ঝিনাইদহে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুত্রুবার সকালে শহরের ঝিনাইদহ কলেজ প্রাঙ্গনে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস।

সেসময় চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান রিপন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম মিলন, ড্যাব নেতা ডাঃ হাসানুজ্জামানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী শহরের বিভিন্ন এলাকার ৩ শতাধিক রোগীকে বিনামুল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন, ঝিনাইদহ ও মাগুরার হাসপাতালের ডাঃ আসিফ হোসেন, ডাঃ তারিন শুভ, ডাঃ প্রান্ত, ডাঃ জোহান হোসেনসহ ৪ জন চিকিৎসক।

বিনামুল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ পেয়ে সস্তুষ্টি প্রকাশ করেন হতদরিদ্র মানুষেরা।




ডেঙ্গুতে এক দিনে ১৬৫ জন হাসপাতালে

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ১৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ সময় কারো মৃত্যু হয়নি।

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭ জন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৪ জন রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের এ যাবত ২৮ হাজার ৯৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।

চলতি বছরের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজার ৫৪১ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক চার শতাংশ পুরুষ ও ৪০ দশমিক ছয় শতাংশ নারী রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরের এ যাবত ডেঙ্গুতে ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের।

২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

সূত্র: কালের কন্ঠ




শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ দুই ম্যাচের জন্য চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা। ৩১ সদস্যের প্রাথমিক দল থেকে দু’জনকে ছাঁটাই করে স্কোয়াড চূড়ান্ত করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডরের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনা ও ফরোয়ার্ড আনহেল কোরেয়ার। তারা দু’জনই প্রাথমিক দলে ছিলেন।

এরই মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকেট নিশ্চিত করে ফেলা আর্জেন্টিনা আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে ভেনেজুয়েলার মুখোমুখি হবে। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর ইকুয়েডরের মাঠে খেলবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

১৬ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে আর্জেন্টিনা। ২৫ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে থাকা ইকুয়েডরেরও নিশ্চিত হয়েছে বিশ্বকাপের টিকেট। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের মধ্যে সাত নম্বরে আছে ভেনেজুয়েলা।

এই অঞ্চল থেকে শীর্ষ ছয় দল সরাসরি বিশ্বকাপের টিকেট পাবে।

আর্জেন্টিনা দল

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেস (অ্যাস্টন ভিলা), জেরোনিমো রুলি (অলিম্পিক মার্সেই), ওয়ালতার বেনিতেস (ক্রিস্টাল প্যালেস)

ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মোলিনা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (টটেনহ্যাম হটস্পার), লিওনার্দো বেলার্দি (অলিম্পিক মার্সেই), হুয়ান ফইথ (ভিয়ারেয়াল), নিকোলাস ওতামেন্দি (বেনফিকা), নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (লিঁও), গন্সালো মন্তিয়েল (রিভার প্লেট), মার্কোস আকুনা (রিভার প্লেট), হুলিও সোলের (বোর্নমাউথ)

মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস (বোকা জুনিয়র্স), রদ্রিগো দে পল (ইন্টার মায়ামি), এসেকিয়েল পালাসিওস (বায়ার লেভারকুজেন), আলান ভারেলা (পোর্তো), আলেক্সিস মাক আলিস্তের (লিভারপুল), জিওভানি লো সেলসো (রেয়াল বেতিস), তিয়াগো আলমাদা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), নিকোলাস পাস (কোমো), ভালেন্তিন কার্বোনি (জেনোয়া)

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি), হুলিয়ান আলভারেস (আতলেতিকো মাদ্রিদ), লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান), নিকোলাস গনসালেস (ইউভেন্তুস), জুলিয়ানো সিমেওনে (আতলেতিকো মাদ্রিদ), ক্লাউদিও এচেভেরি (ম্যানচেস্টার সিটি), ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো (রেয়াল মাদ্রিদ), হোসে মানুয়েল লোপেস (পালমেইরাস)

 

