মেহেরপুরে জেলা ডেকোরেটর, সাউন্ড, লাইট ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মেহেরপুরে জেলা ডেকোরেটর, সাউন্ড, লাইট ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোঃ সানোয়ার হোসেন সভাপতি ও জহিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পেয়েছে।

আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুরের মুজিবনগর সরকারি ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে একটানা ভোটগ্রহণ হয়। মোট ৮৪ ভোট থেকে কাস্ট হয়েছে ৮৩ টি।

এরপর ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আখের আলী।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে মোঃ সানোয়ার হোসেন চেয়ার প্রতীক নিয়ে ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী শাহিনুল ইসলাম ফুল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ জহিরুল ইসলাম। তার প্রাপ্ত ভোট ৪১। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৪ ভোট।

নির্বাচনে ফারুকুজ্জামান লিটন ৪৭ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান পুটু ৩৬ ভোট, মোঃ ফিরোজ হোসেন ৪৫ ভোটে সাংগঠনিক সম্পাদক, ক্যাশিয়ার পদে মোঃ জাহিদ হাসান ৩৯ ভোট, দপ্তর সম্পাদক পদে তানিম আহমেদ ৫৭ ভোট এবং প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ আতিকুর রহমান ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

নির্বাহী সদস্য পদে মোঃ সাগর ৫৫, মোঃ শামীম রেজা ৩৩, মোঃ আশিক ইসলাম ৩৯, মোঃ কবির ৩৩ এবং মোঃ খোকন ৫৫ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হন।

এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির শফিউদ্দিন, গোলাম মোস্তফা, মোঃ রাশেদ খাঁন, আতিকুর রহমান, বজলুল হক, মোহাম্মদ সাজু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিকট কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।




দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা মিশনপাড়ায় বিষপানে যুবকের আত্মহত্যা

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মিশন পাড়ায় বিষপান করে বাবুল (২৬) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। নিহত বাবুল মিশন পাড়ার মাইকেল মন্ডলের ছেলে।

জানা গেছে,বাবুল পারিবারিক কলহের জের ধরে গত শুক্রবার সকালে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।বিষয়টা তার পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর পাতালে ভর্তি করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার দুপুরের দিকে সে মৃত্যুবরন করে।

বাবুলের মৃত্যুতে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু্ মামলা দায়ের করা হয়েছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাবুলের মরাদেহ ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতাল মর্গে নেওয়া হয়ে বলে জানা গেছে।

কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির টু-আইসি এ এস আই সাইদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন। বাবুলের মৃত্যুতে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু্ মামলা রুজু করা হয়েছে।তার লাশ যেহেতু সদর হাসপাতালে রয়েছে ওখানে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মর্গে থেকে একবারে ময়না তদন্ত শেষ করে লাশ কার্পাসডাঙ্গা পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।




জনবল নিবে বসুন্ধরা গ্রুপ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির সেলস (পেপার প্রোডাক্টস) ডিভিশন ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ’ পদে একাধিক জনবল নিয়োগ দেবে।

প্রতিষ্ঠানের নাম : বসুন্ধরা গ্রুপ

পদ ও বিভাগের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ, সেলস (পেপার প্রোডাক্টস)

আবেদনের বয়সসীমা : কমপক্ষে ২৫ বছর

পদসংখ্যা : ০১টি

কর্মস্থল : ঢাকা

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

অভিজ্ঞতা : ২ থেকে ৩ বছর

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই, ২০২৪

কর্মঘণ্টা : ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন : শুধু পুরুষ

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৮ জুলাই, ২০২৪

শিক্ষাগত যোগ্যতা : যে কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ডিগ্রি থাকতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা : প্রার্থীদের স্মার্ট, উদ্যমী এবং গতিশীল হতে হবে। ভালো আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ দক্ষতা থাকা। চাপের মধ্যে কাজ করতে ও নেতৃত্ব নিতে সক্ষম। কম্পিউটারে এমএস অফিস বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে।

অন্যান্য সুবিধা : টিএ/ডিএ, মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি,বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা, বছরে দুটি উৎসব বোনাস ছাড়াও কোম্পানির নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন : আগ্রহীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে  এখানে ক্লিক করুন।

ঠিকানা : হিউম্যান রিসোর্স, বসুন্ধরা গ্রুপ, বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার-২, প্লট-৫৬/এ, ব্লক-সি, উম্মে কুলসুম রোড, বসুন্ধরা আর/এ, ঢাকা-১২২৯




খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক বছর ধরে চালকের অভাবে অচল হয়ে পড়ে আছে অ্যাম্বুলেন্স, রয়েছে চিকিৎসক সংকট ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানেও না কবে আসবে চালক ও পূরণ হবে চিকিৎসকদের শুন্যপদ।

হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, অ্যাম্বুলেন্স রাখার গ্যারেজ তালাবদ্ধ। ভেতরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স। সামনে রাখা বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ও মাইক্রোবাস। ভেতরে যেতে বহির্বিভাগে দেখা মেলে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। মাত্র তিনজন চিকিৎসক দিচ্ছেন শত শত রোগীর চিকিৎসা। ওয়ার্ডগুলোতে শয্যা সংকটে মেঝেতে রয়েছেন রোগী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২৮টি পদ রয়েছে অথচ কর্মরত আছেন মাত্র ১১ জন। এর মধ্যে ১০ জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট ও ১৮ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা। অথচ কর্মরত আছেন জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদে তিনজন এরমধ্যে দু’জন ডেপুটেশনে অন্যত্র কর্মরত। একজন কনসালট্যান্ট দিয়ে নানা ধরণের অস্ত্রোপচার সেবা দেওয়া হয়।

১৮ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে চার/পাঁচ জন চিকিৎসক প্রশিক্ষণসহ নানা কাজে প্রায়ই বাইরে থাকেন। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। এদিকে রোগী বহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও এক বছর ধরে নেই চালক। ফলে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

জানা যায়, ২০০৩ সালে ৩১ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। পরে ২০০৭ সালে এটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। শুরু থেকেই একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে সেবা দেওয়া হচ্ছিল রোগীদের। এরই মধ্যে গত বছরের জুলাই মাসে চালক শফিউদ্দীন অবসরে যান। তার পরিবর্তে কোনো চালক নিয়োগ না হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় সেবা। ফলে গ্যারেজে পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম অ্যাম্বুলেন্সটি।

রোগীর স্বজনরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলাসহ কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, রাজশাহী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে রোগী নিযে যেতে কয়েক গুন টাকা বেশী গুনতে হচ্ছে। এ ছাড়া থাকে নানা ভোগান্তি। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা থাকলে মাত্র ২০ টাকা প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া দিয়ে বাইরে রোগী নিয়ে যাওয়া যায়। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ও মাইক্রোতে করে রোগী নিতে হচ্ছে। জরুরি মুহূর্তে ওই সকল গাড়ির চাকলেরাও গলাকাটা ভাড়া দাবি করে। প্রায় সময় দালালদের কাছে নানা হয়রানীর শিকার হতে হয়। অনেক সময় রোগীর অবস্থা খারাপ হলে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে রোগী মারা যাওয়ার উপক্রম হয়।

স্বজল হোসেন নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, হরিণাকুণ্ডু থেকে ঝিনাইদহে রোগী নিয়ে গেলে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে ভাড়া লাগে ৪০০ টাকা। কিন্তু বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স বা মাইক্রোবাস চালকরা ভাড়া নেন দেড় হাজার টাকা। অনেকে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর বা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যান। আগে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে কুষ্টিয়ায় রোগী নিলে ভাড়া পড়ত ৭০০ টাকা। এখন তারা ২ থেকে ৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

বহির্বিভাগে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৭৫০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। তিন-চারজন চিকিৎসক দিয়ে এত মানুষের সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে একটানা আড়াইটা-৩টা পর্যন্ত চিকিৎসা দেন। তিনি প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ৩৫০ রোগী দেখেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জামিনুর রশিদ বলেন, ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব সময় ৭০-৮০ জন রোগী ভর্তি থাকে। চিকিৎসক সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সের চালকের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সকল সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি।




কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধ, নিহত ১

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি-জমা বিরোধের জেরেপ্রতিবেশীর হাতে রিয়াজ উদ্দিন (৪৭) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের শানপুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত রিয়াজ উদ্দিন কুমারখালী উপজেলার শানপুকুরিয়া গ্রামের মৃত ময়নুদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি ব্যবসায়ী ও কৃষি কাজ করতেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত রিয়াজের সাথে তার চাচাতো ভাই হারুনের জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এ নিয়ে শনিবার সকালে রিয়াজের সাথে হারুনের বাকবিতণ্ডা হয়।এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হারুন ও তার লোকজন রিয়াজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়।

এসময় কুপিয়ে ও এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর আহত করে হারুন ও তার লোকজন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা বলেন, হারুন, নজু, ফজু, নজুর ছেলে আলামিন, সিদ্দিকের ছেলে মশুম, হোসেন, হোসেনের ছেলে ও বউ, ফারুকের বউ রিয়াজের বাড়ির উপর গিয়ে এলোপাথাড়ি মারপিট করে এবং কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হারুন ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম আকিব বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের হাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ কাজ করছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ডেঙ্গু রুখতে যেসব সচেতনতা প্রয়োজন

