সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বিধিমালা চূড়ান্ত করল পিএসসি

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বিসিএস-সহ সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বিধিমালা খসড়া চূড়ান্ত করেছে। পিএসসি বলছে, বিধিমালাটি পরীক্ষার্থীবান্ধব করা হয়েছে। এতে সুপারিশকৃত প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। পিএসসির এক বৈঠকে এ বিধিমালাসহ আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খসড়া বিধিতে সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন কোন পরিস্থিতিতে একজন প্রার্থীকে সরকারি চাকরির জন্য অনুপযুক্ত ঘোষণা করা যাবে। কেন অনুপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে তা–ও প্রার্থীকে জানানোর প্রস্তাব বিধিমালায় রাখা হয়েছে। অনুপযুক্ত ব্যক্তিকে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদনের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে বিধিতে। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ চাইলে অনুপযুক্ত প্রার্থীর বিষয়ে পুনঃ তদন্তের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সরকারি চাকরি আইন–২০১৮–এর অধীন একটি বিধিমালা হিসেবে সব শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর জন্য এটি জারি করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বিধিমালাটি জারি করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সার্বিক বিবেচনা করবে। বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে এ বিধি প্রয়োজ্য হবে।

এছাড়া নন-ক্যাডার বিধিমালা ২০২৩ সংশোধনের বিষয়ে পিএসসি নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। পরের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী পদের পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। পরীক্ষাটি তিনটি ধাপে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়ে পায়রা চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবুবকর, সমাবেশ পরিচালনা করেন সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাই, কাজী ছগীর আহম্মেদ, কালীগঞ্জ উপজেলা আমীর আব্দুল হক, কালীগঞ্জ নায়েবে আমীর মাওলানা মোঃ আবু তালিব, হরিনাকুণ্ডু উপজেলা আমীর বাবুল হোসেন, শৈলকূপা উপজেলা আমীর অধ্যাপক এস এম মতিউর রহমান, ঝিনাইদহ শহর আমীর এ্যাডঃ ইসমাইল হোসেন, শহর শিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান রাজু, সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে জেলা আমীর ঝিনাইদহ-২ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক আলী আজম মোঃ আবু বক্কর বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস ১০ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের আমলে এই প্রথম জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশবাসী আশা করেছিল তারা সকল প্রকার জুলুম নির্যাতন থেকে রেহাই পাবে। যারা মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন তারা মুক্তি পাবে। কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের পর ফাঁসির আসামীসহ অনেকেই মুক্তি পেলেও জামায়াতের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম মুক্তি পাননি। তার মুক্তি না হওয়ায় দেশবাসী বিস্মিত ও হতবাক। সুতরাং খুব দ্রুত তাকে মুক্তি দিতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, আওয়ামী সরকার দলীয় লোকদের দ্বারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো সাক্ষ্য প্রদান করা হয়েছে যা অবাস্তব ও হাস্যকর। ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও এটিএম আজহারুল ইসলাম মুক্তি পাননি। জামায়াত স্বৈরশাসনামলে জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। স্বৈরশাসনমুক্ত বাংলাদেশে জামায়াত এখনো বৈষম্যের শিকার।




প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট খালি পায়ে ঘাসে হাঁটলে পাবেন যেসব উপকার

খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস গ্রামের মানুষদের মধ্যে একটু আধটু থেকে গেলেও, শহুরে লোকেরা এ কথা ভাবতেও পারেন না। ইঁট-পাথরের তৈরি শহরের শক্ত মাটিতে অবশ্য তা সম্ভবও নয়। অথচ শিশির ভেজা নরম তাজা ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটা যে কতটা উপকারী, তা অনেকেই হয়তো জানেন না। অনিদ্রা ও উদ্বেগ দূর তো হয়ই, রোজ নিয়ম করে খালি পায়ে হাঁটতে শুরু করলে আরও অনেক উপকার পাবেন।

খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা

নেগেটিভ ইলেকট্রন শোষণ

খালি পায়ে ঘাসের ওপর হাঁটলে পা সরাসরি মাটি স্পর্শ করে। মাটি দেহ থেকে সরাসরি নেগেটিভ ইলেকট্রন শোষণ করে। এটি অভ্যন্তরীণ বায়োইলেক্ট্রিক্যাল পরিবেশের ভারসাম্যতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মেধার বিকাশ ঘটে।

কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি

আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশ জল। তাই শরীর যত বেশি মাটির সংস্পর্শে আসবে ততই কর্মক্ষমতা বাড়াবে। খালি পায়ে হাঁটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত এবং শরীরকে শিথিল করবে।

পেশি এবং পায়ের আরাম

হঠাৎ করে শরীরচর্চা বা কোনো ভারি কাজ করার ফলে শরীরে ব্যথা হয় বা পেশিতে টান লাগে। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পায়ে কিছুক্ষণ হাঁটলে সেই ব্যথা অনেকটা কমে যায়। হিল দেওয়া বা অসমতল জুতো শারীরিক গড়নে যেমন প্রভাব ফেলে, তেমনই ঘাড়, পিঠ, কোমর, গোড়ালি কিংবা হাঁটু ব্যথায় কষ্ট দেয়। খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস পা-কে আরাম দেয় এবং পাতা, গোড়ালি এবং পায়ের আঙ্গুল শক্তিশালী করে তোলে।

মানসিক অবসাদে স্বস্তি এবং অনিদ্রা দূর

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়ম করে খালি পায়ে হাঁটেন তাদের মানসিক অবসাদ অনেক কম হয়। কমে উদ্বেগও। খালি পায়ে হাঁটলে বা মাটির সংস্পর্শে থাকলে খুব ভালো ঘুম হয়। তাই অনিদ্রায় কষ্ট পেলে রোজ ভোরবেলায় খালি পায়ে ঘাসের ওপর হাঁটুন। শান্তির ঘুম হবে।

নিয়ন্ত্রণে মাইগ্রেন

ক্ষতিকারণ রশ্মির প্রভাবে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। খালি পায়ে হাঁটলে মাটির স্পর্শে ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাব থেকে দেহ অনেকটা মুক্তি পায়। মাইগ্রেনের মাথা ব্যথায় আরাম মেলে।

রক্তের খেয়াল

খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ কমিয়ে লোহিতকণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে কোষের রক্ত জমাট বাধা প্রতিহত হয় যা রক্তের ঘনত্ব কমে। কমে হৃদরোগের ঝুঁকিও।

সূত্র: যুগান্তর




হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফেরাতে গাংনীতে পিঠা উৎসব

গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে মঙ্গলবার মেহেরপুরের গাংনী সরকারী ডিগ্রি কলেজে তারুণ্যের পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

জমকালো উৎসবে শোভা পাচ্ছে স্বতীন পিঠা, বেক্কল জামাই, মেয়েদের মন, জামাইয়ের প্যাচ, ভালবাসার লাল গোলাপ, পিয়াসা, পাটি সাপটা, চিতই, ভাপা, পুলি, সরু, মালাই রোল, চিটা রুটিসহ পুরনো নানা পিঠার সমারোহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

নিজেদের স্টলগুলো পরিচালনা করেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দিন দিনব্যাপী পিঠা মেলার উদ্বোধন করেন গাংনী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাদ্দাম হোসেন। উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে মোবারক, গাংনী সরকারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম।

তারুণ্যের মেলা উপলক্ষে আয়োজন করা হয় এই পিঠা উৎসবের। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া পিঠা তৈরি করে হাজির হন কলেজের শিক্ষার্থীরা। সঙ্গে ছিল আধুনিক সব পিঠাও। ২৫ টি স্টলে পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন শিক্ষার্থীরা। তরুণ প্রজন্ম সকাল থেকেই ভিড় জমান পিঠা উৎসবে। পরিচিত হন নতুন ও পুরাতন হরেক রকমের পিঠার সঙ্গে।

গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজ চত্ত্বরে শুরু হওয়া এ পিঠা উৎসবে ছিল বেশ ভিন্নতা। শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরী করা এসব পিঠা সাজিয়েছেন তাদের স্টলে। ভোজন রসিকরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখছেন আর স্বাদ নিচ্ছেন। সেই সাথে অনেকে এসেছেন তাদের সন্তাানদেরকে পিঠা পুলির স্বাদের পাশাপাশি পিঠার সাথে পরিচয় ঘটাতে।

পিঠা উৎসবের আয়োজনে বেজায় খুশি শিক্ষার্থীরা। এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে আরো উদ্যমী করে গড়ে তুলবে বলে মনে করছেন তারা।




