দেশে ইন্টারনেট আমদানিতে খরচ কমবে

ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) লাইসেন্স এবং ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্টারিয়েল ক্যাবল (আইটিসি) গাইডলাইনের একটি ধারা সংশোধন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)।

এর ফলে ভারত থেকে আমদানি করা ৬ আইটিসি কোম্পানি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল পিএলসি (বিএসপিএলসি)-এর মধ্যে ব্যান্ড উইথ সরবরাহ ও রেভিনিউ শেয়ারে সমতা সৃষ্টি হবে। তবে এ জন্য সাবমেরিন কোম্পানিগুলোর ব্যান্ড উইথের দাম প্রতিযোগিতামূলক করা এবং সেবাকে আরও দ্রুতগতির করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

আর বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংশোধিত গাইডলাইনের ফলে ভারত থেকে (আইটিসি) ব্যান্ড উইথ আমদানি কমায় দেশের বছরে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব ভাগাভাগির আয় বাড়বে ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়াও ফেসবুক, গুগল, আকামাই ও ইউটিউবের মতো কন্টেন্ট প্রোভাইডাররা ভারতকে কর দিয়ে বছরের পর বছর বাংলাদেশে ব্যবসা করে ভ্যাট ফাঁকি দিলেও আগামীতে এই পথ ক্রমান্বয়ে কমে আসবে। বহুজাতিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে ডাটা সেন্টার স্থাপনে মনোযোগী হতে হবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা সূত্রে প্রকাশ, ভারত থেকে ব্যান্ড উইথ আমদানি আরও কমিয়ে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে চায়। একই সঙ্গে বিএসসিপিএলসির মাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল থেকে সরবরাহ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। বাকি ১০ শতাংশ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক




ঝিনাইদহে ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও ভাঙচুর বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি।

সোমবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে শহরের ওয়াপদা মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি সভাপতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ ছয় উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

সে সময় ৭ দফা বাস্তবায়ন সম্বলিত স্মারকলিপি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম গ্রহণ করেন।




না জেনে খাবার খেয়ে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?

খারাপ জীবনযাপন আর খাদ্যাভ্যাস নানা রোগকে আমন্ত্রণ জানায়। ব্যয়বহুল জীবনে মানুষ প্রায়শই ঘরে তৈরি খাবার না খেয়ে বাইরের ভাজাপোড়া খেতে বেশি পছন্দ করে। সে কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ভুল খাদ্যাভ্যাস আর শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এ রোগ দ্রুত বৃদ্ধি করছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। আপনি যদি এই রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চান কিংবা এই রোগের শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে সময়মতো কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করে নিজেকে মুক্তি পেতে পারেন।

আগে জেনে নিন ফ্যাটি লিভার কী

ফ্যাটি লিভার ডিজিজ স্টেটোসিস নামেও পরিচিত। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে যায়। বেশি ক্যালোরি গ্রহণের কারণে লিভারে চর্বি জমতে শুরু করে। যখন লিভার স্বাভাবিক উপায়ে চর্বি প্রক্রিয়া করতে অক্ষম হয়, তখন খুব বেশি চর্বি জমে যায়। স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের মতো কিছু পরিস্থিতিতে ভুগছেন এমন ব্যক্তির ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ফ্যাটি লিভারের প্রকারভেদ

নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজসহ দুটি প্রধান ধরনের ফ্যাটি লিভার রোগ রয়েছে।

১. অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার

অতিরিক্ত মদপানের কারণে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়। আপনার লিভার আপনি যে অ্যালকোহল পান করেন, তার বেশিরভাগের অণুগুলোকে ভেঙে দেয় এবং এ প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যত বেশি অ্যালকোহল পান করবেন, লিভার তত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার রোগ হলো অন্যান্য অ্যালকোহল-সম্পর্কিত লিভারের রোগের প্রথম ধাপ। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এটি অ্যালকোহলযুক্ত হেপাটাইটিস— এমনকি লিভার সিরোসিস হতে পারে, যা একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক রোগ।

২. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার

নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ অ্যালকোহলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। একজন ব্যক্তির নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগ হয়, যখন লিভারের ওজনের ৫ শতাংশ বা তার বেশি শুধু চর্বি দ্বারা গঠিত হয়। যদিও চিকিৎসকরা নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগের সঠিক কারণ জানেন না, তারা বলে যে এটি স্থূল ও ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে শতাধিক মাছ নিধন

মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মোঃ ফইমুদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে মোঃ মফিজের পুকুরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া বিষে শতাধিক মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ভোর ৫টার দিকে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে পুকুরের পানিতে অসংখ্য মৃত মাছ ভাসতে দেখে বিষয়টি নজরে আসে। ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষি মোঃ মফিজ জানান, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছে, যার ফলে তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মাছচাষি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।




ঢাকা চেম্বার অব কমার্সে চাকরির সুযোগ

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ডেপুটি এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি পদে জনবল নিয়োগ দেবে। রোববার থেকেই আবেদন শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

পদের নাম: ডেপুটি এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি (সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট) (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ)

পদসংখ্যা: ১টি

আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ/এমএসসি/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে অর্থনীতি, ফিন্যান্স, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও উন্নয়ন অধ্যয়নে অগ্রাধিকার পাবেন আবেদনকারী।

অন্যান্য যোগ্যতা: ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগে দক্ষতা। অর্থনীতি ও পরিসংখ্যানগত সফটওয়্যারে দক্ষতা।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১০ বছর

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও আবেদনের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের শেষ সময়: ৮ এপ্রিল ২০২৫

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবীতে ছাত্রজনতার মানববন্ধন

ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবীতে সারাদেশের মতো মেহেরপুরে মানববন্ধন করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

গতকাল রোববার দুপুর ২ টার দিকে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সাহেব মাহমুদের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সাব্বির আহমেদ, শিহাব উদ্দিন সৈকত, অ্যাডঃ মিজানুর রহমান, খন্দকার মুইজ উদ্দিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ, সদস্য সচীব মুজাহিদুল ইসলাম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ন সংগঠক আসিফ রাব্বি প্রমুখ।

শ্লোগানে বলা হয় ‘দিয়েছি তো রক্ত আরও দেব রক্ত’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা, এ বাংলায় হবে না’, ‘একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’, ‘আবু সাঈদের বাংলায় ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘চব্বিশের বাংলায় ধর্ষকের ঠাঁই নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।

এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে “ধর্ষকের ফাঁসি চাই,”আইনের কঠোর প্রয়োগ চাই”, “সারা বাংলা খবর দে ধর্ষকদের কবর দে” “আমি আছিয়া হতে চাই না”, “নারী নিপীড়ন বন্ধ কর” ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।




কন্যা আরাধ্যার প্রভাব অভিষেক বচ্চনের সিনেমায়

গত বছর অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন বলিপাড়ার এমন খবরে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু বছরের শেষ মুহূর্তে এসে নিজেরাই সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দেন। বচ্চন দম্পতি দিব্যি আছেন। আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে থেকেই ফের ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। তবে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়াই দেননি এ তারকা দম্পতি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বচ্চন জানিয়েছেন, কন্যা আরাধ্যার বড় প্রভাব রয়েছে তার জীবনে। এমনকি কাজের জগতেও মেয়ের বড় প্রভাব রয়েছে। ‘বি হ্যাপি’ নামে একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। এ সিনেমায় একাকী বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেতা। কন্যার সঙ্গে বাবার সমীকরণ তুলে ধরা হয়েছে এ সিনেমায়। এখানেই আরাধ্যার সঙ্গে তার সম্পর্ক বড় ভূমিকা পালন করেছে।

অভিষেক বলেন, বাস্তবের সঙ্গে যোগ তৈরি করা গেলে, সিনেমার চরিত্র আরও ভালো করে ফুটিয়ে তোলা সহজ হয়ে ওঠে। বাস্তবের অভিজ্ঞতা থেকে আবেগ ফুটিয়ে তোলা সহজ।

বর্তমানে আরাধ্যার বয়স ১৩। এমনই বয়সের এক কিশোরীর বাবার চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেক বচ্চনকে। জুনিয়র বচ্চন এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিনেতা হিসেবে আমরা সবাই সবসময়ে ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে যোগ খোঁজার চেষ্টা করি। বাস্তবের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পেলে অভিনয় আরও সহজ হয়ে ওঠে। নিখুঁতভাবে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

এ সিনেমাতে অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছে ইনায়ত ভার্মা। ‘লুডো’ সিনেমাতেও অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছিল ইনায়ত। এ ছাড়া এ সিনেমায় আরও আছেন নোরা ফাতেহি, হারলিন শেঠি, জনি লিভার প্রমুখ।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহে বেদে পল্লীর শিশুদের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ উপহার

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি এলাকার একটি খাসজমিতে কয়েক বছর ধরে ৩৮টি অসহায় বেদে পরিবার বসবাস করছে। এসব পরিবারের বাচ্চাদের জন্য নতুন পোশাক তো দূরের কথা, দুবেলা দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থাই করা কষ্টসাধ্য। এমন অবস্থায় এবার বসুন্ধরা শুভসংঘ ঝিনাইদহ জেলা শাখার সদস্যরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল রবিবার বিকেলে শহরের পবহাটি এলাকার বেদে পল্লীতে বসুন্ধরা শুভসংঘ ঝিনাইদহ জেলা শাখার উদ্যোগে শিশুদের জন্য ভালোবাসায় মোড়ানো নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়। ঈদের আগে নতুন জামা-কাপড় পেয়ে শিশুদের অভিভাবকরা খুশি হয়েছেন।

বেদে পল্লীর বাসিন্দা ঈসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের আগের মতো কেউ আর মূল্যায়ন করে না। বাপ-দাদার পৈতৃক পেশা ধরে রেখেছি, কিন্তু আয়-রোজগার নেই। ভাবছিলাম, ঈদে ছোট দুটো ছেলেমেয়েকে কী দেবো! এরই মধ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ আমাদের সন্তানদের জন্য নতুন পোশাক দিয়েছে। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন বলেন, ‘বেদে পল্লীর মানুষগুলো সমাজের অবহেলিত অংশ। কিন্তু ওরাও এই সমাজেরই মানুষ, বেঁচে থাকার অধিকার তাদেরও রয়েছে। বসুন্ধরা শুভসংঘের মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।’

জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কেয়া রানী প্রামাণিক বলেন, ‘সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় বেদে পল্লীর শিশুদের মাঝে আমাদের ভালোবাসায় মোড়ানো নতুন পোশাক বিতরণ করেছি। জেলাব্যাপী আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কেয়া রানী প্রামাণিক, কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি অরিত্র কুণ্ডু, আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, রূপালি বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি বাহারুল ইসলাম, শুভসংঘ জেলা কমিটির সহ-সভাপতি তাপস কুণ্ডু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিয়ান আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, নির্বাহী সদস্য হাবিবুর রহমান সৌরভ, মুস্তাকিম হোসেন প্রমুখ।




রোহিতদের ‘আনসাং হিরো’ তিনি

জয়ীদের অনেক নায়ক থাকে। ভারত দলেও আছে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মিশন শেষে নায়কের তালিকা করলে সবার ওপরে থাকবেন বিরাট কোহলি, এরপর রোহিত শর্মা। কেউ কেউ বরুণ চক্রবর্তীর নাম বলবেন। কেউ শোনাবেন হার্ষিত রানা কিংবা কুলদীপ যাদবের কথা। কিন্তু একজন এমন আছেন, যিনি নিরবে খেলে গেছেন। প্রশংসা যা পাবার তা তো পায়নি, উল্টো সমালোচিত হয়েছিলেন। রোহিত ব্রিগেডে তিনি আনসাং হিরোও।

বলা হচ্ছে কেএল রাহুল তথা লোকেশ রাহুলের নাম। ভারতে শিরোপা ঘরে তোলার মিশনে আনকোরা থেকেছেন। উইকেটের পেছনে নীরবে সামলে গেছেন দায়িত্ব। ব্যাটিংয়ে যখন সুযোগ এসেছে, দলকে দিয়েছেন উজাড় করে। তবুও তাকে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছিল না, রান পাচ্ছেন না। দলকে শেষদিকে দ্রুত জেতাতে কার্যকর ব্যাটিংটাও নাকি হচ্ছে না।

রোববার দুবাইয়ে সব সমালোচনার জবাব এক তুড়িতে উড়িয়েছেন রাহুল। রোহিত শর্মার ৭৬ রান ছাপিয়ে গেছে তার ত্রিশ ছাড়ানো রানে। বিপদে দলের হাল ধরেছেন, লড়েছেন এবং শিরোপা জিতিয়েই তবে ফিরেছেন। সদ্য শেষ হওয়া আসরে একটাও ফিফটি নেই রাহুলের। সমালোচনাটা সেই জায়গায়। তবে ৫ ম্যাচের চারবারেই রাহুল ছিলেন অপরাজিত। দলকে জিতিয়ে তবেই ফিরেছেন। অথচ তার একাদশেই থাকার কথা ছিল না। ঋশভ পান্ত ছিলেন উইকেটকিপার হিসেবে প্রথম চয়েজ। তবে রাহুল তার একাগ্রতা ও নিষ্ঠা দিয়ে বুঝিয়েছেন, কেন তিনি দলে।

ট্রফির মিশনে রাহুল প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন ৪১ রানে। বাংলাদেশের পর নিউজিল্যান্ডের বোলাররাও তাকে আউট করতে পারেনি। গ্রুপ পর্বে কিউইদের বিপক্ষে করেন ২৩ রান। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে থাকেন ৪২ রানে অপরাজিত। ফাইনালে ৩৪ রানে নট‌ আউট। ছয় নম্বরে নেমে মোটে ১৪০ রান। সেমির পর ফাইনালেও দলকে টেনেছেন প্রশস্ত কাঁধে।

ইংরেজিতে একটি কথা আছে, ‘আনসাং হিরো।’ অর্থাৎ নীরব নায়ক। রাহুলও তাই। শুধু ব্যাট নয়, অস্থায়ী উইকেটকিপার হিসেবে উইকেটের পেছনেও ছিলেন সমান পারদর্শী। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাঁচটি ক্যাচ নেওয়ার পাশাপাশি একটি স্ট্যাম্পিংও করেছেন। রাহুলকে দুহাত ভরে দিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। দলে জায়গাটাও আপাতত পাকা হচ্ছে। এবার আড়াল থেকে বেরিয়ে মূল নায়ক হওয়ার পালা। রাহুলের বিশ্বাস তিনি পারবেন।

সূত্র: যুগান্তর




সভাপতি নুরুল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক লাকী

কবি সংসদ বাংলাদেশ মেহেরপুর জেলা শাখার ৩০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবি ও ছারাকার তহিদুল ইসলাম কনক এ অনুমোদন দেন।

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে কবি নুরুল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কবি জি. এফ মানুন (লাকী) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন ডাঃ গাজী রহমান, অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ ও রফিক উল আলম।

সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করবেন কবি গাউস-উল-আযম, কবি ফজলুল হক সিদ্দিকী ও মোঃ আবদুল হাসেম।

কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ডাঃ মহিবুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে নাসির উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নূর হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আসাদুল ইসলাম খোকন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে এস এম এ মান্নান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মামদুদা খানম, নাট্য সম্পাদক হিসেবে মিনারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে জাহিদুল ইসলাম (কামরান) দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য পদে দায়িত পালন করবেন মীর রওশন আলী মনা, বাশরী মহন দাস, ম. গোলাম মোস্তফা, মোঃ মহসিন, উবাইদুর রহমান, আবু লায়েস লাবলু, এস এম শহীদুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, হেলাল উদ্দীন হিলু, লিয়াকত হোসেন, শওকত আরা মিমি, ফিরাতুল ইসলাম, আতিয়া খন্দকার ইতি ও মোঃ সোহেল রানা।