অস্তিত্ব বাঁচাতে লড়ছে টিকটক

হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক। গত বছরের এপ্রিলে বাইডেন সরকার প্রণীত নতুন আইন অনুযায়ী আমেরিকার বাজারে নিষিদ্ধ ঘোষিত হতে পারে প্ল্যাটফর্মটি।

টিকে থাকতে হলে আগামী ৯ মাসের মধ্যে বাইডেন সরকার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে টিকটকের মালিকানা হস্তান্তর করতে হবে বর্তমান মালিক চীনের বাইটড্যান্সকে। নতুন এই আইন দেশটির সংবিধান পরিপন্থী উল্লেখ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন টিকটকের আইনজীবীরা।

টিকটক নিষিদ্ধ করার পেছনে আমেরিকা সরকারের মূল দাবি হচ্ছে দেশটির জনগণের ব্যক্তিগত তথ্য প্ল্যাটফর্মটির মালিক বাইটড্যান্সের কাছ থেকে চীন সরকারের কাছে বেহাত হয়ে যেতে পারে। ফলে বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন টিকটক দেশটির জাতীয় সুরক্ষার জন্য হুমকি স্বরূপ বলে মনে করছেন সরকারের কর্তাব্যক্তিরা।

যদিও মার্কিন সরকার এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছে বাইটড্যান্সকে। প্রসঙ্গত, ১৭ কোটিরও বেশি মার্কিন নাগরিক বর্তমানে টিকটক ব্যবহার করেন। বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি।

এপ্রিলে বাইডেন সরকার নতুন আইন প্রণয়নের পর গত মে মাসে আইনটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে বাইটড্যান্স। মামলার আর্জিতে দাবি করা হয় আমেরিকা সরকার কোনো প্রকার প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও টিকটকের মালিকানার বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখাতে চাইছে যাতে করে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীকে এড়িয়ে যাওয়া যায়। উল্লেখ্য, আমেরিকার সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে বাস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মতো আরো কিছু বিষয়কে জনগণের অধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সরকারের নতুন আইনটিকে ‘স্পষ্টতই অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে বাইটড্যান্স আদালতে আরো জানায়, টিকটকের মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার উপায় হিসেবে সরকার উক্ত আইনটিকে উপস্থাপন করেছে।

টিকটকের মালিকানায় সরকারের এই হস্তক্ষেপকে অনেকেই বাইডেন সরকারের কর্তৃত্ববাদী আচরণ হিসেবে দেখছে। অনেকেই নতুন আইনটিকে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেও গণ্য করছে।

সূত্র: ইত্তেফাক




হরিণাকুণ্ডুতে তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালা

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি এম তারিক-উজ-জামান এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হুসাইন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হরিণাকুণ্ডু সালেহা বেগম মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুক্তার হোসেন। এছাড়াও, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল বারীসহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র ছত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্য নির্ভর বৈষম্যহীন বিজ্ঞান ভিত্তিক এক সমাজ ব্যবস্থা। বক্তারা বলেন এখনকার তরুনরায় বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে পৌছে দেবে।




বিয়ের নামে প্রতারণা, সর্বশান্ত মালয়েশিয়া প্রবাসী

প্রতারক বাবা ও মেয়ের প্রতারনায় সর্বশান্ত হয়েছেন ঝিনাইদহের এক প্রবাসী যুবক। প্রতারণা করে প্রবাসীর কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

সর্বশান্ত প্রবাসী যুবক আকরাম ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে সে মালয়েশিয়া প্রবাসী।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে তার পক্ষ থেকে তার বোন বিথি খাতুন ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী প্রবাসী যুবক আকরাম হোসেন জানান, দেড় বছর আগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আনারুল ইসলামের মেয়ে আমেনা খাতুনের (১৯) সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

কিছুদিন মোবাইলে কথা বলার পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করবে। স্থানীয় কাজির মাধ্যমে তারা বিয়েও করেন। এরপর সবকিছু ঠিকমতই চলছিলো। বিয়ের কিছুদিন পর আকরাম মালয়েশিয়া চলে যায়। যাওয়ার পর মেয়ের খরচ ও তার পরিবারের জন্য বিভিন্ন সময় টাকা পাঠাতো আকরাম হোসেন। এর মাঝে স্ত্রী আমেনা খাতুনকে সোনার গহনা, স্মার্ট ফোন, পায়ের নুপুরও পাঠায় প্রবাসী ওই যুবক। এরপর থেকে শুরু হয় আমেনা ও তার পিতা আনারুল ইসলামের প্রতারনা।

ব্যবসায় করার কথা বলে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা নেয় তারা। পরে দফায় দফায় সর্বমোট ৪ লাখ নেয় প্রতারক আনারুল ইসলাম ও তার পরিবার। টাকা নেওয়ার পর থেকে আকরামের সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

স্ত্রীকে বাড়িতে আনতে চাইলে তারা তাকে হুমকিও দিচ্ছে। আকরাম অভিযোগ করে বলেন, আমার সাথে বিয়ের পর থেকে প্রতারণা শুরু করেছে আমেনা ও তার পিতা। আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি ওরা আমাকে সর্বশান্ত করবে। আমি যা আয় করেছি তাও তাদের দিয়েছি। গ্রামে যা ছিলো তাও দিয়েছি আবার এখান থেকেও ধার করে আমেনা ও তার পিতাকে টাকা দিয়েছি। এখন আমার সাথে কোন যোগাযোগ করছে না। ফোন দিলে গালি-গালাজ করে। আমি আমার টাকা ফেরত চাইলে হুমকী দেয়।

অভিযোগকারী আকরামের বোন বিথী খাতুন বলেন, আমরা ওই এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখেছি আনারুল ইসলাম পেশায় রাজমিস্ত্রী। সে মানুষের সাথে এমন প্রতারণা করে। তার আরও দুটি মেয়ে আছে তারাও এমন ২ জন প্রবাসীকে ঠকিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

আমার ভাইয়ের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পয়সাসহ অনেক কিছুই ইতিমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে। এমন কি আমার ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আশা করি এর সুষ্ঠু বিচার আমরা পাবো।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আমেনা খাতুনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যার কারণে তার কাছ থেকে কিছুই জানা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত আমেনা খাতুনের পিতা আনারুল ইসলাম বলেন, আপনি কার কাছ থেকে এসব শুনেছেন। যে বলেছে তার কাছে যান। বিয়ে হয়েছে তার কোন প্রমাণ আছে নাকি? এসব কথা বলে কোন লাভ হবে না বলে ফোন কেটে দেন।




বিজিবিতে সিপাহি পদে চাকরির সুযোগ, যা লাগবে আবেদন করতে

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এ বাহিনীতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ১০৪তম ব্যাচে সিপাহি (জিডি) পদে পুরুষ ও নারী উভয় প্রার্থী নেওয়া হবে। সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

সিপাহি পদে আবেদনের জন্য নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীদের এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ–৩ এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ–২.৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা

পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, ওজন হতে হবে ৪৯.৮৯৫ কেজি। বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৪৭.১৭৩ ও বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। ওজন ৪৭.১৭৩ কেজি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ২৮ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি থাকতে হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট, ওজন ৪৩.৫৪৪ ও বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩৮ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি। উভয় প্রার্থীদের দৃষ্টিশক্তি লাগবে ৬/৬।

বয়স

৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে পুরুষ ও নারী উভয় প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে।

বৈবাহিক অবস্থা

অবিবাহিত। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

যেভাবে আবেদন

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের নিয়োগসংক্রান্ত এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছয়টি ধাপ অনুসরণ করে আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদন ফি

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৫৬ টাকা ব্যাংকিং কার্ড অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।

যেসব কাগজপত্র আনতে হবে

ভর্তির সময় প্রার্থীকে অবশ্যই এসএসসি এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় পাসের মূল/প্রভিশনাল সনদ, সংশ্লিষ্ট স্কুল বা কলেজের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ কর্তৃক এইচএসসি বা সমমান এবং এসএসসি বা সমমান পাসের প্রশংসাপত্র (যাতে প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা ও জন্মতারিখ উল্লেখ থাকবে), অভিভাবকের অনুমতিপত্র, ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের কাছ থেকে বাংলাদেশি স্থায়ী নাগরিকত্বের সনদ, চারিত্রিক সনদ, সদ্য তোলা ১১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অবিবাহিত সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপিসহ সত্যায়িত ফটোকপি এবং প্রবেশপত্রের কপি সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত।

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুর বিএনপির ৩১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা

জাভেদ মাসুদ মিল্টনকে আহবায়ক ও অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানকে সদস্য সচিব করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মেহেরপুর জেলা শাখার ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে আমিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও ফয়েজ মোহাম্মদ, সদস্যরা হলেন, যথাক্রমে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মাসুদ অরুন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ইলিয়াছ হোসেন, আলমগীর খান ছাতু, আনছারুল হক, গাংনী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মো: হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন, বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষক সমিতির মহাসচিব জাকির হোসেন, আব্দুল হামিদ, খাইরুল বাশার, ওমর ফারুক লিটন, আব্দুল আওয়াল, ইনসারুল হক ইনসু, আলফাজ উদ্দীন কালু, মোছা: রোমানা আহমেদ, মো: আব্দুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান বাবলু, মকবুল হোসেন মেঘলা, আখেরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম, মশিউর রহমান ও মো: গনিউল আজিম।

রবিবার দুপুরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যডাভোকেট রুহুল কবির রজিভী স্বাক্ষরিত কমিটি মেহেরপুর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে পৌছে।




শীতে বেগুন খেলে শরীরে পড়বে যে প্রভাব

শীতের অন্যতম একটি জনপ্রিয় সবজি হচ্ছে বেগুন। স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই সবজি শুধু বাংলাই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রান্নায় একটি অপরিহার্য উপাদান। ভর্তা, ভাজি, তরকারি থেকে শুরু করে নানা ধরনের খাবারে এটি ব্যবহৃত হয়। তবে অনেকেই জানেন না, এই সাধারণ সবজিটির রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণ।

কী সেই গুণাগুণ, চলুন জেনে নেওয়া যাক—
হার্টের জন্য উপকারী : বেগুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক : বেগুনে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী হতে পারে।

ওজন কমাতে সহায়ক : কম ক্যালরি ও উচ্চ ফাইবার থাকার কারণে বেগুন দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

হজমশক্তি বাড়ায় : বেগুনের ফাইবার হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় : বেগুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে : বেগুনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে।

হাড় মজবুত করে : বেগুনে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকায় এটি হাড় শক্তিশালী করে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।

ব্রেন ফাংশন শক্তিশালী করে : বেগুনে উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে।

বেগুন শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি অসংখ্য স্বাস্থ্যগুণসম্পন্ন একটি সবজিও।

এটি নিয়মিত খেলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে এবং নানা রোগের ঝুঁকি কমে। তাই পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে বেগুনকে অবশ্যই ডায়েটে রাখা উচিত।
সতর্কতা

তবে কোনো জিনিসই অতিরিক্ত ভালো নয়। সে হিসেবে বেগুনও অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়। এই বেগুনে অনেকেরই স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। তাই যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তারা এটি থেকে বিরত থাকবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপরেই বেগুন খান।

সূত্র: কালের কন্ঠ




মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবিতে গণমিছিল

মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবিতে গণমিছিল করেছে সদর উপজেলা বিএনপি।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুর কাথুলী রোডের জেড কে ফিলিং স্টেশন থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে নেতাকর্মীরা মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন।

এর আগে জেড কে ফিলিং স্টেশনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তারা বলেন, “১৬ বছর যারা রাজপথে লড়াই-সংগ্রামে ছিলেন না, তারাই এখন আহ্বায়ক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন। টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আমরা মানি না।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ অরুন বলেন, “আমরা কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছি। বলিনি যে কমিটি মানি না, বরং বলেছি কমিটি পুনর্বিবেচনা করা হোক। জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই মেহেরপুর জেলার নেতৃত্ব গঠিত হবে। আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় নতুন বাংলাদেশ পরিচালিত হবে।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্ট, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফ আহমেদ বিজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল হক জাহিদ, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি বাবু সাবের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর সুজন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মকলেছুর রহমান স্বপন, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি আহসান হাবীব সোনা, গাংনি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ রাজিব খান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাভেদ সেনজির, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হাসনাত আফরোজসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




বিপিএল প্লে-অফ কবে-কখন?

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ৪২টি ম্যাচ শেষে শেষ পর্যন্ত প্লে-অফ পর্বে পৌঁছেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। সাত দলের মধ্যে থেকে সেরা চার দল এখন শিরোপার লড়াইয়ে টিকে রয়েছে।

ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগের ১১তম আসরটিতে নানা বিতর্ক থাকলেও মাঠের লড়াই ছিল দারুণ উপভোগ্য। শিরোপার দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল। লিগ পর্বে শীর্ষে থেকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে তারা।

প্রথম কোয়ালিফায়ারে বরিশালের প্রতিপক্ষ চিটাগং কিংস। চট্টগ্রামের দলটি শুধু যে সেরা দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছে তাই নয়, বরং লিগ পর্বের প্রথম ভাগে আধিপত্য বিস্তার করা রংপুর রাইডার্সকেও পেছনে ফেলেছে তারা।

রংপুর রাইডার্স প্রথম আটটি ম্যাচে জয় পেলেও, শেষ চার ম্যাচে টানা হেরে যায়। ফলে দলটি শেষ পর্যন্ত তৃতীয় স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হয় এবং এলিমিনেটর ম্যাচ খেলতে হবে তাদের। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ খুলনা টাইগার্স, যারা দুর্বার রাজশাহীকে টপকে চতুর্থ স্থান নিশ্চিত করেছে।

প্লে-অফ ও ফাইনালের সূচি:

এলিমিনেটর: রংপুর রাইডার্স বনাম খুলনা টাইগার্স

৩ ফেব্রুয়ারি, দুপুর ১:৩০ মিনিট, মিরপুর

প্রথম কোয়ালিফায়ার: চিটাগং কিংস বনাম ফরচুন বরিশাল

৩ ফেব্রুয়ারি, রাত ৬:৩০ মিনিট, মিরপুর

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার: এলিমিনেটরের বিজয়ী বনাম প্রথম কোয়ালিফায়ারের পরাজিত দল

৫ ফেব্রুয়ারি, রাত ৬:৩০ মিনিট, মিরপুর

ফাইনাল: প্রথম কোয়ালিফায়ারের বিজয়ী বনাম দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের বিজয়ী

৭ ফেব্রুয়ারি, রাত ৭:০০ মিনিট, মিরপুর।

সূত্র: যুগান্তর




দামুড়হুদায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ভান্ডার হতে ৩ কিস্তিতে ২৯১টি শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার বেলা সাড়ে ১০ টার সময় হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে বৃদ্ধ পুরুষ-মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে এসব শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।

গ্রামে একটা কথা চালু আছে ‘কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ’। শীতকাল বৃত্তবানদের কাছে অনেক সুখকর সময় মনে হলেও দুস্থ অসহায় ‍মানুষের কাছে সর্বনাশই। কারণ শীতকাল এলেই ধনী বা মধ্যবিত্তরা বাহারি ডিজাইন ও নানা রঙের শীতের পোশাক কেনার ধুম পড়ে যায়।

আর যাদের সামান্য একটি শীতের পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের কাছে শীতকাল মানেই সর্বনাশ। তাদের কছে সরকারি কম্বলই একমাত্র সম্বল। বরাবরের মতো এবারও এসব অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, হাউলী ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, ট্যাগ অফিসার আতিকুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রোকনুজ্জামান বাবু, দামুড়হুদা থানা যুবদলের সদস্য মমিনুল ইসলাম, হাউলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মল্লিক, ইউপি সদস্য রিকাত আলী, সেলিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




ভাইরাল হওয়া নিয়ে মুখ খুললেন বাপ্পারাজের ‘হেনা’

১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘প্রেমের সমাধি’র ‘হেনা’র চরিত্রটি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। এ সিনেমাটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ঢালিউড অভিনেতা বাপ্পারাজ ও অভিনেত্রী শাবনাজ। সিনেমার বাপ্পারাজ বকুল চরিত্রে ও শাবনাজ হেনার চরিত্রে অভিনয় করেন। সেই সিনেমারই একটি সংলাপ নিয়ে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।

‘প্রেমের সমাধি’ গল্পে দৃশ্যটি এমন ছিল— বাপ্পারাজ দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফিরে তার প্রেমিকা হেনার, অর্থাৎ শাবনাজের বাড়িতে যান এবং একটি সাজানো বাড়ি দেখতে পান। তিনি হেনার বাবাকে জিজ্ঞেস করেন— ‘চাচা, বাড়িঘর এত সাজানো কেন, চাচা হেনা কোথায়? এর জবাবে চাচা বলেন, ‘হেনাকে তুমি ভুলে যাও, হেনার বিয়ে হয়ে গেছে।’ বকুলখ্যাত অভিনেতা বাপ্পারাজ আবেগাপ্লুত হয়ে তখন বলেন, ‘না না, হেনার বিয়ে হতে পারে না, এ আমি বিশ্বাস করি না।’ এরপর বেজে ওঠে সেই সিনেমার গান— ‘প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছিঁড়ে, পাখি যায় উড়ে যায়’।

দীর্ঘদিন পর ‘চাচা হেনা কোথায়’ সংলাপটি সামাজিক মাধ্যমে পুনরায় জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকেই এই দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন এবং নিজেদের মতামত ও অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে বানানো হচ্ছে মিমস। মানুষের কমেন্ট বক্সেও অহরহ দেখা যাচ্ছে এ মিমস। তবে ঠিক কী কারণে এই সংলাপটি হঠাৎ করে ভাইরাল হলো, তা স্পষ্ট নয়।

অথচ অনেক দিন ধরেই এ সিনেমার নায়ক-নায়িকা ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে আছেন। যদিও পর্দার আড়ালে থাকলেও বিভিন্ন সময়ই ভাইরাল হন বাপ্পারাজ। ক্যারিয়ারে অসংখ্য রোমান্টিক সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে দর্শকদের কাছে অভিনেতা বাপ্পারাজ মানেই ব্যর্থ প্রেম বা ট্র্যাজেডির গল্প। ত্রিভুজ প্রেমের গল্পনির্ভর সিনেমাগুলোর কারণে আজও এ নায়ক বেশ জনপ্রিয়।

এদিকে ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার পুরোনো সেই সংলাপ—‘চাচা হেনা কোথায়’ হঠাৎ ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি নজর এড়ায়নি দুই তারকা বাপ্পারাজ ও শাবনাজের। দুজনই যদিও এখন অভিনয়ে অনিয়মিত। তবে পুরোনো কাজ নতুন করে ভাইরাল হওয়ার ব্যাপারে অভিনেত্রী শাবনাজ গতকাল শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই ভিডিও ক্লিপ নিয়ে বেশ হাসাহাসি করেছেন তারা। ফেসবুক ব্যবহারের সময় এটি নজরে আসার পর তারা একে অপরকে পাঠিয়েছেনও।

শাবনাজ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি ও বাপ্পারাজ ভাই দুজনই মজা পাচ্ছি। ভালো লাগছে এ কারণে যে, মানুষ সিনেমাটির কথা ফের মনে করেছে। নায়ক-নায়িকার আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে নিজেরা সংযোগ করতে পারছেন। ওই সময় বেশ প্রশংসিত হয়েছে সিনেমাটি। আবার প্রশংসিত হচ্ছে, যা একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে বড় পাওয়া।

এ অভিনেত্রী বলেন, সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকরা তা দেখে, তখন হয়তো সেটি হিট হয় বা আলোচিত হয়। তারপর মানুষ তা ভুলে যায়। কেননা, এত বছরে কত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, কত নতুন নতুন গল্প এসেছে, সবই নতুন― এরই মধ্যে ২৯ বছর আগের ওই সিনেমার কথা সবার ভুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না হয়ে পুরো গল্প নিয়ে, পুরোনো সংলাপ নিয়ে ফের চর্চা হচ্ছে। বিষয়টি সত্যিই ভালো লাগার।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে মুক্তি পায় ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমা। ওই সময় সিনেমাটি ব্যাপক সাড়া ফেলে দর্শকমহলে। একই সঙ্গে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা শাবনাজ। এ সিনেমায় আরও ছিলেন অমিত হাসান, এটিএম শামসুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, গাংগুয়া, দিলদার প্রমুখ।

সূত্র: যুগান্তর