মেহেরপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মেহেরপুর জেলা শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান গতকাল শনিবার এই কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে মোঃ আজমুল হোসেন মিন্টু ও সদস্য সচিব হিসেবে মোঃ শহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে মোঃ মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান সজিব, ইলিয়াস হোসেন, হারুন অর রশিদ বাচ্চু, মোঃ ফিরোজুর রহমান, মোঃ রাকিবুল ইসলাম সজল, মোঃ চঞ্চল, এম এম সালাউদ্দিন ও ইকবাল হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সদস্য হিসেবে এড. মিজানুর রহমান, এডাম সুমন, এড. এশবার জাহান (তমা), বাশিরুল আজিজ হাসান, বুলবুল আহমেদ, মোঃ কায়কোবাদ, মনিবুল খান, মোঃ টিটোন, মোঃ হারুন, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ লাবলু রহমান, মোঃ বাদশা মিয়া, মোঃ ফুর্তি হাসান, মোঃ আাক্তাররুজ্জামান কালু, মোঃ টিপু সুলতান টিপু, মোঃ আলীমুজ্জামান নুটু, মোঃ কাফিরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল লতিফ, মোঃ স্বপন আলী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আক্তারুজ্জামান, মোঃ সুজন আলী, মোঃ শাহ আলম ও আব্দুল আলিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।




দেবাশীষ বাগচির মামলায় মৃদুলের ১ বছর জেল, ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা জরিমানা

মেহেরপুর অর্থঋণ আদালতে দেবাশীষ বাগচির দায়ের করা মামলায় সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই সরফরাজ হোসেন মৃদুলের ১ বছর জেল, ৩কোটি ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

রবিবার মেহেরপুরে যুগ্ম দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন। সরফরাজ হোসেন মৃদুল মেহেরপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক। বাদী দেবাশীষ বাগচি মৃদুলের ব্যবসায়ী সহযোগী ছিলেন।

আদেশে বলা হয়েছে, ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা জরিমানার ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বাদীকে এবং ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে এ মামলায় তিনি যে কয়দিন হাজত খেটেছেন সে কয়দিন সাজার এক বছর থেকে কর্তন হবে।

আদেশ ঘোষণার সময় সরফরাজ হোসেন মৃদুলে মেহেরপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আদেশ ঘোষনার পর পুনরায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলায় বাদি পক্ষে খ ম হারুন ইমতিয়াজ বিন জুয়েল এবং আসামি পক্ষে খন্দকার আব্দুল মতিন আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৩ সালে সরফরাজ হোসেন মৃদুলের ব্যবসায়ীক পার্টনার দেবাশীষ বাগচি আদালতে এক কোটি ৮০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর-৯০৭/২৩ (মেহেরপুর)।

মামলার এজহারে বাদী অভিযোগ করেন, পারিবারিক সূত্রে বহু বছর যাবৎ ঠিকাদারি ব্যবসা করে আসছি। সে ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে শহীদ সরফরাজ হোসেন মৃদুলের সঙ্গে যৌথভাবে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করি। ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গণপূর্ত, জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা প্রকৌশলী, এলজিইডিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টা নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করেছি। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ থেকে ২৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালের প্রথম দিকে যৌথ ঠিকাদারি ব্যবসা পরিসমাপ্তি ঘটালে তার সঙ্গে আমার মূলধন ও লভ্যাংশসহ আনুমানিক দুই কোটি ৫০ লাখ টাকার বেশি পাওনা হয়। প্রাপ্য টাকা না পেয়ে আমি, আমার ও তার পরিবারের লোকজনসহ জেলা যুবলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে অবহিত করি। এক সময় সবার হস্তক্ষেপে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আমার সঙ্গে হিসাব করতে রাজি হয়। আমি হিসাবে বসতে বললে বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করে একপর্যায়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে তখন সে মৌখিকভাবে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মীমাংসা করে এবং আমাকে ২০২৩ সালের বছরের জুলাই মাসের ১৬ তারিখে ঢাকায় যেতে বলে। ঢাকার আদাবরে তার বাসার সামনে গেলে রিংরোড সাহাবুদ্দিন প্লাজার ওসিস কফিশপে বসে আমাকে ২৪ জুলাই তারিখ দিয়ে রূপালি ব্যাংক মেহেরপুর শাখার এক কোটি ৮০ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন বাদী।

