রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস? জানুন কী হয়

দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে কিংবা অভ্যাসবশত অনেকেই রাতে দেরিতে খাবার খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে শহুরে জীবন, অফিসের ব্যস্ততা, কিংবা বিনোদনের কারণে অনেকেই নিয়মিত রাত ১১টা বা তারও পরে রাতের খাবার খেয়ে থাকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছে, এই অভ্যাস শরীরের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত থেকে শুরু করে ওজন বৃদ্ধি এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। তাই যাদের রাতে দেরিতে খাবার অভ্যাস, তাদের এখনি উচিত নতুন করে খাবারের সময় ঠিক করা। মাঝে মাঝে দেরিতে খাবার খেলে তেমন কোনও ক্ষতি নেই, তবে প্রতিদিন যদি রাত ৯ টার পর খাবার খাওয়া হয় , তবে তা স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি: যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিন পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতে দেরিতে খায়, তাদের শরীরে বেশি ক্যালরি জমা হয় এবং ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ, রাতে খাওয়া খাবার সহজে হজম হয় না, ফলে এটি চর্বি হিসেবে জমতে থাকে। আমাদের শরীর সূর্যের আলোর সঙ্গে যুক্ত। তাই আমরা যত দেরিতে খাই, খাবার তত বেশি আমদের অন্ত্রে থেকে যায়। যা হজমকে প্রভাবিত করে। যেহেতু সন্ধ্যার পর থেকেই বিপাক ক্রিয়া আস্তে আস্তে ধীর হয়ে যায়, তাই রাতের খাবার চর্বিতে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থেকে। যার ফলে ধীরে ধীরে শরীরের অবাঞ্ছিত ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না, ফলে অনিদ্রা বা ঘুমের ব্যাঘাত দেখা দিতে পারে। এছাড়াও দেরিতে খাবার খেলে অদ্ভুত স্বপ্নও দেখতে পারেন।

২০১৫ সালে দুই কানাডিয়ান মনোবিজ্ঞানীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর একটি গবেষণা চালিয়েছে। যার ফলাফলে দেখা গেছে যে ছাত্রগুলো দেরিতে রাতের খাবার খায় তাদের অস্বাভিক স্বপ্ন দেখার সম্ভাবনা বেশি। বিশ্রামের সময় খাবার হজম করতে শরীরের সমস্যা হওয়ার কারণেও এটি হতে পারে।

এছাড়াও পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরেলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষণা সহযোগী অধ্যাপক নামনি গোয়েল বলেন, দেরিতে খাওয়ার ফলে হরমোন চিহ্নিতকারীর নেগেটিভ প্রোফাইল তৈরি হতে পারে, যেমন উচ্চ গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন, যা ডায়াবেটিসের সঙ্গে জড়িত। কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড, যা হৃদরোগের সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত অবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

দুর্বল হজম: রাতে দেরিতে খেলে খাবার যথাযথভাবে হজম হতে পারে না। ঘুমাতে যাবার কিছুক্ষণ সময় আগে খাবার খেলে পাকস্থলী স্বাভাবিকভাবে হজমের কাজ সম্পন্ন করতে পারে না, ফলে অম্লতা, গ্যাস, বুক জ্বালা ও বদহজমের সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও এতে দীর্ঘমেয়াদী পাকস্থলীর সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেশি: এছাড়াও রাতে দেরিতে খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগ ভুগতে হয়। এমনকি এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যারা থাইরয়েড রোগ, পিসিও-ডি এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর হতে পারে।

আমরা আমাদের রাতের খাবারে সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে অভ্যস্ত। শাক-সবজি শুরু করে মাছ-মাংস পর্যন্ত, আমাদের খাবারে প্রায়শই উচ্চমাত্রার লবণের মাত্রা থাকে। রাতের বেলা এই লবণাক্ত খাবার খাওয়ার ফলে এটি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি:
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, রাতের খাবার দেরিতে খাওয়ার ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়তে পারে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে মিষ্টি বা কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার দেরিতে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা হ্রাস: রাতে দেরি করে খেলে দেহে ফ্রি রেডিক্যাল বেড়ে গিয়ে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। এ ছাড়া এতে রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা কমে যায়, ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

লাবণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়া: রাতে দেরি করে খেলে বৃদ্ধিজনিত হরমোনের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে বিপাকের বিঘ্ন ঘটে শরীরের লাবণ্য নষ্ট হয়।

আদর্শ রাতের খাবারের সময় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে রাতের খাবারের জন্য সর্বোত্তম সময় হল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে, যা শরীরকে ঘুমানোর আগে খাবার হজম করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়।

খাবারের তালিকায়, হালকা ও সহজপাচ্য খাবার বেছে নিন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং খাওয়ার পরপরই না শুয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন। সুস্থ থাকতে হলে সঠিক সময়ে সুষম খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। তাই সময়মত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ জীবনযাপন করুন!

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুরের চকশ্যামনগর ও খোকসায় মা সমাবেশ

সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ে অনিয়মিত ও ঝরে পড়া রোধকল্পে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ ও আমঝুপি ইউনিয়নের খোকসা এবং চকশ্যামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নেপোলিয়ন বলেছিলেন, “আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব।” সন্তানের ভবিষ্যৎ গঠনে মায়ের ভূমিকাই প্রধান। নৈতিক চরিত্র গঠন ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় অভিভাবক হিসেবে মায়ের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। জন্মের পর অসহায় শিশুকে শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে মা-ই কথা বলা ও পথ চলতে শেখান। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম।

প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিশুর দীর্ঘ পথচলার প্রথম ধাপ। মায়ের হাত ধরে যখন এক শিশু প্রথম বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে, তখন শুরু হয় তার নতুন জগতে পথচলা। এই নতুন যাত্রাকে মসৃণ করতে মায়ের সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়ে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুর আচরণ, শেখার ধরন ও প্রকাশভঙ্গি গড়ে ওঠে। একজন শিক্ষকের সঠিক পর্যবেক্ষণ ও মায়ের সহায়তায় শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই মা সমাবেশের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। নিয়মিত মা সমাবেশ আয়োজন শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

গণসাক্ষরতা অভিযান-এর সহায়তায় মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, ওয়াচ গ্রুপ ও পিটিএ কমিটির সদস্য এবং মউক প্রতিনিধিসহ মায়েদের নিয়ে এই মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মউকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কাজল রেখা এবং সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন প্রোগ্রাম অফিসার আশিক বিল্লাহ।




বলিউডের অনেক সিনেমা বিয়ের ধারণাকে নষ্ট করে দিয়েছে

সম্প্রতি বলিউড অভিনেত্রী সানিয়া মালহোত্রার সিনেমা ‘মিসেস’ মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটিতে তুলে ধরা হয়েছে এক নারীর শ্বশুরবাড়ির জীবনযাপন। নিজের স্বপ্ন ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিসর্জন দিয়ে শ্বশুরবাড়ির সেবায় মন দিতে হয় ওই নারীকে।

সম্পর্ক করে বিয়ের পর একান্নবর্তী পরিবারে গিয়ে পুরুষতন্ত্রের শিকার হয় সানিয়ার অভিনীত চরিত্র ‘রিচা’। ছবির প্রশংসায় মেতেছেন দর্শকরা। তবে সানিয়ার সিনেমা নিয়ে আপত্তি জানালেন বলি ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই নিজের মতামত প্রকাশ করেন বিজেপি সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এবার ‘মিসেস’ সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়েই সমস্যা অভিনেত্রীর। একান্নবর্তী পরিবারকে ও পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের যেভাবে দেখানো হয়েছে, তা নিয়ে আপত্তি কঙ্গনার। তা ছাড়া গৃহবধূদের সঙ্গে পারিশ্রমিক প্রাপ্ত শ্রমিকের তুলনারও বিরোধিতা করেছেন তিনি। নিজের ঘরের ও সন্তানের জন্য কাজ করার সঙ্গে শ্রমিকের তুলনা টানা মোটেই ঠিক নয় বলেই মত কঙ্গনার।

তবে ‘মিসেস’ সিনেমার নাম না উহ্য রেখেই বিরোধিতা করেছেন কঙ্গনা রানাউত। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন তিনিও একান্নবর্তী পরিবারে বড় হয়েছেন। নারীরা পরিবারের কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না এমন তিনি দেখেননি। বরং নারীরাই নাকি ঠিক করতেন, বাড়িতে কখন খাওয়াদাওয়া হবে, কখন বাড়ির সবাই ঘুমাতে যাবে কিংবা কখন কেউ বাইরে যাবে। তিনি বলেন, তার বাড়িতে নারীদের তত্ত্বাবধানেই সব কিছু হতো। স্বামীর খরচের হিসাবও তাদের কাছে থাকত। পুরুষদের ঘন ঘন বাইরে যাওয়া ও মদপান নিয়ে নারীরাই আপত্তি জানাতেন।

এখানেই শেষ নয়। বিয়ে নিয়েও নিজের মতামত জানান অভিনেত্রী। কঙ্গনা বলেন, বিয়ে মানে শুধুই সঙ্গীর থেকে মনোযোগ ও মান্যতা পাওয়া নয়। বরং বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আশ্রয় পান প্রবীণ ও সহায়তা পায় সদ্যোজাতরা। আগের প্রজন্মের প্রায় সবাই কোনো প্রশ্ন না করেই বাবা-মায়ের সেবা করতেন।

এ বিষয়ে কঙ্গনা বলেন, বলিউডের বহু সিনেমাতেই বিয়ে নামক ধারণাকে নষ্ট করে দিয়েছে। এই দেশে যেভাবে বিয়ে হয়ে এসেছে এতদিন, সেভাবেই বিয়ে হওয়া উচিত। বিয়ের সবসময়েই একটা উদ্দেশ্য ছিল। সেই উদ্দেশ্য হলো— ‘ধর্ম’, যার অর্থ ‘কর্তব্য’। নিজের কর্তব্যটুকু করুন। তাতেই হবে। জীবন খুবই ছোট। বেশি মান্যতা পেতে গেলে মনোবিদের সঙ্গে একাই জীবনটা কাটাতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

ঝিনাইদহে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে সদর উপজেলা চত্ত্বরে এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা যষ্টি চন্দ্র, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর এ নবীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এ বছর মেলায় ১৭টি স্টল দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে স্টলে জায়গা করে নিয়েছে হরেক রকমের কৃষিপণ্য।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের অন্যতম খাত কৃষি। চলমান কৃষি উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনের কোনো বিকল্প নেই।

সাধারণ কৃষক ও মানুষ যেন খুব সহজেই জানতে পারে ও কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের ও দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যেই এ মেলার আয়োজন। মেলাটি চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।




যে অঙ্কে এখনও সেমিতে যেতে পারে পাকিস্তান

ব্যর্থতা মেনে নিয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, দায় চাপিয়েছেন কাঁধে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের অধিনায়ক বলেছেন, গ্রুপের অন্য দলগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে চান না। স্বাগতিকদের সেমিফাইনালের ভাগ্য যদিও ঝুলে গেছে। তবুও বেঁচে আছে ক্ষীণ আশা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মিশনে থাকতে পাকিস্তানের পক্ষে অনেক কিছু আসতে হবে।

নিউজিল্যান্ডের কাছে ধরাশায়ী হওয়ার পর ভারতের কাছে পর্যদুস্থ হয়েছে পাকিস্তান। তাতেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের বিদায়। তবে টেবিলের হিসেবে এখনও অনেকটা যদিকিন্তু আছে। এই করলে সেই হবে’র সমীকরণে প্রথমত বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে হবে পাকিস্তানকে। পরে তাকিয়ে থাকতে হবে টেবিলে।

সেমিতে যাওয়ার সমীকরণ

রাওয়ালপিন্ডিতে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে কিউইরা জিতলে ছিটকে যাবে বাংলাদেশ। বিদায় হবে পাকিস্তানেরও। বাংলাদেশ যদি ব্ল্যাক ক্যাপসদের হারিয়ে দেয় তবেই টিকে থাকবে পাকিস্তানের আশা।

নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে হবে। এবং চোখ রাখতে হবে নেট রানরেটে।
তাকিয়ে থাকতে হবে ভারতের দিকেও। গ্রুপের শেষ ম্যাচে রোহিত শর্মারা যদি নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দেয়, তাহলেই জমে উঠবে টেবিলের হিসেবে নিকেশ।

সেই মুহূর্তে ভারত ছাড়া বাকি তিন দলের পয়েন্ট হবে ২ করে। যারা নেট রান রেটে এগিয়ে থাকবে, তারা গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট কাটবে।

সেমিতে যাওয়ার অঙ্কটা ভীষণ কঠিন পাকিস্তানের জন্য। সবকিছু নির্ভর করে আছে গ্রুপের বাকি তিন প্রতিপক্ষের হাতে। পাকিস্তানেরও জিততে হবে বাকি ম্যাচটি।

সূত্র: যুগান্তর




ভ্যান চালক আতিয়ার রহমান হত্যার প্রতিবাদে গাংনীতে মানববন্ধন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের ভ্যান চালক আতিয়ার রহমানের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

সোমবার সকাল ১১টায় গাংনী উপজেলার দেবিপুর বাজারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোতালেব হোসেন, ইয়ারুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, সাগর হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নিহত আতিয়ার রহমান একজন ভ্যান চালক ছিলেন এবং এলাকার মানুষের সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। তবুও তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত সনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার সকালে ছাতিয়ান-বাদিয়াপাড়া মাঠের মধ্যে থেকে আতিয়ার রহমানের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আতিয়ার রহমান গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের রহিদুল ইসলামের ছেলে।




চট্টগ্রামের মেজবান, আপনি যেভাবে খেতে পারেন

চট্টগ্রামের মেজবান। এই মেজবানের কথা মানুষের ‍মুখে মুখে প্রায়ই শোনা যায়। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাইরের জেলার কোন লোক একবার খাওয়ার সুযোগ পেলে আর ভুলতেই চান না এই মাংসের স্বাদ। কিন্তু কি আছে এতে?

অনেকের বাড়িতে গরুর মাংস রান্না হয়। প্রায়ই মানুষের এটাই পছন্দের খাবার। সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবার। অনেকে অনেকভাবে রান্না করেন এই গরুর মাংস। কিন্তু চট্টগ্রামের মেজবানির মতো হয় না কেন?

চট্টগ্রামের মানুষেরা বলে থাকেন, মেজবানির রান্না সবচেয়ে আলাদা। নিজেদের বাড়িতে যে মাংস রান্না হয় তার সঙ্গে মেজবানির অনেক তফাৎ। সম্পূর্ণ আলাদাভাবে মেজবানির মাংস রান্না করা হয়।

চট্টগ্রামের মেজবান কী?

দেশব্যাপী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের বেশ খ্যাতি রয়েছে। এই মেজবান দেশ পেরিয়ে দেশের বাইরেও পৌঁছে গেছে। দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রবাসিরা মাঝেমধ্যে মেজবানির আয়োজন করে থাকেন।

জানা যায়, মেজবান শব্দটি একটি ফারসি শব্দ। এই মেজবানকে চট্টগ্রামে মেজ্জান বলা হয়। ১৮ দশক থেকে চট্টগ্রামে মেজবানের প্রচলন শুরু হয়ে আসছে। যেখানে চট্টগ্রামের ধনীরা বিভিন্ন উত্সবে গরিব লোকদের উন্নতমানের খাবারের আয়োজন করতেন। সেই থেকে মেজবানের প্রচলন। যা এখনও রয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাইরে অন্য জেলায় এই মেজবানকে জেয়াফত বলা হয়।

সাধারণত কারো মৃত্যুবার্ষিকী, কুলখানি, চল্লিশা, ওরশ শরিফ, মিলাদ মাহফিল, সন্তানের আকিকা, গায়ে হলুদ, নতুন ঘরে ওঠা অথবা নতুন ব্যবসায়-বাণিজ্য শুরু করার আগে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

মেজবানের আয়োজনে থাকে- রান্না করা গরুর মাংস, চনার ডাল, গরুর নলা, মাষকলাই ডাল, গরুর কালোভুনা। মজাদার মেজবানি খাবারের প্রতি ধনী-গরিব সবারই লোভ থাকে।

ঘরে বসে আপনিও করতে পারেন মেজবানির মাংস রান্না। তাতে কিছু স্পেশাল মশলা ব্যবহার করতে হয়। জেনে নিন কিভাবে মেজবানির গোস্ত রান্না করবেন। এক কেজি গরুর গোস্ত দিয়ে মেজবানির রান্নায় কী কী উপকরণ লাগে-

উপকরণ

গরুর মাংস ১ কেজি

তেল পরিমাণ মতো

পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ

আদা বাটা ২ টেবিল চামচ

রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ

জিরার গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ

মরিচের গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ

হলুদের গুঁড়ো আধা টেবিল চামচ

লবণ স্বাদমতো

মসলার গুঁড়ো ৪ টেবিল চামচ

তেজপাতা ৪ থেকে ৫টি

দারুচিনি ৪টি

এলাচ ৫ থেকে ৬টি

লবঙ্গ ৬ থেকে ৭টি

পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ

সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ

যেভাবে রান্না করবেন

মাংসগুলো ভালোভাবে ধুয়ে একটি বড় বাটিতে নিন। এতে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরার গুঁড়ো, মরিচের গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো, লবণ ও স্পেশাল মসলার গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে মেরিনেট করুন।

এবার রান্নার পাতিলে পরিমাণমতো তেল দিন। তেল গরম করে এতে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, পেঁয়াজ কুচি, লবণ, মেরিনেট করা মাংস, পানি ও সরিষার তেল দিয়ে কষিয়ে ফেলুন। ভালোভাবে কষানোর পর পরিমাণ মতো ফুটন্ত পানি দিন এবং পর্যাপ্ত সময় নিয়ে গোস্ত রান্না করুন। তাহলেই হয়ে যাবে মেজবানির মাংসের স্বাদ।

রান্না হয়ে গেলে গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে স্বাদের মেজবানির মাংস খেতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর




কোটচাঁদপুরে দুই যুবলীগ নেতা আটক

কোটচাঁদপুরে অপারেশন ডেভিল হান্টে যুব লীগের দুই নেতা পুলিশের হাতে আটক হয়েছে।

রবিবার দুপুরে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ওই দুজনকে কালিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে আব্দুল মালেক (৫৩) সাবদারপুর বাজার থেকে দয়ারামপুরে বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় লক্ষিপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান তাকে আটক করেন। আব্দুল মালেক দয়ারামপুর গ্রামের মৃত তাহাজ্জেদ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি দোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

অন্যদিকে বাবুল আহম্মেদ( ৫০) কে আটক করেছেন স্থানীয় লক্ষিপুর বাজার থেকে। তিনি ওই গ্রামের শাখায়াত হোসেনের ছেলে। সে দোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে দলীয় সুত্রে জানা গেছে।

লক্ষিপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান বলেন, আটকৃতরা হলেন দোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক। এদের মধ্যে আব্দুল মালেককে দয়ারামপুর বাজারের পাশ থেকে ও বাবুল আহম্মেদকে লক্ষিপুর বাজার থেকে আটক করা হয়।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, তাদেরকে আটক করে কালীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কারণ এ থানায় ওই সংক্রান্ত কোন মামলা নাই।




মেহজাবীনের বিয়ে কবে ও কোথায়?

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীবের দীর্ঘদিনের প্রেমসম্পর্কের গুঞ্জন অবশেষে সত্যি হতে চলেছে। এবার তাদের প্রেমসম্পর্ক প্রকাশ্যে এসেছে এবং তারা দ্রুত বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন।

দীর্ঘসময় ধরেই মেহজাবীন ও রাজীবের সঙ্গে প্রেমসম্পর্কের গুঞ্জন চলছিল মিডিয়াপাড়ায়। অতীতে এ সম্পর্ককে দুজনেই গুঞ্জন বলে এড়িয়ে গেলেও দেশের বাইরে বিভিন্ন লোকেশনের রোমান্টিক মুহূর্তের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করতে দেখা যেত। এমনও শোনা গেছে— কাউকে না জানিয়ে লুকিয়ে বিয়ে করেছেন মেহজাবীন ও রাজীব। এবার সেই বিয়েরই সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা হতে চলেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, লুকিয়ে বিয়ে করেননি মেহজাবীন। চলতি মাসেই বিয়ের সানাই বাজবে। ‘প্রিয় মালতি’র প্রযোজক ও নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে ভালোবাসার মাস ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন অভিনেত্রী। যদিও রাজীব ও মেহজাবীনের বিয়ে আরও আগেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে তারিখ পেছানো হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, রাজধানীর অদূরে একটি রিসোর্টে আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মেহজাবীনের গায়েহলুদ। একই ভেন্যুতে পর দিন অর্থাৎ আগামীকাল সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বসছে বিয়ের আসর।

এদিকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মেহজাবীন তার বিয়ের খবরটি সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করেন। তবে বিয়ের খবর স্বীকার করলেও তিনি ভেন্যু, তারিখ ও আয়োজন প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়াতে পা রাখেন মেহজাবীন। নাটকের গণ্ডি পেরিয়ে মেহজাবীন এখন ওটিটি ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করছেন। গেল মাসে মুক্তি পেয়েছে তার সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মেহেরপুর জেলা শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান গতকাল শনিবার এই কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মোঃ আজমুল হোসেন মিন্টু ও সদস্য সচিব হিসেবে মোঃ শহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে মোঃ মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান সজিব, ইলিয়াস হোসেন, হারুন অর রশিদ বাচ্চু, মোঃ ফিরোজুর রহমান, মোঃ রাকিবুল ইসলাম সজল, মোঃ চঞ্চল, এম এম সালাউদ্দিন ও ইকবাল হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সদস্য হিসেবে এড. মিজানুর রহমান, এডাম সুমন, এড. এশবার জাহান (তমা), বাশিরুল আজিজ হাসান, বুলবুল আহমেদ, মোঃ কায়কোবাদ, মনিবুল খান, মোঃ টিটোন, মোঃ হারুন, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ লাবলু রহমান, মোঃ বাদশা মিয়া, মোঃ ফুর্তি হাসান, মোঃ আাক্তাররুজ্জামান কালু, মোঃ টিপু সুলতান টিপু, মোঃ আলীমুজ্জামান নুটু, মোঃ কাফিরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল লতিফ, মোঃ স্বপন আলী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আক্তারুজ্জামান, মোঃ সুজন আলী, মোঃ শাহ আলম ও আব্দুল আলিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।