আলমডাঙ্গা দুর্গাপূজার আর্থিক সহোযোগিতায় শরিফুজ্জামান শরিফ

সত্য সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু মানবজাতির সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হলো দুর্গাপূজা। বিপদতারিণী মাতা দশ হাতে দশ অস্ত্র নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন অসুর দমনে। মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তির বিনাশ করে জগতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। জগৎ সংসার তার প্রতিদানস্বরূপ আবহমানকাল ধরে অখণ্ড জনপদে তার পূজা-অর্চনা করে আসছে। বাংলাদেশ সেই অখণ্ড অংশের সনাতনী হিন্দুগণের উপাস্য দেবী দুর্গার পূজা হয়ে থাকে প্রতিবছর।

আলমডাঙ্গা উপজেলায় সংখ্যালঘু এই সনাতনী হিন্দুগণের আরাধনায় স্থান পেয়েছে মাতা জগদ্ধাত্রী অভিন্নরূপে দুর্গা মাতা। আলমডাঙ্গা উপজেলায় এ বছর মোট ৩৫টি পূজামণ্ডপ আলোকসজ্জায় মা দুর্গার মৃন্ময়ী মূর্তি বিভিন্ন রূপের ডালি সাজিয়ে আগমন ঘটেছে ঘোড়ার পিঠে চড়ে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ আর্থিকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতিটি মণ্ডপে প্রতি ছয় হাজার টাকা অনুদান হিসেবে সকল মণ্ডপের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নির্বিঘ্নে পূজা সম্পন্নকরণে সকল সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।




মুজিবনগরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন শিক্ষক নেতা জাকির হোসেন

মেহেরপুরের মুজিবনগরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষক ঐক্য জোটের মহাসচিব ও মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য জাকির হোসেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় তিনি সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন। জাকির হোসেন বলেন,“আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে পালনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে মেহেরপুর জেলা বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা আমাদের অঙ্গীকার।”

মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর, বাবুপুর, মহাজনপুর, রতনপুর, বল্লভপুর, দারিয়াপুর ও মোনাখালীসহ বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ তিনি পরিদর্শন করেন।

এ সময় মুজিবনগর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ধীরেন বাবু, মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠা কালীন সাবেক অধ্যক্ষ ড, গাজিউর রহমান, জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইসরাইল হোসেন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আসাদুল হক, জেলা নবীনদল সভাপতি আনোয়ার শেখ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান সোহাগসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি পথচারী, ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।




গাংনীতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ ও সমাবেশ

পিআর পদ্ধতি চালু, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতকরণসহ ৫ দফা দাবিতে গাংনীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিকেলে একই দাবিতে গাংনী উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল গাংনী মডেল প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু হয়ে হাসপাতাল ঘুরে শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমির ডা. রবিউল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য রাখেন জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য নাজমুল হুদা, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, পৌর জামায়াতের আমির আহসানুল হক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য প্রার্থী নাজমুল হুদা বলেন, বিগত দিনে কালো টাকা, পেশিশক্তি দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন কায়দায় ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের জোর দাবি জানিয়ে আসছে। এই পদ্ধতিতে প্রার্থীর কোনো ছবি থাকবে না, শুধু প্রতীক থাকবে। এতে প্রার্থী কোনোভাবে কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাব খাটাতে পারবে না। এজন্য দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনের জন্য পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবি জানিয়ে আসছে। সরকার এই দাবি মানলে আলহামদুলিল্লাহ, না মানলে রাজপথেই এই দাবির ফয়সালা হবে। জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত ৫ দফা দাবি আদায় করেই আগামীতে ঘরে ফিরবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাংনী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশকে যদি সুন্দর করতে হয়, বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিতে হয়, তবে জামায়াতের পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবি মেনে নিয়ে কার্যকর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের আদর্শ দেখে সারা দেশে জোয়ার উঠেছে, সাড়া পড়েছে। এদেশের ঘরে ঘরে জামায়াতের দুর্গ গড়ে উঠেছে। জামায়াতের ভোটের এই দুর্গ থেকে একটি পক্ষ নানাভাবে আবোল-তাবোল মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মানুষ সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে পারছে।