আমি চেকে দেওয়া তারিখ অনুযায়ী ২৪ জুলাই টাকা উত্তোলনের জন্য অগ্রণী ব্যাংকে চেক জমা করি। এক সপ্তাহ পর ব্যাংক থেকে চেক ডিজঅনার দেখিয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করে। যেখানে লেখা আছে, গত ৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। ১ আগস্ট ২০২৩ তারিখে ব্যাংক চেক ডিজাঅনার সার্টিফিকেট দেয়। আমি বিষয়টি আসামীকে জানালে সে আমাকে আজকাল করে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াতে থাকে। অতঃপর আমি বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট সাহেবের মাধ্যমে গত ৩০ আগস্ট আসামী বরাবর এন আই এক্ট ১৮৮১ এর বিধান মতে ডাকযোগে নোটিশ প্রদান করিয়া চেকে উল্লেখিত এক কোটি আশি লক্ষ টাকা পরিশোধ করিয় চেকটি ফেরত অথবা বাতিল করার অনুরোধ করি।

চেক ডিজঅনারের মামলায় করায় মন্ত্রীর ক্ষমতায় মৃদুল উল্টো দেবাশীষ বাগচীর বিরুদ্ধে চেক চুরির মামলা করে। পরে ওই মামলায় পুলিশ চেক উদ্ধারের জন্য দেবাশীষের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করে।

ওই ঘটনার পরে গতবছরের ৫ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় মেহেরপুরের সোডাপ মিলনায়তনে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহীদ সরফরাজ হোসেন মৃদুলের বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলনে পাওনা টাকা ও ন্যায়বিচার না পেলে পরিবারসহ আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছিলেন মেহেরপুর জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য দেবাশীষ কুমার বাগচি মনু।

এদিকে, মামলার আদেশ ঘোষণার পর দেবাশীষ বাগচি মানু তার ফেসবুকে ‘আমিই মানু’ লিখে হাসিমাখা ছবি পোস্ট করেন।




দুপুরে ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মহারণ, পাকিস্তানের বাঁচা মরার ম্যাচ

বিশ্ব ক্রিকেটের ‘এল ক্লাসিকো’ কিংবা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর রোমাঞ্চকর দ্বৈরথ ধরা হয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে। যদিও হরহামেশা এমন লড়াই দেখার ফুরসত মেলে না ক্রিকেটভক্তদের। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের মুখোমুখি ম্যাচ ঠিক অতটা জমেও না। তবুও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনার কমতি নেই। তেমনই এক ব্লকবাস্টার ম্যাচে আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান।

বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে। এই ম্যাচের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সর্বশেষ ২০১৭ আসরের ফাইনালিস্টও। সাম্প্রতিক সময়টা ঠিক স্বাচ্ছন্দে না কাটলেও, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুখস্মৃতি নিয়ে নামছে পাকিস্তান। অন্যদিকে, ভারত আছে দুর্দান্ত ফর্মে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে আগের আসরের শোধ নেওয়ার লক্ষ্যে নামবে গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা।

রোমাঞ্চকর ম্যাচটি নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা ভারতীয় ওপেনার শুভমান গিল জানিয়েছেন,‘ভারত-পাকিস্তান নিঃসন্দেহে একটি বড় ম্যাচ, তবে ফাইনাল সব সময়ই যেকোনো টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। আমি জানি না এটা ওভারহাইপড নাকি আন্ডারহাইপড। তবে এই দ্বৈরথের অনেক ইতিহাস আছে এবং লাখ লাখ মানুষ এই ম্যাচটি দেখতে ভালোবাসে। তাই ম্যাচটি ওভারহাইপড নাকি আন্ডারহাইপড আমি সেটি বলার কেউ নই।’ নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসর শুরু করেছে রোহিত শর্মার দল।

পাকিস্তানকে হারাতে হলে আগে ব্যাট করে ৩০০-৩২৫ রান করতে হবে বলেও জানান গিল। একইসঙ্গে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন, ‘এই ম্যাচ নিয়ে আমরা অবশ্যই ইতিবাচক এবং আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই। এই উইকেটে ৩০০-৩২৫ খুব ভালো স্কোর হবে। মাঝের ওভারে যে দল ভালো ব্যাটিং করবে, তারা জেতার আরও ভালো সুযোগ পাবে। শিশির না থাকলে টস কোনো ব্যাপার হবে না। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দলের ওপরই চাপটা বেশি থাকবে।’

