭ বছর ধরে মাওলানা জুবায়েরপন্থীগণ তাদের মূলধারার সাথীদের মসজিদে দাওয়াতের কাজ বন্ধ করার জন্য বিভিন্নভাবে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার করেন। যা ইসলামি শরিয়ত, বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখার স্বার্থে দেশের সকল মসজিদে বাধাহীনভাবে তাবলীগের কাজ পরিচালিত হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট আদেশ জারির জন্যও দাবি করেন মেহেরপুরের মাওলানা সাদ কান্ধলভী পন্থী তাবলীগ জামাতের নেতা-কর্মীরা।