মুজিবনগরে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

মুজিবনগরে কেন্দ্র ঘোষিত জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৬-দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুজিবনগর উপজেলা শাখার সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্র ঘোষিত নির্বাচনে পিআর পদ্ধতিসহ ৫-দফা দাবির লক্ষ্যে সমাবেশে মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি খাইরুল বাসার এর সঞ্চালনায়, মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর (ভারপ্রাপ্ত) আমির হাফেজ মাওলানা ফিরাতুল ইসলাম নাঈম এর সভাপতিতত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার আমির ও মেহেরপুর-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা তাজউদ্দীন খান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, দারিয়াপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও.আব্দুল হালিম, বাগোয়ান ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমির মাওলানা ফারুক হোসেন, মহাজনপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবদুল হামিদ, মোনাখালি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ মুখলেছুর রহমান, মুজিবনগর উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আবু তালহা এবং মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুস্তাফিজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মুজিবনগর উপজেলা সভাপতি ফজলুল হক গাজী, উপজেলা পেশাজীবি বিভাগের সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা জামায়াতের বাইতুলমাল সেক্রেটারি আমির হোসেন।

সমাবেশ শেষে মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির হাফেজ মাওলানা ফিরাতুল ইসলাম নাঈম এর নেতৃত্বে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কেদারগঞ্জ বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেদারগঞ্জ বাজার চার রাস্তার মোড়ে এসে শেষ হয়।




কোটচাঁদপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে কোটচাঁদপুর পৌর পাঠাগারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোটচাঁদপুর বাজারের পায়রা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশের শূরা সদস্য, বিভিন্ন ভাষার গবেষক এবং ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রফেসর মতিয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আমীর মাওলানা তাজুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি শাহাবুদ্দিন খান, পৌর আমীর মুহাদ্দিস আব্দুল কাইয়ুম, পৌর সেক্রেটারি মাহফুজুল হক মিন্টু প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুয়াবিয়া হুসাইন, সাবেক আমীর মাস্টার আজিজুর রহমান, মাস্টার মশিয়ার রহমান, মাস্টার রেজাউল ইসলাম, সাফদারপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা নুরুন্নবী, দোড়া ইউনিয়ন আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, কুশনা ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আতিকুল ইসলাম, বলুহর ইউনিয়ন আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম, এলাঙ্গী ইউনিয়ন আমীর জাহিদুল ইসলাম আওয়াল সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মতিয়ার রহমান বলেন, জামায়াতের ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন ছাড়া দেশে শান্তি ফিরবে না। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় এ দাবি জনগণের দাবি।” তিনি জামায়াতের ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।

সমাবেশ শেষে প্রফেসর মতিয়ার রহমান নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।




মেহেরপুরে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

৫ দফা দাবির মধ্যে ছিল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত করা, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, গণহত্যার বিচারসহ অন্যান্য দাবি।বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের কোর্ট মোড় থেকে শুরু হয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি প্রভাষক মোঃ খাদিমুল ইসলাম।

এছাড়াও এসময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সদর থানা সভাপতি মাওলানা সালাউদ্দিন, মুজিবনগর থানা সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা আশরাফ শাহাজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুরে জেমসের কনসার্টের অনুমোদন না দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলন

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী গুরু জেমসের কনসার্টের প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছে সূর্য ক্লাব মেহেরপুর। আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে ক্লাবের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে সূর্য ক্লাবের সভাপতি নাহিদ মাহমুদ সানি জানান, ক্লাবের গ্র্যান্ড ওপেনিং সেরিমনি উপলক্ষে আগামী ১০ অক্টোবর শহরের উপকণ্ঠে গোভিপুর স্কুল মাঠে “গুরু জেমস লাইভ ইন মেহেরপুর কনসার্ট ২০২৫” আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়। ইতিমধ্যে নগর বাউল ব্যান্ডের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা গত ১০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করি। জেলা প্রশাসক আবেদনটি পুলিশ সুপারের কাছে প্রেরণ করেন। তবে এখনো পর্যন্ত অনুমোদন মেলেনি। এরই মধ্যে কনসার্টের প্রচার-প্রচারণা ও টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ায় আমরা হতাশ। মেহেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এই কনসার্টকে ঘিরে।

অনুষ্ঠানস্থল ও শিল্পীদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, আনসার সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, জরুরি মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, বিএনসিসি, রেডক্রিসেন্ট, স্কাউটসহ বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবে। দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পানির বোতল, লাইট, ধাতব জিনিস, মাদকদ্রব্য, সিগারেট ও পুরুষ দর্শকদের ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ থাকবে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের প্রতি কনসার্টের অনুমোদন এবং জেমসের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে। এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসিম রানা বাঁধনসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




দর্শনা কেরু চিনিকল স্মরণকালের রেকর্ড ভেঙ্গে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন

চুয়াডাঙ্গা জেলার একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান দর্শনা কেরুজ চিনিকল। এবার ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে দর্শনা কেরুজ চিনিকলের স্মরণকালের রেকর্ড ভেঙ্গে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে।

বিগত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সরকারকে ১৪০ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েও ১৩০ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করে স্বরণকালের রেকর্ড ভেঙ্গেছে চিনিকলটি।কেরু এ্যাড কোম্পনীর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এফসিএমএ রাব্বিক হাসান জানান, গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর যোগদানের পর থেকেই আমি শ্রমিক কর্মচারী ও কৃষকদের পাশে থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে কেরুকে লাভজনক অবস্থায় আনতে সক্ষম হয়েছি। আখচাষিদের সাথে সভা-সমাবেশ ও প্রশিক্ষণ কার্ অব্যাহত রেখে চলেছি। কৃষকদের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করণের পাশাপাশি যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি আগামীতেও ৯টি চিনিকলের মধ্যে দর্শনা কেরু চিনিকল লাভজনক অবস্থায় আনতে সক্ষম হবো।কেরু অন্যান্য বিভাগে লাভজনক আনতে সক্ষম হয়েছি তেমনি চিনিকলকেও লাভজনক অবস্থায় আনতে সক্ষম হবো বলে আশাবাদী। এ দিকে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের কথা বিবেচনা করেই বারবার আখের মূল বৃদ্ধি করেছে।

চিনি কারখানার দশা যা হোক না কেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ শিল্প করপোরেশন থেকে প্রতি বছরের আখ মাড়াই ও চিনি উৎপাদনের লক্ষমাত্রা বেধে দিতে কমতি করেন না কর্তাবাবুরা। দেশের সবগুলো চিনিকল যখন লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে গভীর জলে হাবুডুবু খাচ্ছে, তখন সরকারকে প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব দিয়েও মুনাফা অর্জন করছে কেরুজ কমপ্লেক্স। কেরুজ কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠাকালের সকল রেকর্ড ভেঙে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরেও মুনাফা অর্জন হয়েছে সর্বচ্ছ। সরকারের রাজস্ব খাতে ১৪০ কোটি ও চিনি কারখানার প্রায় সাড়ে ৬২ কোটি লোকসান পুষিয়েও মুনাফা অর্জন হয়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। যা চিনিকল প্রতিষ্ঠার ৮৮ বছরের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে। কেরুজ কমপ্লেক্স আরও লাভজনক করতে গ্রহণ করা হয়েছে নানামুখি পদক্ষেপ। আধুনিক প্রযুক্তিতে আখ চাষ করায় আগামী মাড়াই মৌসুমে চিনি কারখানায় লোকসানের বোঝা কমতে পারে অনেকাংশে। ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কেরুজ কমপ্লেক্সের বয়স পেরিয়েছে ৮৮ বছর।

জোড়াতালি দিয়েই বারবার আখ মাড়াই মরসুমের কার্যক্রম চালু করা হয়ে থাকে। খানেকটা খুড়িয়ে খুঁড়িয়ে কোনোভাবে শেষ করা হয় আখ মাড়াই কার্যক্রম। লাগাতার যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে নাজেহালে হতে হয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। ভিন্নতায় ডিস্টিলারী কারখানা। ডিস্টিলারি বিভাগে ফরেণ লিকার উৎপাদনে অটোমেশিন স্থাপন করা হয়েছে গত বছরে। পূর্ণতা পাবে দেশীয় মদ বোতলজাতকরণে আধুনিক মেশিন স্থাপন করা হলে। এ ছাড়া মিলের প্রতিটি বিভাগেই উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। চিনি কারখানা বিএমআরই করণ প্রায় শেষের দিকে। তাছাড়া কয়েকটি বিভাগে উন্নয়নের কাজ হয়েছে সম্প্রতিকালে। চিনি কারখানা আধুনিকায়নের কাজ শেষ হলেও কমতে পারে লোকসান।এর পাশপাশি কৃষকরা আখ চাষ বাড়াতে হয়তো লোকসানের রেকর্ড ভেঙ্গে লাভের মুখও দেখতে পারে চিনিকল কারখানা। গত আখ মাঁড়াই মৌসুমে ৫ হাজার ১শ একর জমিতে আখচাষ ছিলো।

যাঁর মধ্যে কৃষকের জমির পরিমান ৩ হাজার ৪৫৫ ও কেরুজ নিজস্ব জমিতে ছিলো এক হাজার ৬৪৫ একর আখ। ৬৫ মাড়াই দিবসে ৭০ হাজার মেট্রিকটন আখা মাড়াইয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারিত ছিলো। আখ মাড়াইয়ের গড় হার ছিলো এক হাজার ১৫০ মেট্রিকটন। চিনি আহরণের ‘গড় হার নির্ধারণ করা ছিলো ৬ দশমিক শূন্য শতাংশ। চিনি উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৪ হাজার ২শ মেট্রিকটন। চিনি কারখানা বড় ধরণের তেমন কোন যান্ত্রিক ত্রুটির কবলেও পড়তে হয়নি। গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ৫২ মাড়াই দিবসে আখ মাড়াই কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সে সময় পর্যন্ত কেরুজ নিজস্ব সহ কৃষকদের প্রায় এক হাজার ৪শ একর জমিতে আখ ছিলো। ওই আখ ২৫ ফেব্রুয়ারিতে বিএমআরই (আধুনিকায়ন) চিনি কারখানায় মাড়াইয়ের মাধ্যমে উদ্বোধন’ করার প্রস্তুতি মূলক রাখা হয়। অবশেষে সে গুড়ে বালি পড়ে। ২৫ ফেব্রুয়ারি আধুনিকায়নকৃত কারখানার পাউয়ার টার্বাইন সমস্যা জনিত কারণে তা সম্ভব হয়নি।

চিনিকল কর্তৃপক্ষ থেকে পাওয়া তথ্যনুযায়ি গত মৌসুমে আখ মাড়াই করা হয়েছিলো প্রায় ৭২ হাজার মেট্রিকটন। চিনি উৎপাদন হয় ৩ হাজার ৬৮৪ মেট্রিক টন উৎপাদিত চিনির মধ্যে বিক্রি হয় ২ হাজার ৩৮২ দশমিক ৭৫ মেট্রিকটন। ফলে চিনি কারখানায়। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কর্তৃপক্ষের লোকশান হয়েছে ৬২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এ দিকে ওই অর্থ বছরে কেরুজ ডিস্টিলারী বিভাগে ফরেণ লিকার উৎপাদন হয়েছে ২’ লাখ ৫ হাজার ২২০ কেচ। উৎপাদিত ফরেণ লিকারের মধ্যে বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৬৯৮ কেচ। সিএস (দেশীয় মদ) উৎপাদন হয়েছে ২৪ লাখ ৮৯ হাজার প্রুফি লিটার। বিক্রি হয়েছে ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৬০ প্রুফ লিটার। ভিনেগার উৎপাদিত হয়েছে ২১ হাজার লিটার। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ফরেণ লিকার ও দেশীয় মদ উৎপাদন বিক্রির পরিমান অনেক গুনে বেশী হলেও গত অর্থ বছরে মুনাফা অর্জনের পরিমান বেশী। নেপথ্যে রয়েছে গত অর্থ বছরের শুরুর দিকেই ফরেণ লিকার ও দেশীয় মদের মূল্য বৃদ্ধি। এ ছাড়া দেশীয় মদ বোতলজাত করণের কারণেও অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন হয়েছে। অনিরিক্ষিত তথ্যনুসারে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কেরুজ ৬টি বিভাগের মধ্যে ৫টিতেঁই মুনাফা অর্জন হয়েছে। চিনি কারখানায় ৬২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা লোকসান হলেও ডিস্টিলারী কমপ্লেক্স বিভাগে মুনাফা অর্জন হয়েছে ১৯০ কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। বানিজ্যিক খামারগুলো থেকে মুনাফা অর্জন হয়েছে ৩৬ লাখ ৯ হাজার টাকা। আকন্দবাড়িয়া পরিক্ষামূলক খামার থেকে মুনাফা অর্জন হয়েছে ৩৩ লাখ ২ হাজার টাকা ও আকন্দবাড়িয়া জৈব সার কারখানায় ৭৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন হয়েছে।




মেহেরপুরে ভৈরবে গোসলে নেমে ১৭ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

মেহেরপুরের ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর মোহাইমিনুল ইসলাম (১৫) নামের এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল।

আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মোহাইমিনুল সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের শুভরাজপুর গ্রামের শিমুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ৪ বন্ধু ভৈরব নদে গোসল করতে যায়। তাদের মধ্যে মোহাইমিনুল সাঁতার জানত না। সে নদীর কূলে বসে থাকলেও এক পর্যায়ে পানিতে পড়ে যায়। তার বন্ধুরা সাথে সাথে স্থানীয়দের খবর দিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। টানা সাড়ে ৬ ঘণ্টা চেষ্টা করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালালেও ব্যর্থ হয়ে খবর দেন খুলনার ডুবুরি দলকে।

আজ সকালে খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ রেসকিউ (ডুবুরি) টিম নদীতে তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় মোহাইমিনুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

মেহেরপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।




পিআরসহ ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে ঝিনাইদহে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবীতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পোস্ট অফিস মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়ালের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা তাজুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি কাজী সগির আহমদ, শহর শাখা জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন।

স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়ার পদ্ধতিতে নির্বাচন সম্ভব নয় উল্লেখ করে বক্তারা জুলাই সদন বাস্তবায়ন করে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ কেন্দ্রীয় ঘোষিত ৫ দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে বলে সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়।