যেসব পেশাজীবীদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ

বর্তমানে আমাদের সমাজে বিচ্ছেদ প্রবণতা বেড়েছে। খুব সহজে এই ঘটনাটি ঘটে যাচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হওয়া কিংবা মনোমালিন্য খুবই সাধারণ বিষয়। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার এই সামান্য কারণটাই যখন বিচ্ছেদে গড়ায় তখন ভেঙে যায় গোটা একটা পরিবার। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কয়েকটা জীবন।

তবে ঝগড়া বা মনোমালিন্যই যে বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ বিষয়টা এমন না। এই বিচ্ছেদের কারণে থাকে একাধিক কারণ। সম্প্রতি ডিভোর্স ডটকমে প্রকাশিত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বিবাহ বিচ্ছেদের নেপথ্যে ব্যক্তির পেশাও একটা বড় কারণ। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী ১০ পেশাজীবীদের মধ্যে বিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ। কিন্তু কেন এই পেশাগুলোর মানুষের বিচ্ছেদ বেশি হয়। চলুন জেনে নেই এই সম্পর্কে।

১. বারটেন্ডার

তালিকায় সবার ওপরে আছেন বারটেন্ডাররা। তারা বারে পানীয় তৈরি ও পরিবেশন করেন। এই পেশাজীবীদের মধ্যে বিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ।

২. এক্সোটিক ডান্সার ও অ্যাডাল্ট পারফরম্যান্স আর্টিস্ট

দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন এক্সোটিক ডান্সার ও অ্যাডাল্ট পারফরম্যান্স আর্টিস্টরা। পেশাগত কারণে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে মানসিক চাপ, অনিরাপত্তাবোধ, ঈর্ষা, প্রতারণার মতো বিষয়গুলো অতিমাত্রায় বেশি থাকে।

৩. উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা

এটি এমন এক পেশা, যেখানে সব সময় মানসিক চাপে থাকতে হয়। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে এই পেশাজীবীদের মানসিক দূরত্ব থাকে। তাদের জীবনসঙ্গীরা একাকিত্ব ও সম্পর্কে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। ফলে স্বাভাবিক একটা দাম্পত্য জীবনের অভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা।

৪. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী

এই পেশাজীবীদের কাছে সব সময় প্রথম প্রাধান্য থাকে রোগী, জীবনসঙ্গী নয়। এই পেশাজীবীরা খুব কমই সঙ্গী বা পরিবারকে সময় দিতে পারেন। তারা অনেক ক্ষেত্রেই সঙ্গীর মানসিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন।

৫. গেমিং সার্ভিসেস ওয়ার্কার

যারা ক্যাসিনোতে কাজ করেন বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত, তাদের জীবনযাপনের ধরনের কারণে তাদের জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়।

৬. ফ্লাইট অ্যাটেনড্যান্টস

অনেকের কাছে খুবই আকর্ষণীয় চাকরি। এই পেশাজীবীরা বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পান। বেতনও তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে আপনার কাছে যতই আকর্ষণীয় আর গ্ল্যামারাস লাগুক না কেন, পেশাটি কম চাপের নয়। ক্রমাগত ভ্রমণের ফলে তারা শারীরিক আর মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকেন। লম্বা সময় পরিবার থেকে দূরে থাকা ও ‘লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ’ চালিয়ে নেওয়া সহজ কথা নয়।

৭. কাস্টমার কেয়ার, টেলিমার্কেটের ও সুইচবোর্ড অপারেটর

এই পেশাজীবীরা সব সময় চেয়ারে বসে থাকেন। পুরোটা সময় ফোনে কথা বলেন। ফোনের অপর পাশের ব্যক্তির ঝাড়ি খান, গালি খান। ঠান্ডা মাথায় মানুষের সমস্যার সমাধানও দিতে হয়। ফলে তারা মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন। মানসিক চাপ থাকে ভীষণ। ফলে জীবন থেকে সুখ বিষয়টা দূরে চলে যায়। আর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। তাদের নিয়মিত কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

আপনি এর পরেরবার যখন তাদের কারও সঙ্গে বিভিন্ন সেবা নিয়ে আপনার বাজে অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা বলবেন, যথাসম্ভব নরম স্বরে কথা বলুন। মনে রাখবেন, আপনার ভোগান্তি বা অসুবিধার জন্য তারা দায়ী নন। তারা কেবল জীবন চালানোর জন্য চাকরি করছেন।

৮. ডান্সার ও কোরিওগ্রাফার

বিশেষ করে ব্যালে ডান্সারদের মধ্যে বিচ্ছেদের হার সর্বোচ্চ। পেশাজীবনে সর্বোচ্চ সফলতার দেখা পাওয়ার জন্য তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। তাদের ফিটনেস বজায় রাখা খুবই জরুরি। শরীরে ব্যথা, ফ্র্যাকচার, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া, হাড় ভাঙা—এ রকম নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন তারা। নিজেদের শরীর নিয়ে হীনম্মন্যতা ও অসন্তুষ্টিতে ভোগার হারও তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই পেশাজীবীরাই সবচেয়ে বেশি ‘ইটিং ডিজঅর্ডার’–এ ভোগেন। তাদের একটা বড় অংশ অসুখী। তাই তাদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে অপর ব্যক্তি যে সুখী হবেন না, এটাই তো স্বাভাবিক!

৯. ম্যাসাজ থেরাপিস্ট

জীবনসঙ্গীরা এই পেশাজীবীদের পেশা নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় ভোগেন।

১০. টেক্সটাইল নিটিং ও ওয়েভিং মেশিন অপারেটর

তাঁরা চাকরিজীবন নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন। শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফেরেন। এটা তাদের মানসিক চাপ বাড়ায়। এর প্রভাব পড়ে মেজাজ, মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্কে।




দর্শনায় এক সপ্তাহে ১৩টি বোমা উদ্ধার, ভোরে বিকট বিস্ফোরণ

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১৩টি শক্তিশালী বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক বোমা উদ্ধারের ঘটনায় বেশ ভাবিয়ে তুলছে দর্শনাবাসিকে। দর্শনায় ভোর রাতে বিকট শব্দে বোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত।

দুটি গ্রামে পৃথক স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় লাল কসটেপ ও কালো কসটেপ মোড়ানো সাদা পলিথিনের মধ্যে পাওয়া গেছে ৬টি বোমা। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ও সকালে এ বোমাগুলো পাওয়া যায়। এ শক্তিশালী বোমাগুলো ঘিরে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

এতে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে দর্শনা সহ দুটি গ্রামের মানুষের মধ্যে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দল।

জানাযায়, বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা পৌরসভাধীন ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে গ্রামের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে দিক-বিদিক ছুটাছুটি শুরু করে।

ভোর রাতে গ্রামের বড় মসজিদপাড়ার মৃত আনছার আলীর ছেলে রুবেল হোসেনের বসত ঘরের পিছনে এ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসময় লোকজন পরিত্যক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলে রাস্তার উপরে দুটি বোমা রেখে যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে দর্শনা থানার আকন্দবাড়িয়া মাঝপাড়ার মৃত নুরুুল ইসলাম মাস্টারের বাঁশঝাড়ের নিচে ৪টি বোমা পড়ে আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার সার্কেল এএসপি ও দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শহীদ তিতুমীর। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সেনাবাহিনীর একটি টিম। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখে কালো ও লাল কসটেপ মোড়ানো ৪টি বোমা পড়ে আছে। এ ঘটনায় গোটা দর্শনা জুড়ে বিরাজ করছে বোমা আতঙ্ক।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি কেরুজ চত্বরে ভোরে ১টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। পরে সকাল ১১টায় ১টি লাল কসটেপ মোড়ানো বোমা উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটায় বোমা ডিসপোজাল টিম রাজশাহীর র‍্যাব ৫ একটি দল। তারপর ১৫ ফেব্রুয়ারি কেরুজ চত্বরের পুকুরের ভিতর কালো কসটেপ মোড়ানো আরও ১টি বোমা উদ্ধার করে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দর্শনা কেরুজ চত্বরে যৌথ চিরনী অভিযানে আরও ৪টি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে। এ বোমাগুলো ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরের দিন বিকাল ৪টায় যশোর সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল একটি টিম বোমাগুলো বিকট শব্দে নিষ্ক্রীয় করে। গত ৪ দিনের মাথায় আবারও ১ বোমা বিস্ফোরণ ও ৬টি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় দর্শনাবাসিকে বেশ ভাবিয়ে তুলছে।

এ বিষয়ে এএসপি জাকিয়া সুলতানা বলেন, “আমরা বোমা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে যে কোন সময় আমরা অপরাধীকে ধরে ফেলব।” এদিকে বোমাগুলো ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।




রয়েল এনফিল্ড কাঁপাচ্ছে দেশ, ২৯ বছর আগেই ব্যবহার করেছিলেন সালমান

বর্তমানে বাংলাদেশে বহুল জনপ্রিয় রয়েল এনফিল্ড বাইক, যা আমরা ২০২৫ সালে পেয়েছি। অথচ বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ ‘৯০ দশকেই বাংলাদেশের রোড কাঁপিয়ে গেছেন রয়েল এনফিল্ড দিয়ে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ছবিটি মূলত ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ সিনেমা থেকে নেওয়া হয়েছে। সিনেমার ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ গানটি শুরু হয় এই বাইকে চড়ে কালো পোশাক পরা সালমান শাহকে দেখিয়ে। ১৯৯৬ সালে এমএম সরকার পরিচালিত এ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এতে সালমানের নায়িকা ছিলেন শাবনূর।

রয়েল এনফিল্ডে চড়া ছবিটির পোস্টে সালমানভক্তরা মন্তব্যের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— এ জন্যই সালমান শাহকে উত্তরাধুনিক নায়ক বলা হয়। তিনি ছিলেন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— আমাদের সালমান শাহ ছিলেন আন্তর্জাতিক মানের একজন স্টাইলিশ নায়ক। তার রুচি ও ফ্যাশন আজও প্রাসঙ্গিক।

জেকে খোকন নামে একজন প্রশ্ন তুলেছেন— এত বছর আগে বাংলাদেশে রয়েল এনফিল্ড এলো কোত্থেকে? অনুমতি ছিল কি? তাকে উত্তর দিয়েছেন বেশ কয়েকজন। এক নেটিজেন লিখেছেন—আগে রাস্তায় বাইকের সিসি লিমিট ছিল না। ২০০০ সালের পর থেকে সিসি লিমিট চালু হয়। তার আগে হোন্ডা কোম্পানি ২০০ সিসির বাইকও বাংলাদেশে বিক্রি করেছে।

রাশেদ নিজাম বিপলু নামে আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন—কেউ কি এই বাইকের অরিজিনাল মালিকের কথা জানেন? এই বাইকের মালিক হচ্ছে— মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে বসবাসকারী বাংলা সিনেমার ভিলেন ফকিরার। এখনো তার কাছে এই বাইকটি আছে।

মোহাম্মাদ ইমরান হাসান জানতে চেয়েছেন, বাইকটি এখন কোথায় আছে? জাফিরুল ইসলাম নামে একজন উত্তর দিয়েছেন, ‘বাইকটি এখনো এফডিসিতেই আছে।’ তবে এফডিসিতে এমন কোনো বাইকের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এভাবেই প্রিয় নায়ককে ২৯ বছর আগে বর্তমানের ট্রেন্ডি স্টাইলিশ বাইক রয়েল এনফিল্ড চালাতে দেখে সালমানভক্তরা বন্দনায় মেতেছেন এবং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। অনেকে নস্টালজিক হয়ে সালমান শাহর ব্যবহার করা বিভিন্ন গাড়ি ও বাইকের ছবি শেয়ার করেছেন ফেসবুকের সেই পোস্টে।

মোটরবাইক ব্র্যান্ড রয়েল এনফিল্ড বাংলাদেশের বাজারে এখন ভীষণ জনপ্রিয় । দেখতে আকর্ষণীয় এ ব্র্যান্ডের বাইক তরুণদের দারুণ আগ্রহে রয়েছে। এটি হয়ে উঠেছে তাদের ফ্যাশন ও প্যাশনের অনুষঙ্গও। সম্প্রতি বাজারে আসার পর বাইকটি নিয়ে রীতিমতো হইচই হয়েছে বাংলাদেশে।

মজার একটি তথ্য সামনে এসেছে ‘রয়েল এনফিল্ড ফ্যান ক্লাব-বাংলাদেশ’ নামের একটি পেজ। সেখানে অমর নায়ক সালমান শাহের একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে— আজ থেকেই ২৯ বছর আগে এই ব্র্যান্ডের বাইক ব্যবহার করে গেছেন সবার প্রিয় নায়ক। ছবিতে সালমানকে দেখা গেছে সাদা রঙের একটি বাইকে। ছবির পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে। প্রায় ৩৬ হাজার রিয়েক্ট পড়েছে ছবিটিতে।




ঝিনাইদহে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ

ঝিনাইদহের শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ইসলামী শিক্ষক ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে দেড় দশক ধরে জাল নিবন্ধন সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর শৈলকুপা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষক পদে যোগদান করেন ইয়াসির আরাফাত। সে সময় যোগ্য প্রার্থী থাকা স্বত্তেও ক্ষমতার বলে জাল সনদ দিয়েও চাকরি পেয়ে যান আরাফাত।

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে শিক্ষক আরাফাত হোসেন বলেন,‘পরিচালনা পরিষদের দায়িত্বরতরা আমাকে যাচাই-বাছাই করে চাকরি দিয়েছেন।’

শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি ওই সময় প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলাম না। এজন্য বিষয়টি আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপিত ও শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা রানী দাস বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাতে পারবো।’




টপ অর্ডারে সেই পুরোনো রোগ

এদিক-সেদিক খোঁচা মেরে প্রতিপক্ষের হাতে বল তুলে দেওয়া যেন টাইগারদের মুদ্রাদোষ। বিশেষ করে টপ অর্ডারের এমন কাজ বহুল আলোচনায়। ভারতের বিপক্ষেও দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং প্রদর্শনী দেখিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ইনিংসের শুরুতে তাতেই বাড়ছে বড় শঙ্কা।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও টপ অর্ডার মোটাদাগে ব্যর্থ হয়েছে। ওপেনিংয়ে নামা সৌম্য সরকার ফিরেছেন শূন্য রানে। চাপ সামলাতে আসা অধিনায়ক শান্তও করতে পারেননি রান। ব্যর্থ হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

অথচ দীর্ঘ ব্যাটিং লাইন আপের ভারতের বিপক্ষে লড়াকু পুঁজি আনার ভার ছিল তাদের ওপর। বাংলাদেশ দলে ওপেনিংয়ে ব্যর্থতার সমস্যা বেশ পুরোনো। তার সঙ্গে টপ অর্ডারের দ্রুত ফেরা এবং জুটি গড়তে ব্যর্থ হওয়াও আলোচনায় থাকে হরহামেশা।

রান প্রসবা উইকেটের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল ব্যাটিং ইউনিট। ভয়ও ছিল। শান্তরা দুবাইয়ে সেটির বাস্তবতা দেখিয়েছেন। সৌম্য ও শান্তর পর মিরাজ ফিরেছেন ৫ রান করে। পরে তানজিদ ফিরেছেন কিছুটা সময় লড়ে। শুরুতেই নড়বড়ে হয়ে পড়া টাইগাররা কতদূর যায় সেটিই দেখার।

সূত্র: যুগান্তর




ঋণ খেলাপির দায়ে সম্পত্তি নিলামে

ঋণগ্রহীতা মেসার্স শুকুর আলী মেহেরপুর রুপালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা থেকে ঋণ নিয়ে সময় মত পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করেছে।

গতকাল বুধবার বিকেল চারটার দিকে ব্যাংকের নিজস্ব শাখায় দর দাতাগন সহ বিশিষ্ট গ্রাহকগণ উপস্থিত ছিলেন। নিলাম কমিটির প্রধান জোনাল ম্যানেজার সেলিম উদ্দিন এর ব্যবস্থাপনায় টেন্ডার বাক্স খোলা হয় এবং নিলামকৃত সম্পত্তি সর্বোচ্চ দরদাতার নামে গৃহীত হয়। এ সময় কমিটির অন্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

মেহেরপুর রূপালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম জানান, শুকুর আলী ব্যাংক হতে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এজন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শুকুর আলীর নামে আদালতে মামলা করে। মামলার রায়ে আদালত ব্যাংকের নামে বন্ধকী সম্পত্তি লিখে দেয়। এজন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে জমি বিক্রয় করে দেয়।

তিনি আরো জানান কোন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে পরবর্তীতে খেলাপির আওতায় পড়েন তাদেরকেও একই আইনে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।




মেহেরপুরের আমঝুপিতে জেলা বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ঘোষিত প্রক্রিয়ায় দলের পুনর্গঠন জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দলকে সক্ষমতা অর্জনের প্রত্যয়ে মেহেরপুরের আমঝুপিতে জেলা বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মেহেরপুর সদর উপজেলা আমঝুপি ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ টার দিকে আমঝুপি সরকারি বালক প্রাথমিক বিদ্যালয় এ কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বিএনপি’র সদস্য এম এ কে খায়রুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক জাভেদ মাসুদ মিল্টন।

এসময় তিনি বলেন, আপনারা নির্যাতন সহ্য করেছেন জুলুম সহ্য করেছেন কেন কিসের জন্য সহ্য করেছেন বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য সুষ্ঠু রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। আজকে আমরা জুলাই আগস্ট এর রক্ত খয়ি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. কামরুল হাসান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আমিরুল ইসলাম, ফয়েজ মোহাম্মদ ও জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ ওমর ফারুক লিটন।

মেহেরপুর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি হাসিবুজ্জামান স্বপনের সঞ্চালনায় এসময় জেলা বিএনপি’র সদস্য আলমগীর খান সাতু, হাফিজুর রহমান হাফি, মোছাঃ রোমানা আহম্মদ, জেলা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মিজান মেনন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




মেহেরপুর বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক নাফিউল

কলেজ শিক্ষক এস এম রফিকুল আলম বকুলকে সভাপতি ও তরুণ সংগঠক মো. নাফিউল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট বসুন্ধরা শুভসংঘের মেহেরপুর জেলা শাখা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান গত সোমবার মেহেরপুর জেলা শাখার নতুন কমিটি এক বছরের জন্য অনুমোদন করেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান হীরা, ফিরোজ আহমেদ পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল ইসলাম, সাজিদ ইসলাম ইন্নাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. অনিক হাসান, দপ্তর সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নাসিম হাসান, কর্মপরিকল্পনা সম্পাদক মোছা. খাদিজা বেগম, অর্থ সম্পাদক মাসুম সুলতানা রানি, নারী ও শিশু সম্পাদক তামান্না তানভির, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সম্পাদক উলমাতুন নেছা পূর্নিমা, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মোছা. সামসুন্নাহার, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. মাসুদুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আলকামা সিদ্দিকী তারিফ, স্বাস্থ্য ও মানব সম্পদ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, কার্যকরী সদস্য আসমাউল হুসনা, মো. রাকিব, সুরাইয়া আকতার হ্যাপি, মোছা. লামইয়া, মো. আলিফ খান ও মো. লিখন আলী।

এছাড়া চার জনকে উপদেষ্টা করা হয়েছে। তারা হলেন কালের কণ্ঠের মেহেরপুর প্রতিনিধি ও মেহেরপুর প্রতিদিনের সম্পাদক
ইয়াদুল মোমিন, সাবেক শিক্ষক নুরুল আহমেদ, আবু নাসের চৌধুরী ও মো. জিল্লুর রহমান।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সারাদেশে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে। মেহেরপুরেও কৃতি শিক্ষার্থী, দুস্থদের সহায়তা, কম্বল বিতরণ, দুস্থ শিক্ষাথীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে দেয়াল লিখন, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।




ঝিনাইদহে একাডেমিক সুপারভাইজারদের বার্ষিক কর্মশালা

ঝিনাইদহে আশার একাডেমক সুপারভাইজারদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষাকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে বার্ষিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ ফেব্রয়ারি) দিনব্যাপী শহরের ফুডসাফারি মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এডুকেশন ম্যানেজার সামিউল হক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ডিভিশনের সিনিয়র এডিশনাল ডিভিশনাল ম্যানেজার অরবিন্দ সরকার, টাঙ্গাইলের সিনিয়র এডুকেশন অফিসার আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে শিক্ষা কর্মসূচির গুণগত মান বৃদ্ধি, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরীর লক্ষ্যে ৩৫ জন সুপারভাইরাজকে নানাবিধ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।




ঝিনাইদহে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনার

ঝিনাইদহে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটান প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক (অ.দা) রেহেনা আকতার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারটান প্রধান কার্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. জালাল হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারটান ঝিনাইদহের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সোনিয়া শারমিন।

সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ মোট ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে মায়ের স্বাস্থ্য, শিশুদের পুষ্টি, এবং সবার জন্য সঠিক পুষ্টি সচেতনতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।