মেহেরপুরে সদর উপজেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণের ও অন্যান্য কার্যকলাপের প্রতিবাদে মেহেরপুর সদর উপজেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার সন্ধ্যার দিকে মেহেরপুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এর সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিবাদ আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের কারণে দেশের মানুষ আজ বিপদগ্রস্ত অতএব সাবধান হন নির্দিষ্ট জায়গায় থেকে রাজনীতির চর্চা করে তারপরে রাজনীতির মাঠে লিফলেট বিতরণ সহ নানামুখী কর্মসূচি পালন করবেন। অন্যথায় মেহেরপুর জেলা যুবদল আপনাদের এই নৈরাজ্য শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।

যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স,সদর যুবদলের সভাপতি লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য মেহেদী হাসান রোলেক্স, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহিদুল ইসলাম।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, জেলা যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ফয়েজ মোহাম্মদ, অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান ফিরোজ, যুবদলের নেতা বখতিয়ার হাসান, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকাবিল্লা, যুবদলের সদস্য শামুয়েল হোসেন সনি, যুবদল নেতা রিপন মিয়া যুবদলের নেতা পাপ্পু, সবুজ, রাজু, শুভ, আকাশ, পিয়াস সহ যুবদলের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




মহাকাশে উপগ্রহের সংখ্যায় কোন ৭ দেশ বেশি এগিয়ে?

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর। পৃথিবীর কক্ষপথে স্পুটনিক-১ নামে একটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল সাবেক সোভিয়েত রাশিয়া। সেটাই ছিল প্রথমবারের মতো মহাকাশে অবতরণ করা কোনো উপগ্রহ। এরপর থেকে পেরিয়ে গেছে ৬৭ বছর। মহাকাশবিজ্ঞানে পৃথিবী এখন অনেকদূর এগিয়েছে। বহু দেশের হাজারো উপগ্রহ এখন চক্কর খাচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথে।

বিভিন্ন ধরনের উপগ্রহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে নিয়ে মহাকাশে পাঠায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। কেউ আবহাওয়ার গতিবিধি জানার জন্য, কেউ গবেষণা, কেউ আবার স্রেফ নজরদারি। অনেক উপগ্রহ যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রযুক্তি সরবরাহ করে। এমনকি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর খুঁজতেও মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে একাধিক উপগ্রহ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক পৃথিবীর এমন সাতটি দেশের নাম, যারা মহাকাশে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ পাঠিয়েছে।

তালিকার প্রথমেই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। বর্তমানে মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেশটি থেকে পাঠানো প্রায় তিন হাজার উপগ্রহ।

সামরিক, বাণিজ্যিক থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক—গত কয়েক দশকে বহু কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে নাসা। এছাড়া তালিকায় রয়েছে ‘স্পেস-এক্স’-এর মতো বেসরকারি সংস্থার পাঠানো উপগ্রহও।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মহাকাশে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ পাঠানো দেশ হিসাবে উঠে আসে চীনের নাম। সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মহাকাশে প্রায় ৫০০ কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে এই দেশটি। তালিকায় এর পরেই নাম রয়েছে রাশিয়ার। মহাকাশে রাশিয়ার ১৬৯টি উপগ্রহ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতোই রাশিয়ারও অনেক উপগ্রহ সামরিক, যোগাযোগ এবং বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্যে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

চীন এবং রাশিয়ার পরেই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেনের নাম। বর্তমানে ব্রিটেনের পাঠানো ১৩৫টি উপগ্রহ মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে কক্ষপথে। ব্রিটেনের উপগ্রহগুলো টেলিযোগাযোগ, পর্যবেক্ষণ এবং নেভিগেশনের মতো ক্ষেত্রে পারদর্শী। বর্তমানে মহাকাশে প্রযুক্তিতে টাকাও ঢালছে ব্রিটেন।

মহাকাশে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ পাঠানো দেশগুলোর তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে জাপান। জাপানের পাঠানো ৭৮টি উপগ্রহ বর্তমানে মহাকাশে রয়েছে। উন্নত প্রযুক্তির জন্য বিখ্যাত জাপান। তাই মহাকাশে সে দেশের পাঠানো উপগ্রহগুলোর প্রযুক্তিও নজর কেড়েছে বার বার।

তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের ৬৬টি উপগ্রহ বর্তমানে কক্ষপথে চক্কর খাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে কম খরচে ভালো উপগ্রহ তৈরি এবং তা মহাকাশে পাঠানোর জন্য নাম রয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর।

তালিকায় সাত নম্বর জায়গায় রয়েছে কানাডার নাম। কানাডার তৈরি ৫৬টি কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

মহাকাশে একাধিক দেশ একসঙ্গে মিলে তৈরি উপগ্রহের সংখ্যাও কম নয়। মহাকাশে ‘মাল্টিন্যাশনাল’ উপগ্রহের সংখ্যা প্রায় ১৮০। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

বেসরকারি ক্লায়েন্ট এবং জাতীয় সরকারকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্ষমতা প্রদানকারী বেসরকারি সংস্থাগুলোর ক্রমবর্ধমান সংখ্যার জন্য ব্যবসাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি তাদের নিজস্ব মহাকাশ প্রোগ্রাম ছাড়াই কম ধনী দেশগুলোতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করেছে।

সূত্র: যুগান্তর




ঝিনাইদহ সদর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সদর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। সভাপতিত্ব করেন সদও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ কামাল আজাদ পান্নু।

মিটিং পরিচালোনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলম।

আরো উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জর্দার, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন আল মামুন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন , প্রচার সম্পাদক এম আক্তার মুকুল, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম ফিরোজ, সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল খালেক, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক তৈফিকুর রহমানসহ ঝিনাইদহ সদর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সিনিয়র সহসভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক বৃন্দ।

প্রধান অতিথি প্রতিটি ইউনিয়নের সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।




যেভাবে গাজর খেলে দ্রুত কমবে ওজন

আপনার শরীরের ওজন কমাতে প্রতিদিন গাজর খান। কারণ গাজর শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। আপনার ত্বক ও চুলের পাশাপাশি এ সবজি চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো উপকারী। কিন্তু গাজর কীভাবে খেলে দ্রুত শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে তা হয়তো আপনি জানেন না। কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমাতে পারেন।

প্রতিদিন দুই টুকরো গাজর সিদ্ধ খান। শুধু শুধু খেতে সমস্যা হলে অল্প লবণ আর গোলমরিচ দিয়ে গাজর সিদ্ধ খেতে পারেন। এতে আপনার দ্রুত ওজন কমবে। আর যারা নিয়মিত সালাদ খান, তারা সালাদের একটি উপকরণ হিসেবে গাজর রাখুন। কারণ গাজর কাঁচা খেলে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া অবশ্যই জরুরি। এ ছাড়া গাজর দিয়ে সবজিও বানিয়ে খেতে পারেন। গাজরের তরকারি তৈরি করলে তার সঙ্গে কিছুটা বিট মিশিয়ে নিন। এ খাবার অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ক্যালরি কম। সেই সঙ্গে সহজে ওজন কমায়। আর পেট ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ।

এ ছাড়া দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন নিয়মিত এক কাপ গাজরের রস খেতে পারেন। স্বাদ বাড়াতে সামান্য লবণ আর গোলমরিচ মিশিয়ে নিতে পারেন গাজরের রসের মধ্যে। গাজর, আদা, পাতিলেবুর রস আর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ডিটক্স ড্রিঙ্ক তৈরি করেও খেতে পারেন আপনি। এতে দ্রুত মেদ ঝরবে।

শুধু গাজর দিয়েও তৈরি করে নিতে পারেন পুষ্টিকর ও সুস্বাদু সালাদ। এর জন্য গাজরের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল, পার্সলে পাতা, অল্প সাদা তিল, সামান্য বিট লবণ এবং গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যকর সালাদ তৈরি হবে।

আর অনেকেই ওজন কমানোর জন্য স্যুপ খান। সেখানে মেন্যুতে রাখতে পারেন গাজরের স্যুপ, যা শরীর হালকা রাখেবে। এতে শরীর পুষ্টি পাবে, ওজনও কমবে। গাজরের স্যুপ তৈরি করার জন্য গাজর ছাড়াও পেঁয়াজ, রসুন, সবজি, অলিভ অয়েল, জিরা-হলুদ গুঁড়ো, লবণ-গোলমরিচ দিতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর




কোটচাঁদপুরে নিয়ম বহির্ভূত অতিরিক্ত টাকা চাওয়ায় দলিল লেখা বন্ধ

কোটচাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ম বহির্ভূত অতিরিক্ত টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে দরকষাকষির একপর্যায়ে ক্ষোভে দলিল লেখা বন্ধ করে দেন দলিল লেখকরা। এতে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা ভুক্তভোগীরা চরম বিপাকে পড়েন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে ছয় ঘণ্টা পর কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সপ্তাহে দুই দিন জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। সেখানে দায়িত্বে আছেন সাব-রেজিস্ট্রার তামিম আহম্মেদ চৌধুরী। বুধবার সকালে তিনি দলিল লেখকদের অফিসে ডাকেন এবং জমি রেজিস্ট্রির অতিরিক্ত টাকা চাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দলিল লেখকদের ওপর অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

দলিল লেখক সমিতির সভাপতি বদর উদ্দিন জানান, “সকালে সাব-রেজিস্ট্রার আমাদের ডেকে বলেন, ওয়ারিশের জমির দলিলে অতিরিক্ত টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন অজুহাতে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিতে বলেন। আগে ওয়ারিশ সংক্রান্ত ফি ৫ হাজার টাকা নেওয়া হতো, কিন্তু এখন আরও বেশি নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে, যা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দলিল লেখকরা অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এবং দলিল লেখা বন্ধ করে দেন। এতে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা ভুক্তভোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

হরিণদিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমরা জমি রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু অফিস থেকে ওয়ারিশ সংক্রান্ত ফি বাবদ ১০ হাজার এবং প্রত্যয়ন ফি বাবদ আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তবে সাব-রেজিস্ট্রার সরাসরি টাকা নেন না, অফিসের বড় বাবু আবদুল মালেক ও টোটন নামের এক ব্যক্তি টাকা নেন।”

সাব-রেজিস্ট্রার তামিম আহম্মেদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সকালে দলিল লেখকদের ডেকে জমি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। আমি একটি বিষয় বলার পর তারা রাজি হননি। পরে আমি তাদের চলে যেতে বললে তারা বাইরে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দলিল লেখা বন্ধ করে দেন। এতে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।”

কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অপু কুমার বিশ্বাস জানান, “ওসি স্যার আমাকে জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সমস্যা হচ্ছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পাই। এখনো পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিসুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব-রেজিস্ট্রার। এ বিষয়ে তার সঙ্গেই কথা বলুন। আমার কোনো মন্তব্য নেই।”

পরবর্তীতে ইউএনওর মধ্যস্থতায় দলিল লেখকরা আবার দলিল লেখা শুরু করেন, ফলে ছয় ঘণ্টা পর জমি রেজিস্ট্রি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।




স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ১৪২

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে লোকবল নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েকটি পদে মোট ১৪২ জনকে নিয়োগে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে যে কেউ যোগ দিতে পারবেন। ৪ ফেব্রুয়ারি পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

পদের নাম ও পদসংখ্যা

১. পরিসংখ্যানবিদ

পদসংখ্যা: ৫

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

২. অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ২

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৩. স্টোরকিপার

পদসংখ্যা: ৪

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৪. স্বাস্থ্য সহকারী

পদসংখ্যা: ১২৬

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৫. গাড়িচালক

পদসংখ্যা: ২

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৬. স্টোরকিপার

পদসংখ্যা: ১

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৭. কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ১

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৮. ওয়ার্ড মাস্টার

পদসংখ্যা: ১

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বয়সসীমার শর্তাবলি জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদনের বয়স

আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স ২৪-০২-২০২৫ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের জন্য অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদনের নিয়ম

আগ্রহী প্রার্থীরা http://cs.muns.teletalk.com.bd/ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করে ২৪-০২-২০২৫ তারিখ পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন।

সূত্র: যুগান্তর




গাংনীতে পিএসকেএসের ফ্রী স্বাস্থ্য ক্যাম্প

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক সহায়তা এবং পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির বাস্তবায়নে, গাংনী উপজেলার পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির কাজিপুর শাখা কার্যালয়ে বিনামূল্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে গাংনীর কাজিপুর ইউনিয়নের সর্বসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। উক্ত স্বাস্থ্য ক্যাম্পে মোট ১৮৪ জন রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়।

স্বাস্থ্য ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির সমৃদ্ধি কর্মসূচির উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ জামিদুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ রাকিবুল ইসলাম, কাজিপুর ইউনিয়ন প্রবীণ কমিটির সভাপতি মোঃ আন্জুমান ইসলাম, সদস্য মোঃ খেতাব আলী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাদী।




৪০ কোটি পেরিয়েছে ‘দুষ্টু কোকিল’, দেশীয় সিনেমার গানে রেকর্ড

গেল বছর সিনেমায় সবচেয়ে আলোচিত গান ছিল ‘দুষ্টু কোকিল’। যে গানে সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল ওপার বাংলার মিমি চক্রবর্তীকে।

গ্লোবালি ব্লকবাস্টার ‘তুফান’ ছবির ‘দুষ্টু কোকিল’ প্রকাশের পর দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষীরা মজেছিল এই গানে। রিলস, টিকটক থেকে শুরু করে বিয়েবাড়ি জন্মদিন, পিকনিক এমনকি খেলার মাঠে ক্রিকেটাররাও এ গানের তালে নেচে উল্লাস করে থাকেন হরহামেশাই!

এ কারণে মাত্র ৭ মাসে চরকি ও এসভিএফের দুই ইউটিউব চ্যানেল থেকে গানটির ভিউ ৪০০ মিলিয়ন (৪০ কোটি) ছাড়িয়েছে। যা দুই বাংলার বাংলা ভাষার গানের মধ্যে বিরল রেকর্ড!

হিসেব মতে, পৃথিবীময় ৪০ কোটি বাংলা ভাষাভাষী রয়েছে। তাদের একবার হলেও নজরে এসেছে আলোচিত ‘দুষ্টু কোকিল’! গানটির অভূতপূর্ব সাফল্যে ইউটিউবের হাজারও মন্তব্যে লেখা হয়েছে, বাংলা সিনেমার গানে এমন অনন্য নজির শুধু শাকিব খানের পক্ষেই সম্ভব!

শুধু ‘দুষ্টু কোকিল’ গান নয়, ‘তুফান’ ছবির ‘লাগে উরাধুরা’ গানটিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। গান আর অ্যাকশানে ভরপুর ‘তুফান’ ছবিতে শাকিবের অভিনয় মুন্সিয়ানায় বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ছবির আলাদা চেহারা দেখেছে বিশ্ব। এ কারণে ‘তুফান’ গ্লোবালি ব্লকবাস্টার হয়েছিল।

পাশাপাশি জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আগ পর্যন্ত টানা দুই মাস ধরে সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোতে হাউজফুল দিয়েছিল ‘তুফান’। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ শো নিয়ে সিনেপ্লেক্সের ২০ বছরে প্রদর্শিত সব ছবির আয়ের রেকর্ডও ভাঙেন শাকিব। এ কারণে ঘোষিত হয়েছে ‘তুফান ২’ নির্মাণের।

আলফা আই প্রযোজিত রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ ছবির ‘দুষ্টু কোকিল’ গানটি লেখা ও সুর সংগীত করেন আকাশ সেন। গানে কণ্ঠ দেন কণা ও আকাশ। কোরিওগ্রাফার ছিলেন মুম্বাইয়ের আদিল শেখ।

এর ডিজিটাল পার্টনার ছিল চরকি, ইন্টারন্যাশাল পার্টনার এসভিএফ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, মিশা সওদাগর, ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, সালাহউদ্দিন লাভলু, হাসনাত রিপন, গাউসুল আলম শাওন, মানব সাচদেব।

‘তুফান’-এর চিত্রনাট্য করেছেন আদনান আদিব খান, সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন তাহসিন রহমান, আর্ট ডিরেকশন দিয়েছন শিহাব নুরুন নবী, কস্টিউম করেছেন ফারজানা সান।

সূত্র: ইত্তেফাক




পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিকরা একই সমস্যা ভোগ করেন-সৈয়দ আহাম্মেদ

পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহাম্মেদ মারুফ বলেছেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আপনাদের মত জনগণ দ্বারা পরিচালিত হয় এবং আপনারাই দেশ দুটির চলিকাশক্তি। সবচেয়ে মজার বিষয় আপনারা যে সমস্যায় ভোগেন ঠিক পাকিস্তানের নাগরিকরাও সেই সমস্যা ভোগ করেন।

তিনি আরো বলেন বাংলাদেশের দরিদ্র খামারিদের জন্য উন্নত জাতের শাহী ওয়াল গাভীর পাশাপাশি ভেড়া ও ছাগল দিতে প্রস্তুত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের খামারিদের জীবনমান আরও সমৃদ্ধ হবে।

পাকিস্তানের হাই কমিশনার বুধবার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হরিহারা প্রাইমারি স্কুল মাঠে প্রান্তিক খামারীদের এক সমাবেশে বক্তৃতা দানকাল এ কথা বলেন। তবে পাকিস্তান মাংস ও দুধ উৎপাদনে বেশ এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের হতদরিদ্র খামারিদের জন্য স্থান উন্নত জাতের গবাদি পশু দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি প্রস্তাবনা তিনি আশা করেন। তিনি বলেন, প্রাণী সম্পদ উপদেষ্টার দপ্তর থেকে একটি প্রস্তাবনা ইসলামাবাদে পাঠানো হলে বাংলাদেশী জনগণের জন্য উন্নত জাতের গবাদিপশু দ্রুত পাঠানো সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছে তাদের পরিবারকে সহযোগীতা ও আহতদের পুর্নবাসনের জন্য আলাদা অধিদপ্তর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের অধিনে এ অধিদপ্তরটিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের সহযোগীতা করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, এলডিডিপির প্রকল্প পরিচালক ড. জসিম উদ্দিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সাবেক ডীন ড. আমিনুল হক, জেলা প্রাণিসস্পদ অফিসার ডা: এ,এস,এম আতিকুজ্জামান, তিস্তা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ও শৈলকূপা সম্মিলিত খামারি পরিষদের মুখপাত্র হুমায়ন কবির বাবর ও শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা উপজেলার বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের ৭২০ জন খামারি উপস্থিত ছিলেন।




পাঁচ দিনের ক্যাম্প শেষে দুবাই যাবেন টাইগাররা

বিপিএলের মধ্যেই বেজে উঠেছে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দামামা। অবশ্য বাংলাদেশের ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি শেষ হতে বাকি মাত্র কয়েক দিন। এর পরই শুরু হবে জাতীয় দলের ব্যস্ততা। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য মিরপুরে টাইগারদের ক্যাম্প শুরু হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে।

সবকিছু ঠিক থাকলে ৭ ফেব্রুয়ারি হবে বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচ; অর্থাৎ তার পরের দিনই শুরু জাতীয় দলের ক্যাম্প। সেটি চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দেবেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। দুবাইয়ে পৌঁছে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলারও কথা রয়েছে শান্তদের।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টায় ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত ছেড়ে টাইগার বাহিনী যাবে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে। সেখানে ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড ও ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানকে মোকাবিলা করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সবশেষ ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির যে কোনো টুর্নামেন্টে সেটিই দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য। এবার সেটি ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয় কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিস বলেছেন, ক্যাম্প চলাকালে পাঁচদিনের মধ্যে চাইলে বিরতি নেওয়া যাবে।

সূত্র: ইত্তেফাক