হারানো মোবাইল বন্ধ থাকলে খুঁজে বের করবেন যেভাবে

অনেক সময় এমন হয় যে ফোন কোথায় রেখেছেন সেটাই ভুলে গেছেন। কিংবা আপনার ফোন সুইচ অফ থাকার সময় হারিয়ে গেল। অনেক ক্ষেত্রে চুরি হওয়া ফোন সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন উপায় কী? উপায় আছে, বন্ধ থাকা ফোন সহজেই যেভাবে খুঁজে পাবেন।

এ সমস্যা সমাধানে এবার গুগল নিয়ে এলো নতুন ফিচার। ফাইন্ড মাই ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে খুঁজে পাবেন আপনার বন্ধ থাকা ফোন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. প্রথমে ফোনের সেটিংস অপশনে যেতে হবে।

২. সেটিংসে যাওয়ার পর ‘সার্চ বারে’ ফাইন্ড মাই ডিভিইস অপশনটি খুঁজে বের করতে হবে।

৩. নিচে স্ক্রল করলেই দেখা যাবে আদারসে ফাইন্ড মাই অফলাইন ডিভাইস অপশনটি।

৪. তারপর ফাইন্ড মাই অফলাইন ডিভাইস অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫. যেখানে উইথ-আউট নেটওয়ার্ক অপশনটি চালু করে দিতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অপশনটি এনেবল হয়ে যাবে।




মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় মর্টার সেল, বিজিবির প্রতিবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পাওয়া গেলে ভারতীয় মর্টারসেল। আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে মহেশপুর উপজেলার লড়াইঘাট সীমান্তে একটি সীমের জমিতে মর্টার সেলটি পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানায়, গত ১৬ আগস্ট রাত ১০ টার দিকে বিজি লড়াই ঘাট বিজিবি ক্যাম্প থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দুরে বিকট শব্দ হয়ে চারপাশ আলোকিত হয়ে যায়। আলো ও শব্দের উৎস জানতে না পারায় বিষয়টি স্বাভাবিক ভাবে নিয়েছিলো এলাকাবাসী। আজ শনিবার সকালে ওই গ্রামের কৃষক নাজু হোসেন তার সীমের জমিতে গিয়ে মর্টারসেলটি দেখতে পেয়ে বিজিবে খবর দেয়। পরে বিজিবি এসে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

কৃষক নাজু হোসেন বলেন, আমরা ১৬ তারিখে ভেবেছিলাম ড্রোনের কারণে বা অন্য কোন কারণে এমন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সেসময় তেমন গুরুত্ব দিই নি। কিন্তু আজ সকালে মাঠে গিয়ে মর্টার সেল দেখতে পাই। আমার তো খুব আতংকে আছি।

এ ব্যাপারে খালিশপুর ৫৮ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মোল্লা ওবায়দুর রহমান জানান। মর্টার সেল পাওয়ার ঘটনায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের কাজে প্রতিবাদ পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হলে তারা আজ করতে অস্বীকার করেছে। তবে আগামীকাল পতাকা বৈঠক হবে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট এসে মর্টার সেল নিস্ক্রিয় করবে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।




ম্যানেজার নিবে রূপায়ন গ্রুপ

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি করপোরেট সেলস বিভাগ ডেপুটি ম্যানেজার/অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে একাধিক জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেড

পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার/অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার

বিভাগ: করপোরেট সেলস

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা: রিয়েল এস্টেট, ডেভেলপার হিসেবে কাজের দক্ষতা

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ

বয়সসীমা: ৩০ থেকে ৩৮ বছর

কর্মস্থল: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, দুপুরের খাবারের সুবিধা (আংশিক ভর্তুকি), প্রতি বছর বেতন পর্যালোচনা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪




কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি নেতা হামিদের মতবিনিময়

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সাবেক প্যানেল মেয়র ও কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ।

আজ শনিবার(৩১ আগষ্ট) সকালে শহরের ফয়লা রোডস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় হামিদ বলেন, সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে লেখনির মাধ্যমে দেশের মানুষের পাশে থাকেন। আওয়ামী দুঃশাসনে সে পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকরা যাতে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে পারে এজন্য আমাদের নেতা দেশ নায়ক তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন।

হামিদ বলেন, কালীগঞ্জের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে নিরাপদ রাখতে ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে স্বৈরাচারী আ’লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে বসে যড়যন্ত্র করছে। তারা বিএনপিকে বিতর্কিত করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি বা আমার নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ অপকর্ম চাঁদাবাজি করলে জানাবেন। আমি তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেব। আগামী দিনে স্বচ্ছভাবে কালীগঞ্জকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র নেতা আনোয়ার হোসেন রবির সঞ্চালনায় মতবিনিময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহব্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম রব্বানী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মোল্লা, প্রভাষক এমএ মজিদ, বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান মিলন ও মোজাম্মেল হোসেনসহ দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




চুয়াডাঙ্গায় মোটরযান চালকদের লাইসেন্স নবায়নের দাবীতে মানববন্ধন

চুয়াডাঙ্গায় মোটরযান চালকদের লাইসেন্স নবায়নের দাবীতে মানববন্ধন করেছে পেশাদার মোটরযান চালক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের একাডেমী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পেশাদার মোটরযান চালকরা বলেন, পেশাদার চালকদের লাইসেন্স নবায়নের আবেদনের ফাইল বিআরটিএ অফিসে কয়েক বছর ধরে পড়ে আছে। আঙুলের ছাপ দিয়েও লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে না। জন্ম তারিখ সংশোধন করে চালকদের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য বিগত এক বছরে চারবার তারা মানববন্ধন করেছে। আঙুলের ছাপ দেয়া পেশাদার চালকদের লাইসেন্স তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা জন্ম তারিখের সঙ্গে অমিল থাকায় আঙুলের ছাপ দেয়া প্রায় ৫০ জন চালকের লাইসেন্স দীর্ঘদিন যাবৎ প্রিন্ট হচ্ছিল না। এরপর মানববন্ধন ও আন্দোলনের কারনে জন্ম তারিখ সংশোধন কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু যাদের কারনে মানববন্ধন করা হয়েছিলো, তাদের লাইসেন্সগুলো এখনও পর্যন্ত স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট হয়নি। ৪৭৭ নং স্মারকে ২০০১ সালে জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন হয়েছিলো। এই প্রজ্ঞাপনের পরে জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য আরো একটি প্রজ্ঞাপন ২০১৬ সালে হয়েছিলো এবং মানববন্ধন ও আন্দোলনের পরে ২০২৩ সালে একটি অনুমোদন দেওয়া হয়। যে অনুমোদনের কারণে সমস্ত জন্ম তারিখ সংশোধন পূর্বক চালকদের লাইসেন্স প্রিন্ট করা হয়। কিন্তু যে সকল লাইসেন্স প্রিন্ট হতে বাকী ছিলো সেই সকল লাইসেন্সের একটি তালিকা সদর কার্যালয়ে ও অন্যান্য দফতরে প্রেরণ করা হয়েছিলো। উক্ত দপ্তরগুলো তালিকা চেয়ে তালিকা অনুযায়ী কাজ শেষ না করে তালিকাভুক্ত লাইসেন্সগুলো পূর্বে অনলাইন থেকে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাতো এবং চালকরা তাদের জীবিকা অর্জন করতে রাস্তায় গাড়ি চালাতে প্রশাসনিক কিছুটা সুবিধা পেত। কিন্তু তালিকা দেয়ার পর উক্ত লাইসেন্সগুলো মনে হয় কোনো আক্রোশে রেফারেন্স রিমার্কে ফেলে দিয়েছে। সেই সঙ্গে জনগণকে ভুল বোঝানোর মতো প্রতারণা করা হয়েছে। যার কারনে এই লাইসেন্সগুলো অনলাইন কপি আর দেখা যাচ্ছে না। এই চালকদের লাইসেন্সগুলো যে রেফারেন্স রিমার্কে ফেলেছে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। যাদের ভলিউম ও রেকর্ড পরীক্ষা পাশের রেজুলেশন সব ঠিক আছে, জন্ম তারিখের জন্য চালকরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেকের ছোট বড় স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বিআরটিএ সদর কাযার্লয়ের দূর্ণীতিগ্রস্হ কর্মকর্তাদের অতিদ্রুত বদলী করা উচিত বলে চালকরা মনে করে। যে দেশে বৈধ চালকের চেয়ে অবৈধ চালকের সংখ্যা একেবারে কম না, সে দেশে বৈধ চালকদের লাইসেন্সগুলো সমস্যা সমাধান করে দিতে অসুবিধা কিসের ? মানববন্ধনে কয়েক দফা দাবীর মধ্যে যাদের নন স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স ছিলো তাদের লাইসেন্স স্থানীয় বিআরটিএ অফিস থেকে ভলিউম ও রেকর্ড দেখে এক্সেল করার একটি সুযোগ প্রদান করেছিলো। কিন্তু ওই সুযোগটা কবে এসেছে আর কবে শেষ হয়েছে এটা বোধগম্য ছিলো না। এই নন স্মার্ট কার্ডগুলো এক্সেল করার মাধ্যমে লাইসেন্সগুলোর স্মার্ট কার্ড করার জন্য আবারো এক মাসের জন্য এই সুযোগটা প্রদান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নচেৎ সারা বাংলাদেশে এই সকল চালকদের পরিবার পরিজন নিয়ে রাস্তায় বসা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম.জেনারেল ইসলাম, ট্রাঙ্কলড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রানা ইসলাম।

মানববন্ধনে ছাত্র-ছাত্রী, চালক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, লেখক, নিরাপদ সড়ক চাই ও শ্রমিকরা অংশগ্রহণ করেন।




বন্যা পরবর্তী সময়ের প্রস্তুতি

আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে গেছে দেশের ১১ থেকে ১৩টি জেলা। বন্যা-কালীন সময়ে ত্রাণ ও দুর্গতদের সাহায্য গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু বন্যা পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন ও কিছু করণীয় থাকে।

আভাস পেলে যা করবেন
আকস্মিক বন্যার শঙ্কা অনেক বেড়েছে। তাই বন্যার আভাস পেলে মুড়ি, চিড়া, গুড়, চিনি বা শুকনো জাতীয় খাবার সংরক্ষণ করা ভালো। বিশেষ করে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংরক্ষণের জন্য চৌবাচ্চার ব্যবস্থা করা ভালো। এছাড়া সহজে বহনযোগ্য চুলা ও রান্না করার জন্য শুকনো জ্বালানির ব্যবস্থা রাখতে পারেন। বাড়ির বৃদ্ধ, শিশু, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারীর দিকে বিশেষ নজর রাখুন। এছাড়া টাকা, জমির দলিল, শিক্ষা সনদসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদে রাখুন। পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ওষুধ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংরক্ষণে রাখুন। বন্যা পরবর্তী সময়ে বন্যার পানিতে হাঁটবেন না, সাঁতার কাটবেন না বা গাড়ি চালাবেন না। কারণ ৬ ইঞ্চি পানির স্তরেও আপনি নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারেন।

ডায়রিয়া হলে করণীয়
বন্যার সময় ডায়রিয়া বেশি দেখা দেয়। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। লবণ ও পানির অভাব পূরণ করাই এর একমাত্র চিকিৎসা। শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়, তা যদি দ্রুত ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হয়, মানুষ তখনই অসুস্থ হয়ে পড়েন ও শরীরে লবণ পানির ঘাটতি দেখা দিলে মৃত্যু হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

বন্যার সময় চর্ম রোগ
বন্যার পানি গোসল বা গায়ে লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কেননা এ পানি বিভিন্ন জীবাণুর ধারক ও বাহক। তাই এ পানির সংস্পর্শে বিভিন্ন চর্ম রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। সব সময় পানির সংস্পর্শে থাকার জন্য হাতে-পায়ে স্যাঁতসেঁতে ও ভেজা আবহাওয়ার কারণে ত্বক বা ত্বকের খোসপাঁচড়া, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, প্যারনাইকিয়া, স্ক্যাবিস জাতীয় নানা ধরনের ত্বকের অসুখ হয়ে থাকে।

বন্যায় টিউবওয়েল ডুবে গেলে করণীয়
যেসব টিউবওয়েল বন্যায় ডুবে গেছে, সেগুলোর পানি ডিসইনফেকশন না করে পান করবেন না। নিজেরাই করতে পারেন এ কাজ। ১০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডারের সঙ্গে দেড় থেকে দুই লিটার পরিমাণ পানি একটি জগ বা পাত্রে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এরপর টিউবওয়েলের মূল অংশটি পাইপ থেকে খুলে পাইপের মধ্যে সেই মিশ্রণটি ঢেলে দিন। এরপর ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। টিউবওয়েলের মূল অংশটি লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট, প্রয়োজনে আরও বেশি সময় ধরে হাতল চাপতে থাকুন।

বাড়ি ফিরলে বা পুনর্বাসনে
অনুমতি দিলেই বা নিরাপদ বলার পরেই বাড়ি ফিরবেন। একটি সারভাইভাল কিট প্যাক করুন। সেখানে কমপক্ষে তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও পানি নিন। প্রত্যেকের জন্য একটি করে পোশাক, প্রয়োজনীয় ওষুধ রাখুন। জরুরি তথ্যের জন্য রেডিও, স্থানীয় পরিবর্তনকারী সিস্টেম বা সরকারী নির্দেশাবলী শুনুন। বাড়িতে ঢোকার আগে দেখে নিন কোনো কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে কি না। বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র পরিদর্শন করার আগে পাওয়ার চালু করবেন না। সাপ ও বিভিন্ন প্রাণী আপনার বাড়িতে থাকতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন। সম্ভব হলে গ্লাভস ও বুট পরুন। বন্যা-দূষিত প্রতিটি ঘর পরিষ্কার, জীবাণুমুক্ত ও শুকিয়ে নিন।

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুরে জেলা উলামা সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরে উলামা বিভাগ ও বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাস্সিরিন মেহেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে জেলা উলামা সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (৩১ আগষ্ট) সকাল ১০ টার দিকে মেহেরপুর ট্রাস্ট জামে মসজিদে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মেহেরপুর উলামা বিভাগের মেহেরপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওঃ ফিরাতুল ইসলাম (নাঈম) এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওঃ মোঃ তাজউদ্দিন খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওঃ মুহাঃ মাহবুব উল আলম। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও মুফাসসিরে কুরআন হাফেজ মাওলানা মুফতি আমির হামজা।

এছাড়াও এসময় বিশেষ আলোচনা হিসেবে বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরিন খুলনা বিভাগীয় সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওঃ ইব্রাহিম খলিল মুজাহিদ, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি হাফেজ মাওঃ জুলফিকার আলী, বাংলাদেশ মাজলিলুল মুফাসসিরিন কেন্দ্রীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য মাওঃ মোঃ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ মাজলিবুল মুফাসসিরিন মেহেরপুর জেলা সভাপতি মাওঃ মোহাঃ জাহাঙ্গীর আলম জিহাদী উপস্থিত ছিলেন।




আসছে ধারাবাহিক নাটক ‘জেন-জি’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে বিদায় নিয়েছে দেশের ১৫ বছরের স্বৈরশাসন। ইতিহাসে এ মহা বিপ্লবের এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যাদের তাদের বলা হয় ‘জেনারেশন জি’ বা ‘জেন-জি’।

যেই জেনারেশন একটা সময় ‘রাজনীতি‘ শব্দটিই ঘৃণার চোখে দেখত, আজ সেই জেনারশনের মাঝেই দেখা যাচ্ছে শুদ্ধ রাজনৈতিক চর্চা। পরিবর্তন এসেছে তাদের ভাবনার জায়গাগুলোতে।

অন্যদিকে, দেশ-বিদেশের সাধারণ মানুষও বাংলাদেশের ‘জেন-জি’দের ওপর বিস্মিত ও মুগ্ধ না হয়ে পারছেন না। সকলের মাঝেই তাদের কাজগুলো নিয়ে চলছে প্রশংসা, আলোচনা-সমালোচনা।

এসব কিছু মাথায় রেখে ‘জেনারেশন-জি’ নিয়ে একটি ধারাবাহিক নাটক নির্মাণের কথা ভাবছেন নির্মাতা ও পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। নাম দেওয়া হয়েছে ‘জেন-জি আমি কে? তুমি কে?’ নাটকটির রচনা করেছেন মেজবাহ উদ্দিন সুমন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ধারাবাহিকটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে বলে নির্মাতাসূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।

জানা গেছে, ‘জেন-জি আমি কে? তুমি কে?’ নাটকটি হবে পলিটিক্যাল স্যাটায়ারধর্মী ধারাবাহিক। মজার মজার স্যাটায়ারের মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থার চিত্র দেখানো হবে নাটকটিতে। উঠে আসবে জেনারেশনের সঙ্গে জেনারেশনের ভাবনা ও মতের পার্থক্য।

পরিবারের বাবার স্বৈরাচারী মনোভাবের দেয়াল ভাঙবে আমাদের জেন জি‘রা। এ দেয়াল ভাঙা ও অচলায়তন থেকে পুরো পরিবারকে নতুন প্রজন্ম কিভাবে বের করে আনে, এ বিষয়গুলো এ ধারাবাহিকে উঠে আসবে। হাস্যরসের মাধ্যমে গুরত্বপূর্ণ বার্তা দেবে এ ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যাব প্রডাকশন হাউস থেকে। শিঘ্রই কোনো একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ধারাবাহিকটি প্রচারিত হবে বলে জানা গেছে।

সূত্র: ইত্তেফাক




চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্টে নেই শরিফুল

রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই টেস্টে একাদশে নেই পেসার শরিফুল ইসলাম। তার জায়গায় একাদশে এসেছেন আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ। মূলত চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্টের একাদশের বাইরে রয়েছেন শরিফুল।

প্রথম টেস্ট চলাকালে শরিফুল পায়ের কুচকিতে অস্বস্তিবোধ করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চোটের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন বিসিবির ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘প্রথম টেস্ট শেষ হওয়ার পরই শরিফুলকে এমআরআই করানো হয়। তার গ্রেড-১ এর অ্যাডাক্টর স্ট্রেইন ধরা পড়েছে। তার এই ইনজুরি সারতে অন্তত দশদিন লাগবে। ইতোমধ্যেই পুনর্বাসন শুরু করে দিয়েছে সে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে বল হাতে ৩ উইকেট শিকার করেন এই টাইগার পেসার। এছাড়া ব্যাট হাতে ১৪ বলে ২২ রানে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন শরিফুল।

সূত্র: ইত্তেফাক




দাম কমলো জ্বালানি তেলের

দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমালো অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার। আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এ খবর জানিয়েছেন।

এদিন বেলা ১১টার দিকে খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত নির্মাণাধীন রুপসা ৮০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প পরিদর্শনের আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজ রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।’

জ্বালানি উপদেষ্টা জানান, ডিজেলের দাম ১০৬.৭৫ টাকা থেকে ১.২৫ টাকা কমিয়ে ১০৫.২৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৩১ টাকা থেকে ৬ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১২৭ টাকা থেকে ৬ টাকা কমিয়ে ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলার আলোকে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ধারাবাহিকতায় ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বর্তমান বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ১০৬ দশমিক ৭৫ টাকা থেকে ১ দশমিক ২৫ টাকা কমিয়ে ডিজেল ১০৫ দশমিক ৫০ টাকা ও কেরোসিন ১০৫ দশমিক ৫০ টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে পেট্রোলের বর্তমান মূল্য ১২৭ টাকা থেকে ছয় টাকা কমিয়ে ১২১ টাকা এবং অকটেনের মূল্য ১৩১ টাকা থেকে ছয় টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করা হয়েছে।

পুনর্নির্ধারিত বা সমন্বয়কৃত এই মূল্য ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর বলে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত গ্যাজেটও প্রকাশিত হয়েছে।

উচ্চ মূল্যস্ফৃীতি নিয়ন্ত্রণে বিপিসি মুনাফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার। ফলে সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকরা কমমূল্যে বাজারে জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন।