ঝিনাইদহে জনবল আত্তীকরণসহ নানা দাবিতে মানববন্ধন

যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)’র ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসের জনবল আত্তীকরণ, নতুন শিক্ষাবর্ষে ছাত্র ভর্তি এবং বেতন-ভাতা ছাড়ের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেন সংক্ষুব্ধ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মানববন্ধনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনিপেশার মানুষ অংশ নেন। সেসময় বক্তব্য রাখেন ডা. তারেক মুসা, ডা. রাকিবুল হাসান শাওন, শিক্ষার্থী মাহাদী মুরতাজা, সায়েদ মুহাইমিন, রমজান হোসেন, জাহিদ হাসান, আকরামুল ইসলাম, ইউসুফ আলী, প্রকল্প কর্মচারী সোহেল, তোফাজ্জেল হোসেন সোহাগ, ফিরোজ, আবু সাঈদ, কাওসার, ঝন্টু মেম্বার প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালে ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ হিসাবে অধীভূক্ত করা হয়। পরে ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের জনবলকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের অধীন আত্মীকরণের সুপারিশ করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

এছাড়া ইউজিসি ও আন্তঃমন্ত্রনালয়ের বৈঠকেও আত্তীকরণের সুপারিশ করা হয়। তারপরও দীর্ঘদিন অতিবাহীত হলেও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যে কারণে প্রতিষ্ঠানের অর্ধশত কর্মকর্তা-কমচারীদের ৯মাসের বেতন বন্ধ রয়েছে। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এছাড়া দীর্ঘ ৩টি শিক্ষাবর্ষে নতুন কোন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি না করায় ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাত্র ২জন স্থায়ী শিক্ষক ছাড়া খন্ডকালীন এবং অতিথি শিক্ষক দিয়ে চলছে অনুষদটি এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাপক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।

এসময় বক্তারা ভেটেরিনারি কলেজে প্রতিষ্ঠাকালীন ও প্রজেক্টে নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মরত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে যবিপ্রবি’র ভেটেরিনারি মেডিসিন ও সার্জারি অনুষদে আত্মীকরণ করে বেতন ছাড়ের দাবি জানান।




কারা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, আবেদন করুন আজই

কারা অধিদপ্তর রাজস্ব খাতভুক্ত একাধিক শূন্য পদে (ইউনিফর্ম) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এ অধিদপ্তরে ১৭তম গ্রেডে দুই ক্যাটাগরির পদে ৫০৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: কারারক্ষী

পদসংখ্যা: ৩৭৮

যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস। উচ্চতা অন্যূন ১.৬৭ মিটার। বুকের মাপ অন্যূন ৮১.২৮ সেন্টিমিটার। ওজন অন্যূন ৫২ কেজি। অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,০০০–২১,৮০০ টাকা (গ্রেড–১৭)

২. পদের নাম: নারী কারারক্ষী

পদসংখ্যা: ১২৭

যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস। উচ্চতা অন্যূন ১.৫৭ মিটার। বুকের মাপ অন্যূন ৭৬.৮১ সেন্টিমিটার। ওজন অন্যূন ৪৫ কেজি। অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা (গ্রেড-১৭)

বয়স: ১৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে কোনো অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে পাওয়া যাবে। যেকোনো তথ্য ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য টেলিটক কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ অথবা টেলিটক থেকে ১২১ নম্বরে ফোন করা যেতে পারে।

আবেদন ফি

অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০ টাকা, টেলিটকের চার্জ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ ২০২৫, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহে গতিহীন হয়ে পড়েছে গ্রাম আদালত

দুই ভাইয়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আদালতে করা মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে। সেখানে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে মামলাটির নিষ্পত্তি ঘটে। এতো সহজে মামলার নিষ্পত্তি হবে ভাবতেও পারেনি ওই মামলার বাদী।

গ্রাম আদালতের মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার কথা বলছিলেন ঝিনাইদহের সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের লোকমান মণ্ডল। গ্রাম আদালত সক্রিয় থাকলে অনেক মামলা লোকমান মণ্ডলের মামলার মতো নিষ্পত্তি হতো।

তবে জেলার ৬৭টি ইউনিয়নে দৈনন্দিন কার্যাবলীর ন্যায় গ্রাম আদালত পরিচালনা করার কথা থাকলেও তা যথাযথ ভাবে করা হয় না। মূলত মানুষের অসেচতনতা, এজলাস না থাকা, জনপ্রতিনিধিদের অনিহাসহ নানা কারণে গ্রাম আদালতের সুফল সেভাবে পাচ্ছেনা গ্রামের সাধারণ মানুষ।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ গ্রাম আদালত থেকে কাক্সিক্ষত সেবা পাচ্ছে না তা গত এক বছরে জেলার ৬৭টি ইউনিয়নের চিত্রই বলে দেয়।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৭টি ইউনিয়নে মাত্র ৯২৬ টি মামলা গ্রহণ করে গ্রাম আদালত। এর মধ্যে ৮০৩টি মামলার সমাধান করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা গ্রহণ করে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতে গেল বছর সর্বোচ্চ ৪৮টি মামলা গ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪৬টি সমাধান হয়, ২টি মামলা এখনো চলমান রয়েছে।

গত বছর জেলার ৬টি থানায় মোট ২হাজার ২৮৯টি মামলা হয়। নানাবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো আর জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসার ব্যাপারে সরকারের উদ্যোগ মাঠ পর্যায়ে সেভাবে কার্যকর হচ্ছে না গ্রাম আদালতে। জেলার অন্তত ২৩টি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত পরিচালনার জন্য এজলাস নেই। এজলাস না থাকার কারণে এইসব ইউনিয়ন পরিষদে আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে গ্রাম আদালতের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ওই এলাকার জনগণ। আদালত থেকে পাঠানো মামলা গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির নজির খুব বেশি না হলেও অনেক মামলা এখন গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে।

জানা যায়, গ্রামের সকল জনগনকে কম সময়ে নামমাত্র খরচে বিচারিক সেবা প্রদান করার লক্ষে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারি হয় ১৯৭৬ সালে। তা আইনে রুপ নেই ২০০৬ সালে। এরপর থেকে ইউএনডিপি এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় প্রকল্প আকারে তা মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হয়। সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৪ অনুযায়ী গ্রাম আদালতের আর্থিক ক্ষমতা ৭৫ হাজার টাকা থেকে পরিবর্তন করে ৩ লাখ টাকা করাসহ তফসিলের দ্বিতীয় অংশে দেওয়ানী বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে গেল বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বাররা আত্মগোপনে চলে যায়। ওই সকল ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। তারপর থেকে ওই সকল ইউনিয়নে গ্রাম আদালতে মামলার সংখ্যা কমতে শুরু করে। তখন থেকে আরো বেশি গতিহীন হয়ে পড়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম।
সুশাসনের জন্য নাগিরক (সুজন) এর জেলা কমিটির সভাপতি ও মানবাধিকারকর্মী আমিনুর রহমান বলেন,‘আস্থাহীনতার কারণে অনেকে গ্রাম আদালতে যেতে চাই না। এছাড়াও নানা ধরণের জটিলতার কারণে মানুষ থানা পুলিশের দ্বারস্থ হচ্ছে বেশি।’

ঝিনাইদহের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া বলেন, ‘পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা থাকায় তাঁরা থানায় মামলা করেন বেশি। তারপরেও আমাদের পক্ষ থেকে অনেক বাদীকে মামলার জন্য গ্রাম আদালতে পাঠানো হয়।’

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিভাগ ঝিনাইদহের উপ-পরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকদের নানা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যে ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের জন্য এজলাস নেই সেখানে আমরা এজলাস তৈরি করে দেবো। বিভিন্ন ধরণের প্রচারণার মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করা হচ্ছে।’




নাকের গড়ন নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন প্রিয়াংকা, ছাড়তে চেয়েছিলেন বলিউডও

বর্তমানে তার রয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি। মডেলিং দিয়ে কর্মজীবন শুরু হলে অভিনয়েই তাকে সবাই চিনেছে। বলিউড থেকে হলিউডেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। কিন্তু একটা সময় বলিউড ছেড়ে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। একের পর এক কাজ হাতছাড়া হচ্ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতির মূল কারণ ছিল প্রিয়াংকার নাকের গঠন। সম্প্রতি পরিচালক অনিল শর্মা এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলেন।

কর্মজীবনের প্রথম দিকে নাকে অস্ত্রোপচার হয়েছিল প্রিয়াংকার। নাকের ভিতর থেকে পলিপ সরিয়ে ফেলতে এই অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তার। কিন্তু এই অস্ত্রোপচারের জেরে আরও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। যার জেরে বহু ছবি হাতছাড়া হয়েছিল অভিনেত্রীর। দুঃসময়ে প্রিয়াংকার পাশে ছিলেন অনিল শর্মা। জটিলতা পেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। অনিল শর্মা তার ছবি ‘দ্য হিরো: লভ স্টোরি অফ আ স্পাই’-তে প্রিয়াংকাকে বিশেষ চরিত্রের জন্য বেছে নিয়েছিলেন।

শুধু নিজের ছবিতেই নয়। সুনীল দর্শন ও সুভাষ ঘাইয়ের মতো প্রযোজকদেরও রাজি করিয়েছিলেন ‘অন্দাজ’ ও ‘অ্যায়তরাজ’ ছবিতে প্রিয়াংকার সঙ্গে কাজ করার জন্য।

অনিল জানান, তারকা হয়ে উঠতে হয়ত প্রিয়াংকাকে সাহায্য করেননি তিনি। কিন্তু প্রিয়াংকা যাতে বলিউডে থেকে যেতে পারেন, তার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা ছিল তারও।

দুর্দিনে পাশে থাকা মানুষকে ভুলে যাননি প্রিয়াংকাও। তার কথায়, প্রিয়াংকা আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। ১০০ জনের মধ্যে আমাকে দেখলে ও এগিয়ে এসে কথা বলবে। আমাদের যথেষ্ট ভাল সম্পর্ক। ওর বাবার সঙ্গেও আমার ভাল সম্পর্ক ছিল।

সূত্র: যুগান্তর




মুজিবনগরে স্কাউটিং এর স্কাউট সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরের মুজিবনগরে পাঁচ দিনব্যাপী তারুণ্যের উৎসবে স্কাউটিং এর উপজেলা স্কাউটিং সমাবেশের উদ্বোধন হয়েছে।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্কাউট সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল।

বাংলাদেশ স্কাউট মেহেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান এর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও স্কাউট সভাপতি পলাশ মন্ডল বলেন, স্কাউটিংয়ের কার্যক্রম সারা বাংলাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। স্কাউটিংয়ের সদস্যদের বড় গুণ হলো তারা যেকোনো সমস্যা মোকাবেলায় হাতে কলমে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকে।

মানবতা ও সেবার ব্রত নিয়ে স্কাউটরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অসহায় মানুষের আর্তনাদ লাঘব করতে হাত বাড়িয়ে ছুটে চলছে।
তারুণ্যের উৎসব উপজেলা স্কাউট সমাবেশে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে নিজেরদের নিয়োজিত করবেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুন উদ্দিন আল আজাদ, মুজিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজারুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা বাংলাদেশ স্কাউট এর পোগ্রাম চীফ ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, উপজেলা স্কাউট সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি ওমর ফারুক প্রিন্স প্রমুখ।

উপজেলা স্কাউট সমাবেশ ও তারুণ্যের উৎসবে উপজেলার ১২ টি বিদ্যালয়ের ৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।




বেলিংহাম বললেন ‘অফ’ রেফারি শুনলেন ‘ইউ’, ফলাফল লাল কার্ড

লা লিগায় ম্যাচে ওসাসুনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছেন জুড বেলিংহাম। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে রেফারি মুনুয়েরা মন্তেরোর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় এই রিয়াল তারকাকে। এরপরই ইংলিশ মিডফিল্ডারকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান স্প্যানিশ রেফারি।

তবে বেলিংহামের দাবি, রেফারিকে এমন কিছু বলেননি, যাতে লাল কার্ড দেখানো যায়। ম্যাচ শেষে রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

স্প্যানিশ দৈনিক এএস জানিয়েছে, খেলা শেষে রেফারি যে প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন, সেখানে লেখা হয়েছে ‘বেলিংহাম রেফারিকে “ফাক ইউ” বলেছেন’। শব্দটি গালি বা অপমানসূচক হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে।

তবে তা অস্বীকার করেছেন বেলিংহাম। ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান মুভিস্টার‍+কে ইংলিশ মিডফিল্ডার বলেন, ‘আমি রেফারির প্রতি সম্মান রেখেই বলেছি “ফাক অফ”।’ বেলিংহাম যে শব্দটি উচ্চারণ করেছেন, সেটি সাধারণত বিরক্তি বা ‘দূর হও’–জাতীয় কথা বোঝাতে ব্যবহার হয়।

রেফারি বুঝতে ভুল করেছেন উল্লেখ করে বেলিংহাম বলেন, ‘আপনারা ঘটনার ভিডিও দেখলে বুঝতে পারবেন আমি শুধু একটা অনুভূতি প্রকাশ করেছি। একটা ভুল–বোঝাবুঝির কারণেই ঝামেলাটা বেধেছে। রেফারিকে অপমান করার কোনো ইচ্ছাই আমার ছিল না। আমি তাকে অপমান করিনি। রেফারিই ভুল করেছেন।’

ম্যাচের পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে রিয়াল কোচ আনচেলত্তিও রেফারি বুঝতে ভুল করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুটবলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ম্যাচটা আমরা ভালোভাবেই শুরু করেছিলাম। এরপর বেলিংহামের লাল কার্ডটা…তিনি ইংরেজিটা ভালোভাবে বুঝতে পারেননি। তাকে “ফাক অফ” বলা হয়েছে, “ফাক ইউ” নয়। এখানেই ভুলটা করেছেন। “ফাক অফ” মানে তো আমাকে অবজ্ঞা কোরো না। এটা আক্রমণাত্মক কিছু নয়।’

বেলিংহাম যখন লাল কার্ড দেখেন, রিয়াল তখন ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু পরে ১০ জনের দল নিয়ে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি লস ব্লাঙ্কোরা। ওসাসুনার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট খুইয়েছে লা লিগা পয়েন্ট খুইয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

সূত্র: ইত্তেফাক




মুজিবনগরে উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

মেহেরপুরের মুজিবনগরে অপারেশন ডেভিল হান্টে উপজেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক গাউসুল আজমকে (বিজন) (৪৪) গ্রেফতার করেছে মুজিবনগর থানা পুলিশ ।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান এর নের্তৃত্বে সঙ্গীয় এসআই কামরুজ্জান জিয়া, এসআই আশরাফুল ইসলাম, এসআই নাজমুল ইসলাম, এএসআই মনজুরুল ইসলাম সহ সঙ্গীয় ফোর্সসহ মুজিবনগর থানা এলাকায় ডেভিল হান্ট বিশেষ অভিযান ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল পরিচালনাকালে মুজিবনগর থানার মামলা নং-০১,তারিখ-০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৪১/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭/৫০৬/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ এর তদন্তে প্রাপ্ত উপজেলার মোনাখালী গ্রামের দক্ষিণপাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাউসুল আজম (বিজন) (৪৪) এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত ১৭/২৪ এর ০৩ মাসের সাজা প্রাপ্ত আসামী দারিয়াপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে তরিকুল ইসলাম ওরফে দোয়াত আলীকে(৪৭) নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুজিবনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, অপারেশনে ডেভিল হান্টের আওতায় উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাজা প্রাপ্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে তিনি আরো বলেন মুজিবনগর থানা এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্টের বিশেষ অভিযান ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।




শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে

আমাদের জীবনযাপনের অনেকটা সময় জুড়ে আছে চাকরি। সকালে বের হয়ে দুপুর বাইরে কাটিয়ে রাতে বাসায় ফেরা এর মাঝে খাবারটাও ঠিকঠাক পেটে পড়ে না। একদিন দুপুরের খাবার দুইটায় খেলে অন্যদিন চারটায়, কোনো কোনো দিন তো খাবারই খাওয়ার ফুরসত মেলে না। এই খাদ্যাভাস বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

মূলত বেশিরভাগ মানুষের শরীরেই এতে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা যায়। এর অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস। প্রোটিন শরীরের খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি যেমন বেশি হলে সমস্যা, তেমনি কম হলেও। তবে শরীরে প্রোটিন কম না বেশি জানতে কিছু আগাম বার্তা পাবেন।

শরীর ফুলে যায়: প্রোটিনের ঘাটতি হলে শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যেতে পারে। এছাড়া পেশীর ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে হাত ও পা ফুলে যেতে পারে। হঠাৎ এই লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হোন।

অনিদ্রা: প্রোটিনের ঘাটতি বাচ্চাদের মধ্যে হলে ‘গ্রোথের’ ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। অ্যানিমিয়ার সমস্যা হতে পারে। আচমকা ওজন বাড়তে পারে। কিংবা হঠাৎ কমতেও পারে।

ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয়: প্রোটিনের ঘাটতি হলে ত্বক ও চুলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। চুল ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। প্রোটিনের ঘাটতি হলে আপনার ত্বক মারাত্মক রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ত্বকের জৌলুস একেবারেই থাকে না।

হাড়ে ব্যথা: প্রোটিনের ঘাটতি হলে পেশীর ক্ষয় হয়। ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে হাড়। অর্থাৎ প্রোটিনের ঘাটতি হাড়ের গঠনে ক্ষয় ধরায়। অল্পেই হাড় ভেঙে যেতে পারে।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে প্রবীণদের দিনব্যাপী মিলন মেলা

মেহেরপুরে দিনব্যাপী প্রবীণ মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সদর উপজেলার চকশ্যামনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। এতে এলাকার প্রায় ২০০ প্রবীণ অংশ নেন।

মিলন মেলায় আয়োজিত হয় শৈশবের বিভিন্ন খেলাধুলা, যা প্রবীণদের আনন্দে মাতিয়ে তোলে। আয়োজকেরা জানান, ইন্টারনেট আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে গ্রামীণ ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে, তাই তারা প্রতিবছর এমন আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

মিলন মেলায় প্রবীণরা অংশ নেন চেয়ার সিটিং, ফুটবল, বালিশ খেলাসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে তরুণরা প্রবীণদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। সকালের নাস্তায় পরিবেশিত হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যের চিড়া, মুড়কি, দই, গুড় ও মিষ্টি। দুপুরের খাবারে ছিল ভাত, খাসির মাংস, সবজি ও ডাল।

দিনশেষে খেলাধুলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মিলনমেলা শেষে সবাই একে অপরের সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।

আয়োজক কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম বলেন, “গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা গত পাঁচ বছর ধরে এই আয়োজন করে আসছি। আমাদের লক্ষ্য, প্রবীণরা যেন একদিনের জন্য হলেও শৈশবে ফিরে যেতে পারেন এবং সব দুঃখ-ক্লান্তি ভুলে আনন্দে মেতে উঠতে পারেন। ভবিষ্যতেও এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।”




পবিত্র কাবা শরীফে বিয়ে করলেন কুবরা ও গওহর

অবশেষে তিন কবুলের মাধ্যমে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুবরা খান ও অভিনেতা গওহর রশিদ। বুধবার মক্কার পবিত্র কাবা শরিফে তারা এ প্রবিত্র কাজ সারেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যৌথ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তারা তাদের বিয়ের সংবাদটি জানান। বিয়ের পাশাপাশি বর্তমানে তারা উমরাহ পালন করছেন।

ইনস্টাগ্রামের যৌথ পোস্টে তারা লিখেছেন, আল্লাহর কুরসির নিচে…৭০ হাজার ফেরেশতা সাক্ষী এবং রহমত আমাদের ওপর বৃষ্টির মতো বর্ষিত হচ্ছে… কবুল।

তাদের শেয়ার করা দুটি ছবির মধ্যে একটি ছিল পবিত্র কাবায় তাদের হাত রাখা, অন্যটি ছিল তারা একে অপরকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখছেন এবং পেছনে মহিমান্বিত কাবা ঘর।

কুবরা ও গওহর তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল যে, তারা পবিত্র শহর মক্কাতে বিয়ে করবেন।

সম্প্রতি এই তারকা যুগল সবচেয়ে আলোচিত সেলিব্রিটিদের তালিকায় উঠে এসেছেন। এর শুরুটা হয় ২০২৪ সালের শেষের দিকে, যখন তাদের বিয়ে নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তারা তাদের দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

গত মাসের শেষের দিকে কুবরা ও গওহর একটি কৌতুকপূর্ণ ও হৃদয়গ্রাহী ভিডিও বার্তায় তাদের বিয়ের খবরটি ঘোষণা করেন। আর এখন তাদের বিয়ের উদযাপন শুরু হলো। অনলাইন জগতে জনপ্রিয় এই যুগল তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে সোমবার কুবরার বান্ধবী মোমালের বাসায় উদযাপনে মেতে ওঠেন।

এদিকে ‘রাজ-এ-উলফাত’ খ্যাত অভিনেতা গওহর তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিয়ের অনুষ্ঠানের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন।

অভিনেতা এর ক্যাপশনে লিখেছেন, মাশাআল্লাহ… বিশাল ভালোবাসা এবং আলিঙ্গন।

পোস্টে তিনি মোমাল ও নাদের নওয়াজকে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের ‘উষ্ণ আয়োজন’র জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

তখন শেয়ার করা ছবিগুলোতে কুবরা ও গওহরকে সাদামাটা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, অভিনেতা গওহর তার সহকর্মী ও বন্ধু উষনা শাহের শো’তে বলেছিলেন, তিনি আর সিঙ্গেল নন। এরপর থেকেই কুবরাকে ঘিরে অভিনেতার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জনের সূচনা হয়।

কুবরা এবং গওহর তাদের শেয়ার করা ছবি এবং উষ্ণ বন্ধুত্বের মাধ্যমে সম্পর্কটি সবসময়ই স্পষ্ট করেছিলেন; যা তাদের ভক্তরা অনেকদিন ধরেই লক্ষ্য করে প্রশংসা করেছেন।

এই তারকা যুগল একাধিক প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন, তবে ‘জান্নাত সে আগায়’ নাটকে দম্পতি হিসেবে দেখা যায় দুজনকে।

যদিও কিছু মানুষ তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছে। তবে অনেকেই তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বকে চিরস্থায়ী বন্ধনেই দেখতে চেয়েছিলেন।

সূত্র: যুগান্তর