অক্ষয়ের ছবির ব্যবসার আয় মিথ্যা, সমালোচনার পালটা জবাব দিলেন পরিচালক

সখানেক আগে মুক্তি পেয়েছিল বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘স্কাই ফোর্স’ সিনেমাটি। যে সিনেমার বক্স অফিস কালেকশন নিয়ে উঠেছিল নানা অভিযোগ। একজন খ্যাতনামা বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞের দাবি অনুসারে, ছবির ব্যবসা নিয়ে ভুল তথ্য প্রদান করা হয়েছিল। ভারতে আশি কোটি টাকার ওপর আয় এবং প্রথম সপ্তাহেই ১০০ কোটি টাকা উপার্জন করেছে।

তিনি দাবি করেন, আয় বেশি দেখাতে প্রযোজনা সংস্থা নিজেরাই বেশি করে টিকিট কেটে রেখেছিল বলে অভিযোগ।

‘স্কাই ফোর্স’-এর বক্স অফিস কালেকশনের এসব বিতর্কে নিয়ে মুখ খুলেছেন সিনেমাটির পরিচালক সন্দীপ কেউলানি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সন্দীপ বলেন, ‘কোনো রকম মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এটা একেবারেই দর্শকের ভালোবাসার ফল। এখনো পর্যন্ত সিনেমার ফিডব্যাক বেশ ভালো। সকলেই প্রশংসা করছেন।’

এখানেই থামেননি সন্দীপ। গতেবাঁধা বক্স অফিস কালেকশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস যদি কারও প্রিয় সিনেমা হয়, তিনি নিশ্চয়ই বক্স অফিস কালেকশনের কথা ভাববেন না।’ তাই পরিচালক মনে করেন, এই বক্স অফিস কালেকশনের বিষয়টা আজীবন থাকবে না। তাই এই আলোচনা করাটাকেও তিনি অর্থহীন বলেই মনে করেন।

একইসঙ্গে, সিনেমার ব্যবসার সঙ্গে কোনো সিনেমা ভালো না খারাপ, তার তুলনা হয় না বলেই মনে করেন পরিচালক। কোনো সিনেমা ৩০০ কোটি টাকা ব্যবসা করলেও, ভালো মানের সিনেমা না-ই হতে পারে। তবে ‘স্কাই ফোর্স’ নিয়ে তিনি আশাবাদী। এই ধরনের সিনেমা দর্শকের ভালোলাগার অনেক কারণ আছে বলেই তার মত।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে অপারেশন ডেভিল হান্টে ১০ জন গ্রেপ্তার

মেহেরপুরে অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযান পরিচালনা করে ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে জেলা বিভিন্ন স্থানে পুলিশের কয়েকটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেরপুর শহরের বেড়পাড়ার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে জাহিদ হোসেন, নতুন পাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে লালন শেখ, সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের শরিফ, ময়ামারি গ্রামের মৃত চাঁদ আলীর ছেলে মো: রশিদ, সাহেবপুর গ্রামের লিয়াকত মোল্লা, তার ছেলে শরিফুল ইসলাম, আনারের ছেলে আলতাব আলী, আলতাব আলীর ছেলে সাজু, বলিপুর গ্রামের মৃত পিজির উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম ও খোকসা গ্রামের সোলায়মান খানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন।

মেহেরপুর সদর থানার ওসি মেসবাহ উদ্দিন জানান, গ্রেফতাকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। জেলার সর্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং বিভিন্ন অপরাধের অপরাধীদের গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।




সেই কষ্ট ভুলতে এখনও ওষুধ খান ডি মারিয়া

শিরোপার হাতছোঁয়া দূরত্বে থামলে কেমন লাগে, তা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার চেয়ে বেশি কে আর জানবে! তিন বছরের মাঝে দুটি কোপা আমেরিকা এবং একটি ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে হার আর্জেন্টিনার উইঙ্গার এমন কষ্ট পেয়েছিলেন যে ওষুধ খেতে হচ্ছিল। ট্রমা এখনও কাটেনি। ওষুধ খেয়েই যাচ্ছেন।

তবে ডি মারিয়া ক্যারিয়ারের শেষদিকে এসে একে একে সব পেয়েছেন। ব্রাজিলকে ২০২১ সালে হারিয়ে ভুলেছেন ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা কষ্ট, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ার দুঃখ ভুলেছেন ২০২২ সালে কাতারে। তবুও টানা তিন ফাইনাল হারের সেই মানসিক ট্রমা এখনও পোড়ায় ডি মারিয়াকে।

আর্জেন্টিনার পত্রিকা ইনফোবে’র বরাতে তারকা উইঙ্গারের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে ইএসপিএন। ডি মারিয়া সেখানে খোলাশা করেছেন কষ্টের সেই সব দিনের কথা, ‘কষ্ট ভুলতে আমি এখনও ওষুধ খেয়ে যাচ্ছি। অবশ্য ওষুধের মাত্রা কমিয়ে দিতে পেরেচি। এখন আগের চেয়ে ভালো আছি। কিন্তু কিছু জিনিস মোহাচ্ছন্ন মনে হয় কিছু জিনিস থেকেই যায়, মনে দাগ কেটে যায়।’

আর্জেন্টিনা দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটে ২০২১ সালে। ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকা জেতে আলবিসেলেস্তারা। ম্যাচের একমাত্র গোল করেন ডি মারিয়া। এরপর ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন তিনি, যা তাকে জাতীয় দলের অন্যতম নায়ক করে তুলেছিল।

ডি মারিয়া দুঃখ প্রকাশ করেছেন তার অনেক সাবেক সতীর্থের জন্য, যারা কখনও ট্রফি জয়ের আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি, ‘অনেকবার বলেছি, যখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, যখন কোপা আমেরিকা জিতেছিলাম—আমি সবসময় বলেছি এই ট্রফিগুলো আগের প্রজন্মের জন্যও প্রাপ্য।’

জীবন তাকে সব কিছুই যেন দিয়েছে। ২০০৮ অলিম্পিক ফাইনাল, ২০২১ কোপা ফাইনাল, ২০২২ ফিনালিসিমা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনাল, সবগুলো ম্যাচেই গোল করেছেন ডি মারিয়া। আর্জেন্টিনা জিতেছে সেই সবগুলো ম্যাচেই। ৩৭ বছর বয়সেও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে খেলা চালিয়ে গেলেও গত গ্রীষ্মে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন ডি মারিয়া।

সূত্র: যুগান্তর




জুলাই আগস্টের গণঅভুত্থ্যানে লেডি ফেরাউন হাসিনা সরকার উৎখাত হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের গণঅভুত্থ্যানে বাংলাদেশের মানুষের বুকের উপর জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসা স্বৈরাচারী লেডি ফেরাউন জালিমশাহী শেখ হাসিনা সরকার উৎখাত হয়েছে। এদেশের মানুষ মুক্ত হয়েছেন। একটি নতুন বাংলাদেশ পেতে এদেশের অনেক মানুষকে শাহাদৎ বরণ, ত্যাগ স্বীকার ও বুকের তাজা রক্তদান করতে হয়েছে।

ছাত্র জনতার সংঘটিত গণহত্যার বিচার ও নৈরাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মেহেরপুর শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গতকাল সোমবার (১৭ ফেব্রারি) রাত আটটার দিকে মেহেরপুর শহীদ ডঃ সামসুদ্দোহা পার্কে আয়োজিত এই গণ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি মুফতি হুসাইন আহমাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিগত ৫০ বছর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বারবার একটি চেতনার কথা শুনিয়েছেন। আসলে সেই চেতনা ছিল ভারতীয় চেতনা। বাহাত্তরের চেতনা দিয়ে একাত্তরের চেতনা বলে জাতীকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে, আধিপত্যবাদী হিন্দুদ্ববাদী পশ্চিমবঙ্গের দাদাদের মনোভাবের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে, পশ্চিমপাকিস্থানী খান পাঠানদের প্রভূত্তের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে, প্রতিটি আধিপত্যবাদী জালিমদের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেই বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, বাহাত্তরের চেতনা ছিল বাংলাদেশকে ভাগ করার চেতনা। বাহাত্তরের চেতনা ছিল বাংলাদেশে ইসলামি সমাজ ব্যবস্থার দাবীকে গলা টিপে হত্যা করার চেতনা। সেই চেতনার গান গাইতে গাইতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে। এদেশে ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলনকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, এদেশের মানুষকে ১৯০ বছর যাবৎ সাম্রাজ্যবাদী বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। ১৯৪৭ সালে এদেশের মানুষ বৃটিশদের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। বৃটিশ আমলে বিংশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশের মানুষ সতন্ত্র জাতীসত্তা গঠণের লক্ষে এই অঞ্চলের মুসলমানদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষে পশ্চিমবঙ্গের দাদাবাবুদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে বঙ্গভঙ্গের মধ্য দিয়ে ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বঙ্গের মুসলমান জাতীসত্তার উম্মেস ঘটিয়েছিল। তখন এদেশের মানুষকে অনেক প্রতিকুলতার মুখোমুখি পড়তে হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ দাদা ঠাকুরের নেতৃত্বে এদেশের মুসলামনদের অগ্রযাত্রা রুখে দেওয়ার জন্য পূর্ববাঙ্গলার মুসলিম জাতীসত্তাকে সেদিন রুখে দিতে চেয়েছিল। ঢাকা এবং ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ রধ করে এদেশের অগ্রযাত্রাকে ঠেকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে যেভাবে বৃটিশদের কবল থেকে মুক্ত হয়েছিলাম ঠিক তেমনী পশ্চিমবঙ্গের দাদাদের আধিপত্য থেকেও এদেশের মুসলাম মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল।

মামনুল হক বলেন, ১৯৪৭ এর পরে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট, ৬৬ সালেরর ৬ দফা, ৬৯ সালের গণঅভ্যত্থ্যান ৭০ এর নির্বাচন ও ৭১ সালের মুক্তি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর এদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষকে কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা হয়নি। এদেশের মানুষকে কখনো ধর্মনিরপেক্ষ নামক কুফরি মতবাদ শুনানো হয়নি। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্তিলাভের পর স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামীলীগের পিতা শেখ মুজিব পশ্চিম পকিস্থানে বন্দি ছিলেন। স্বাধীনতার পর মুক্তি পেয়ে প্রথমে লন্ডন থেকে তিনি সদ্য স্বাধীন বাংলার মাটিতে পা না রেখে বাংলার মানুষের কাছে না এসে সর্ব প্রথম তিনি গিয়েছিলেন নয়াদিল্লিতে।

তৎকালিন ভারতের প্রধান মন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরাগান্ধীর সাথেস্বাক্ষাত করলেন। আর সেদিনেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের বিপর্যয় ঘটেছিল। সেদিনেই ইন্দ্রিগান্ধী তাকে প্রেসক্রিপশন দিয়ে দিয়েছিলেন, সেই প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ ২৪ বছরের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন, জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই এই সব কিছু ভারতের বুটের তলায় পিষ্ট করা হয়েছিলো। ভারতের প্রধান মন্ত্রী লিখে দিয়েছিলেন, বাংলাদেশে একটি সংবিধান রচনা করার। যেই সংবিধানে ভারতীয় সংবিধানে মুল নীতিগুলো অক্ষরে অক্ষরে অক্ষুন্ন রেখে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করার জন্য। শেখ মুজিবুর রহমান নয়দিল্লী থেকে বাংলাদেশে এলেন, ৭২ সালে সংবিধান রচিত হলো। আর সেই সংবিধানে বাংলাদেশের মুসলমানদের ১৯০ বছরের সংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিলো। সেই সংবিধানে নেছার উদ্দীনের বাঁশের কেল্লার ইতিহাসকে মুছে ফেলা হয়েছিলো, সেই সংবিধানে ফকির মজনু শাহ, হাজী শরিয়তুল্লাহর শত বছরের সংগ্রামের ইতিহাসকে বৃদ্ধাঙ্গলি প্রদর্শন করা হয়েছিলো, বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন ও পূর্ব বাংলার মুসলমানদের সতন্ত্র জাতীসত্তার ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিলো। ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক লহর প্রস্তাবের ইতিহাসকে অস্বীকার করা হলো, এই সব কিছু করে ভারতের সংবিধানের মূল নীতির ভিত্তিতে কপি পেষ্ট করে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করে স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারত মাতার চরণতলে বলিদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২৪ শে জুলাই-আগষ্টের এই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলার দামাল ছেলেরা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, আওয়ামীলীগের বিভাজন ও মিথ্যার রাজনীতিতে বৃদ্ধাঙ্গলী প্রদর্শণ করেছে। আওয়ামীলীগ চেয়েছিল এই দেশকে বিভক্ত করে রাখতে। তাঁদের মুলনীতি ও অর্থনৈতিক পলিসি ছিল, “যারা শেখ হাসিনার গুনগান গাইবে শেক হাসিনার আনুগত্য প্রকাশ করলে, তারা স্বাধীনতার সময় যে পক্ষেই থাকুক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হিসেবে পরিচিতি পাবে। আর শেখ হাসিনার বিপক্ষে গেলেই তারা রাজাকার হয়ে যায়। এভাবেই মুক্তিযুদ্ধ আর রাজাকার দুইটা পক্ষ তৈরী করে একটি মেশিন নিয়ে শেখ হাসিনা বছরের পর বছর বাংলাদেশে শাসন করে গেছে। এদেশের মানুষকে বোকা বানিয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ এর জুলাই আগষ্টে বাংলার ৪ কোটি দামাল ছেলেরা কোঠা সংস্কারের যৌক্তিক দাবী নিয়ে অধিকার আদায়ের জন্য মাঠে নেমেছিল। মেধাবিত্তিক জাতী গঠনের জন্য দাবী জানিয়েছিল সেখানেও শেখ হাসিনা তাদের রাজাকারের বাচ্ছা বলে গালি দিয়েছে।