অন্যদিকে, পাকিস্তান টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে। তাই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। এই দ্বৈরথের আগে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান প্রধান কোচ আকিব জাভেদ পেসনির্ভর খেলার কথা জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেকটা দলই নিজেদের শক্তির ওপর নির্ভর করে ম্যাচ খেলে। আমাদের শক্তি পেস বোলিং। ১৯৯০ দশকের কথা মনে পড়ছে, আর ভারতের বিপক্ষে খেলা সব সময়ই বিশেষ। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সবসময়ই আলাদারকমের উন্মাদনা থাকে। এই খেলা থেকেই ক্রিকেটারদের উঠে আসার সুযোগ থাকে।’

রোমাঞ্চ ও চাপ সামলাতে শিষ্যদের কিছু বাস্তবতার শিক্ষাও দিয়েছেন পাক কোচ, ‘ক্রিকেটারদের জন্য এটি পেশা। তাদের জন্য এমন ম্যাচ খেলতে পারাও গর্বের, তবে একইসঙ্গে পেশাও বটে। আপনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবেন। কখনও জিতবেন, কখনওবা ফল পক্ষে আসবে না। যেকোনো এক দলকে হারতেই হবে। তাই এটি কেন এত বড় বিষয় হচ্ছে? কেন এত চাপ? প্রতিটি ম্যাচই ভিন্ন। তবে পাকিস্তান-ভারত ম্যাচে উন্মাদনা উঁচুতেই থাকবে। এটাই এই লড়াইয়ের সৌন্দর্য্য। ভালো-খারাপ পারফরম্যান্স অনুযায়ী দর্শকরা আচরণ করবে, একইভাবে নিজেদের দর্শকও বিপক্ষে চলে যেতে পারে। তাই ক্রিকেটার হিসেবে কেবল খেলাতেই মনোযোগটা থাকা উচিৎ।’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এখন পর্যন্ত ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম হাইভোল্টেজ এই দ্বৈরথে পরিসংখ্যানটা পাকিস্তানের পক্ষে, তাদের ৩ জয়ের বিপরীতে ভারত জিতেছে ২টিতে।

তবে আইসিসির সব ইভেন্ট বিবেচনায় নিলে পরিসংখ্যানে রোহিত-কোহলিদেরই দাপুটে অবস্থান। দুই দলের মোট ২১ বারের মুখোমুখি দেখায় ভারত ১৭টিতে জিতেছে। এর মধ্যে ওয়ানডে বিশ্বকাপে জয় শতভাগ (৮টি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ৮টির মধ্যে ৭টিতে জয় ভারতের। কেবল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এক্ষেত্রে পাকিস্তানের জন্য সুখকর!

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুরের গাংনীতে ভ্যানচালকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান- বাদিয়াপাড়া মাঠের মধ্যে আতিউর রহমান (৩৫) নামের এক ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আতিউর গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের মাঠপাড়া এলাকার রহিদুল ইসলামের ছেলে। আগের দিন বিকালে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি তিনি।
আজ রোববার বেলা ১১ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, স্থানীয়দের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে মাঠের একটা কলাবাগানের মধ্যে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী জুলেখা জানান, গতকাল বিকালে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। আজ সকালে ফেসবুকে ছবি দেখে তার লাশ সনাক্ত করি।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ ধারণা করছে তার ব্যবহৃত ভ্যান ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যা করা হয়ে থাকতে পরে। তবে পরিবারের অভিযোগ প্রতিবেশীদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণেণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।




চুল পড়া দূর করতে দ্রুতই তিনটি নিয়ম পালন করুন

আপনার চুল পড়ার কোনো মৌসুম নেই। আপনি সেটা খুব ভালো করেই জানেন। তাই শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব ঋতুতেই চুল পড়তে থাকে। শতচেষ্টাতেও এ সমস্যা থেকে সবসময় রেহাই পাওয়া যায় না। আপনার চুল পড়া রক্ষায় নামি সংস্থার দামি প্রসাধনীও ব্যর্থ হয়। আবার ঘরোয়া টোটকার ব্যবহার করেও সুফল মেলেনি এমন উদাহরণ বহু রয়েছে। শুধু ঝরে পড়া নয়, নিষ্প্রাণও হয়ে পড়ে চুল। যদি কোনো চেষ্টা কাজে না আসে, তা হলে কীভাবে করবেন চুলের পরিচর্যা?

চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার চুল পড়া রক্ষায় কি করণীয়

ময়েশ্চারাইজিং

শুধু যে ত্বকের ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন হয়, সেটি একেবারেই নয়। চুলের চাই আর্দ্রতা। আর তার জন্য ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি। মাথার ত্বকে আর্দ্রতার ঘাটতি চুল ঝরার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। তাই অলিভ অয়েল, কাঠবাদামের তেল ভালো করে মালিশ করুন। তাতে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন।

স্টিম

নিজের হাতেই ফেস স্ক্রাব বানিয়ে মাখুন, দুই মিনিটে পাবেন মোলায়েম ত্বক। তাই মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ফেরাতে গরম ভাপ নেওয়া জরুরি। বাড়িতেই সেটা নেওয়া সম্ভব। শ্যাম্পু করার পর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন কিছু সময়। মাঝেমাঝে এই স্টিম নিলে মাথার ত্বকে তেল পৌঁছাবে ভালোমতো। সেই সঙ্গে আর্দ্রও থাকবে মাথার তালু।

তেলের ব্যবহার

চুল ভালো রাখতে চাইলে তেল দূরে সরিয়ে রাখলে চলবে না। তেলের গুণেই চুল থাকবে ঝলমলে, মসৃণ ও কোমল। তা ছাড়া চুলের গোড়া মজবুত করতেও তেলের ভূমিকা অনবদ্য। নিয়মিত তেল না মাখলে চুলের গোড়া শক্ত হবে না।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুর জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সম্মেলন

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মেহেরপুর জেলা শাখার শিক্ষক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এই শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আল-আমিন বকুলের সভাপতিত্বে শিক্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারী
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক এ বি এম ফজলুল করিম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষকের ফেডারেশনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সভাপতি ডঃ আলমগীর বিশ্বাস, বাংলাদেশ শিক্ষক ফেডারেশন মেহেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা তাজ উদ্দীন খান ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর জেলা সভাপতি মাহবুব উল আলম।

ছাহিউদ্দীন ডিগ্রী কলেজে সহকারী অধ্যাপক ডঃ আলিবদী এর সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর সদরের সেক্রেটারী আইয়ুব আলী, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর সদরের সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলী লাল্টু, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদ মুজিবনগর থানার সভাপতি হারুন আর রশিদ, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ গাংনী থানার সভাপতি মোমিনুজ্জামান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর সদর থানার সভাপতি মাওলানা আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক পরিষদ গাংনী থানার সভাপতি মোঃ ইসহাক আলী, বাংলাদেশ কারিগরী  শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর জেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর জেলার সভাপতি মনজুরুল হাসান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ মেহেরপুর জেলার সেক্রেটারী সুলাইমান হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদ মেহেরপুর জেলার সভাপতি রবিউল ইসলাম, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মুজিবনগর থানার সভাপতি মোশারেফ হোসেন, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন গাংনী থানার সভাপতি আবুল হাশেম প্রমুখ।




কেন পাপারাজ্জিদের ‘পাগল’ বললেন রণবীর?

বলিউডের কাপুর পরিবারে ফের বেজে উঠেছে সানাই। বিয়ে করছেন কারিনা কাপুর ও রণবীর কাপুরের ফুফাতো ভাই আদর জৈন। গাঁটছড়া বাঁধছেন আলেখা আদভানির সঙ্গে। তাদের বিয়ের আসরেই বসেছে তারকাদের মেলা।

আদরের বিয়েতে গোলাপি রঙের শাড়ি ও হীরার নেকলেস পরে স্বামী রণবীরের হাত ধরে উপস্থিত হন কাপুর পরিবারের পুত্রবধূ আলিয়া ভাট। রণবীরের পরনে ছিল বটল গ্রিন রঙের বন্ধ গলা শেরওয়ানি এবং সাদা পায়জামা।

অনুষ্ঠানে প্রবেশ করে বলিউডের জনপ্রিয় এই দম্পতি হাতে হাত ধরে হেঁটে যান এবং অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থানরত পাপারাজ্জিদের অভ্যর্থনা জানান।

এ সময় ক্যামেরাম্যানরা তাদের পোজ দেওয়ার জন্য বলেন এবং তাদের বলিউডের ‘নাম্বার ওয়ান কাপল’ বলেও সম্বোধন করেন। আর এতে লজ্জায় লাল হয়ে উঠেন কাপুর পুত্রবধূ।

তবে আলিয়ার সঙ্গে যৌথ ফটো সেশনের পরে ফটোগ্রাফাররা রণবীরকে এককভাবে পোজ দিতে বলেন। তখন তিনি মজা করে উত্তর দেন, ‘পাগল হ্যায় কেয়া?’ (তুমি কি পাগল?), যা দেখে আলিয়া হেসে ফেটে পড়ে।

অনুষ্ঠানে নীতু কাপুর, কারিনা কাপুর খান, সাইফ আলি খান, কারিশমা কাপুর, রেখা, সুহানা খান, অনন্যা পান্ডে, অরি, বনি কাপুর, নিখিল নন্দা এবং অগস্ত্য নন্দাসহ বেশ কয়েকজন বলিউড সেলিব্রিটি উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহে শীর্ষ চরমপন্থি নেতা হানিফসহ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পুর্ববাংলার কমিউনিষ্ট পার্টির কথিত সামরিক কমান্ডার হানিফ তার দুই সঙ্গীসহ খুন হয়েছেন। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রতিপক্ষ বন্দুকধারীরা তাদের হত্যা করে।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর শ্মশান ঘাট এলাকার একটি ক্যানালের পাশ থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। তিনজনের মাথায় গুলির চিহ্ন রয়েছে। পাশে দুইটি মটরসাইকেল ও নিহতদের ব্যবহৃত হেলমেট পড়ে ছিল।

নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় মিলেছে। এরা হলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলার আহাদনগর গ্রামের রাহাজ উদ্দীনের ছেলে শাতাধীক হত্যা মামলার আসামী হানেফ আলী (৫২) ও তার শ্যালক শ্রীরামপুর গ্রামের উম্মাদ আলীর ছেলে লিটন (৩৫)। বাকী একজনের পরিচয় মেলেনি।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর একই স্থানে ৫জনকে হত্যা করা হয়। নিহত হানিফ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি ছিলেন। হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় তার ফাঁসি আদেশ হয়। উচ্চ আদালতেও ফাঁসির রায় বহাল থাকলে হাসিনা সরকারের সময় প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদের বিশেষ ক্ষমা নিয়ে এলাকায় ফিরে আসেন হানিফ।

এদিকে হত্যার দায় স্বীকার করে জাসদ গণবাহিনীর জনৈক কালু পরিচয় দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ম্যাসেজ পাঠানো হয়। হোয়াটসআপ বার্তায় দাবি করা হয় “এতদ্বারা ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনাবাসীর উদ্দেশ্যে জানানো যাইতেছে যে, পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি নামধারী কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর শীর্ষ নেতা অসংখ্য খুন, গুম, দখলদারি, ডাকাতি, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হরিনাকুন্ডু নিবাসী মো. হানিফ তার দুই সহযোগীসহ জাসদ গণবাহিনীর সদস্যদের হাতে নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ রামচন্দ্রপুর ও পিয়ারপুর ক্যানালের পাশে রাখা আছে। অত্র অঞ্চলের হানিফের সহযোগীদের শুধরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হলো অন্যথায় আপনাদের একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। কালু জাসদ গণবাহিনী।

এদিকে দীর্ঘদিন পর চরমপন্থিদের গুলির লড়াই ও গনমাধ্যমকর্মীদের কাছে তার দায় স্বীকার করে বিবৃতি প্রদান জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।




রাহুল না পান্ত কোচ হলে কাকে খেলাতেন সৌরভ

মিডল অর্ডারে যেকোনো দলের জন্যই বড় সম্পদ ঋষভ পান্তের মতো একজন ব্যাটার। একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। অথচ, পান্তকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বসিয়ে রেখেছে ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর। খেলানো হচ্ছে লোকেশ রাহুলকে। যা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকেরই। এবার সেই প্রশ্নের উত্তরটা জানতে চাওয়া হয়েছিল সাবেক অধিনায়ক ও বোর্ডপ্রধান সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে।

আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে কাজ করার সময় পান্তকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন সৌরভ। বরাবরই পান্তকে নিয়ে তিনি বলে এসেছেন, পান্ত ম্যাচ উইনার। যে কোনও দলের সম্পদ। অথচ, তাকেই খেলানো হচ্ছে না। এ ব্যাপারে সৌরভের মন্তব্য কি।

সৌরভ বলেন, ‘ভারত খুব শক্তিশালী দল। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। দলে যারা আছে, প্রত্যেকে খেলতে পারে। ঋষভ পান্ত ভাল। কে এল রাহুলও ভাল। রাহুলের ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড অসাধারণ। সেই জন্যই গৌতম গম্ভীর হয়তো রাহুলকে খেলাচ্ছে। আসলে দুজনের মধ্যে সামান্যই তফাত। খুব কঠিন একজনকে বেছে নেওয়া।’

ভারতীয় দলের কোচ হলে কাকে একাদশে খেলাতেন? এমন প্রশ্নে সৌরভ বলেন, ‘যে কোচ রেখেছে সেই থাক না। আমি কোচও নই, আমি ভাবিও না। আমি খেলা দেখি। গৌতম গম্ভীর যাকে ঠিক মনে করেছে তাকেই খেলাচ্ছে। দুজনই সমান ভাল।’

সৌরভ এরপর যোগ করেন, ‘রাহুল ও পান্ত ছাড়াও সঞ্জু স্যামসন রয়েছে। অভিষেক শর্মা রয়েছে। সূর্যকুমার যাদব রয়েছে। ভারতে প্রচুর প্রতিভা। যাকেই নেওয়া হবে, সেই পারফর্ম করবে। সদ্য টি-২০ সিরিজে বিরাট, রোহিত, শুভমনকে ছাড়াও ইংল্যান্ডকে ৪-১ হারিয়েছে ভারত। টি-২০ সিরিজে ৩-০ জিতেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতে প্রচুর প্রতিভা। প্রত্যেকে খেলতে পারে। বাঁহাতি অভিষেক শর্মা যেভাবে খেলেছে, তাতে ওর ওয়ানডে না খেলার কোনও কারণ নেই। নির্বাচকেরা যাকে দলে নেবে, সেই ভাল খেলবে।’

সূত্র: যুগান্তর




কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা প্রকৃত ভাবে সাংবাদিকদের বরাদ্দ দেওয়া হবে-মনির হায়দার

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সাংবাদিক মনির হায়দার বলেছেন, কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা যেনো নিরপেক্ষভাবে প্রকৃতভাবে সাংবাদিকদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, আগামীতে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করা হবে।

গতকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুল হক মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফরাবি হাফিজ।

মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিকের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক তুহিন আরণ্য, আবু লায়েছ লাভলু, সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, রফিক উল আলম প্রমুখ।

মফস্বলের সাংবাদিকতার নানা সমস্যা তুলে ধরে সাংবাদিক মনির হায়দার আরও বলেন, ফুলটাইম সাংবাদিকতা করে ঢাকাতেই চলা যায়না, সেখানে মফস্বলের সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। সাংবাদিকতা এক ধরনের নেশা হয়ে ওঠায় নিজের ক্ষতি করে হলেও এই চ্যালেঞ্জিং পেশাটাকে ধরে রাখেন মফস্বলের সাংবাদিকরা।

তিনি বলেন রাস্ট্র তো এখনো কল্যাণ রাস্ট্র হয়ে ওঠেনি। বিগত দিনে সাংবাদিকদের কল্যাণের নামে রাস্ট্রের টাকা পয়সা দেওয়া হতো। সেই টাকা কাদের কিভাবে দেওয়া হতো আমরা সকলেই তা জানি। আগামীতে সেই ত্রুটিগুলোর সমাধানকল্পে যেনো ব্যবস্থা নেয়া হয় সেব্যাপারে কাজ করবো।

বিগত দিনে মেহেরপুরের সাংবাদিকতার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, নানা ধরনের প্রতিকুলতার মাঝেও এই জেলার সাংবাদিকরা সত্যটাকে তুলে এনেছেন। এখন জেলাতে নবীণ সাংবাদিকদের জয়জয়কার উল্লেখ করে বলেন, এই জেলার নবীন এবং প্রবীণ সাংবাদিকরা আগামীতে জেলাকে নতুনভাবে তুলে আনবেন।

তিনি বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে সমাজের সকলের কাছেই একজন সাংবাদিক অপ্রিয় হয়ে উঠবেন।
সাংবাদিকতা করলে সমাজের মানুষের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা করা যাবেনা। সাংবাদিকতা না করলে আপনি যেটুকু সহায়তা পেতেন, জেনুইন সাংবাদিকতা করলে সেটা বন্ধ হয়ে যাবে।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মনির হায়দার দুই দিনের সফরে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মেহেরপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ ও পুলিশ সুপার মাকসুদা আক্তার খানম তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরে সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে মনির তিনি মতবিনিময় করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।