চলতি বছর ডেঙ্গু চোখ রাঙাচ্ছে আবার। গত বছরের তুলনায় এ বছর আরো ভয়াবহ হতে পারে পরিস্থিতি। ডেঙ্গুর সংকট মোকাবিলায় সংগত কারণেই সতর্কতা জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী জানান, মাত্র তিন দিনেই এই আতঙ্ক কাটানো সম্ভব। প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের যূথবদ্ধ প্রচেষ্টাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়েই রইলো তার পরামর্শ:

প্রথম পদক্ষেপ পরিবারে
প্রথম পদক্ষেপ পরিবার থেকেই নিতে হবে। এলাকাভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা জরুরি। ডেঙ্গু ছড়ায় মশার কামড়ে। মশা বংশবিস্তার করে আবদ্ধ পানিতে। তাই ঘরের ভেতরে, বারান্দায়, ছাদে, এমনকি ভবনের আশপাশের কোনো জায়গায় পানি জমে থাকতে দেবেন না। এই মৌসুমের জ্বরকে অবহেলা করা যাবে না; বরং ডেঙ্গুজ্বরের যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলেই বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। হাসপাতালে সচরাচর ৯০-৯৭ শতাংশ ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণধারীরা হাসপাতালে না এসে সেলফ মেডিকেশন নেন। মাত্র ৩ শতাংশ রোগী বড় লক্ষণ নিয়ে আসেন। তাই কোনো লক্ষণ পেলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করাতে হবে সময়মতো। চিকিত্সা ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হতে পারে।

মশা দূর করতে
দিনে বা রাতে যখনই শোবেন, মশারি ব্যবহার করুন। মশারি ভালোভাবে গুঁজে দিতেও ভুলবেন না। মশারিতে কোনো বড় ছিদ্র আছে কি-না, খেয়াল রাখুন। মশারির বাইরে থাকার সময় ঢিলেঢালা পোশাক পরুন, যাতে হাত-পা ও শরীর ভালোভাবে ঢেকে থাকে। পোশাকে মশানিরোধী পদার্থ (মসকিউটো রিপেলান্ট) ব্যবহার করতে পারেন। তবে তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য রিপেলান্ট না। ঘরের জানালা, বাথরুমের জানালা ও বারান্দার দরজায় ছোট ছিদ্রের নেট লাগিয়ে নিতে পারেন। মশা তাড়াতে ধূপ ব্যবহার করুন, কীটনাশক বা কয়েল ব্যবহার না করে। বাইরে যখন মশার ওষুধ দেওয়া হয়, তখন নিজের বাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন।

বাড়িতে জলজ উদ্ভিদ ও অ্যাকুরিয়াম
বাড়িতে জলজ উদ্ভিদ থাকলেও প্রতি ৭২ ঘণ্টায় পাত্রের পানি বদলে ফেলতে পারলে সমস্যা নেই। জলজ উদ্ভিদের জন্য ব্যবহূত জায়গাটি যথেষ্ট বড় হলে গাপ্পি কিংবা গাম্বুসিয়া মাছও ছেড়ে দিতে পারেন। এসব মাছ মশার লার্ভা খেয়ে ফেলে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দিকে তাকান
মাত্র তিন দিনেই মশার সমস্যা দূর করা যায়। মশা জন্মায় এমন টব বা পাত্র যাতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এমনকি বাড়িতে প্লাস্টিক কোনো কাপ বা ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকে পানি জমে থাকলে বিপদ হতে পারে। অব্যবহৃত কমোড ঢেকে রাখুন। ফ্লাশ করুন সময়ে সময়ে। নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমা থাকছে কি-না, খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে এলাকার সবাই মিলে ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বা জমির মালিক ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলুন। এ ছাড়া এলাকার কোথাও পানি জমে থাকার আশঙ্কা থাকলে সেই জায়গা নিজেরাই পরিষ্কার করে ফেলুন। প্রয়োজনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সহায়তা নিন।

সূত্র: ইত্তেফাক




সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবীতে মহাসমাবেশ

১৯৭১ সালে পাকিস্তান কারাগারে যুদ্ধ বন্দি সকল অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গাড়াডোব এলাকায় এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কারী অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনি সদস্য কল্যাণ কমিটি এই মহা সমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অনানারী ক্যাপ্টেন (অবঃ) জনাব মোঃ ফজলুল হক।