তিনি বলেন শেখ হাসিনা তার বাবার প্রতিশোধ নিতেই রাজনীতিতে এসেছিলেন।যারা তার বাবাকে হত্যা করেছিলেন, তাদের হত্যা করার অভিপ্রায় নিয়েই শেখ হাসিনা রাজনীতিতে এসেছিলেন। শেখ হাসিনা ৫০ বছর রাজনীতি করেছেন শুধুমাত্র তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে। এজন্যই তিনি জানতেন ৫ আগষ্ট বাংলাদেশে কি ঘটতে যাচ্ছে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুগ্ম মহাসচিব যথাক্রমে মাওলানা আতাউল্লা আমিন, শরাফত হুসাইন, মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। গন সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মেহেরপুর আনসার ভিডিপি মসজিদের পেশ ইমাম সাব্বির রহমান।




কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে অস্ত্রসহ যুবক আটক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও দু’টি ম্যাগাজিনসহ নান্টু মিয়া (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী চিলমারী ইউনিয়নের ক্লিকের মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চিলমারী বিওপির সদস্যরা নান্টুকে আটক করে।

আটককৃত নান্টু উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বালিদিয়ার গ্রামের মৃত আদালত প্রামাণিকের ছেলে। এ ঘটনায় পলাতক রুহুল একই ইউনিয়নের মাঝদিয়া গ্রামের হাফিজের ছেলে।

বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব মুর্শেদ রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান পিএসসি-এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে দৌলতপুরের চরচিলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৮৪/১-এস হতে আনুমানিক ২.৫ কি. মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ক্লিকের মাঠ নামক স্থানে নম্বর-৬৭২৬৯ হাবিলদার মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বে বিশেষ টহল দল দু’জন যাত্রীসহ আগত একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেয়।

এ সময় বাইকের চালক একটি পিস্তল পার্শ্ববর্তী গম ক্ষেতে ছুড়ে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে টহল দল ঘটনাস্থল হতে মোটরসাইকেল চালক মো. নান্টু মিয়াকে আটক করে এবং পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন জব্দ করে। এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে আটক নান্টুকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।




কুষ্টিয়ায় ৭৪ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

কুষ্টিয়ায় ৭৪ কোটি ৩১ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিজিবির কুষ্টিয়া সদরদপ্তরে প্রশিক্ষণ মাঠে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

বিজিবি জানায়, গত একবছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। যার মূল্য ৭৪ কোটি ৩১ লাখ ১৯ হাজার ৭১০ টাকা।

জব্দ মাদকের মধ্যে রয়েছে- ১১ হাজার বোতল ফেনসিডিল, ৯ হাজার ৩৬৮ বোতল বিদেশি মদ, ১২৭.৬৫০ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ৮ কেজি ৬৫৭ গ্রাম হেরোইন, ৭ হাজার ২৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ হাজার ৩৫০ পিস ভায়াগ্রা, ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৪৭ পিস সিলডিনাফিল ট্যাবলেট, ৯৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৭ পিস পাতার বিড়ি, ৪ কেজি ক্রিস্টল মেথ আইস, ৫৬ বোতল এলএসডি, ৯৮০ গ্রাম আফিম ও ৯ বোতল সাপের বিষ।

বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সেক্টর সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্নেল মো. মারুফুল আবেদীন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে আমরা এই কার্যক্রম করেছি। এই ধারা অব্যাহত থাকবে। যে কোনো মূল্যে আমরা দেশকে মাদকমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর।