মেহেরপুরে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার সংক্রান্ত সেবার পরিধি ও মান উন্নয়নসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯ থেকে ২৫ জানুয়ারি ‘জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ সপ্তাহ’ উদযাপন হচ্ছে।

বুধবার সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মহী উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক রাশেদুল বশির, মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হযরত আলী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন, সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে কনসালটেন্ট ডা. ইনজামাম উল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এ জে এম সিরাজুম মুনির, জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, ডা. সুরাইয়া শারমিন প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডা . মহী উদ্দিন বলেন জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার মরণ ব্যাধি, যা প্রাথমিকভাবে সাধারণত কোনো দৃশ্যমান পূর্ব লক্ষণ প্রকাশ করে না। নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা গেলে এই ক্যান্সারের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। শুরুতে এ ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারলে অনেক মা-বোনের জীবন রক্ষা করা যাবে।




‘চা’ না খেলে শরীরে কী হয়?

চা-প্রেম এক সর্বজনীন বিষয়। মানুষের মধ্যে চা-প্রীতি কতটা গভীর, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার পর চা পান করাই যেন আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাস। সেই অভ্যাস যদি হঠাৎ ছাড়েন, কী হতে পারে শরীরে? জানলে চমকে উঠবেন।

চা পান করার পর আমরা যেন নতুন শক্তি পাই। এই শক্তির উপর ভর করেই সারাদিনের কাজ করি। আমাদের জীবনে চা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দিনে এক-দু’কাপ চা পান করার মধ্যে কোনও দোষ নেই। তবে বেশি পরিমাণ চা পান করলে তা আমাদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে চা একেবারে বর্জন করাই কি ভাল? এক মাস চা না খেলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়বে? চলুন জেনে নিই-

চা সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়ার উপকারিতা

এক মাস চা না খেলে আমাদের শরীরে ক্যাফিন গ্রহণের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে গভীর এবং উন্নতমানের ঘুম হয় এবং মানসিক চাপ কমে। চায়ের ডাইইউরেটিক প্রভাবের কারণে অতিরিক্ত চা পান আমাদের শরীরের পানিশূন্যতা তৈরি করে। তাই চা পান বন্ধ করলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা কমে।

চায়ের পরিবর্তে কী পান করা যেতে পারে?

যদি আপনি চা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে চায়ের পরিবর্তে হার্বাল চা, ফলের রস, বা গরম জল পান করতে পারেন। ক্যাফিন-মুক্ত হার্বাল চা যেমন গাঁদা ফুল বা পুদিনার চা শরীরে অনেক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপেল বা ক্র্যানবেরি রসের মতো ফলের রস প্রাকৃতিকভাবে ক্যাফিনমুক্ত এবং শরীরকে সতেজ করতে সাহায্য করে। এছাড়া লেবু বা মধু মিশিয়ে গরম পানি পান করলেও চায়ের মতোই আরামদায়ক অনুভূতি পাওয়া যায়।

কারা চা একেবারে এড়িয়ে চলবেন?

কিছু মানুষকে একেবারেই চা পান করা উচিত নয়। যাদের পেট সংবেদনশীল বা হার্টবার্নের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্যাফিন এবং ট্যানিনযুক্ত চা এড়ানো উচিত। অন্তঃসত্ত্বা মহিলা বা স্তন্যদানকারী মায়েদের চা সীমিত পরিমাণে পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ অতিরিক্ত চা শিশুর ক্ষতি করতে পারে।

যারা আয়রনের অভাবে রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাদের চা পান করা উচিত নয়। চায়ের ট্যানিন শরীরে আয়রন শোষণ বাধাগ্রস্ত করে, যা রক্তাল্পতা বাড়াতে পারে।

উল্লেখ্য, আপনার স্বাস্থ্য বিবেচনা করে দিনে কতটা চা পান করা যেতে পারে বা আদৌ চা পান করা উচিত কিনা, তা জানার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র: যুগান্তর




