ঝিনাইদহে শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সকালে শহরের পায়রা চত্বরে “সম্মিলিত নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ”এ কর্মসূচীর আয়োজন করে। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দসহ নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা অংশ নেয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মামুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি গণেশ চন্দ্র বিশ্বাস, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক জুলফিকার আলী, সদর উপজেলা সভাপতি রিয়াজুল করিমসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সেসময় বক্তারা, দেশের সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একসাথে এমপিও ভুক্ত করার দাবী জানান। এ দাবী মানা না হলে আগামীতে অনশনসহ কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ার দেন তারা।




ঝিনাইদহের মহেশপুরে সবুজ বেষ্টনীতে ২৫ কিলোমিটার সড়ক

ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপকারভোগীদের ২৫ কিলোমিটার সড়কে লাগানো গাছ এখন পরিণত হয়েছে সবুজ বেষ্টনীতে। গাছগুলো একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে অন্যদিকে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান করবেন উপকারভোগীদের। এ ধরনের বাগান কোটচাঁদপুরেও সৃজন করা হবে বলে জানিয়েছেন বনকর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

মহেশপুরের কোলা গ্রামের উপকারভোগী সিরাজুল ইসলাম বলেন,উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের বালিনগর করতোয়া খালের দুইপাড় ও কোলা সুইজ গেট হতে কুল্লাপাড়া ব্রীজ হয়ে নাড়াপোতা পর্যন্ত (সিডলিং) সংযোগ সড়ক বাগান সৃজন করা হয়েছে। গেল ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে পরিচালন ব্যয় খাতের আওতায় এ বাগান করা হয়।

২৫ কিলোমিটার এ বাগানে ২৫ হাজার টি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করা হয়। যার রয়েছে চিকরাশি, সম্পদলাদলি, শিশু, জারুল, অর্জুন, আমলকি, পেয়ারা, লেবু, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, ইপিলইপিল, নিম।

তিনি বলেন, এ বাগানে ১৫৬ জন উপকারভোগী রয়েছে। যার মধ্যে ২৮ জন নারী ও ১২৬ জন পুরুষ সদস্য আছে। তারা মেয়াদপূর্তিতে লাভবান হবেন আর্থিক ভাবে। এ জন্য সবাই খুব যত্ন সহকারী বাগানটি পরিচর্যা ও দেখা শোনা করেন। আর সে কারনেই গেল দুই বছরেই বাগানটি সবুজ বেষ্টনীতে পরিণত হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর বনবিভাগের বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২১-২২ সালে বাগানটি করা হয়। সামাজিক বনায়ন নীতিমালার আলোকে যা করা হয়েছে। ওই বাগানের আবর্তকাল ১০ বছর। আবর্তকাল উত্তীণ হলে বাগানের গাছ বিক্রয় পূর্বক বিক্রয়লদ্ধ অর্থের ৫৫% শেয়ার উপকারভোগী সদস্যদের মাঝে সমভাবে প্রদান করা হবে। এছাড়া গাছ রোপনের অনুমতি প্রদানকারী ভূমির মালিক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ তাদের শেয়ার পাবেন।

তিনি বলেন, যশোর সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা, সহকারী বন সংরক্ষক,ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ফরেস্টারগণ ও অন্যান্য বন কর্মচারীগন পরিদর্শন করেন বাগানটি। এতে সংরক্ষন ব্যবস্থা জোরাদার রেখেছেন উপকারভোগীরা। বর্তমানে বালিনগর খালের পাড়ের সৃজিত বাগানটি এলাকায় দৃষ্টিনন্দন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। উন্নত হয়েছে এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ।
এ কারনে স্থানীয় লোকজন ফলসের জমিতে কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নেন। বাগানের গাছে বাসা করেছেন বিভিন্ন প্রজাতির পাখ-পাখালি। তাদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠে ওই এলাকা। ইতোমধ্যে বাগানটি দেখতে বালিনগর এলাকায় প্রতিদিন বিকালে ও ছুটির দিনে অনেক লোকজনের সমাগম হয়।

আগামীতে এ ধরনের বাগান আরো সৃজন করা হবে এ উপজেলায়। এ ছাড়া কোটচাঁদপুর উপজেলাতেও এ ধরনের বাগান করা হবে। এতে করে ওই এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন ওই কর্মকর্তা।




ল্যাপটপ-কম্পিউটার থেকে ফোন চার্জ দেওয়া কি ঠিক?

প্রযুক্তির এই সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া এক কদম সামনে এগোনোও অনেক কষ্টসাধ্য। ব্যক্তিগত থেকে বিভিন্ন কাজে এই ডিভাইস ছাড়া চলা যায় না। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করেন। আবার কেউ কেউ ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ইউএসবি পোর্ট লাগিয়ে মোবাইল ফোন চার্জ করেন।

তবে এমনটা করা কি ঠিক? তা জানুন এই প্রতিবেদনে।

যারা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন, তারা অনেক সময় সেখান থেকে মোবাইল চার্জ করেন। অনেকে অ্যাডাপ্টার নিয়ে যাতায়াত করেন না। ফলে সঠিক নিয়মে অনেকে মোবাইলে চার্জ দিতে পারেন না।

যদি সঠিক উপায়ের কথা বলতে হয়, তাহলে স্মার্টফোন অবশ্যই আসল চার্জার দিয়েই চার্জ করা উচিত। তবে, যদি কারো কাছে মোবাইলের আসল চার্জার না থাকে এবং ফোনটির চার্জ একেবারে শেষ হতে চলেছে সেক্ষেত্রে ল্যাপটপ থেকে ফোনটি চার্জ করতে পারেন।

কিন্তু নিয়মিত এ কাজ করা একেবারেই ঠিক নয়। ল্যাপটপ থেকে কেউ যদি নিজের মোবাইল ফোন চার্জ করেন, তাহলে ফোনের ব্যাটারির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বেশিরভাগ ল্যাপটপে ইউএসবি পোর্ট থাকে, যা চার্জিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্ট সাধারণত ফোন চার্জ করার ক্ষমতা রাখে। তার সঙ্গে কানেক্ট করে ফোন চার্জ করা হয়। ল্যাপটপ দিয়ে বারবার ফোন চার্জ দিলে চার্জিং স্পিড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্ট সাধারণত ফোনের চার্জারের চেয়ে কম শক্তিশালী হয়।

তাই ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগতে পারে।
আসল চার্জার ছাড়া ফোন চার্জ দিলে অতিরিক্ত গরম হওয়ার সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় ফোন গরম হয়ে ব্লাস্টও করতে পারে। ল্যাপটপ থেকে ফোন ঘন ঘন চার্জ দেওয়ার ফলে ফোনের ব্যাটারির ওপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: কালের কন্ঠ




দর্শনায় গাঁজা ও নিয়মিত মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-৬

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজাসহ ও নিয়মিত মামলার আসামীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে দর্শনা থানা পুলিশ।

সোমবার (১০ ফেব্রয়ারী) গভীর রাতে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদ তিতুমীরের নেতৃত্বে, দর্শনা থানার এস আই মাসুদুর রহমান আসামিদের নিজ নিজ বাড়ি অভিযান চালিয়ে নিয়মিত মামলার ৫ আসামীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী হলো দর্শনা থানার বেগমপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত্যু জাফর আলীর ছেলে সালাউদ্দিন (৩৩), নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন (৫৫) একই ইউনিয়নের রমজান মন্ডলের ছেলে মফিজুল ইসলাম (৪৬) ও দর্শনা পৌরসভার কলেজ পাড়ার মহিদুল ইসলামের ছেলে জি আর মামলার আসামী রনি (২৯) ও দর্শনা শান্তি পাড়ার মৃত্য ওয়াসিমের ছেলে, সজল ওরফে সুজনকে (২২) গ্রেফতার করে।

অপরদিকে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে দর্শনা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে দর্শনা পুরাতন বাজার টু পরানপুরগামী মেসার্স হাবলু ট্রেডার্স নামক মুদি দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর তার ব্যবহারিত পাখিভ্যান তল্লাশি করে ১ কেজি গাঁজাসহ সুমনকে (৪২) গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত সুমন দর্শনা থানার কুড়ালগাছি ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে। গতকালই তাদের ৬ জনকে গ্রেফতার পূর্বক চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




ম্যানেজার নেবে ব্র্যাক, আবেদনের সময় শেষের পথে

অ্যাঙ্কর ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সিং বিভাগ সিনিয়র ম্যানেজার/ম্যানেজার পদে একাধিক জনবল নিয়োগ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। বেসরকারি ব্যাংকটিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার/ম্যানেজার।

বিভাগ: অ্যাঙ্কর ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সিং।

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা: করপোরেট রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সিং এবং অ্যাসেট রিলেটেড ব্যাংকিং প্রোডাক্টের উপযুক্ত জ্ঞান। কম্পিউটারে (এমএস অফিস) দক্ষতা।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৫ বছর।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম।

কর্মক্ষেত্র: অফিসে।

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)।

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই।

কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে।

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।

অন্যান্য সুবিধা: নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে অপারেশন ডেভিল হান্ট, আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেফতার

মেহেরপুরে যৌথবাহিনী পরিচালিত অপারেশন “ডেভিল হান্টে” বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের মামলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা তানসেন আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তানসেন আলী মেহেরপুর শহরের ১ নং ওয়ার্ড নতুনপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। মেহেরপুরে কর্মরত সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথবাহিনীর সদস্যরা গতরাতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তানসেনকে গ্রেফতার করেন। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপর হামলার অভিযোগে ছাত্রনেতা হাসনাত জামানের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা জিআর ২৬৩/২৪ নং মামলার এজাহার নামীয় ৯১ নং আসামি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী হাসনাত জামান বাদি হয়ে সন্ত্রাস দমন আইনে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, তার স্ত্রী মোনালিসা হোসেন, ভাই সরফরাজ হোসেন মৃদুলসহ ১৬৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে প্রথম দফায় ২ দিন ও পরবর্তিতে দ্বিতীয় দফায় ৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছে।




দিনটি টেডি নেওয়া-দেওয়ার

শৈশবে খেলার জন্য অনেকেরই একটি টেডি বিয়ার ছিল। এর কারণ হলো টেডি বিয়ার সবচেয়ে প্রিয় নরম খেলনাগুলোর মধ্যে একটি। এ খেলনাটি বয়স নির্বিশেষে সব মানুষকেই খুশি করে।

ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ দিন (১০ ফেব্রুয়ারি) সারা বিশ্বে ‘হ্যাপি টেডি ডে’ পালন করার রীতি রয়েছে। টেডি বিয়ার উপহার দেওয়ার পিছনে মূল কারণটি হলো প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা, তাদের খুশি করা।

আপনি যখন দূরে থাকেন তখন প্রিয়জন আপনার পাঠানো নরম টেডিকে জড়িয়ে ধরে আপনার অস্তিত্ব অনুভব করার সুযোগ খোঁজে টেডির মধ্যে।

এতে ব্যস্তময় জীবনে কাজের চাপের মধ্যে নরম টেডিকে জড়িয়ে ধরে মন মেজাজ মুহূর্তে ঠিক হয়ে যেতে পারে। খুব চাপের মাঝেও মুখে ফুটে উঠতে পারে প্রশান্তির হাসি।

পাশ্চাত্য সাহিত্যের অনেক গল্পে টেডি বিয়ারকে গোপন রক্ষক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে যখন কেউ নিচু ও একা অনুভব করেন তখন টেডি বিয়ারকে জড়িয়ে ধরার মাধ্যমে আত্মার একাকিত্ব, কষ্ট সহজে ভোলা সম্ভব।

তাই নিজের অনুপস্থিতি ঘোচাতে প্রিয়জনদের পছন্দের টেডি উপহার দিতে পারেন। বন্ধু, আত্মীয় এমনকি বাবা- মাকেও এই উপহার দিতে পারেন। এতে তারা খুশি হবেন।

তো আর দেরি কেন? দিনটি উদ্‌যাপন করতে এখনই প্রিয়জনকে উপহার দিন আপনার পছন্দের টেডি বিয়ারটি।

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুরে তিনটি ইটভাটা বন্ধ, ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

মেহেরপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ নেতৃত্বে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হিজলবাড়িয়া গ্রামে তিন ফসলি জমিতে গড়ে ওঠা তিনটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করে বন্ধ ঘোষণার পাশাপাশি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তিন ইটভাটা থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। এসময় বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট পানি দিয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে, এসএইচবিসি ইটভাটার মালিক ইকরামুল হককে ২ লাখ টাকা, ফোর স্টার ব্রিকসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার অপরাধে শ্রমিক ইকলাছুর রহমানকে ১০ হাজার, বলাকা ব্রিকসের মালিক মিলন হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় ফায়ারা সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য দিয়ে পানি ছিটিয়ে ফোর স্টার ব্রিকস’র কাঁচা ইট ধ্বংস ও এক্সকাভেটর দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে হিজলবাড়িয়ার বলাকা ব্রিকস।

ভাটাগুলো অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। একই সঙ্গে তিনটি ইটভাটায় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। প্রত্যেক ইটভাটায় কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ একর তিন ফসলি জমি ব্যবহার করা হয়েছে। এসময় বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতাও ভিড় জমান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ্দাম হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোজফ্ফর খান। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগীতা করেন, গাংনী থানা পুলিশ ও বামন্দী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদ্দাম হোসেন জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ সনের ৫৯ নং আইনে দুটি ইটভাটাতে অভিযান চালিয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় ভাটা দুটিতে পানি দিয়ে কাঁচা ইট বিনষ্ট ও এক্সকাভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশদূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল অবৈধ ইটভাটাতে অভিযান চালানো হবে।

উল্লেখ্য, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই জেলার তিনটি উপজেলায় প্রায় ১০৮ টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে বলে জানান জেলা প্রশাসন।




সেই রাতে কী ঘটেছিল জানালেন সাইফ

চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের মুম্বাইয়ের বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারী সাইফের পুত্র জেহের ঘরে প্রবেশ করে।

তখন সাইফ বাধা দিতে চাইলে হামলাকারী অভিনেতাকে ছুরি দিয়ে ছয়বার আঘাত করে। হামলার পর সাইফকে লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনার কয়েকদিন পর সন্দেহভাজন শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ।

ঘটনার পর জেহের আয়া ও কারিনা কাপুর খান পুলিশের কাছে ওই রাতে কী ঘটেছিল তা নিয়ে বয়ান দেন। এবার ছুরিকাঘাতের ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ পর হামলা নিয়ে মুখ খুললেন সাইফ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‌ওমকারা’ খ্যাত অভিনেতা সাইফ আলি খান বলেছেন, ‘কারিনা ডিনারে গিয়েছিল, সকালে আমার কিছু কাজ ছিল। তাই আমি সেখানেই থেকে যাই। তারপর সে ফিরে এলে আমরা কিছুক্ষণ আড্ডা দিলাম এবং ঘুমাতে গেলাম। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পরিচারিকা ছুটে এসে বলল, ‘ঘরের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে! জেহের ঘরে একটা লোক ছুরি নিয়ে টাকা চাইছে!’ তখন রাত প্রায় ২টা বেজে গেছে, হয়তো সময়টা একটু ভুল হতে পারে, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। আমি কী করব বুঝতে পারছিলাম না। তারপর সেখানে যাই, আমি দেখলাম লোকটা জেহের বিছানার ওপর দুটি লাঠি ধরে রেখেছে (যা আমি ভেবেছিলাম, এটি আসলে একটি হেক্সা ব্লেড ছিল।’

সাইফ আলি খান দিল্লি টাইমসকে জানান, ‘ওই ব্যক্তির হাতে হেক্সা ছিল ও সে মুখোশ পরে ছিল। আমি হাতে ধরতে চাইলাম। কিন্তু এ সময় ওই ব্যক্তি আমার পিঠে আঘাত করেছিল। সে আমার ঘাড়ে আঘাত করছিল, আর আমি হাত দিয়ে তা আটকাচ্ছিলাম। আমার তালু, কব্জি ও হাত কেটে যায়। আমি বারবার আত্মরক্ষার চেষ্টা করছিলাম। তবে কিছুক্ষণ পর আর সামলাতে পারলাম না। কারণ হার কাছে ব্লেড ছিল। আর আমি খালি পায়ে, খালি হাতে কুর্তা পাজামা পরে ছিলাম।’

‘আমি চাচ্ছিলাম লোকটাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিতে। আমাদের গৃহকর্মী (গীতা) ওকে আমার কাছ থেকে টেনে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। আর দুজনেই একরকম সরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলাম। পরে আমার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। আমার ডান পায়ে কিছু অনুভূতি হারিয়ে ফেলেছিলাম। কারণ আমার মেরুদণ্ডে আঘাত লেগেছিল, কিন্তু আমি তখন বুঝতে পারিনি। শুরুতে আমি ভেবেছিলাম আমার পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে,’ বলেন ছোট নবাব।

একই সাক্ষাত্কারে সাইফ জানান, তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে লড়াই করতে কিছু খুঁজতে ওপরে গিয়েছিলেন। সেই সময় কারিনা কাপুর খান জেহকে বাইরে নিয়ে তৈমুরের ঘরে যান। মারামারির সময় জেহ বাইরে ছিল এবং কারিনা চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘বাচ্চাটিকে বাইরে নিয়ে যাও।’

সাইফ জানান, লোকটির সঙ্গে লড়াই করলেও তার কাছে দুটি হেক্সা ব্লেড থাকায় কিছুক্ষণ পর আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। ঘটনার সময় জেহ ঘুমিয়ে ছিল কি না জানতে চাইলে সাইফ বলেন, ‘সে জেগে উঠেছিল ও কিছু দেখেছিল। আমি সঠিক জানি না, কারণ ব্যস্ত ছিলাম। তারপর আমরা সবাই ওপরে জড়ো হলাম।’

কীভাবে ওই অনুপ্রবেশকারী পালিয়ে গিয়েছিল সে বিষয়ে জানান সাইফ আলি খান। তিনি বলেন, ‘গীতা বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে রেখেছিল, তাই আমরা ভেবেছিলাম লোকটি ভিতরে আটকে আছে। কিন্তু সে যেভাবে এসেছিল সেভাবেই পালিয়ে গেছে, যদিও আমরা জানতাম না। যে পথে ঢুকেছিল, সেদিকেই গিয়েছিল। ড্রেনপাইপ বেয়ে বাচ্চাদের বাথরুমে ঢুকেছিল। আমরা সবাই নিচে নামার পর দেখলাম আমি রক্তে মাখামাখি।’

‘আমরা বললাম, চলো লোকটিকে ধরে নিয়ে আসি। আর কারিনা বললেন, ‘এখন তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে হবে। জেহকে এখান থেকে সরিয়ে নিতে হবে। আমার মনে হচ্ছে, এখনো আশেপাশে অনুপ্রবেশকারী আছে। হয়তো তারা অনেকে এসেছে।’ যোগ করেন অভিনেতা।

সেই রাতে চালক সেখানে না থাকায় তারা অন্য একটি বাহনে হাসপাতালে যান। সাইফের সঙ্গে ছিলেন তৈমুর ও আরেক গৃহপরিচারিকা হরি। তবে তৈমুর ও সাইফ হাসপাতালে গেলেও কারিনা জেহকে নিয়ে তার বোন কারিশমা কাপুরের বাড়িতে যান।

সূত্র: ইত্তেফাক




দামুড়হুদায় কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার উদ্বোধন

দামুড়হুদায় তিনদিন ব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টার সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে “এসো দেশ বদলায় পৃথিবী বদলায়” এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রথমে বর্ণাঢ্য রেলি ও রেলি শেষে মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান সরকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আগে ছিলো খোরপোশ কৃষি আর এখন আমরা করছি বানিজ্যিক কৃষি। আমরা দেখেছি বাজার মূল্য বেড়ে গেলেও সমস্যা আবার কমে গেলেও সমস্যা। আগে আমরা শীতকালীন পেয়াজ করতাম, এখন আমরা গ্রীষ্মেও পেয়াজ তৈরি করছি। আমরা যে পরিমাণে সবজি খায় তার থেকে জাপানে অনেক বেশী পরিমাণে সবজি খায়, আমাদের খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।

একটি প্লেটে অর্ধেক ভাত হতে হবে এবং বাকি অর্ধেক হতে হবে সবজি। এই মেলায় মোট ১৪টি স্টল হয়েছে, আমরা এই মেলার মাধ্যমে অনেক গুলো প্রযুক্তি দেখলাম। সেগুলো আমাদের জৈব সারের মাধ্যমে প্রযুক্তি গুলো মাঠে ঘাটে এগুলোর বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনদিন ব্যাপী এই কৃষি মেলায় যেসব স্টল হয়েছে এবং সেখানে যে সকল প্রযুক্তি করা হয়েছে সেগুলো আমাদের কৃষিতে ব্যাবহার করে কৃষির উন্নয়ন সাধন করতে হবে।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিনিধি অনিক, আব্দুর রহিম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার অভিজিৎ কুমার বিশ্বাস, অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন উপজেলা জামে মসজিদের ঈমাম আশরাফুল আলম।