সূত্র: যুগান্তর




জীবননগর দৌলতগঞ্জসহ তিনটি স্থলবন্দর বন্ধের ঘোষণা

দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকা চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবস্থিত দৌলতগঞ্জ নীলফামারীর চিলাহাটি, দৌলতগঞ্জ, রাঙামাটির তেগামুখ ও হবিগঞ্জের বাল্লা। তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা করেছে অন্তর্বতী সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়।

এমন খবরে দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দরকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আগ্রহ দেখা দিয়েছিলো, তা এখন হতাশায় পরিণত হয়েছে। তবে এই শুল্ক স্টেশন নিয়ে আশাবাদী ছিল জীবননগরবাসী।

জানা যায়, ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর দৌলতগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দরটি শুল্ক স্টেশন হিসেবে চালু ছিল। তবে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে ১৯৭২ সালে এর কার্যক্রম পুনরায় চালু হলেও অজ্ঞাত কারণে এই শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই ও ২০০৯ সালের ১১ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবি) আর) প্রজ্ঞাপন জারীর মাধ্যমে সকল প্রকার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে। একইসাথে ১৯টি পণ্য আমদানির অনুমতি দেয়।

এরপর ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই দৌলতগঞ্জ শুল্ক স্টেশনটিকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছিল সরকার। একই বছরের ২৪ আগস্ট তৎকালীন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থলবন্দরের উদ্বোধন করলেও আলোর মুখ দেখেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জীবননগরবাসী আশায় বুক বেধেছিলো এই স্থলবন্দর চালু হবে। স্থানীয় অর্থনীতির সাথে সাথে দেশের উন্নয়ন হবে। আজকে বন্দর বন্ধের সংবাদ শুনে আশাহত হলাম।

আবাসিক হোটেলের ব্যবসায়ী আবু সাঈদ খান জুয়েল বলেন, দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর চালু হবে, এই আশায় আমার বাবা একটি আবািসক হোটেল চালু করেছিল ২০০০ সালে। তবে বারবার আশা দেওয়া হলেও সেটি বাস্তবায়ন হয়িন। এই সংবাদ জীবননগরবাসীর জন্য দু:সংবাদ। জাসিন মারুফ বলেন, জীবননগরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো এ স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে। কিন্তু আজকের সংবাদে সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হলো। এই স্থলবন্দর চালিলু হলে বেকারত্ব দূর হতো। একইসাত্থে স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতির উন্নতি হতো।

জানতে চাইলে সিঅ্যান্ডএফ এসোসিয়েশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাজেদুর রহমান লিটন বলেন, আমরা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে দেখেছি। তাতে তারা জানিয়েছে অবকাঠামো কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে। মূলত এটা তো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে। এনবিআর কিন্তু বন্ধের কোনো ষোঘণা দেয়নি।

তিনি বলেন, একদিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় যেমন তাদের কার্যক্রম সীমিত করেছে, অপরদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অবকাঠনোর একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে আমরা জানতে পেরেছে। মাজেদুর রহমান লিটন আরও বলেন, যেহেতু দেশে এখনও কোনো রাজিনৈতিক সরকার নেই। ভোটের মাধ্যমে পট পরিবর্তন হবে। সুতরাং আমরা দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর নিয়ে আশাবাদী এখনও।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ মার্চ দেশের চারটি স্থলবন্দর পুরোপুরি বন্ধ রাখার সুপারিশ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এই স্থলবন্দরগুলো হলো নীলফামারীর চিলাহাটি, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ, রাঙামাটির তেগামুখ ও হবিগঞ্জের বাল্লা।




আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ জন ডাকাত গ্রেফতার

আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ পাঁচজন কে গ্রেফতার করেছে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ। পুলিশের অভিযানে ফাঁদে ধরা পড়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র।

এ সময় দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, দড়ি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আলমডাঙ্গা থানাধীন রুয়াকুলি গ্রামের বদরগঞ্জ মাঠ এলাকার চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গা সড়কের পাশে কাঠালবাগানে ডাকাতদল সমবেত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়, তবে আরও কয়েকজন সহযোগী দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সাহেবনগর ক্যানালপাড়া গ্রামের পলান প্রামানিকের ছেলে ছমির উদ্দিন (৪০), ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে ছহির উদ্দিন ওরফে সৈরুদ্দিন (৪৫), মোহাম্মদপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ফরমান আলীর ছেলে মুজিবর রহমান (৩৩), ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দাল হকের ছেলে নাজমুল ইসলাম (৩৫) এবং কচুবাড়ীয়া (আমলা) গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে আরিফ হোসেন (৩৮)।

অভিযানে একটি চাপাতি, একটি দাও, দুটি লোহার রড, একটি সাবল, একটি ছোরা, এক গোছা লাইলনের দড়ি, একটি ব্যাটারি চালিত পুরাতন পাখি ভ্যান (মূল্য আনুমানিক ৪৫ হাজার টাকা) ও চারটি সিম্ফনি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান পিপিএম বলেন, “আমরা এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টকারী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কেউ যদি ডাকাতির প্রস্তুতি নেয় বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।”




মেহেরপুরে জেলা বিএনপি’র সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

আগামী ৩০ আগস্ট মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র সম্মেলন সফল করতে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান সভাপতিত্ব করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলার সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, জেলা বিএনপি’র সদস্য ইলিয়াস হোসেন, আলমগীর খান ছাতু, ওমর ফারুক লিটন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান। পৌর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল লতিফ ও সাধারণ সম্পাদক এহান উদ্দিন মনা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজমল হোসেন মোল্লা মিন্টু।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সদর থানা যুবদল সভাপতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, জেলা শাখা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নেতাকর্মীরা।

প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বলেন, আগামী ৩০শে আগস্ট জেলা বিএনপি’র সম্মেলনকে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তারা সম্মেলনকে সফল করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।




আলমডাঙ্গায় ধানকাটাকে কেন্দ্র করে জামাই-শশুর সংঘর্ষ

আলমডাঙ্গায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে শ্বশুর–জামাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় তিন প্রতিবেশী। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হলেও ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নিরীহ প্রতিবেশীদের আসামি করে মামলা করায় এলাকায় ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার জাহাপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগদাহ ইউনিয়নের ভেদামারি গ্রামের হবি মোল্লার ছেলে তালেবের সঙ্গে জাহাপুর গ্রামের হারেজ আলীর মেয়ে কাকলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলতে থাকে। একাধিকবার তালাক–পুনর্বিবাহ হলেও শেষ পর্যন্ত তালেব এক মাস আগে কাকলীকে ডিভোর্স দেন। এ ঘটনার পর থেকেই শ্বশুর হারেজ আলী ও জামাই তালেবের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়।

চলতি আমন মৌসুমে হারেজ দেড় বিঘা জমিতে ধান চাষের সুযোগ দেন জামাই তালেবকে। গত মঙ্গলবার দুপুরে তালেব ওই জমির ধান কাটতে গেলে স্ত্রী কাকলী ও তার বোন শ্যামলী বাঁধা দেন। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে হারেজ ধান কাটা মেশিন নিয়ে জমিতে গেলে খবর পেয়ে তালেব লোকজন নিয়ে সেখানে পৌঁছান। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অন্যদিকে, জমি নিয়ে হারেজ আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হান্নান, দেলোয়ার ও মোশারেফসহ কয়েকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ১৯৯৫ সালে এক একর ৫৭ শতক জমি নিয়ে মামলা হলেও ২০০১ সালে আদালত তা নিষ্পত্তি করে। এরপর ২০১৫ সালে হারেজ পুনরায় একই জমি নিয়ে মামলা করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবারের শ্বশুর–জামাই সংঘর্ষ ছিল সম্পূর্ণ পারিবারিক বিষয়। অথচ সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমি বিরোধের সুযোগে প্রতিবেশী হান্নান, দেলোয়ার ও মোশারেফকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, হারেজ আলী ও তার পরিবার দুধর্ষ স্বভাবের। তারা অতীতেও বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করেছেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে সমালোচনা চলছে।




মেহেরপুর বড়বাজারে ট্রাকের ধাক্কায় ট্রলি চালক আহত, সৌখিন গার্মেন্টস ক্ষতিগ্রস্ত 

মেহেরপুর বড় বাজারে ট্রাকের ধাক্কায় একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের সৌখিন গার্মেস্টসে ঢুকে পড়ে। এতে ট্রলি চালক গুরুতর আহত হন।

গতকাল বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ৩ টাই এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাথুলী বাসস্ট্যান্ড অতিক্রম করে বাজারে আসে ট্রলিটি, একই দিক থেকে দ্রুতগামী একটি ট্রাক ট্রলিটিকে ধাক্কা দিলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান এবং ট্রলিটি সোজা গিয়ে সৌখিন গার্মেস্টসে উঠে যায়।

ট্রলির একজন কর্মী বলেন, আমরা কাথুলী বাসস্ট্যান্ডের দিক থেকে আসছিলাম। ট্রাক হর্ন দেয়, আমরা সাইড দিই তারপরও ট্রাক আমাদের ট্রলি অতিক্রম করার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। তারপর ট্রলি চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গার্মেন্টসের ভেতরে ঢুকে যায়। আহত ট্রলি চালককে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সৌখিন গার্মেন্টসের মালিক বলেন, আমি দোকানের ভিতরে বসে আছি তারপর দেখি ট্রাকটি ট্রলিকে ধাক্কা দেয়, ট্রলিটি আমার দোকানের ভিতরে ঢুকে যাই আমি ভয়ে ভেতরের দিকে লাফ দিই। এতে আমার দোকানের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

দুর্ঘটনার কারণে বড়বাজার এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।




মেহেরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এই চেতনায় ইয়ুথ ফোরাম ও কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের উদ্যোগে ঝরে পড়া রোধ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ ও আমঝুপি ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু দরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে হোম ভিজিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্কুল ব্যাগ, খাতা ও স্কুল ইউনিফর্ম। আয়োজকরা জানান আর্থিক অসুবিধা যেন কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষার পথে অন্তরায় না হয়, সেটিই তাদের এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের সদস্যবৃন্দ, ইয়ুথ ফোরামের তরুণ সমাজসেবীরা, ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগণ। তাঁরা সবাই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন এটি শুধু শিক্ষার্থীদের উপকৃত করবে না, বরং অভিভাবক ও সমাজকেও শিক্ষা সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।

উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে জানায়, তারা পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে এবং একদিন সমাজ ও দেশের জন্য বড় কিছু করতে চায়। অভিভাবকরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বক্তারা বলেন শিক্ষার আলো সবার জন্য উন্মুক্ত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যদি সমাজের প্রতিটি মানুষ সামান্য করে এগিয়ে আসে, তবে কোনো শিশুই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।

এই মহৎ আয়োজনকে সফল করতে সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ওয়াচ গ্রুপ, ইয়ুথ ফোরাম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান তাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। কারণ—শিক্ষিত প্রজন্মই পারে সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিতে, আর প্রতিটি শিশুর হাতে কলম তুলে দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব।

গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগিতায় মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।




গাংনীতে সাপে কেটে শিশুর মৃত্যু

সাপের কামড়ে ফারিয়া খাতুন (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফারিয়া খাতুন গাংনী উপজেলার ওলিনগর গ্রামের হায়দার আলী ওরফে বাবলুর মেয়ে ও স্থানীয় তেরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) সকালের দিকে মারা যায় শিশুটি। গতরাতে ৩টার দিকে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সাপে কাটে তাকে। স্থানীয়ভাবে তাকে ওঝা দিয়ে ঝাঁড়ফুঁক দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে শিশুটি মারা যায়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।