খুলনায় অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির অভিষেক

খুলনায় অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংককুয়েট হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনা লুব্রিক্যান্টসের অথরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর ইমদাদুল হক সোহাগ এবং অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম রঞ্জু।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলার অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সেনা লুব্রিক্যান্টসের অথরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর ইমদাদুল হক সোহাগ সমিতির নেতৃবৃন্দের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।




উপস্থাপনায় তাহসান

জনপ্রিয় শো ‘ফ্যামিলি ফিউড’ নিয়ে আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ। টানটান উত্তেজনায় ভরা পারিবারিক বিনোদনের এ শো’র উপস্থাপনায় থাকছেন তাহসান রহমান খান। ২৭ জানুয়ারি থেকে একটি বেসরকারি টিভিতে প্রচারের পর শো-টি দেখা যাবে বঙ্গ অ্যাপে।

এ নিয়ে বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রূপসী হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে জানানো হয়, সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষের মন জয় করে অনুষ্ঠানটির বাংলাদেশি সংস্করণ শুরু হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি সব বয়সী দর্শকদের স্মরণীয় ও আনন্দময় কিছু মুহূর্ত উপহার দেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

এ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক হিসেবে সম্পূর্ণ নতুন ভূমিকায় হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান রহমান খান। সঙ্গে থাকছে তার চিরচেনা আকর্ষণ ও উষ্ণতা। তাহসানের এমন রূপ দর্শকরা আগে কখনো দেখেননি, খেলতে আসা পরিবারগুলোর সদস্যদের সাথে খুব সহজেই মিশেছেন, তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন, জেনে নিয়েছেন তাদের গল্পগুলো। আর পুরো পর্বজুড়েই তাকে দারুণ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে। মঞ্চে নিজস্বতা ধরে রেখে দর্শকদের জন্য অসাধারণ এক অভিজ্ঞতার গাঁথুনি গেঁথেছেন তিনি। তাহসান বলেন, বিশ্বব্যাপী ৭৫টিরও বেশি দেশের মানুষের মন জয় করে বাংলাদেশে এসেছে ফ্যামিলি ফিউড। প্রথমবারের মতো এমন একটি আন্তর্জাতিক শো-তে আমি হোস্টিং করতে পেরে, অত্যন্ত সম্মানিত ও আনন্দিত।

তিনি বলেন, আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই এই শো-টি, পারিবারিক সম্পর্ক এবং বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরে। আমি বিশ্বাস করি, এই ধরনের শো আমাদের সমাজে ইতিবাচক এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করবে। ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’-এর শুটিং চলাকালীন পুরোটা সময়, আমি এবং শোতে অংশগ্রহণকারী পরিবারগুলো খুবই মজার ও আনন্দময় একটি সময় পার করেছি। আমার তো এই শো-টি খুবই ভালো লেগেছে এবং অপেক্ষায় আছি পর্দায় দেখার জন্য।

ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশে থাকছে ২৪টি পর্ব, প্রতি পর্বে দুটো পরিবার মুখোমুখি হবে। মোট ৩টি রাউন্ডে সার্ভে প্রশ্নের সেরা উত্তরগুলো অনুমান করে পয়েন্ট জিতে নেয়ার সুযোগ থাকছে, সঙ্গে থাকছে নগদ পুরস্কার ও বিশেষ উপহার। বিজয়ী টিম পাবে ‘ফাস্ট মানি’ নামের বোনাস রাউন্ড খেলার সুযোগ। দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বিষয় থেকে শুরু করে নানারকম ট্রেন্ডি টপিক নিয়ে এসব প্রশ্ন করা হয়েছে- আর প্রশ্নের মধ্যে থাকছে দেশি টুইস্ট। আনন্দ, উত্তেজনা ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় পরিপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে থাকছে বেশ কয়েকটি স্পেশাল এপিসোড।

এই স্পেশাল এপিসোডগুলোতে থাকবেন মনোজ প্রামাণিক, শাহনাজ খুশি, বৃন্দাবন দাশ, মৌসুমী মৌ ও মারিয়া কিসপট্টার মতো তারকারা, যা অনুষ্ঠানটিতে যোগ করবে বিনোদনের নতুন মাত্রা।

বঙ্গ জানায়, ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে আনন্দ উদযাপন করার সুযোগ তৈরি করা ও কাছের মানুষদের সাথে বন্ধন দৃঢ় করা। পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধু- যার সঙ্গেই দেখেন না কেন, ম্যাজিকাল একটা সময় কাটবে, সাথে মুগ্ধ হবেন আপনি।

সূত্র: কালবেলা




ঝিনাইদহে বাড়ছে চুরি-ডাকাতি, জনমনে আতঙ্ক

ঝিনাইদহে প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি-ডাকাতির ঘটনা। প্রায়ই শোনা যাচ্ছে বাসাবাড়ি, অফিস কিংবা দোকানে চুরি করে মালামাল নিয়ে যাচ্ছে চোরচক্র। এছাড়াও সন্ধ্যার পর শহর ও গ্রামের বিভিন্ন সড়কে ছিনতাইয়ের মত ঘটনা ঘটেই চলেছে। সর্বশেষ গত রবিবার রাতে শহরের ক্যাসেল ব্রীজ এলাকার ৫টি দোকানের সাটার কেটে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।

একই রাতে সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারের ২৬টি দোকানে চুরি হয়। এর আগে গেল শুক্রবার কালীগঞ্জ উপজেলার তেতুলবাড়িয়া গ্রামের আবু সায়েম ও সাতগাছি গ্রামের খায়রুজ্জামানের ৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র।

এসব ঘটনায় থানা পুলিশ তেমন কিছুই জানেন না। এদিকে, পুলিশের হিসেবে গত দেড়মাসে ঝিনাইদহের ৬ থানায় মাত্র ২০ টি চুরির মামলা হয়েছে। তবে সূত্রের দাবি, সব চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা থানা-পুলিশ পর্যন্ত পৌঁছায় না। ঝামেলা বাড়ার আশংকা থেকে অনেকে পুলিশকে জানাতে চায় না। তবে ফেসবুক কিংবা পরিচিতজনের কাছে চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের কথা জানান। পুলিশকে না জানানোয় থানায় এর সুনির্দিষ্ট রেকর্ড থাকে না। এ কারণে পুলিশের খাতায় যে হিসেব রয়েছে এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

এমন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধে রয়েছে জেলার ৬ উপজেলার ব্যবসায়ি ও বাসাবাড়ির মালিকেরা। জানা গেছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের দিকে শৈলকুপার ফুলহরি গ্রামের বিপ্লব সাহা ও গৌতম সাহার বাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে নগদ টাকা ও বিপুল পরিমাণ সোনা নিয়ে যায় ডাকাতদল। এর আগে কোটচাঁদপুরের ঘাঘা গ্রামে বোম বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সুবল প্রামাণিকের বাড়িতে ডাকাতি করা হয়।

এর কয়েকদিন আগে শৈলকুপার শেখপাড়া বাজার থেকে বিকাশ জোর্য়াদ্দারের মুদি দোকানের সাটার কেটে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। একই দিন নাগিরাট গ্রাম থেকে রবিউল ইসলাম নামের এক ভ্যানচালকের বাড়ি থেকে ভ্যান চুরি করে নিয়ে যায়। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মহেশপুরের একটি সড়কে গাছ ফেলে বাস ডাকাতির ঘটনাও ঘটেছে। ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। গত ২ অক্টোবর শৈলকুপার কৌপাড়া এলাকা থেকে এক ব্যবসায়িকে কুপিয়ে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ৩টি মোবাইল ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এর আগে রয়েড়া বাজারের গার্মেন্টস ব্যবসায়ি আক্কাস আলীর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সদরের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে আজির আলীর ইজিবাইক ছিনিয়ে নেয় দুর্র্বৃত্তরা। এ ভাবে সারা জেলায় চোর-ডাকাত ও ছিনতাইকারীর উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। সংসারে অভাব অনটন ও আর্থিক মন্দার মধ্যে জেলাব্যাপী এই চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে মানুষ। পুলিশ মাঝে মাঝে চুরি ডাকাতের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করলেও পরিস্থিতি স্বভাবিক হওয়ার লক্ষণ নেই।

জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন বলনে, গত কয়েক মাসে জেলাজুড়ে চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্ধেগ ছড়াচ্ছে। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা কাজে ব্যস্ত থাকলেও এদিকেও তাদের নজর দেওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, চোর-ডাকাতের উপদ্রব রুখতে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।




টেস্ট ছেড়ে টি-টোয়েন্টিতে ঝুঁকছেন ক্রিকেটাররা, নেপথ্যে বোর্ডের সিদ্ধান্ত

ইংল্যান্ডের ব্যাটার জেমস ভিন্স মনে করছেন, ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নতুন নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট নীতি খেলোয়াড়দের লাল বলের ক্রিকেটের চেয়ে টি-টোয়েন্টি লিগকে প্রাধান্য দিতে বাধ্য করছে। বিশেষ করে এই নিয়ম যে আইপিএলের জন্য বিশেষ সুবিধাজনক, সে বিষয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি।

২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসিবি সিদ্ধান্ত নেয় যে সব ফর্ম্যাটে খেলা ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগে অংশগ্রহণের জন্য এনওসি দেওয়া হবে না। তবে ভিন্স এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসন্ন পিএসএল মৌসুমে করাচি কিংসের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে সরে এসেছেন।

 

ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিন্স বলেন, ‘প্রথমবার যখন এটি নিয়ে আলোচনা হয়, তখন খেলোয়াড়দের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল, এবং সেখানে অনেক আলোচনা হয়েছিল। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মনে হয়েছিল, এটি খেলোয়াড়দের লাল বলের ক্রিকেট থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।’

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইএলটি২০ লিগে গালফ জায়ান্টসের হয়ে খেলছেন ভিন্স। পিএসএল ড্রাফটের আগেই করাচি কিংস তাঁকে ধরে রেখেছিল। ইসিবি-র নতুন নিয়ম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল, এটি সুযোগ সীমিত করে দেবে। খেলোয়াড়রা এতে হতাশ ছিল… কিছু বিষয় ছিল যা আমরা বুঝতে পারছিলাম না।’

এই মৌসুমে পিএসএল, কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ও আইপিএলের সূচি বেশ সাংঘর্ষিক। ভিন্স এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা অনেক বিভ্রান্তির কারণ হয়েছে। ইসিবি, পিসিবি এবং বিসিসিআইয়ের মধ্যকার সম্পর্কের কারণেই তারা এই নিয়ম করেছে বলে মনে হচ্ছে। পিএসএল একটি ছোট প্রতিযোগিতা, তাই যদি কেউ এটি খেলে, তবে সে কম ঘরোয়া ম্যাচ মিস করবে। তবে কেউ আইপিএল খেলতে চাইলে সেটা হবে না … এটি ঠিক বলে মনে হচ্ছে না।’

হ্যাম্পশায়ারের দীর্ঘদিনের অধিনায়ক ভিন্স ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে ১৯৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন এবং ৯২টি ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর অধিনায়কত্বে দল টানা তিনবার শীর্ষ তিনে শেষ করেছে। তবে ভিন্স মনে করেন, আরও অনেক খেলোয়াড় তার পদাঙ্ক অনুসরণ করবে। তিনি বলেন, ‘বেশি বেশি সুযোগ আসছে হোয়াইট-বল ক্রিকেট খেলার এবং আমাদের ঘরোয়া মৌসুমে ভালো উপার্জন করার… খেলোয়াড়দের জন্য লাল বলের ক্রিকেট খেলার তুলনায় আর্থিকভাবে বড় পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের শেষের দিকে, যখন আয়ের মধ্যে বিশাল ফারাক তৈরি হয়, তখন আরও বেশি খেলোয়াড় এই পথ বেছে নেবে।’

সূত্র: যুগান্তর




মেহেরপুরে আইসিটি বিষয়ক যুব সমাবেশ ও তারুণ্য উৎসব

“পৃথিবী বদলাই তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে” এই প্রতিপাদ্যে মেহেরপুরে উন্নয়ন সংক্রান্ত সৃজনশীল কাজে (ফ্রিল্যান্সিং) আইসিটি বিষয়ক যুব সমাবেশ ও তারুণ্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২শে জানুয়ারি) ১০ টার দিকে যুব উন্নয়নের আয়োজনে মেহেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসির হল রুমে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মেহেরপুর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস.এম. ওবায়দুল বাসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার পিপিএম মাকসুদা আখতার খানম ও মেহেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অধ্যক্ষ মোঃ আরিফ হোসেন তালুকদার।

যুব সমাবেশ ও তারুণ্য উৎসব অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়নের সহকারী প্রশিক্ষক আমিনুল ইসলাম সাগরের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর জেলা আইসিটি অফিসার সুব্রত কুমার বিশ্বাস।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাসেল আহমেদ, মুন্সী জাহাঙ্গীর জিন্নাত, রাব্বি, হারেজ উদ্দিন, ফাহাদ সামিহা লিমা প্রমূখ।

এ সময় মেহেরপুর জেলা যুব উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।




বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নেবে ৫৬১ জন, আবেদন শেষ দুদিনে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড আবারও বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৩ ক্যাটাগরির পদে ৫৬১ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (জিএসই) মেইনটেন্যান্স
পদসংখ্যা: ৫

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন অথবা মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ ৩.০ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৫ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রির ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩.৬ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম বি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাঞ্ছনীয়। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়। অটোমোবাইল ইকুইপমেন্ট, রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহোলিং অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ২৬,৫০০-৫৭,৯৫০ টাকা

২. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (জিএসই) প্ল্যানিং
পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন বা মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ ৩.০ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৫ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রির ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩.৬ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম বি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাঞ্ছনীয়। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ২৬,৫০০-৫৭,৯৫০ টাকা

৩. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (জিএসই) কোয়ালিটি কন্ট্রোল
পদসংখ্যা: ৫

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন বা মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ ৩.০ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৫ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রির ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩.৬ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম বি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাঞ্ছনীয়। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ২৬,৫০০-৫৭,৯৫০ টাকা

৪. পদের নাম: টেকনিক্যাল ওয়ার্কশপ অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ৫

যোগ্যতা: এসএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৩.০ (৫-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ডিপ্লোমাধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম সি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়। অ্যারোস্পেসের ক্ষেত্রে স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে চার বছর মেয়াদি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে। অ্যাভিওনিকসের ক্ষেত্রে স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে চার বছর মেয়াদি ইলেকট্রিক্যাল অথবা ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১৫,৯০০-৩৮,৪০০ টাকা

৫. পদের নাম: অ্যাডমিন অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ৩৩

যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রিতে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৩.০ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম ডি থাকতে হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা

৬. পদের নাম: প্রকিওরমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ৬

যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রিতে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৩.০ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম ডি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়। সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা

৭. পদের নাম: প্ল্যানিং অ্যাসিস্ট্যান্ট জিএসই
পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞান, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বিষয়ে বিএসসি (অনার্স) ডিগ্রিধারী হতে হবে। স্নাতক ডিগ্রিতে সিজিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০ (৫-এর মধ্যে) অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকেতে হবে। ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে এবং এ লেভেলে গড়ে যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম ডি থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে। জিইডি ডিগ্রি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা

৮. পদের নাম: জুনিয়র পেইন্টার জিএসই
পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমান পাস। স্বীকৃত কোনো ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট ট্রেডে (আর্টিসান সনদপত্রধারী প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) এক বছরের ট্রেড কোর্স সার্টিফিকেটসহ দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা অথবা স্বীকৃত কোনো ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম দুই বছরের ডিপ্লোমা বা ট্রেড কোর্স।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

৯. পদের নাম: জুনিয়র মেকানিক (টায়ার) জিএসই
পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: ন্যূনতম এসএসসি বা সমমান পাস। টায়ার ও টিউব মেরামতের ওপর দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

১০. পদের নাম: জুনিয়র বেঞ্চ ফিটার জিএসই
পদসংখ্যা: ৭

যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমান পাস। স্বীকৃত যেকোনো ইনস্টিটিউট থেকে এক বছরের ট্রেড কোর্স সার্টিফিকেটসহ দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা অথবা সরকার স্বীকৃত ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম দুই বছরের ডিপ্লোমা বা ট্রেড কোর্স।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

১১. পদের নাম: জুনিয়র সুপারভাইজার টুলস সেন্টার
পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: কোনো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারী হতে হবে। এসএসসিতে জিপিএ ৩.০ (৫-এর মধ্যে) অথবা ও লেভেলে গড়ে যেকোনো পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম সি এবং ডিপ্লোমাতে জিপিএ ২.৮ (৪-এর মধ্যে) থাকতে হবে। কম্পিউটার জ্ঞান অবশ্যই থাকতে হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

১২. পদের নাম: জুনিয়র কার্পেন্টার জিএসই
পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমান পাস।

সরকার কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো ইনস্টিটিউট থেকে এক বছরের ট্রেড কোর্স সার্টিফিকেটসহ দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা (আর্টিসান সনদধারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) অথবা সরকার কর্তৃক স্বীকৃত ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম দুই বছরের ডিপ্লোমা বা ট্রেড কোর্স।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

১৩. পদের নাম: ট্রাফিক হেলপার (ক্যাজুয়াল)
পদসংখ্যা: ৪৯৫

যোগ্যতা: ন্যূনতম এসএসসি পাস। নম্র-ভদ্র, কর্মঠ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। লোডিং-আনলোডিং কাজে শারীরিকভাবে সক্ষম হতে হবে। অধিক ভার উত্তোলনে কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর

চাকরির ধরন
১ থেকে ১২ নম্বর পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে ৩ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। সন্তোষজনক তিন বছর চুক্তিভিত্তিক চাকরি সম্পন্নের পর যোগদানের তারিখ থেকে স্থায়ীভাবে আত্মীকরণ করা হবে। ১৩ নম্বর পদের নির্বাচিত প্রার্থীরা ৮৯ দিন ভিত্তিতে (শর্ত সাপেক্ষে নবায়নযোগ্য) নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করতে কোনো সমস্যা হলে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে কল অথবা vas.query@teletalk.com.bd ঠিকানায় ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২২ জানুয়ারি ২০২৫, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

সূত্র: ইত্তেফাক




মেহেরপুরে স্বপ্নচূড়া সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

মেহেরপুরে স্বপ্নচূড়া সংগঠনের ৩য় তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  উদযাপন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেহেরপুর স্বপ্নচূড়া সংগঠন তহ বাজার আয়োজনে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) চারটার দিকে কাঁচা বাজার আড়ৎ প্রাঙ্গনে বাজার স্বপ্নচূড়া সংগঠনের ৩য় তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

স্বপ্নচূড়া সংগঠনের তহ বাজার সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিরের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুজন আহমেদের সার্বিক পরিচালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় করেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিজান।

আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্ন সংগঠন তহ বাজার মোঃ আলাল মালিথা, মোঃ নজরুল ইসলাম, এ সময় আর উপস্থিত ছিলেন অতিথিবৃন্দ মোঃ আহসান হাবীব, মোঃ আব্দুস সাত্তার, মোঃ আব্দুস সামাদ, মোঃ হাফিজুর রহমান হৃদয়, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ আবু হানিফ, মোহাম্মদ আওাব আলী, মোঃ আবুল বাশার, মোঃ জিয়ার রহমান, শ্রী অনন্ত কুমার হালদার প্রমুখ।




প্রযুক্তি খাতে কর্মচ্যুতির শঙ্কা ও সম্ভাবনা

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অগ্রগতি কর্মসংস্থান এবং শিল্প খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। ২০২৫ সাল এআই-এর প্রসার এবং এর প্রভাব মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হতে পারে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়লেও কর্মচ্যুতির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রিজিউম টেমপ্লেটস পরিচালিত এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ৩০ শতাংশ কোম্পানি কর্মীর পরিবর্তে এআই ব্যবহার করেছিল, যা চলতি বছরে ৩৮ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্মী ছাঁটাইয়ের বর্তমান প্রবণতা

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রযুক্তি, বিমান এবং খুচরা শিল্পে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাই লক্ষ করা গেছে বড় কোম্পানিগুলোয়; যেমন, অ্যামাজন, বোয়িং এবং স্পিরিট এয়ারলাইনস কর্মী কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। মেটা, ফেসবুকের প্যারেন্ট কোম্পানি, জানুয়ারি মাসে কাজে পিছিয়ে থাকা কর্মীদের মধ্যে ৫ শতাংশ ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয়। মাইক্রোসফটও দক্ষতার ভিত্তিতে কিছু কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৩ সালে মেটা এবং অ্যামাজনের মতো কোম্পানিগুলো ব্যাপক ছাঁটাই শুরু করে। মেটা প্রথমে ১১ হাজার এবং পরে আরও ১০ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে। অ্যামাজন একই সময়ে ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের ছাঁটাইয়ের একটি মুখ্য কারণ হলো এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ।

এআইয়ের অগ্রগতির ইতিবাচক দিক

যদিও কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে অনেকেই চাকরি হারাচ্ছেন, এআই নতুন সুযোগও সৃষ্টি করছে। এআই-এর অগ্রগতি বিভিন্ন শিল্প খাতে দক্ষতার মান বাড়াচ্ছে। জুলিয়া টুথেকার, রিজিউম টেমপ্লেটস-এর প্রধান ক্যারিয়ার স্ট্র্যাটেজিস্ট বলেছেন, ‘এআই এমন কাজ সম্পাদনে সক্ষম, যেখানে কম সময় ও কম শ্রম প্রয়োজন। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট পদে কর্মীসংখ্যা কমাতে পারছে।’ এআই প্রযুক্তি বড় বড় কোম্পানিকে নতুনভাবে নিজেদের কর্মীবাহিনী সাজাতে সাহায্য করছে। বিশেষ করে গুগল ও মেটার মতো প্রযুক্তি জায়ান্টগুলো এ প্রযুক্তির ওপর আরও মনোযোগ দিচ্ছে। এআই বিভিন্ন খাতে নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করছে, যেখানে মানবীয় যোগাযোগ, সৃজনশীলতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার গুরুত্ব রয়েছে।

নতুন চাকরির সম্ভাবনা

এআই-এর উদ্ভাবন নতুন ধরনের চাকরির সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে এমন কাজ, যা কেবল মানুষের সৃজনশীলতা ও আবেগী বুদ্ধিমত্তার ওপর নির্ভরশীল। উদাহরণস্বরূপ, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ডিজাইন এবং স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্টের মতো কাজগুলোতে মানুষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ থেকে যাবে। এছাড়া এআই পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দক্ষ পেশাদারদের প্রয়োজন হবে। এ খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য সরকার এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাড়ানো। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এআই সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

এআই-এর অগ্রগতি চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনলেও এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কর্মীদের জন্য পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং নতুন দক্ষতা অর্জন এ সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এবং কোম্পানিগুলোর উচিত কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।

বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি কর্মসংস্থানের ধরন পরিবর্তন করছে। এআই যেখানে কিছু কাজকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলছে, সেখানে নতুন কাজের ক্ষেত্রও তৈরি করছে। কর্মসংস্থান বাজারে এ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রযুক্তিগত ও মানবিক দক্ষতার সমন্বয় করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর