বিয়ের খবরে মাথা নষ্ট প্রেমিকার আলমডাঙ্গায় প্রেমিক নাতির গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পরকীয়া প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কর্তণের অভিযোগ উঠেছে সখের বানু (৩০) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। জখম প্রেমিক চরপাইকপাড়া গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে মানিক (২২) বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

পরকীয়া প্রেমিকের বিয়ের খবরে সোমবার রাতে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে এমন কান্ড ঘটায় ওই নারী। মঙ্গলবার মানিক স্থানীয় শেফা ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গেলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এলাকাবাসী জানায়, চরপাইকপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন স্বচ্ছল জীবনের আশায় বছর দেড়েক আগে মালয়েশিয়া যান। এরপর সাজ্জাদের স্ত্রী সখের বানু প্রতিবেশী মানিকের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্প্রতি মানিকের পরিবার তার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা শুরু করলে সখের বানু হতাশ হয়। তিনি কৌশলে সোমবার রাতে মানিককে তার ঘরে ডেকে নেয়। এ সময় সে ধারালো ব্লেড দিয়ে মানিকের গোপনাঙ্গ কর্তন করে। এ সংবাদ লেখার সময় পর্যন্ত মানিকের পরিবার থানায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

শেফা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জানান, ধারালো কোনো অস্ত্র দিয়ে মানিকের গোপনাঙ্গ কর্তন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে হয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।




দর্শনায় যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

চুডাডাঙ্গাা দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসি দাবীতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধব কর্মসূচী পালন করেছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার দিকে দর্শনা রেল বাজারে ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রাস্তার দুই পাশে হাজারো মানুষ এই মানববন্ধনে উপস্থিত হয়। মানববন্ধনে আওয়ামীলীগর নেতা কর্মী।

এলাকার নারী, পুরুষ সাধারন মানুষ সহ সর্বস্তরের দর্শনাবাসীর এক টাই দাবী যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসি চাই। এর আগে মঙ্গলবার সকালে এই মানববন্ধনে দর্শনাবাসী সকলকে উপস্থিত হওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়।

মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দর্শনা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক আরিফ। বক্তব্য রাখেন দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মঞ্জু, দর্শনা পৌর আওয়মীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো: মতিয়ার রহমান , দর্শনা পৌর আওয়মীলীগের সভাপতি মো: শহিদুল ইসলাম, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দামুড়হুদা মডেল থানার এস আই সহব্বত, দর্শনা রেল বাজার কমিটির সভাপতি টিপু সুলতান, অংকুর আদর্শ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: হাফিজুর রহমান, সাবেক শ্রমিক নেতা মো: আজিজুল হক।

এ সময় বক্তারা বলেন, যুবলীগ কর্মী পল্টু হত্যা মামলার আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত রাজ পথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারী দেন। এবং বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।

উল্লেখ, গত ২৩ আগষ্ট তারিখে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রউফ এর ছেলে যুবলীগ কর্মী নঈমদ্দিন আহম্মেদ পল্টু (৩৮) কে কুপিয়ে ও লোহর রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং একই গ্রামের মন্জুর আহম্মেদ মারাত্মক আহত করে। এ ঘটনায় পল্টুর ভাই মঈনইদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৪ আগষ্ট তারিখে দামুড়হুদা থানায় ৭ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন, দর্শনা মোবারক পাড়ার আলী হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪২), কবির খালাসীর ছেলে শেখ আসলাম তোতা (৪৩), দর্শনা পুরাতন বাজারের জিয়াউল হকের ছেলে দিপু রেজা (৪১), মোবারক পাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে বাংলা (৪১), বাদল খানের ছেলে মোঃ আলম (৪৩), ডাঃ শামসুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহেল (৪০) ও ইমারত আলীর ছেলে আশিক (২০)।

এ সাতজনকে আসামী করে এবং অজ্ঞাত আরো ১০/১২জনকে আসামী করে দামুড়হুদা থানায় মামলা করা হয়। গত সোমবার তারা চুয়াডাঙ্গা নিম্ন আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এবং তদন্ত কারী পুলিশ অফিসার সত্য উদঘাটনের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বর্তমানে তারা চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে আছে।

মেপ্র/দর্শনা প্রতিনিধি




জীবননগরে ৪ গুণীকে স্বারক সম্মাননা দিল প্রমিত বাংলা পরিষদ

জীবননগরে শিক্ষা বিস্তার, ক্রীড়াঙ্গন, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় ৪ গুণী ব্যাক্তিদের প্রমিত বাংলা স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৪টার সময় জীবননগর প্রমিত বাংলা পরিষদ জীবননগর উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ স্বারক সম্মাননা প্রদান করা হয়।
প্রমিত বাংলা পরিষদের জীবননগর শাখার সভাপতি এম আর বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে গুনীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান ।
সম্মাননা পেলেন যারা, শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদান রাখায় শওকত আলী, বাংলা ভাষা গবেষনায় বিশেষ অবদান রাখায় ড.মনজুর রহমান, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় সাংবাদিক কামাল সিদ্দিক বাবু এবং খেলাধুলায় বিশেষ অবদান রাখায় মোজাম্মেল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোঃ আব্দুল লতিফ অমল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ঈশা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকী, সাবেক শিক্ষক নজরুল ইসলাম, প্রমিত বাংলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন মল্লিক, প্রমিত বাংলা পরিষদের জীবননগর শাখার সাধারন সম্পাদক শিক্ষক মোমিন উদ্দিন সহ আরো উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক ওয়াহেদ বিশ্বাস, মুন্সী নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন মুন্সী আবু সাইফ মুকু।




বঙ্গমাতায় ফাইনালে গাংনী মেহেরপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা অনুর্দ্ধ ১৭ জেলা পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন

মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় অনুর্দ্ধ ১৭ জেলা পর্যায়ের খেলার জম কালো উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে মেহেরপুর স্টেডিয়াম মাঠে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো: আতাউল গনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়িয়ে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।

পরে জেলা প্রশাসক উভয় দলের খেলোয়াদের সাথে পরিচিত হন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইবাদত হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক তৌহিদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, হাসিবুল আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুদুল আলম, গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওসামান গনি, জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম আতাউল হাকিম লাল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা নেছা মুজিব জাতীয় অনুর্দ্ধ ১৭ জেলা পর্যায়ের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী খেলায় গাংনী উপজেলা জয়লাভ করে। খেলায় গাংনী উপজেলা ২-১ গোলে মুজিবনগর উপজেলা দলকে পরাজিত করে।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বিকেল তিন টার সময় মেহেরপুর সদর উপজেলা বনাম গাংনী উপজেলা ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।




মেহেরপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস গ্রাহক হয়রানি ও দুর্নীতি যেন নিত্য চিত্র

মেহেরপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ সহকারি পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক ও অফিস সহকারি ফাহাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা ধরণের হয়রানি ও পাসপোর্ট প্রতি বিভিন্ন অংকের উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী গ্রাহক। একই অভিযোগের অনুলিপি দুদক কার্যালয়েও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে একটি অনলাইনে পাসপোর্ট অফিসের হয়রানি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মুখ খুলতে শুরু করেছে গ্রাহকরা। তারা নানা অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন।

গ্রাহকদের অভিযোগ, পাসপোর্ট অফিসে টাকা-পয়সা ছাড়া হাতও মুখ কিছুই চলেনা অফিস সহকারি ফাহাদের। স্থানীয় কিছু দালালের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সাধারন মানুষের কোন মূল্যই নেই তার কাছে। উপরি টাকা দিয়ে দালালের কাছে পাসপোর্টের কাগজ দিতে হবে না হয় অফিসের কাউকে দিতে হবে। অনেকে লিখেছে কারো এক হাজার টাকা লেগেছে। আবার অনেকে লিখেছেন পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি যেন মহাউৎসবে পরিণত হয়েছে। এর লাগাম ধরার যেন কেউ নাই।

অফিস প্রধান উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক সম্প্রতি মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসের যোগদান করেছেন। যোগদানের পর থেকে অনিয়ম দুর্নীতির মাত্রা বেড়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভুগীদের।

গ্রাহকদের আরো অভিযোগ,অফিস সহকারী ফাহাদুর ও তার নিয়োগকৃত কতিপয় দালালের কব্জায় বন্দি হয়ে পড়েছে মেহেরপুর পার্সপোর্ট অফিস।
গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের ইসমাইল হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন , তিনি পাসপোর্ট করার জন্য মেহেরপুর অফিসে গেলে প্রথমদিন একটি ত্রুটি ধরে সংশোধন করতে বলে ফাহাদ ওরফে রাজু।

সেই ত্রুটি সংশোধন করে আবার পাসপোর্ট অফিসে গেলে নতুন করে আরেকটা ত্রুটি ধরে আবেদন ফেরত দেয়। এভাবে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে তারপর আবেদন জমা নেয়। আবেদন জমা নেওয়ার পর একদিন পরে ফিঙ্গার নেন। অথচ যারা টাকা দিচ্ছে দূর্ভোগ ছাড়াই আবেদন ও ফিঙ্গার দিনেই নেয়া হচ্ছে।

ষোলটাকা ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা আনোয়ার পাশা ফেসবুকে কমেন্ট করেছেন ফাহাদ ওরফে রাজুর কথা মত অফিস চলে।
বামুন্দীর ব্যবসায়ী চপল বিশ্বাস লিখেছেন, তিনি ১১শত টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করেছেন। গাংনী পোষ্ট ই সেন্টার লিখেছেন পাসপোর্ট অফিসে চলে ভুতের খেলা।

এইচ কবির লিখেছেন, অনিয়ম দুর্নীতি চলছে চলবে, থামানোর লোক নেই। আলমগীর হোসেন লিখেছেন, টাকা না দিলে আবেদনে নানা ভুল ধরে ফেরত দেবে।
সেলিম হোসেন লিখেছেন, দেখার কেউ নেই টাকা ছাড়া ফাইল ধরেনা। গ্রাহকরা এমন মন্তব্য করলেও ব্যবস্থায় নেয়া হয়নী অভিযুক্তদের।
এ দিকে সরকারী মোবাইল ফোন থাকলেও সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক যোগদান করার পর থেকে বন্ধ থাকে।

এ বিষয়ে অফিস সহকারী ফাহাদুর বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগের কথা বললেন তা সঠিক নয়। আমি সব সময় চেষ্টা করি সাধারন মানুষকে ভালো সেবা দিতে। কিছু কিছু সাংবাদিক আছে তাদের কথা মত কাজ করে দিতে হয়। তা না করলে অনেক কটু কথা শুনতে হয়। কিছু দিনে আগে এ নিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। আমার উপর ক্ষোভ প্রকাশের জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিত্তিহিন অভিযোগ দিয়েছে।
তবে গ্রাহক হয়রানি বিষয়ে একজন অফিস স্টাফ জানান, হেড অফিসের নির্দেশে আবেদনকারীদের প্রথমে রোহীঙ্গা তালিকায় আছে কিনা সেটি সনাক্ত করা হয়। যে কারণে তাদের একটু বিলম্ব হয়। তারপর তাদের ফিঙ্গার নেওয়া হয়। তবে মেহেরপুরে এ পর্যন্ত কোন রোহীঙ্গা সনাক্ত হয়নি বলেও তিনি জানান।
উপ সহকারি পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মাস খানেক হলো এ অফিসে যোগদান করেছি। এখনো পর্যন্ত অফিসের সব স্টাফদের ভালো করে চিনতেই পারিনি। এর মধ্যে অনিয়ম ও টাকা লেনদেনর অভিযোগ করা হচ্ছে। যা আমার জন্য খুবই দুঃখজনক ঘটনা। তারপরও যদি আমার স্টাফদের কেউ এর সাথে জড়িত থাকে তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি ফোন বন্ধ থাকে আপনার এর জবাবে তিনি বলেন, অফিসের মোবাইলটি হারিয়ে গেছিল। সরকারি সিম উঠাতে বেশ কিছুদিন সময় লেগেছে তাই বন্ধ ছিল। আজ (মঙ্গলবার) থেকে খোলা রয়েছে।
মেহেরপুর জেলা প্রশাসক মো: আতাউল গনি বলেন, হয়রানির ও অনিয়মের বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 




মেহেরপুরে আল্লাহ’র দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল্লাহ’র দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

বুধবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ । এর আগে গোপন বৈঠকের সময় মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রঘুনাথপুর গ্রামের শহিদুজ্জামান (২৮), রাহাবুল ইসলাম (২৮), সুমন ইসলাম (২৫), জিহাদ আলী (৩২), মৌসুমি খাতুন (৩২), বন্যা খাতুন (৩২), আনজিরা খাতুন (৩৬) ও বারাদি গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৩৫)। বৈঠক চলাকালীন তাদের কাছে থেকে জিহাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা জানান, রঘুনাথপুর গ্রামের আনজিরা খাতুনের বাড়িতে গোপন দাওয়াতী বেঠক চলছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে সেখানে থেকে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল্লাহ’র দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বুধবার সকালে তাদেরক গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জঙ্গি তৎপরতার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মেপ্র/ নিজস্ব প্রতিনিধি