দর্শনায় কেরুজ শ্রমিকদের মানববন্ধন

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) রাষ্ট্রয়ত্ত চিনিকল সমৃহকে যুগোপযোগী করতে চিনি শিল্পের কৃষি বিভাগকে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে দর্শনা কেরুজ শ্রমিকরা মানববন্ধন করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১ টার দিকে দর্শনা কেরুজ জেনারেল অফিসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়। এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর জি এম কৃষি আশরাফুল আলম ভৃইয়া, ডি জি এম সম্প্রসারণ মাহবুবুর রহমান, কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি তৈয়ব আলী, সাবেক সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম পিন্স সিডিএদের সমন্বয়ক সাহেব আলী শিকদার, সিডি এ এ এস এম কবির, সাইফ উদ্দীন, মাঈন উদ্দীন আহম্মেদ, সাকী মাহমুদ, আঃ কাদের, মইনুর রহমান শাওন, শরিফুল ইসলাম, সোহেল রানা, আরিফুর রহমান, জুলফিকার আলী, সাইফুল্লাহ, মুকুল হোসেন, আসাদুজ্জামান, দেলোয়ার হোসেন, মাহবুবুর রহমান, ফরহাদ খান, জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চিনিশিল্পকে লাভবান খাতে নিয়ে যেতে হলে কৃষি বিভাগকে রাজস্ব খাতে নিয়ে যেতে হবে। এ দাবি আমাদের যৌতিক দাবি। এ দাবি না মানলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো।বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনস্থ চিনিকল সমূহের কৃষি বিভাগকে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কৃষি বিভাগকে শিল্প মন্ত্রণালয় হতে স্থানান্তর করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে আওতাভুক্ত করতে হবে। কৃষি বিভাগকে কর্মরত কৃষিবিদ ডিপ্লোমাসহ সকল ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী সিডিএ সি আইসিদের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত করে ইক্ষু সম্প্রসারণ উইং গঠন করতে হবে।এ মানববন্ধন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সমাপ্তি করেন সমন্বয়ক ও সিডিএ হারিজুল মেম্বার।




মুজিবনগরে চাঁদাবাজি মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৫ জন আটক

মুজিবনগরে চাঁদাবাজি মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৫ জনকে আটক করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মুজিবনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলমের দায়েরকৃত চাঁদাবাজি মামলায় আসামীদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মুজিবনগর উপজেলা ছাত্রলীগের (সাবেক) সভাপতি মহাজনপুর গ্রামের আ:সাত্তারের ছেলে হেলাল উদ্দীন লাভলু, বিশ্বনাথপুর গ্রামের আইয়ুব আলী ছেলে আব্দুস সালাম,  একই গ্রামের মৃত মকছেদ মন্ডলের ছেলে বাহালুল ইসলাম, দারিয়াপুর গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে জিয়ারুল ইসলাম এবং কোমরপুর গ্রামের আলিহিম মন্ডলের ছেলে আজিজুল হক ভটু।

ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে ২ তারিখ বুধবার দিবাগত রাতে মুজিবনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোপালপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের বামনপাড়া বাজারে রফিক কার ওয়াশ ও ভলকানাইজিং ওয়ার্কসপ ছিল। টাকার প্রয়োজনে ওয়ার্কসপটি গত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে খোরশেদ আলম বামন পাড়া গ্রামের মৃত মোকসেদ মির এর ছেলে মারুর নিকট ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করে। এই বিষয়টি আসামিগণ জানতে পেরে গত এপ্রিল মাসে ৩০ তারিখ আনুমাসিক রাত আটটার দিকে মামলায় উল্লেখিত আসামিগণ সহ আরো ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা লোক বিভিন্ন দেশিও অস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয় অস্ত্র সহ খোরশেদ আলমের বাড়িতে ঢুকে তাকে ঘিরেধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। প্রাণ ভয়ে খরশেদ আলম ঘরে থাকা ৫ লক্ষ টাকা আসামিদের দিয়ে দেয়। ৫ লক্ষ্য টাকা পেয়ে আসামিগণ এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি ৫ লক্ষ টাকা পরিশোধ না করলে তাকে খুন করা হবে বলে হুমকি প্রদান করে চলে আসে। সেই সময় ঘটনার বিষয়ে খোরশেদ আলম মুজিবনগর থানায় এটি অভিযোগ দায়ের করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাত কারণে অভিযোগটি গ্রহণ করেনি। একথা জানতে পেরে পুনরায় আসামিগণ খোরশেদ আলম কে হত্যার হুমকি দিলে তিনি প্রান ভয়ে আদালতেও মামলা করেনি। বর্তমানে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ার কারণে ন্যায় বিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি এই মামলা দায়ের করেন বলে তিনি প্রতিবেদক কে জানান।

এ বিষয়ে মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানান, খোরশেদ আলমের দায়েরকিত মামলায় অভিযান চালিয়ে এজাহার ভুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




চার ব্যবসায়ীকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

মেহেরপুরে ভেজাল গুড় বিক্রির অভিযোগে চার গুড় ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করেছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।

আজ বুধবার (২ অক্টোবর) বিকালের দিকে মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক বেগম শারমিন নাহার এই রায় দেন।

এরা হলেন, গাংনী উপজেলার বামন্দী বাজার এলাকার আবু বক্করের ছেলে ও মের্সাস ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকার হাবিবুর রহমান, আলিমুদ্দিনের ছেলে আবু বক্কর, গাংনী উপজেলার রামনগর গ্রামের আবু মণ্ডলের ছেলে দুলাল হোসেন ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা দৌলতখালী গ্রামের হেরেজ মন্ডলের ছেলে জিয়াউর রহমান জিয়া।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেহেরপুর সদর উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেহেরপুর শহরের ওয়াবদা সড়কে ও শহরের স্টেডিয়ামপাড়া এলাকার গুড়ের আড়তে পৃথক অভিযান চালিয়ে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদবিহীন ৪০ টিন গুড জব্দ করেন। পরে এ ঘটনায় ওই সময়ে বিশুদ্ধ খাদ্য আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়, এবং জব্দকৃত গুড় রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।ঢাকাতে পরীক্ষা নিরীক্ষা পর ওই গুড়ে ভেজাল প্রমাণিত হয়েছে।

এঘটনায় বিজ্ঞ আদালত বিশুদ্ধ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩/৪ এর ২৬ ধারায় দোষ স্বীকার করায় গুড় ব্যবসায়ী আবু বক্করকে ১ বছর কারাদণ্ড এবং ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায় আরো ১ বছরের কারাদণ্ড ও একই আইনের ৪১ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল, হাবিবুর রহমানকে ২/২৪ এর ২৬ ধারায় ১ বছরের জেল, ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায় আরো ১ বছরের জেল ও ৪১ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায় আরো ৬ মাসের জেল, আবু বক্করকে ৩ লক্ষ টাকা জরিমান, অনাদায়ে ১ বছরের জেল ও ৪১ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদাযে আরো ৬ মাসের জেল এবং দুলালকে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছরে জেল ও ৪১ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ৬ মাসের জেল দেওয়া হয়।

এছাড়া অপর আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে একই আইনের ২৬ ধারায় ৩ লক্ষ টাকা জরিমান, অনাদায়ে ১ বছরের জেল ও ৪৩ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসে জেল দেওয়া হয়েছে।
এসময় মেহেরপুর সদর উপজেলা স্যানেটারী অফিসার তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।




গাংনীতে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস পালিত

“সংঘাত নয় ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ি” শ্লোগান নিয়ে গাংনীতে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস-২০২৪ উপলক্ষ্যে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল ১০ টার সময় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গাংনী উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের গাংনী এরিয়া অফিসের সহায়তায় পিস ফ্যাসিলেটর গ্রুপ (পিএফজি) এই মানববন্ধন ও সমাাবেশের আয়োজনে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পিএফজির গাংনী উপজেলার শাখার সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক।

পিএফজির সদস্য ও করমদি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম পল্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাতীয় কন্যা শিশু এ্যাডভোকেসী ফোরামের মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম, গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো, জাতীয় পাটির গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি কিতাব আলী বিএসসি, গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ উদ দৌলা রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের গাংনী এরিয়া সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দীন।

মানববন্ধনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), পিএফজি ও ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিস ফ্যাসিলেটর গ্রুপ (পিএফজি)’র সমন্বয়কারী সাংবাদিক রফিকুল আলম বকুল।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৫-ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২ অক্টোবর কে বিশ্বে, শান্তি, সহিষ্ণুতা, সহানুভূতিশীলতা এবং অহিংসার সংস্কৃতি সুরক্ষিত করতে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উৎযাপিত হয়ে আসছে। “সংঘাত নয় ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ি ” শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৭ সাল থেকে পিস ফ্যাসিলেটর গ্রুপ (পিএফজি)’র মাধ্যমে সারাদেশে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস পালন করে আসছে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট। এরই ধারাবাহিকতায় পিএফজি, সুজন ও ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারসহ বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে মানববন্ধন ও শান্তি পদযাত্রাসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে এ বছর দেশব্যাপী উৎযাপিত হচ্ছে।




দর্শনার অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারায় জমির মালিককে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার নাস্তিপুর গ্রামের ডেঙ্গা পাড়ার মাঠে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের কারণে জমির মালিক জহুরুল ইসলামকে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১২ টার দিকে অভিযোগ পেয়ে ছুঁটে যান দামুড়হুদা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও দর্শনা পৌর প্রশাসক কে এইচ তাসফিকুর রহমান।

তিনি সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান জমির মালিক জহুরুল ইসলাম প্রায় ১০ ফুট গভীর করে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে। যার কারণে আশে পাশের কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য তিনি জমির মালিককে বালু ও মাটি উত্তোলন না করার জন্য ১৮৬০ ধারায় সতর্ক করে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এবং জমির মালিককে মুছলেকা নেন তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর কখনোই করবেন না বলে তিনি জানান।

জমির মালিককে আরও বলেন, ভবিষ্যতে যদি আপনি এই কাজ করেন তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উক্ত মাঠের আশে পাশের জমির মালিকরা অভিযোগ করেন জমির মালিক জহুরুল ইসলাম কে আমরা বেশ কয়েকবার মানা করেছি গভীর ভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন না করার জন্য। এভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের কারণে আমাদের কৃষি জমির অনেক ক্ষতি হবে। কিন্তু তিনি আমাদের কথায় কর্ণপাত না করে মাটি কাটতে থাকে।




এক দফা দাবিতে গাংনীতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নিসহ বেতন বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সহকারি শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেড বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে গাংনীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার পরে গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আক্তারুজ্জামান বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান বকুল।

রোকনুজ্জামান পলাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ধানখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন, খড়মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম, করমদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল, সাহারবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকলেছুর রহমান, এবাদৎখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাওছার আলী, হিজলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিন, বালিয়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রাকিবুল ইসলাম, বালিয়াঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাসুদ ইখতিয়ার, দিঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুর রহিম, হাড়িয়াদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লাবনী খাতুন, কুঞ্জনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, কাথুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আসিফ আহমেদ প্রমুখ।

শিক্ষকদের দাবি ১৩তম গ্রেড এর বেতন স্কেল তাদের জন্য চরম বৈষম্যের। এই গ্রেডে চলতে পারে না একজন শিক্ষকের সংসার। মাত্র ১৫ দিনের মতো চলার পর তাদের ধার দেনা করে চলতে হয়। যে কারণে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলমান থাকবে।

পরে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মো. ইউনূস এর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।




মেহেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন

“শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতিসহ সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেডে বেতন নির্ধারিত করতে হবে ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধনে আয়োজন করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেলে মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের সামনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সদর উপজেলা শাখার উদ্দ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।

এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করে সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম মিন্টু, আজহার আলী, আরিফুল ইসলাম, ইনজামুল হক, বিজলী খাতুন, মীর সাদিক, মিনারুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শাহানা ফিরদৌস, আসাদুল হক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু কাছে  মানববন্ধন উপস্থিত শিক্ষকরা  স্মারকলিপি প্রদান করেন।




ডা. কাজল আলীর এমডি ডিগ্রি অর্জন

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের মেডিকেল অফিসার মেহেরপুরের কৃতি সন্তান ডা. কাজল আলী কার্ডিওলজিতে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

আজ বুধবার তাঁর এ ফলাফল প্রকাশিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট তিনি কোর্স করছিলেন।

ডা. কাজল আলী ৩৩  তম বিসিএস এ মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে এসএসসি, মেহেরপুর সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯৯ সালে এইচএসসি এবং পরবর্তিতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তার স্ত্রীও একজন চিকিৎসক হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক। তিনি মেহেরপুর ঘোষপাড়ার আকবর আলীর সন্তান।

চাকরি জীবনের শুরুতে কিছুদিন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি ন্যাশনাল হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে বদলি হন।

চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সাথে নিজেকে জড়িত রাখেন। মানব কল্যানে তিনি নিজেকে সর্বদা বিলিয়ে দেন। সপ্তাহে দুই দিন তিনি নিজ এলাকার মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য মেহেরপুরে ছুটে আসেন।




কোটচাঁদপুরে পরিত্যক্ত ভবনে বসবাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তর

১৬ মাস হল পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়েছে কোটচাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন। এরপরও ওই পরিত্যক্ত ভবনেই বসবাস করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উছেন মে। কোন দূর্ঘটনার দায় দায়িত্ব নিতে চান না উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার কুন্ডু।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,গেল ১৯৮০ সালে ১ লা আগষ্ট কোটচাঁদপুর উপজেলার শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ডঃ আবদুল মজিদ খান। ওই সময়ই নির্মিত হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাস ভবনটিও এমনটাই জানা গেছে। সেই থেকেই ভবনটিতে বসবাস করে আসছিলেন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা। ৪৩ বছর পর জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঝিনাইদহের স্মারক নং-১৯৪; তারিখ: ১৬ মার্চ ২০২৩ ইউএনও ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য চিঠি দেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।

এরপর গেল ৩০ মে ২০২৩ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। নির্দেশ দেয়া হয় সকল বিধি-বিধান পরিপত্র/সার্কুলার যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক নিলামে বিক্রয়ের। দীর্ঘ ১৬ মাস পার হয়ে গেলেও নিলাম করা হয়নি ভবনটি। এদিকে ঝুঁকিপূর্ন পরিত্যক্ত ওই ভবনেটিতে বসবাস করছেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উছেন মে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার কুন্ডু বলেন, ভবনে বসবাস করার জন্য একটা রেজুলেশন করা আছে আমি দেখছিলাম। তবে ওই রেজুলেশনটি করা আমি আসার আগে। আর ভবনটি কনডেম করা আছে এটাও আমি জানি। বিষয়টি নিয়ে ওনার সাথে আলোচনাও হয়েছে,  কিভাবে কি করা যায়। ওনি আমাকে বলেছেন,ভবনের অবস্থা মোটামুটি ভালো আছে। কিছু সার্ভেসিং করিয়ে বসবাস করছেন বলে আমাকে বলেন।

তিনি বলেন,যেহেতু ভবনটি কনডেম ঘোষনা করা হয়েছে, সেহেতু ওনার ওই ভবনে থাকাটা  নিরাপদ নয়। তারপরও ওনি স্বেচ্ছায় ভবনটিতে থাকছেন। হঠাৎ যদি ওই ভবনে কোন দূর্ঘটনা ঘটে যায়,তাঁর দায়ভার আমার না নেয়া উচিত। এরপরও উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে আমি দায় এড়াতে পারি না।

এ অবস্থায় আপনি কোন ব্যবস্থা নিবেন কিনা,এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসলে ওনারা প্রশাসনের লোক। ওনার তো একটা নিরাপদ জায়গারও দরকার আছে। আর নতুন ভবনের বরাদ্ধ আসা না আসা নিয়ে কোন নির্দেশনা আমার কাছে নাই। এরপরও আমি বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী মহাদয়ের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উছেন মে বলেন,ইউএনও ভবনটি কনডেম ঘোষনা করা হয়েছে। তবে আমি কোন ঝুঁকি মনে করছি না। আর মরে গেলে তো আমিই মারা যাব। এটাতে তো কারোর কোন সমস্যা নাই।

তিনি বলেন,কনডেম করা ভবনে কোন পে করা লাগে না। এরপরও কিছু টাকা পে করেই আমি ওই ভবনে বসবাস করে আসছি। এ ছাড়া ভবনে থাকার জন্য একটা রেজুলেশন করা আছে। তিনি আরো বলেন,ভবনটি ভাল আছে। তারপরও আগের ইউএনও কনডেম করে গেছেন। কি কারনে করেছেন  আমার জানা নাই। উছেন মে বলেন,ভবনটি কনডেম করে ওনি বাইরে বাসা নিয়ে থাকতেন। ওই ভাবে থাকাটা আমার জন্য একটা বিব্রতকর। আর নির্বাচনের কারনে নিলাম প্রক্রিয়া করা হয়নি। তবে খুব দ্রুত এ প্রক্রিয়া করা হবে।




দর্শনা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে মানববন্ধন

দর্শনা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক মাহামুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলার দাবিতে দর্শনা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।

আজ বুধবার (২ অক্টোবর) বিকাল ৫ টার দিকে দর্শনা প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকরা এ মানববন্ধন করেছে।

দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ওসমান আলী, সাবেক সভাপতি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার দামুড়হুদা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান ধীরু, সাবেক সভাপতি আওয়াল হোসেন, দৈনিক সংগ্রামের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি এফ এ আলমগীর হোসেন, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজুহা পলাশ, ভোরের আকাশের চুয়ডাঙ্গা প্রতিনিধি শিরিন জামান, জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ফয়সাল মাহাতাব মানিক, দর্শনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক আহসান হাবীব মামুন, নজরুল ইসলাম, গণ উন্নয়ন গ্রন্থকারের পরিচালক আবু সুফিয়ান, হাসমত আলী, ইমতিয়াজ আহম্মেদ রয়েল, ফরহাদ হোসেন, ওয়াসিম রয়েল, আব্দুল হান্নান, আরিফুল ইসলাম মিলন, সাব্বির আলিম প্রমুখ।

এ সময় দর্শনা, দামুড়হুদা ও জীবননগর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বক্তব্য বলেন, আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশকের ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন দর্শনা সাংবাদিক সমিতির সাধারন সম্পাদক হানিফ মন্ডল।