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সার্জেন্ট (অবঃ) মোঃ রফিজ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং মোঃ জাহিদ হোসাইন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ারেন্ট অফিসার (অবঃ) মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, সার্জেন্ট (অবঃ) নূরুল ইসলাম, সার্জেন্ট (অবঃ) মোঃ শাহজাহান, সার্জেন্ট (অবঃ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, মোছাঃ হাসিনা বেগম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহানায়ক,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১১ই জানুয়ারী বি,এম,এ (কুমিল্লা)সম্মেলনে উক্ত সকল সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষনা দেন। অথচ আজ অবধি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি মেলেনি।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের ভূমিকা তুলে ধরে প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা ও দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ওহিদুজ্জামান (শাফিউল) বলেন, পাকিস্তান কারাগারে যুদ্ধবন্দি সকল অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনি সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান ও বঙ্গবন্ধুর ঘোষনা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট জোর দাবি জানান। একইসাথে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের দৃষ্টি আকর্ষণ পুর্বক প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় -কে বিষয়টি খতিয়ে দেখারও আহ্বান জানান তিনি। ইতিমধ্যে মহামান্য সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ পাকিস্তান কারাগারে যুদ্ধ বন্দি কালীন সময়ের মুল বেতন ভাতা সহ সকল সুযোগ সুবিধা ৬০ দিনের ভিতর নিস্পত্তি করনের জন্য রাস্ট্রপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন ১২ জুলাই ২০২৪ তারিখে।

সমাবেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান কারাগারে জাতির জনক এর সাথে যুদ্ধবন্দি সকল অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনির সদস্য ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




খেলাঘর

আমার আমিকে আর পারি না বুঝতে,
একা একাই চলি আগামীকে খুঁজতে।।

চারিদিকে ফোটা কত-শত শত ভরসা,
নিমিষে সব চাওয়া হয় শুধু কুয়াশা।।

হায় হায় কথা দিয়ে কেউ রাখে না কথা,
ভালবাসা কেড়ে নেয়! দেয় কঠিন ব্যথা।।

পোড়ামন কেনো যে আর মানে না বারণ,
দু’চোখে আঁকে হায় কত সোনালী স্বপন।।

হাজারো ব্যথা, বেদনায় ভরে এ অন্তর,
তবুও কি যে আশায় বাঁধি খেলাঘর।।

হিসাবের খাতাটা যায়, উড়ে যায় ঝড়ে,
মেলে নাকো, হিসাব নিকাশ অঙ্ক করে।।

সময় শেষ হলে আটকে যায় লেন-দেন,
কি যেন রয় বাকি? বুকেতে ব্যথার সফেন।।

নিভে যায় আশার আলো জ্বলে না বাতি,
জ্যোৎস্না রাতের মাঝে নামে কালো রাতি।।




মেহেরপুরে রাস্তা ও ড্রেনের কাজের উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র

মেহেরপুরের ৩ নাম্বার ওয়ার্ড তাঁতি পাড়াই ৫০ লক্ষ টাকার রাস্তা ও ড্রেনের কাজের উদ্বোধন করেছেন পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন।

শনিবার (১৩ জুলাই ) বিকেলে পৌর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁতি পাড়ার মোড় থেকে হান্নান মাষ্টারের বাড়ি পর্যন্ত এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মোঃ বাপ্পী, ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রহিম, পৌর যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শহিদুজ্জামান সুইট, জেলা যুবলীগের সদস্য সাজেদুর রহমান সাজু, ইউনুস আলী, যুবলীগ নেতা সবুজ, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি হামিদুল ইসলাম, জেলা জাতীয় পার্টির সহসম্পাদক মোঃ সুমন পারভেজ, ছাত্র নেতা রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান জানায়, মেহেরপুরের পৌর এলাকার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে তাঁতি পাড়াই ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করা হবে।




ঢাকা মাতালেন ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নায়ক-গায়ক

প্রথম বারের মত একই মঞ্চে মাতালেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।  রাজধানীর হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটারে ‘ঢাকা মেলাঞ্চলি’ কনসার্টে নচিকেতা পরিবেশনায় মুগ্ধ হলেন অসংখ্য দর্শক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে  ফেরদৌস ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার ভীষণ ভীষণ প্রিয় একজন মানুষ নচিকেতা দা, অনেক দিন পর দেখা এই প্রথম আমরা একসাথে ঢাকার মঞ্চে।’ ক্যাপশনের শেষাংশে ফেরদৌস বলেছেন, ‘এ যেন হঠাৎ বৃষ্টি। কি অসাধারণ একজন সুরকার এবং সিঙ্গার। হঠাৎ বৃষ্টি কিন্তু নচিকেতা দার প্রথম চলচ্চিত্র। অনন্ত ভালোবাসা তোমার জন্য।’ এ পোস্টে দুই স্টারের ভক্ত-অনুরাগীরা বেশ প্রশংসা করেছেন।

নচিকেতা আধুনিক বাংলা গানের জীবনমুখী ধারার শিল্পী। ১৯৯০-এর দশকের প্রথম ভাগে ‘এই বেশ ভালো আছি’ অ্যালবাম প্রকাশের পর তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।